ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
এইচএসসিতে অকৃতকার্যরা ১-২ মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষার সুযোগ পাবে: শিক্ষামন্ত্রী
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। তবে তাদের শুধু যেসব বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব বিষয়েই পরীক্ষা দিতে হবে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে সারা দেশের পরীক্ষার ফল ঘোষণার সময় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।
এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন।
২০০৪ সালের পর এবারই পাসের হার সর্বনিম্ন। ওই বছর পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজার ৯৭। অর্থাৎ এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন বা প্রায় ৪২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছেলে ও ১৯ হাজার ৭২১ জন মেয়ে।
বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ, রাজশাহীতে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, কুমিল্লায় ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, যশোরে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, বরিশালে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, সিলেটে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, দিনাজপুরে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ, মাদরাসা বোর্ডে ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ ও কারিগরি বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
এবারের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে কয়েকটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। পরে ৯ সেপ্টেম্বর ওই বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হয়।
এদিকে এ বছর ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২০২। অর্থাৎ এবার এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। এবার মোট ৯ হাজার ৩৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়।
৪ দিন আগে
দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেই সঙ্গে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে নীতি ও নৈতিকতার আলোয় ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
চীন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন নলেজ ইন্টিগ্রেশন অ্যান্ড এডুকেশনাল লিডারশিপ-২০২৬ সম্মেলনে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী। বর্তমানে তিনি বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলন-২০২৬-এ যোগ দিতে চীনে অবস্থান করছেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের মূল নৈতিক ভিত্তি থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছি, যা গভীরভাবে ভেবে দেখার বিষয়। আর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে।’
চীন সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্বের ১০০টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত সম্মেলনে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এ সমঝোতার আওতায় বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ছয়টি অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ জন্য শিক্ষা কার্যক্রমে সমন্বয় করা হবে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (বিআইআইটি) ও আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, নাইজেরিয়া, ভারত, পাকিস্তানসহ প্রায় ১৫টি দেশের গবেষক, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা অংশ নেন।
তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তারা আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় জ্ঞান ও নৈতিকতার সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলেন, ‘নৈতিক শিক্ষার সঙ্গে জাগতিক শিক্ষার আমরা কোনো সমন্বয় করতে পারছি না। আমাদের গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে সমাজের চাহিদা অনুযায়ী উপযুক্ত দক্ষতার অভাব দেখা যাচ্ছে। যেখানে দেশে সাধারণ বেকারত্বের হার প্রায় ৩.৫ শতাংশ, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা বেকারের হার ১৩.৯ শতাংশ, যা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং একটি জাতীয় ব্যর্থতা।’
সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বিআইআইটির মহাপরিচালক অধ্যাপক আবদুল আজিজ।
এছাড়া স্বাগত বক্তব্য দেন আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল হক ও এক্সটেনশন সার্ভিসেস সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সরওয়ার মোর্শেদ এবং ইউনিভার্সিটি সেইনস ইসলাম মালয়েশিয়ার লিডারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ফ্যাকাল্টির ডিন সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রুশদান মাহাদ জিলানী।
পাশাপাশি শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান।
অনুষ্ঠান শেষে আয়োজক ও সহ-আয়োজক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য দেন ইউনিভার্সিটি সেইনস ইসলাম মালয়েশিয়ার অধ্যাপক ড. মো. ইউসুফ আলী।
১৬ দিন আগে
নিম্নমানের বই সরবরাহে জড়িতদের শাস্তি দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
