আন্তর্জাতিক নারী দিবস
নারীর নিরাপত্তা ও সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
নারীর প্রতি সহিংসতা, অনলাইনে চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিংয়ের মতো নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রবিবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস,২০২৬’ উদযাপন ও ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নারী ও কন্যারা যেন অবহেলা, নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার না হন; তারা যেন সমান সুযোগ ও মর্যাদা পান। আমরা এমন একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারবে, স্বাবলম্বী হবে এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবে; আর প্রতিটি কন্যাশিশু স্বপ্ন দেখার ও তা বাস্তবায়নের সমান সুযোগ পাবে।
তিনি আরও বলেন, নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অতীতেও আমরা দেখেছি, সরকার আন্তরিক হলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়।
বক্তব্যের শুরুতেই ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনসহ এ পর্যন্ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সকল আন্দোলন ও সংগ্রামে শহিদদের মহান আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, অতীতে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে অ্যাসিড সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল। ২০০২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার অ্যাসিড নিক্ষেপ ও অ্যাসিড ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন এবং দ্রুত বিচার ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে অ্যাসিড সন্ত্রাস প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সেই দৃষ্টান্ত অনুসরণ কার্যকর হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।
বর্তমানে সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইনে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিং নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, নারীর নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করে একটি বাসযোগ্য ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নারী-পুরুষ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। সমাজ ও অর্থনীতির প্রায় সব ক্ষেত্রেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পে নিয়োজিত লাখ লাখ নারী দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকা শক্তি। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, প্রশাসন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গণমাধ্যম এবং ক্রীড়াসহ নানা ক্ষেত্রে নারীরা সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারীবিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়, যা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার সময় বর্তমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরিত হয়।
১৮ দিন আগে
আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস
আজ ৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’—এ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
নারীর অধিকার, মর্যাদা ও সমতার প্রশ্নে দীর্ঘদিনের সংগ্রামকে স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয়ই দিবসটির মূল বার্তা।
দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা নানা কর্মসূচি পালন করবে। এর মধ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক ‘অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান, আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রাসহ বিশেষ কর্মসূচি পালন করছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান অন্যতম।
নারী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা বিশ্বের সব নারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সরকার নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
