কৃষক কার্ড
পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্ধোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড চালুর পর এবার নিজের নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, রবিবার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃষক কার্ড-সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে এটি পাইলট প্রকল্প আকারে চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক ও অসহায় কৃষকরা ফ্যামিলি কার্ডের মতোই বিশেষ কিছু সুবিধা পাবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি, সার, বীজ এবং কীটনাশক সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে যোগ্য ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ অন্যান্যরা বৈঠকে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি নির্বাচনি ইশতেহারে নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য মাসিক ভাতা সম্বলিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তার একটি অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণ হয়েছে। সরকার গঠনের মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনি এলাকা বনানীর কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে এই কার্ডের উদ্বোধন করেন।
২৩ দিন আগে
ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণে অনিয়ম সহ্য করা হবে না
ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (ইউএনবি)— ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণে কোনো প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি সহ্য করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রকৃত উপকারভোগী পরিবার ও কৃষকদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দ্রুতই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। এসব কার্ড বিতরণে কোনো প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি সহ্য করা হবে না।
তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণে একটি জনবান্ধব সরকার পরিচালনায় প্রশাসনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের কথা ধৈর্য সহকারে শুনে ব্যবস্থা গ্রহণে জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেন তিনি।
ফকির মাহবুব আনাম প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, মধুপুরে বখাটে দেখতে চাই না। জনগণ যাতে নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও ইন্টারনেটভিত্তিক অপরাধ, বিশেষ করে অনলাইন জুয়া থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনকে আরও সজাগ থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিকতা নিশ্চিত করে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে টাঙ্গাইলকে আদর্শ জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
মতবিনিময় সভার আগে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মধুপুর শহরের সাথীর মোড়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ রাস্তার সাথীর মোড় থেকে টুটুল ট্রেডার্স পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুবায়ের হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর তিনি ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরজাহান আক্তার সাথীর সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
৩৮ দিন আগে
কৃষকদের সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
প্রকৃত কৃষকদের শনাক্তকরণ এবং সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। তাই কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষকরা যাতে ন্যায্য পাওনা ও সরকারি ভর্তুকি সহজে পান, তা নিশ্চিত করতেই এই স্মার্ট কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
সভায় দেশের প্রান্তিক কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং কৃষি প্রণোদনা বিতরণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে কৃষক কার্ড চালুর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় কৃষক কার্ডের কারিগরি দিক, বিতরণ পদ্ধতি এবং ডাটাবেজ তৈরির অগ্রগতি অবহিত করা হলে প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের দিক-নির্দেশনা দেন।
সভায় মন্ত্রিসভার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪৩ দিন আগে