দক্ষিণ কোরিয়া
টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর
টেকসই, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, অবকাঠামো উন্নয়ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আঞ্চলিক যোগাযোগ, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার কো-অপারেশন কনফারেন্স (জিআইসিসি) ২০২৬-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমি, অবকাঠামো ও পরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এবং ইন্টারন্যাশনাল কনট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব কোরিয়ার (আইসিএকে) ব্যবস্থাপনায় তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘কো-অপারেশন অন গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্টস ওপেনড বাই এআই’।
এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, অবকাঠামো সংশ্লিষ্ট সংস্থা, বহুপাক্ষিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী এবং শীর্ষস্থানীয় নির্মাণ ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে শেখ রবিউল আলম আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সহনশীল, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়নের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, জ্ঞান ও কারিগরি দক্ষতার সমন্বয় প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা জরুরি।’
১০ দিন আগে
পাইলটরা ছবি তুলতে গিয়েই সংঘর্ষ হয়েছিল সেই দুই যুদ্ধবিমানের
২০২১ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় মাঝ আকাশে দুটি যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার পাঁচ বছর পর অবশেষে দুর্ঘটনার কারণ সামনে এসেছে। তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, বিমানের পাইলটরা ছবি তোলা ও ভিডিও করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল, দীর্ঘদিন পর বুধবার (২২ এপ্রিল) তারা এক প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করেছে।
তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বিমানদুটি একটি ফ্লাইট মিশনে থাকাকালে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনায় পাইলটরা কোনো আঘাত না পেলেও বিমানদুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা মেরামত করতে দেশটির সামরিক বাহিনীর খরচ হয়েছে ৮৮০ মিলিয়ন ওন।
ওই ঘটনার পর সামরিক বাহিনী ছেড়ে দেওয়া এক পাইলটকে ৮৮ মিলিয়ন ওন জরিমানা করা হয়।
ওই পাইলট মূলত তার শেষ ফ্লাইট স্মরণীয় করে রাখতেই কিছু ছবি তুলতে চেয়েছিলেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লাইটের আগে দেওয়া ব্রিফিংয়ে তার এই ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।
অডিট বোর্ড জানায়, গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইট থেকে ছবি তোলা তখন পাইলটদের মধ্যে ‘ব্যাপকভাবে প্রচলিত’ ছিল। ঘটনার আগমূহুর্তে অভিযুক্ত পাইলট উইংম্যান বিমানটি চালাচ্ছিলেন এবং মিশনের সময় লিড বিমানের অনুসরণ করছিলেন। এরপর বেসে ফেরার সময় তিনি তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ছবি তুলতে শুরু করেন। বিষয়টি লক্ষ করে লিড বিমানের পাইলট তার সঙ্গী আরেক পাইলটকে উইংম্যান বিমানের ভিডিও ধারণ করতে বলেন। এরপর উইংম্যান হঠাৎ করে তার জেট বিমানটি আরও উঁচুতে নিয়ে যান এবং ক্যামেরায় ভালোভাবে ধরার জন্য সেটিকে উল্টে দেন। এর ফলে দুটি বিমান খুব কাছাকাছি চলে আসে।
সংঘর্ষ এড়াতে সে সময় লিড বিমানটি দ্রুত নিচে নামার চেষ্টা করে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিমানদুটির সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় লিড বিমানের বাঁ দিকের ডানা এবং উইংম্যানের বিমানের লেজের স্ট্যাবিলাইজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ওই ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়ার বিমানবাহিনী পাইলট উইংম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করে। বরখাস্ত হওয়ার পর সামরিক বাহিনী ছেড়ে একটি বাণিজ্যিক এয়ারলাইনে কাজ শুরু করেন তিনি।
পরবর্তীতে, মেরামতের পুরো খরচ আদায় করতে বিমান বাহিনী উইংম্যানকে ৮৮০ মিলিয়ন ওন জরিমানা করতে চায়। তবে পাইলট যখন এই জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল করেন, তখন বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়।
তদন্ত চলাকালে উইংম্যান স্বীকার করেন যে তার এই কৌশলী চালনার কারণেই সংঘর্ষ হয়েছিল। তবে তিনি যুক্তি দেন যে লিড বিমানের পাইলটও এ বিষয়ে ‘নীরব সম্মতি’ দিয়েছিলেন, কারণ ভিডিও ধারণের বিষয়টি তিনি দেখেছিলেন।
শেষ পর্যন্ত তদন্ত কমিটি থেকে সিদ্ধান্ত হয় যে উইংম্যানকে বিমানবাহিনী যে জরিমানা করতে চেয়েছিল, তার এক-দশমাংশ পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি পাইলটদের ব্যক্তিগতভাবে ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়ে যথাযথ নিয়ম না থাকায় বিমান বাহিনীরও এ ঘটনায় কিছু দায় রয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
১৫৬ দিন আগে