তিনি নারীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিহাস শতবর্ষেরও বেশি পুরোনো। এটি মূলত শ্রমজীবী নারীদের অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি সুচ কারখানার নারী শ্রমিকরা দৈনিক ১২ ঘণ্টার শ্রম কমিয়ে আট ঘণ্টা করা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। সেই আন্দোলনের সময় বহু নারী শ্রমিক গ্রেপ্তার হন এবং নির্যাতনের শিকার হন।
পরবর্তীকালে ১৮৬০ সালের একই দিনে ‘নারীশ্রমিক ইউনিয়ন’ গঠিত হয়। এরপর ১৯০৮ সালে নিউইয়র্কে পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের প্রায় দেড় হাজার নারী শ্রমিক একই দাবিতে আবারও আন্দোলনে নামেন এবং শেষ পর্যন্ত আট ঘণ্টা কর্মঘণ্টার অধিকার আদায় করেন।
নারী শ্রমিকদের এই সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক সম্মেলনে জার্মান নেত্রী ক্লারা জেটকিন ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব দেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি নারী অধিকার আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে পালিত হতে থাকে।
জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে আন্তর্জাতিক নারীবর্ষ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন শুরু করে। পরে ১৯৭৭ সালে দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সংস্থাটি।
বর্তমানে দিনটি শুধু উদযাপনের নয়, বরং নারীর অধিকার, সমতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়ার দিন হিসেবেও বিবেচিত হয়। জাতিগত, ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সব ক্ষেত্রেই বৈষম্য দূর করে নারীর অর্জনকে মর্যাদা দেওয়ার আহ্বানই এই দিনের মূল বার্তা।
বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে নারীরা তাদের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসকে স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতে আরও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
১৮ দিন আগে
‘সফল জননী’ হিসেবে শ্রেষ্ঠ জয়িতার সম্মাননা পেলেন চা শ্রমিক কমলি রবিদাস
নানা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে পাঁচজন নারীকে জয়িতা সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শুক্রবার (৮ মার্চ)। এবার সেই জাতীয় পর্যায়ে ‘সফল জননী’ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতার সম্মাননা পেয়েছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কানিহাটি চা বাগানের চা-শ্রমিক মা কমলি রবিদাস।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শুক্রবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘আলোচনা সভা ও জয়িতা সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠানের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ১ লাখ টাকার চেক, ক্রেস্ট, উত্তরীয় ও সনদ গ্রহণ করেন চা-শ্রমিক মা কমলি রবিদাস।
এর আগে তিনি উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সম্মাননা পেয়েছেন। এবার জাতীয় জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা পুরস্কার পেলেন।
সম্মাননা গ্রহণ করে ভীষণ আনন্দিত কমলি রবিদাস বলেন, ‘জীবনে অনেক কষ্ট করেছি। হামার খুব আনন্দ লাগছে। এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী হাত থেকে পুরস্কার পাওয়ায় এখন হামার কষ্ট দূর হয়েছে।’
এদিকে সংগ্রামী মায়ের উদ্যমী ছেলে সন্তোষ রবিদাস বলেন, ‘মায়ের এমন অর্জনে আমি ভীষণ আনন্দিত। মা সারাজীবন কষ্ট করেছেন। এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে পুরস্কৃত করলেন। আমার জন্য এর চেয়ে খুশির খবর আর কী হতে পারে?’
কমলগঞ্জ উপজেলার ৪ নম্বর শমশেরনগর ইউনিয়নের কানিহাটি চা-বাগানের এক শ্রমিক পরিবারে জন্ম সন্তোষ রবিদাসের। জন্মের পরপরই বাবাকে হারিয়েছিলেন। তার মা কমলি রবিদাস তখন মজুরি পেতেন দৈনিক ১৮ টাকা। চরম অভাবের মধ্যে খুব কষ্ট করে লেখাপড়া করেছেন সন্তোষ। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ছেলের ভর্তির টাকা, ইউনিফর্ম আর বই-খাতা কিনে দিয়েছিলেন মা। ঋণের কিস্তি শোধের জন্য চা-বাগানের কাজ ছাড়াও অনেক দূরে গিয়ে বালু শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন তিনি। অভাবের সংসারে নিজে খেয়ে না খেয়ে ছেলেকে খাইয়েছেন। এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে পড়ার সুযোগ পান সন্তোষ রবিদাস।
