ঠাকুরগাঁও-১
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নির্বাচনি এলাকায় মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। রাত থেকে বন্ধ রয়েছে মোটরসাইকেল চলাচলও। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইরেন বাজিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ, এসআরবি ও বিজিবির গাড়ি।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাইকিং, মিছিল, সভা-সমাবেশে মুখর নির্বাচনি এলাকায় এখন নীরবতা বিরাজ করছে। তবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের ক্রমিক নম্বর-সংবলিত চিরকুট বিতরণ করতে দেখা গেছে অনেককে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।
ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে রয়েছে ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।
উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন প্রার্থী। তারা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, কোনো পক্ষকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনের ফলাফল যে পক্ষের অনুকূলে যাক না কেন, তা মেনে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব বলেও মনে করেন পুলিশ সুপার।
এদিকে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি এলাকায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সুরুজ মিয়া।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রচার কার্যক্রম শেষ হওয়ায় এখন ভোটের অপেক্ষায় প্রার্থী ও ভোটাররা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চান ভোটাররা। সব প্রস্তুতি শেষে বৃহস্পতিবারের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল।
৭ দিন আগে
উপনির্বাচন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচনি পরিবেশ প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এ সময়ে নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার নন, এমন ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ছাড়া অন্য কেউ নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।
এ নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, উপনির্বাচন যেন প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭২ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফল আন্দোলনের মো. আব্দুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হয়। সেই শূন্য আসনেই আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম।
৯ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে কারচুপি হলে কঠোর প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি জামায়াতের
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করা হলে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। প্রয়োজনে এ আসনকে কেন্দ্র করে সরকার পতনের আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ভোটে কোনো ধরনের টালবাহানা বা কারচুপি করা হলে ভোটকেন্দ্র থেকে নির্বাচন অফিস পর্যন্ত ঘেরাও করা হবে। কোনো প্রিসাইডিং কর্মকর্তা অনিয়ম করলে তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
জনসভায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ক্ষুদ্রঋণ এবং ইমাম-খতিবদের ভাতা ও বেতন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তোলেন জামায়াত নেতা।
তিনি বলেন, বিএনপির প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁওকে শূন্য করে ফেলা হবে। এ অঞ্চলকে বাঁচাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে।
বিএনপির সমালোচনা করে গোলাম পরওয়ার বলেন, দলটির দিন ফুরিয়ে আসছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখাতে হবে। চাঁদাবাজি ও দখলদারির রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আগামী ২৯ তারিখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে তাদের দলের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৭১ সাল নিয়ে বিএনপি জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। তার দাবি, বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর পরিবারের সদস্যরাও সে সময় অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এছাড়া বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে দলটির বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ তোলেন তিনি এবং নেতাকর্মীদের আচরণ নিয়েও কটাক্ষ করেন।
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও মাওলানা আবদুল হালিম।
১১ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিনগুণ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য থাকবে। তাই এই উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে মনে করে কমিশন।
সভায় সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন কমিশনার।
পাশাপাশি নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং দায়িত্ব পালনকারী বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
২১ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল গতকাল (বুধবার) বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সময়সীমা শেষ হওয়ার পর এ আসনে পাঁচটি দলের পাঁচজন প্রার্থী রয়েছেন।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন হাতপাখা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী পেয়েছেন বটগাছ ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক পেয়েছেন ডাব প্রতীক।
এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন আগামী ২৯ অক্টোবর উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে।
ঠাকুরগাঁও সদর, নবগঠিত রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন।
২৭ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে পাঁচ দলের ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পাঁচটি রাজনৈতিক দলের ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়নপত্রগুলো বৈধ ঘোষণা করেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ্ মাসুদ, ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন, পাঁচটি রাজনৈতিক দলের ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন এবং তারা সবাই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। আজ (মঙ্গলবার) তফসিল অনুযায়ী যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ ছিল।
এ সময় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকটি দলের প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সবার প্রতি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ আগামী ৭ অক্টোবর। এরপর ৮ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন তৎকালীন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তিনি ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
৩৬ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সলের মনোনয়ন দাখিল
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এ সময় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র জমা শেষে মির্জা ফয়সল আমিন জানান, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কাজ করতে চান। সেই সঙ্গে নির্বাচনে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা ঘিরে প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।
এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফয়সল আমিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. নূর-এ-শাহাদাত স্বজন।
এদিকে গতকাল (শনিবার) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দেলাওয়ার হোসেন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
৩৮ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার তিন সপ্তাহর মাথায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর এ উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে জ্যেষ্ঠ ইসি সচিব আখতার আহমেদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৭ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২৯ সেপ্টেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর।
প্রতীক বরাদ্দ ৮ অক্টোবর এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৯ অক্টোবর।
গত ২০ অগাস্ট জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির এ প্রার্থী পরদিন শপথ নিলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়।
৫৫ দিন আগে
ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি আসনেই বিএনপির জয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুযারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শান্তিপুর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল পরিমাণ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭ ভোট। এ ছাড়াও আরেক প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫১ ভোট।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১১ হাজার ৬২৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৩ ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭১ জন। মোট কেন্দ্র ছিল ১৮৫টি। ভোটে অংশগ্রহণ করেছে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০৪ জন। ভোটের প্রদানের হার ৭৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুস সালাম ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল হাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৪৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৩২ ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১৬ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১০৪টি। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৭১১ টি। ভোট দেওয়ার হার ৭৩ দশমিক ৪ শতাংশ।
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. জাহিদুর রহমান জাহিদ ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯৩৪ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭০১ ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪২৬ জন। মোট কেন্দ্র ১২৮টি। ভোট দিয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৮৩৪ জন। ভোট পড়েছে ৭২ দশমিক ১৪ শতাংশ।
২৬৪ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ১২৯ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে মির্জা ফখরুল
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১২৯টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ১ লাখ ৬১ হাজার ২৪৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অপরদিকে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামী মনোনীত ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৩৬৮ ভোট।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ১০৪টির মধ্যে ৮১টি কেন্দ্রের ফলাফলে মাওলানা আব্দুল হাকিম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৮৯ ভোট এবং ডা. আব্দুস সালাম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৭৮২ এবং
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপির জাহিদুর রহমান (ধানের শীষ) ২৭ হাজার ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম জামায়াতের মিজানুর রহমান।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে এবার মোট ২০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে দুইজন নারী প্রার্থী রয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৩ জন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ৭ জন এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
তিনটি আসন মিলিয়ে জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১২ লাখ ৫৫ হাজার ১৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪৮৮ জন, পুরুষ ভোটার ৬ লাখ ৭০ হাজার ২২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭ জন।
জেলায় পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ১০ হাজার ২৯২ জন ভোটার, যার মধ্যে নারী ২ হাজার ৩২৬ জন এবং পুরুষ ৭ হাজার ৯৬৬ জন।
২৬৫ দিন আগে