নিম্নমানের পাঠ্যবই সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, পাঠ্যবইয়ের মানের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। ইতোমধ্যে যেসব নিম্নমানের বই পাওয়া গেছে, সেগুলো বাতিল ও নষ্ট করা হয়েছে। নিম্নমানের বই সরবরাহের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পাঠ্যবই ছাপায় গুণগত মানে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কাগজ, কালি ও ছাপাখানার ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী চান দেশীয় মুদ্রণশিল্প গড়ে উঠুক। তাই এ বছর বিদেশি কোনো কোম্পানিকে মুদ্রণের কাজ দেওয়া হয়নি।
এর আগে সময়মতো গুণগত মানের বই ছাপানো সম্ভব হয়েছে এবং আগামীতেও তা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এছাড়া মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ১৫০টি উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কর্মসূচি চালু রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ কর্মসূচি সারাদেশে বিস্তৃত করা হবে।
মানসম্মত খাবার সরবরাহের লক্ষ্যে মিড ডে মিল কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের জন্য কুপন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। খাদ্য তালিকায় আরও নতুন খাবার যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা কুপন দিয়ে ক্যান্টিন থেকে নিজেদের খাবার কিনতে পারবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে খাবার সরবরাহ প্রক্রিয়া বিকেন্দ্রীকরণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমে কয়েকটি জেলায় এ ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে পরে সারাদেশে বাস্তবায়ন করা হবে।
চতুর্থ শ্রেণিতে স্পোর্টস ও কালচারাল বই অন্তর্ভুক্তির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নতুন সিলেবাস প্রণয়ন করা হচ্ছে।
পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে মানবসম্পদ উন্নয়নের বিকল্প নেই উল্লেখ করে এহছানুল হক মিলন জানান, প্রত্যেক উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় ভাষা চালু করা হবে। সৌদি আরবেও টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ করা হবে।
আগামীতে পরীক্ষার দুই সেট প্রশ্ন দুই জায়গা থেকে ছাপানো হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র বিজি প্রেস ও আর্মি সিকিউরিটি প্রেস থেকে করা হবে। পরীক্ষা গ্রহণের কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে যাতে সময় নষ্ট না হয়, সে জন্য সময়মতো পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং বর্ষাকালীন দুর্যোগও এড়িয়ে চলা হবে।
পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নের পরিবর্তন বাস্তবতার নিরিখে আনা হয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এহছানুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশকে এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে ক্রস-বর্ডার এডুকেশন সিস্টেম চালু করা হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিশ্বের শীর্ষ ৫০০-এর মধ্যে থাকা বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে শাখা খুলতে চাইলে তাদের অনুমোদন দিতে বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন করা হবে বলেও জানান তিনি।
৩২ দিন আগে
স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি বাতিল, ২০২৭ থেকে ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা
দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে আর লটারি পদ্ধতি থাকছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব শ্রেণিতে ভর্তিতে পরীক্ষা নেব। তবে খুব জটিল কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না। ক্লাস ওয়ানে তো আর আমরা ওদের নিউরোসার্জন বানাব না। একটা সিম্পল টেস্টের মাধ্যমে স্কুলে ভর্তি করানো হবে।’
ভর্তি পরীক্ষা ফিরলে কোচিং বাণিজ্য ও তদবির বাড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখানে কোচিং করানোর সুযোগ রাখা হবে না। সিম্পল টেস্ট হবে... সাধারণভাবে সবকিছু হবে। এটা নিয়ে অভিভাবকদের চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমি মনে করি, লটারি করে ভর্তি করানো কোনো শিক্ষাব্যবস্থায় থাকতে পারে না।’
২৩৩ দিন আগে
শতভাগ স্বাক্ষরতা অর্জনে সময়সীমা নির্ধারণ করে কর্মসূচি নেওয়ার তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর
শতভাগ স্বাক্ষরতা অর্জনের লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে কর্মসূচি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষার মূল কাজ কেবল স্বাক্ষরতা দান করা নয়, এর পরিধি আরও বিস্তৃত। স্থানীয় কমিউনিটি, পথশিশু এবং বিভিন্ন সামাজিক অপরাধে যুক্ত কিশোরদেরও উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষার আওতায় আনতে হবে।
বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকায় উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রধান কার্যালয়ে দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, স্বাক্ষরতার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য চলমান প্রাক-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে পরিচালনার উদ্যোগ নিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক দেবব্রত চক্রবর্তীসহ ব্যুরো ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ব্যুরোর কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লক্ষ্য হলো শিক্ষা ও দক্ষতার সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে একটি জ্ঞানভিত্তিক, দক্ষ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
২৪৪ দিন আগে