মা-ছেলের এই সংগ্রামের কাহিনী নিয়ে ২০২২ সালে ‘মায়ের নামটা কেটে দিল’ এমন শিরোনামে একটি ঘটনার বিস্তারিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ফেসবুক আইডিতে লেখেন সন্তোষ। সেই সূত্র ধরে অন্তত ১০টি প্রতিষ্ঠান সন্তোষ রবিদাসকে চাকরির প্রস্তাব দিয়েছিল।
এবার কিন্তু মায়ের নামটা কাটা পড়েনি। মা চা-শ্রমিক কমলি রবিদাস 'আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৪’ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘শ্রেষ্ঠ জয়িতা’ সম্মাননা গ্রহণ করেছেন।
রবিদাসের সেই দুর্দিন ফুরিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আজকের এই পর্যায়ে আসার মূল কৃতিত্বের দাবিদার আমার মা। এ ছাড়া আরও আছেন আমার শিক্ষক, সহপাঠী, ভাইবোন ও শুভকাঙ্ক্ষীরা।
সন্তোষ রবিদাস এখন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সিলেট নগরীর লালদীঘিরপার শাখায় রিলেশনশিপ অফিসার হিসেবে কর্মরত।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়নাল আবেদীন বলেন, কানিহাটি চা বাগানের কমলি রবিদাস একজন সংগ্রামী নারী। তার এই পুরস্কারে উপজেলাবাসী গর্ববোধ করছে।
৭৪৭ দিন আগে
প্রথমবারের মতো ফ্লাইট পরিচালনার সব দায়িত্ব পালন করলেন বিমানের নারীরা
নারী দিবস উপলক্ষে প্রথমবারের মতো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করলেন নারীরা। ঢাকা-দাম্মাম রুটে ওই ফ্লাইটের পাইলট থেকে শুরু করে গ্রাউন্ড স্টাফ সবাই ছিলেন নারী।
দক্ষতা আর পেশাদারিত্বের অসামান্য অবদান রাখা নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এদিন ফ্লাইট পরিচালনার সব বিভাগের দায়িত্ব পালন করেছেন নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
শুক্রবার (৮ মার্চ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-দাম্মাম রুটের বিজি-৩৪৯ ফ্লাইটটি পাইলট হিসেবে পরিচালনা করেন বিমানের সিনিয়র নারী ক্যাপ্টেন আলিয়া মান্নান ও ফার্স্ট অফিসার ফারিহা তাবাসসুম। এছাড়াও ফ্লাইটের ক্রুদের ব্রিফিং, চেক-ইন কাউন্টার, ফ্লাইট কভারেজ, কেবিন ক্রু ও ককপিট ক্রু হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন নারী।
আরও পড়ুন: রন্ধন দক্ষতায় নারী ক্ষমতায়নে কাজ করছেন শেফ জাহিদা বেগম
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শফিউল আজিমের (অতিরিক্ত সচিব) নির্দেশনায় এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন), মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ), মহাব্যবস্থাপক (গ্রাহক সেবা), প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা হিসেবে নারীরা দায়িত্বরত।
বিমানে ১৫ জন অভিজ্ঞ নারী পাইলট রয়েছেন যা পুরুষ ও নারী পাইলটদের আন্তর্জাতিক গড় ৬ শতাংশের প্রায় দ্বিগুণ (১০.৪)। এছাড়াও রয়েছে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ ৩৪৫ জন নারী কেবিন ক্রু।
আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে নয়: জবি ভিসি
গ্রাউন্ড স্টাফ, নারী প্রকৌশলী, নারী প্রকৌশল ইনস্ট্রাক্টরসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সব শাখায় নারী কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে।
আরও পড়ুন: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিমানের অতিরিক্ত ফ্লাইট
৭৪৭ দিন আগে
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন দারাজ বাংলাদেশের
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩ উদযাপন করল দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ। এ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি তার প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অধ্যাপক ড.সুতপা ভট্টাচার্য, ম্যারিকো বাংলাদেশের ডিরেক্টর এইচআর শ্যামল কিশোর এবং ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মিস ফাহমিদা।