বিটিএসের পৃষ্ঠপোষক কে-পপ মোগলকে খুঁজছে দ. কোরিয়ার পুলিশ
বিনিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগে বিখ্যাত কোরিয়ান কে-পপ সংগীত ব্যান্ড বিটিএসের পৃষ্ঠপোষক সংগীত মোগল ব্যাং সি-হিউককে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ। জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অবৈধ অর্থ উর্পাজন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ব্যাং সি-হিউক স্বনামধন্য মিউজিক কোম্পানি হাইবের (HYBE) প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। গত বছরের নভেম্বর থেকেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত চলছে। সরকারপক্ষের আইনজীবীর কাছে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির অনুরোধ করেছে সিউল মেট্রোপলিটন পুলিশ এজেন্সি।
ব্যাং হিউকের আইনজীবী দলের কাছে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছিল অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। তবে ওই অভিযোগের বিষয়ে কোনো জবাব না দিয়ে এক বিবৃতিতে দুঃখ প্রকাশ করেছে তারা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তে ‘সম্পূর্ণ সহযোগিতা’ করা সত্ত্বেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।
বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, ‘আমরা সব আইনি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা চালিয়ে যাব এবং আমাদের অবস্থান পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
কোরিয়ান এই সংঙ্গীত মোগলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ২০১৯ সালে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করে বলেছিলেন আপাতত তার কোম্পানির শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। এর ফলে অন্যান্য বিনিয়োগকারীরা তার কথায় প্ররোচিত হয়ে হাইবের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) নিয়ে অগ্রসর হওয়ার আগেই তাদের শেয়ার একটি প্রাইভেট ইক্যুইটি ফান্ডের কাছে বিক্রি করা হয়।
পুলিশের ধারণা, ওই ফান্ড মূলত একটি গোপন চুক্তির যেখানে আইপিও-পরবর্তী শেয়ার বিক্রির লাভের ৩০ শতাংশ দেওয়ার কথা ছিল, সেখানে তাকে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ওন (১৩৬ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করা হয়েছে।
২০০৫ সালে বিগ হিট এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে হাইব প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ব্যাং সি-হিউক পপ সংগীত শিল্পের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। বিটিএস ছাড়াও তিনি সেভেনটিন, লে সেরাফিম এবং কাটসেয়ের মতো জনপ্রিয় শিল্পীদের তত্ত্বাবধান করেন।
গত মাসে সিউলে অনুষ্ঠিত বিনামূল্যের একটি ক্যামব্যাক কনসার্টে বিটিএস হাজার হাজার আন্তর্জাতিক ভক্তের সামনে পারফর্ম করে। এছাড়া তারা দক্ষিণ কোরিয়ার গয়াং শহর এবং টোকিওতেও একাধিক কনসার্ট করেছে। চলতি মাসের শেষ দিকে ফ্লোরিডার ট্যাম্পায় একটি কনসার্টের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের ইভেন্ট সিরিজ শুরু করার কথা রয়েছে। তবে বর্তমানের এই আইনি জটিলতায় হাইবে একটি বড় জনসংযোগ সংকট তৈরি হয়েছে।
১৫৭ দিন আগে
দক্ষিণ কোরিয়ায় দাবানলের গ্রাসে প্রাচীন মন্দির, প্রাণহানি ২৬
নজিরবিহীন দাবানলে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রাচীন মন্দিরের বড় অংশই ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া জাতীয় সম্পদ হিসেবে আখ্যায়িত করা দুটি ভবন আগুনে ধসে পড়েছে। বুধবার (২৭ মার্চ) দেশটির কর্মকর্তারা এমন তথ্য জানিয়েছেন।
গেল পাঁচদিন ধরে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলের মুখে পড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এতে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। তিনশতাধিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। ৩৭ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
খ্রিষ্টপূর্ব ৬৮১ অব্দে শিলা রাজবংশের সময় গৌনসা মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কোরীয় উপদ্বীপটির অর্ধেকেরও বেশি সময় শাসন করেছেন তারা। উইসিং শহরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ডিউনগুন পাহাড়ের পাদদেশে মন্দিরটির অবস্থান।
প্রাচীন আমলে নির্মিত ভবনগুলো যদিও কোনো আবাসিক ভবন না, তবে পরবর্তীতে এখানে কিছু সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবার আগুনের গ্রাসের মধ্যে পড়ে যায় মন্দিরটি। এতে ৩০টি ভবনের মধ্যে প্রায় ২০টি আগুনে ধসে পড়ে।-খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি)।
হেলিকপ্টার দিয়ে পানি ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তীব্র বাতাসে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে দাবানলের লেলিহান শিখা। নিহতের মধ্যে ৪ ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ও একজন পাইলটও রয়েছেন।