এবারের উদযাপনের বিশেষত্ব ছিলো প্রতিষ্ঠানটি তাদের ৬ জন নারী উদ্যোক্তাকে নিয়ে আসে যারা তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য দারাজ বাংলাদেশ অফিস প্রাঙ্গণে আসার সুযোগ পেয়েছিল।
আরও পড়ুন: দারাজের নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন নিশো ও মেহজাবীন
দারাজ মাস্টারকার্ড ‘সেভ স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইন ২০২৩ শুরু
দারাজ নিয়ে আসছে বছরের সবচেয়ে বড় সেল ক্যাম্পেইন
১১১২ দিন আগে
নারী দিবসে ৩ সম্মাননা পেলেন বিশ্বজয়ী বাংলাদেশি পর্যটক নাজমুন নাহার
বাংলাদেশের পতাকাবাহী সর্বাধিক রাষ্ট্র ভ্রমণকারী প্রথম বাংলাদেশি নাজমুন নাহার এবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশে-বিদেশে তিনটি সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
তিনি লন্ডনে স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশে উইমেন ওয়ারিয়র অ্যাওয়ার্ড ও ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।
৬ মার্চ লন্ডনে রয়েল রিজেন্সি কনভেনশন হলে নোয়াখালী উৎসবের এক আয়োজনে বিলেতে প্রবাসী নোয়াখালী বাসীর পক্ষ থেকে টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র জন বিগস ও বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে নাজমুন নাহারকে দেয়া হয় 'স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড।
আরও পড়ুন: ‘পিস রানার অ্যাওয়ার্ড' পেলেন বিশ্বজয়ী বাংলাদেশি পর্যটক নাজমুন নাহার
৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাংলাদেশে রিয়াল হিরোস এক্সপো এন্ড কমিউনিকেশন আয়োজিত আইসিসিবি কনভেনশন হলে মুক্তিযোদ্ধামন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের কাছ থেকে বাংলাদেশ উইমেন ওয়ারিয়র অ্যাওয়ার্ডটি গ্রহণ করেন নাজমুন নাহারের বড় বোন কামরুন নাহার।
একই দিনে ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড পান নাজমুন নাহার। ই- ক্লাব(অন্ট্রাপ্রেনিওরস ক্লাব অব বাংলাদেশ) আয়োজিত গ্রীন হাউজ কনভেনশন হলে নেপালের রাষ্ট্রদূত কুমার রাজ এর হাত থেকে ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ডটি গ্রহণ করেন তাঁর বড় বোন জোবায়দাতুন নাহার।
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নাজমুন নাহার বিশ্বের ১৫২টি দেশ ভ্রমণের মাধ্যমে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক সৃষ্টি করেছেন।
ইতোপূর্বে তিনি 'পিস টর্চ বিয়ারার অ্যাওয়ার্ড' অনন্যা শীর্ষ দশ সম্মাননা,পিস রানার অ্যাওয়ার্ড, বিদ্রোহী নারী সম্মাননা, মিস আর্থ কুইন অ্যাওয়ার্ড, গেম চেঞ্জার অব বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড, মোস্ট ইনফ্লুয়েন্সিয়াল উইমেন অব বাংলাদেশ, গ্লোব অ্যাওয়ার্ড, অতীশ দীপঙ্কর গোল্ড মেডেল সম্মাননা, জনটা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড, তিন বাংলা সম্মাননা ও রেড ক্রিসেন্ট মোটিভেশনাল অ্যাওয়ার্ডসহ দেশে-বিদেশে মোট ৫০টির মতো সম্মাননা পেয়েছেন।
আরও পড়ুন: বিশ্বভ্রমণে ৫ দেশের জন্য বেঙ্গল এয়ারলিফট গ্রুপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নাজমুন নাহার
১৪৭৫ দিন আগে
ইউএনবিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন
কসমস গ্রুপের অধীনে বাংলাদেশের একমাত্র বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশে (ইউএনবি) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার দিবসটি উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন কসমস গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ইউএনবির ডিরেক্টর নাহার খান।
মঙ্গলবার দিবসটি উপলক্ষ্যে ইউএনবিতে নারী কর্মীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো এবং কেক কাটা হয়।
এবারের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে 'টেকসই আগামীর জন্য, জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য।’
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতিসংঘ মহাসচিবের বাণী
ইউএন উইমেন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২২ সালে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে লিঙ্গ সমতা অর্জনের জন্য পরিবেশগত ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস গুরুত্বপূর্ণ। যা একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর একটি৷
ইউএন উইমেন বিবৃতিতে আরও বলেছে, ‘লিঙ্গ সমতা ছাড়া টেকসই ও সমতাভিত্তিক ভবিষ্যত আমাদের নাগালের বাইরে থেকে যাবে।’ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২২-এর প্রচারের থিম হল হ্যাশট্যাগ ব্রেক দ্য বায়াস।
সমতার জন্য নারীদের আন্দোলন ও সংগ্রামকে উদযাপন করতে প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ
১৪৭৮ দিন আগে
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতিসংঘ মহাসচিবের বাণী
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসে বলেছেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমরা বিশ্বের সব জায়গার নারী ও মেয়েদের অবদানকে স্বীকার করছি।
দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য ‘টেকসই আগামীর জন্য জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য’
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘করোনা মহামারির সমাপ্তি ঘটাতে তাঁদের অবদানকে আমরা উদযাপন করছি।বিশ্বের মঙ্গলের জন্য তাঁদের পরিকল্পনা, উদ্ভাবন ও সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা আমরা স্বীকার করছি।এবং আমরা স্বীকার করছি জীবনের সবক্ষেত্রে তাঁদের নেতৃত্বকে।’
তিনি বলেন, তবে আমাদের এটাও স্বীকার করতে হবে যে অনেক ক্ষেত্রেই নারীর অধিকার প্রশ্নে ঘড়ির কাটা পেছনের দিকে ছুটছে।মহামারি মেয়েদের ও নারীদের বিদ্যালয় ও কর্মক্ষেত্র থেকে দূরে রেখেছে।তারা এখন ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য ও সহিংসতার শিকার।
বিশ্বের জরুরি সেবাখাতের অবৈতনিক কর্মের সিংহভাগই নারীর অবদান উওল্লখ করে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, শুধুমাত্র জেন্ডারের কারণে তারা সহিংসতা ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।সব দেশেই, অত্যন্ত বেদনাদায়কভাবে ক্ষমতার পরিকাঠামো ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নারীর প্রতিনিধিত্ব কম।
তিনি বলেন,এই বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে নারীরাই জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশের অবক্ষয়ের বড় ভুক্তভোগী।এই আন্তর্জাতিক নারী দিবসই প্রতিটি নারী ও মেয়েদের অধিকার প্রশ্নে ঘড়ির কাটা সামনের দিকে ঘুরিয়ে দেয়ার উপযুক্ত সময়।
নারীদের প্রশিক্ষণ ও শালীন কাজের জন্য ব্যাপক বিনিয়োগ করতে হবে উল্লেখ করে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিটি মেয়ে যেন নিজেদের মতো করে জীবন গড়তে পারে এবং এই বিশ্বকে আমাদের সবার জন্য আরও উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে পারে।
তিনি বলেন, জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা বন্ধে ও এই গ্রহটাকে রক্ষায় জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।জেন্ডার-ভিত্তিক সংরক্ষিত ব্যবস্থার মতো বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে সর্বক্ষেত্রে নারীর পরিকল্পনা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়, যার সুফল আমরা সবাই পাব।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ
মহাসচিব বলেন, পুরুষশাসিত বিশ্বে ও পুরুষ নিয়ন্ত্রিত সংস্কৃতিতে জেন্ডার-অসমতা ক্ষমতার পরিকাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘাটতি। ক্ষমতার পরিকাঠামোর এই ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা জাতিসংঘ সদরদপ্তর এবং বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘের কার্যালয়গুলোয় জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে জেন্ডার-সমতা নিশ্চিত করেছি, যা আমাদের কাজে এবং আমাদের সেবায় উন্নতি ঘটিয়েছে।
আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, আমাদের আরও নারী পরিবেশমন্ত্রী, ব্যবসায়িক নেতা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন। তাঁরা জলবায়ু সংকট চিহ্নিত, পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ন্যায্য ও টেকসই বিশ্ব গড়তে পারবেন।