উইসিয়ং অঞ্চলে দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়ে ওই পাইলট প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে সিউল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া আহতদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান সরকারি কর্মকর্তারা।
তবে নিহতদের ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। নিহতরা বেশিরভাগ ৬০ থেকে ৭০ বছর বয়স্ক বলে জানান তারা।
আরও পড়ুন: দাবানলে জ্বলছে দক্ষিণ কোরিয়া, নিহত বেড়ে ১৮
৫৪৭ দিন আগে
দাবানলে জ্বলছে দক্ষিণ কোরিয়া, নিহত বেড়ে ১৮
ভয়াবহ দাবানলের কোপে পড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দাবানলের আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি; এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৮ জন, এছাড়া আরও অন্তত ১৯ জন আহত হওয়ার খবর মিলেছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ মার্চ) এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা। নিহতদের মধ্যে ৪ ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাও রয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারি তথ্যমতে, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অন্তত পাঁচটি এলাকায় দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও সামরিক বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন বলে জানানো হয়েছে। হতাহতের আশঙ্কা এড়াতে প্রায় ২৭ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সিউলের কর্মকর্তারা জানান, আগুন নির্বাপণে কাজ করার সময় দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উইসিয়ং অঞ্চল একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। হেলিকপ্টারটি উদ্বারে কাজ চলছে বলে জানায় দক্ষিণ কোরিয়ার বন বিভাগ। হেলিকপ্টারটিতে পাইলট ছাড়া অন্য কোনো সদস্য ছিলেন না বলে ধারণা করছে তারা।
আরও পড়ুন: দাবানল কী ও কেন হয়? পৃথিবীর ইতিহাসে ভয়ানক কয়েকটি দাবানল
৫৪৮ দিন আগে
পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
বস্ত্র ও পাট এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ড. এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগকারী প্রতিনিধিদল।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ করেন তারা।
আরও পড়ুন: ৩২ উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এসময় বস্ত্র ও পাট এবং জাহাজ শিল্পে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। কোরিয়া এদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। কোরিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে চলমান আছে। এছাড়া দেশে বিভিন্ন খাতে কোরিয়ার অনেক মানুষ কাজ করছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখন নিরাপদ। আমরা পিপিপি ও দীর্ঘমেয়াদি লিজের মাধ্যমে বন্ধ হয়ে থাকা মিলগুলোকে উৎপাদনে নিতে চাচ্ছি। প্রাণ গ্রুপকে লিজের মাধ্যমে দুটি মিল হস্তান্তর করেছি।
উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিকভাবে ৩০ বছরের জন্য দিলেও পরে সময়সীমা বৃদ্ধি করার সুযোগ থাকে। প্রতিটা মিলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো। বিনিয়োগকারীর জন্য লিজ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া উন্মুক্ত।
তিনি বলেন, নৌখাতে বিশেষ করে ডকইয়ার্ড ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পে অপার সম্ভাবনা আছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) বা যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে এখানে বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে।
কোরিয়ার বিনিয়োগকারী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করে জানায়, কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সুসম্পর্ক রয়েছে। কোরিয়া বাংলাদেশের অন্যতম পাট আমদানিকারক দেশ।
প্রতিনিধিদল খুলনাতে অবস্থিত মিল সরাসরি পরিদর্শনের আগ্রহ জানায় এবং এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার কথা বলেন।
এসময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ারা বেগম উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: গণভবনে দ্রুত জাদুঘর নির্মাণ করতে উপদেষ্টাদের নির্দেশ দিলেন অধ্যাপক ইউনূস
৬৯৭ দিন আগে
উত্তর কোরিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল বিস্ফোরণের সন্দেহ দক্ষিণ কোরিয়ার
দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিদেশীয় সামরিক মহড়া প্রস্তুতির আগে উত্তর কোরিয়ায় একটি হাইপারসনিক মিসাইল বিস্ফোরিত হয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
বুধবার (২৬ জুন) মিসাইলটি উৎক্ষেপণের সময় বিস্ফোরিত হয় বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, বুধবার স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী এলাকা থেকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। মিসাইলটি উত্তর-পূর্ব জলসীমার দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তবে উৎক্ষেপণের পরপরই তা বিস্ফোরিত হয়।
তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি উত্তর-পূর্ব উপকূলীয় ওনসান শহরের পানির ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় বিস্ফোরিত হয়। উৎক্ষেপণের স্থান থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রের পানিতে ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরোগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর দিতে পারেননি তিনি।
আরও পড়ুন: ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে বিরোধীদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি উ. কোরিয়ার
তার সন্দেহ, ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি পূর্ণ-জ্বালানির হাইপারসনিক মিসাইল। ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণেই সেটি সাধারণ উৎক্ষেপণের চেয়ে বেশি পরিমাণে ধোঁয়া ছড়ায়।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড বলেছে, মার্কিন অঞ্চল বা তার মিত্রদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে হুমকি সৃষ্টি না করলেও উত্তর কোরিয়ার এমন কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানায় যুক্তরাষ্ট্র।
দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি অটল বলেও এসময় জানানো হয়।
বুধবার উত্তর কোরিয়ার এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও শনাক্ত করেছে বলে জানিয়েছে।
৮২১ দিন আগে
দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি ৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্প
দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের বেশকিছু বাড়িঘরে ফাটল দেখা দিলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সময় বুধবার (১২ জুন) দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের একটি জেলে পাড়ার ওপর ভুমিকম্পের প্রভাব পড়ে।
উত্তর জিওলা প্রদেশের ফায়ার ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা জো ইউ-জিন বলেন, (ভূমিকম্পের পর) স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রায় ৮০টি কল পেয়েছে কর্তৃপক্ষ। অন্যান্য অঞ্চলের বাসিন্দারা ২০০টিরও বেশি কল করেছে, যার মধ্যে কেন্দ্রীয় চুংচিওং প্রদেশে ৩৮টি এবং রাজধানী সিউলে ৭টি কল রেকর্ড হয়েছে।
আরও পড়ুন: সন্দেহজনক মৃত্যু সত্ত্বেও ফ্লু’র টিকা দেয়া চালিয়ে যাবে দক্ষিণ কোরিয়া
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু ভূমিকম্প-পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কার কথা জানিয়ে সতর্ক থাকতে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পরিবহন নেটওয়ার্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও বলেছেন তিনি।
তবে এ ভূমিকম্পে কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রভাবিত হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা কমিশন। ভূমিকম্পের পর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেও কোনো অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়নি বলে জানানো হয়েছে।
এ বছর দক্ষিণ কোরিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয় বুয়ানে। সেটির গভীরতা ছিল অন্তত ৮ কিলোমিটার।
দেশটির ফায়ার এজেন্সি জানিয়েছে, ওই ভূমিকম্পে বুয়ান ও এর পাশের শহর ইকসানে ক্ষয়ক্ষতির ৮টি ছোটবড় ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে বাড়ি ও একটি গুদামের দেওয়ালে ফাটল দেখা যায়।
৮৩৫ দিন আগে
বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
দক্ষিণ কোরিয়া আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।
তিনি বলেন, বিশেষকরে বস্ত্র ও পোশাক খাতে কোরিয়ান কোম্পানিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তাই বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে এবং বাংলাদেশে কোরিয়ান বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানাই।
রবিবার (১২ মে) সচিবালয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এসব কথা জানান।
আরও পড়ুন: ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শনিবার বন্ধ রাখার আশা মন্ত্রীর
মন্ত্রী বস্ত্র ও পোশাক খাতে বাংলাদেশিদের প্রশিক্ষণের সুযোগ প্রদান এবং উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কোরিয়ার আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রদানের অনুরোধ করেন।
এসময় মন্ত্রী বলেন, সামনের দিনগুলোতে আমরা বাজারের বৈচিত্র্য বাড়ানো, পণ্য উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ইত্যাদিতে জোর দিচ্ছি।
রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে নানক বলেন, মন্ত্রী, এমপির স্বজনরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না বিষয়ে কিছুটা ভুল ধারণা কাজ করছে। পরে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোনো নেতার সন্তান বা কোনো স্বজন, তার যদি রাজনীতির মধ্য দিয়ে উত্থান হয় এবং তার যোগ্যতা ও অবস্থান সৃষ্টি করতে পারে তাহলে সে অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গনে কোনো অবদান নেই বা অবস্থান ছিল না, উপস্থিতি ছিল না, হঠাৎ করে উড়ে এসে জুড়ে বসানো এই সম্পর্কে সতর্কবার্তা ছিল। এভাবে যেনো উড়ে এসে জুড়ে বসানো না হয়।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করা হবে বলে জানান।
তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বৃদ্ধির জন্য আমরা কোরিয়ান কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করছি।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত তিনটি বিষয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং এ ব্যাপারে সহযোগিতা কামনা করেন।
এগুলো হলো-
প্রথমত- কাঁচামাল আমদানি করতে প্রচুর ট্যারিফ দিতে হয়। তার মধ্যে ৫টি পণ্য বস্ত্র ও পোশাক খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। এগুলোর ট্যারিফ কমাতে মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।
দ্বিতীয়ত- ভিসাজনিত সমস্যা। বাংলাদেশে যারা কাজ করছে তাদের খুব স্বল্প সময়ের জন্য ভিসা দেওয়া হয়। তিন মাস পরপর মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করতে হয়। এ সমস্যা উত্তরণে মন্ত্রীর সহযোগিতা দরকার।
তৃতীয়ত- কাস্টমস ক্লিয়ারিং এ দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করবেন বলে রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ, অতিরিক্ত সচিব তসলিমা কানিজ নাহিদা, বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নুরুজ্জামান জেডিপিসির নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, ঢাকাস্থ দক্ষিণ কোরিয়ান দূতাবাসের কনসাল জেয়ং কি কিম উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকারে উভয়পক্ষ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।
আরও পড়ুন: প্রতিশ্রুত সেবা না দিলে অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগে ইতালির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
৮৬৬ দিন আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তিতে গুরুত্ব দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) বিষয়ক আলোচনা ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়াং-সিক।
তিনি বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের আগে বাংলাদেশের হাতে খুব বেশি সময় নেই।
তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে বাংলাদেশের আসন্ন উত্তরণ এবং পরে জেনারেলাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স (জিএসপি) সুবিধা হারানো কোরিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য ব্যবস্থার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।’
রবিবার সন্ধ্যায় নিজ বাসভবনে কূটনৈতিক সংবাদ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, এশিয়া প্যাসিফিক ট্রেড এগ্রিমেন্টের (আপটা) কিছু অংশ জিএসপির সঙ্গে যুক্ত এবং বাংলাদেশ যদি এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণ করে, তবে আপটার আওতায় কোনো ট্যারিফ সুবিধা না পাওয়ায় কিছু পণ্য শুল্ক পরিশোধ করতে হবে।
কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত বলেন, শুধু জিএসপি সুবিধা বাড়ানো দিয়ে সব সমস্যার সমাধান হতে পারে না। উভয় পক্ষকে ইপিএর মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান করতে হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) বিভিন্ন নাম রয়েছে যেমন ইপিএ বা কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ)। ‘আমার দৃষ্টিতে, এই ধরনের এফটিএ একই।’
কোরিয়ায় এফটিএ চালুর জন্য জাতীয় সংসদের অনুমোদনসহ অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ইপিএ শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা।
রাষ্ট্রদূত পার্ক বলেন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ইপিএ নিয়ে ২০২৩ সালের শুরু থেকেই আলোচনা চলছে তবে বাস্তব কোনো অগ্রগতি হয়নি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাপানের সঙ্গে যৌথ গবেষণা শেষ করেছে এবং চীনের সঙ্গে এটি শেষ করার কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করছে।
এর আগে রাষ্ট্রদূত ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ডিক্যাব) সদস্যদের সঙ্গে এক ইফতার-কাম-নৈশভোজের আয়োজন করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-ভুটানের মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই
ডিক্যাব সভাপতি নুরুল ইসলাম হাসিব আন্তঃকোরীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক কূটনীতি, সফট পাওয়ার অ্যান্ড কালচার, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি এবং বহুপাক্ষিক যোগাযোগের মতো আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমিকা সম্পর্কে কূটনৈতিক সাংবাদিকদের জানাতে দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেন।
১৯৭২ সালের ১২ মে কোরিয়া বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৭৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। ২০২৩ সালে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি হয়েছে।
৯১৪ দিন আগে