তিনি বলেন, নারীর অধিকার প্রশ্নে আমাদের ঘড়ির কাটা সামনের দিকে ঘোরাতে হবে।এখনই উপযুক্ত সময়।
পড়ুন: নারীদের এগিয়ে চলা নিয়ে বইমেলায় আইরিশের ‘অপরাজিতা’
১৪৭৯ দিন আগে
নারীদের এগিয়ে চলা নিয়ে বইমেলায় আইরিশের ‘অপরাজিতা’
সময়ের সঙ্গে নারীরা এখন অনেক এগিয়ে। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রায় সবক্ষেত্রে নারীরা নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ রাখছেন। মানুষের দুটি সত্তা নারী ও পুরুষ হলেও অধিকারের প্রশ্নে সবাই সমান। সেই কথাগুলো উঠে এসেছে বিশ্বের অনেক লেখদের বইতে। এই জায়গায় পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও।
দেশের তরুণ অনেক লেখকদের বইতে উঠে আসছে নারীদের নিয়ে আলোচনা। তেমনই একটি বই ‘অপরাজিতা’ এ বছরের একুশে বইমেলায় প্রকাশ হয়েছে। এটির লেখক আইরিশ পারভীন।
অনন্যা প্রকাশনী থেকে ‘অপরাজিতা’ উপন্যাসটি আইরিশ পারভীনের দ্বিতীয় প্রকাশিত বই।
বইটি সম্পর্কে আইরিশ বলেন, ‘নারী শব্দটি খুব দৃঢ় এবং শক্তিশালী এক শব্দ। শব্দের মতোই দৃঢ় এবং শক্তিশালী হয় নারী মানুষ হিসেবেও। নারী সুন্দর, নারী শাশ্বত। তবে আমাদের সমাজে নারী অসহায়, অবহেলিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত। এখানে নারীদের চালে বাঁধা, চলনে বাঁধা। সেসব বাঁধাকে তোয়াক্কা না করে যেসব নারীরা এগিয়ে চলে মনুষত্বের পথে স্বাধীনতার পথে মুক্তির পথে সেসব নারীদেরকে সম্মান ও সালাম জানিয়ে তাদের প্রতিনিধিত্বে এনেছি আমার গল্পের অপরাজিতা চরিত্রটি।’
তিনি আরও জানান, অপরাজিতা এমন একটি চরিত্র যে মনুষত্বের পথে ভালোবাসা বিলিয়ে চলে। যে তার নামের অর্থকে তার জীবনের মাহাত্ম বানাতে চেয়েছে।
পড়ুন: একুশে বইমেলা চলবে ১৭ মার্চ পর্যন্ত: প্রতিমন্ত্রী
১৪৭৯ দিন আগে
আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অভিযোজন ও টেকসই ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া বিষয়ে নারী নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে মঙ্গলবার সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস।
এবারের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে 'টেকসই আগামীর জন্য, জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য।’
ইউএন উইমেন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২২ সালে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে লিঙ্গ সমতা অর্জনের জন্য পরিবেশগত ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস গুরুত্বপূর্ণ। যা একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর একটি৷
ইউএন উইমেন বিবৃতিতে আরও বলেছে, ‘লিঙ্গ সমতা ছাড়া টেকসই ও সমতাভিত্তিক ভবিষ্যত আমাদের নাগালের বাইরে থেকে যাবে।’ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২২-এর প্রচারের থিম হল হ্যাশট্যাগ ব্রেক দ্য বায়াস।
সমতার জন্য নারীদের আন্দোলন ও সংগ্রামকে উদযাপন করতে প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
পড়ুন: বিশ্ব নারী দিবস-২০২২ উপলক্ষ্যে টিম গ্রুপের ভিন্নধর্মী অনুষ্ঠান
দিবসটি উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বছর পাঁচ নারীকে ‘জয়িতা পুরস্কার’ দেয়া হবে। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
এ বছর জয়িতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ উপজেলার সানজিদা আক্তার শিমু, শিক্ষা খাতে অবদানের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. হোসনে আরা আরজু, সফল মা হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগের খোশনাহার বেগম, নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বরিশাল বিভাগের জেসমিন আক্তার এবং সামাজিক উন্নয়নে অবদানের জন্য রংপুর বিভাগের রোকেয়া বেগম।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে বিশ্বের সকল নারীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
পড়ুন: নারী দিবস উদযাপনে দারাজের আকর্ষণীয় অফার
১৪৭৯ দিন আগে