অনুসন্ধান ফলাফল - অগ্নিকাণ্ড
মোট - 501
রাশিয়ার গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিহত, নিখোঁজ একজন
রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে একজন বাংলাদেশি কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও প্রায় ৩৫ জন বাংলাদেশি কর্মী আহত হয়েছেন এবং একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৃহস্পতিবারের (২৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আজ শুক্রবার পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার দূরে আমুর অঞ্চলে অবস্থিত কেমিক্যাল কমপ্লেক্স (এজিসিসি) প্রকল্পের সিনোপেক গ্যাস ফিল্ডে গত ২৫ আগস্ট গ্যাস বিস্ফোরণে ১৫ জন কর্মী মারা যান।
নিহতদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের বাসিন্দা বাংলাদেশি কর্মী জাকির হোসেন রয়েছেন। অন্য নিহতদের মধ্যে চীন ও রাশিয়ার নাগরিকও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ওই দুর্ঘটনায় মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলাল হোসেন রাজু এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, এ দুর্ঘটনায় প্রায় ৩৫ জন বাংলাদেশি কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে আইসিইউতে রয়েছেন। এ ছয়জনসহ গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য মস্কোতে নেওয়া হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মস্কোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস আহত বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসা ও সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।
দূতাবাস ইতোমধ্যে একটি হটলাইন নম্বর চালু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতে কর্মরত অন্যান্য বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।
নিহত জাকির হোসেনের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে তার বকেয়া পাওনা ও ক্ষতিপূরণের বিষয়ে এলএলসি সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে দূতাবাস।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি কর্মী ও তাদের পরিবারের পাশাপাশি রাশিয়ার জনগণ ও সরকারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
৭ দিন আগে
সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর সাতজনের মরদেহ দেশে আসছে কাল
সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৭ জনের মরদেহ আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেশে আসছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে সৌদি আরবের কাউন্সেলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বি সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরবের রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মী নিহত হন। সৌদি কর্তৃপক্ষ আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে ৯ জনের পরিচয় শনাক্ত করেছে। ইতোমধ্যে মরদেহগুলো বাংলাদেশ পাঠানোর যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩৪০ নম্বর ফ্লাইটে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৪ টা ৫ মিনিটে মরদেহগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকায় শনাক্ত হওয়া নওগাঁর ৭ জন হলেন: আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে মো. ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামাণিক, একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন আলী ও সুমন আলী এবং বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং উপজেলার মার্কাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার।
এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমন্বয় করে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা হয়েছে যাতে মরদেহগুলো বিনা খরচে আসতে পারে। এখন পর্যন্ত পরিচয় শনাক্ত হওয়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত জনের মরদেহ দেশে আসছে।
৯ দিন আগে
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফিরেছে
ভারতের কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশি নাগরিকের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ আজ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মধ্যরাতে কলকাতার হোটেল শিখা ইনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হন। তাদের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ শনিবার (২২ আগস্ট) বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার পর থেকেই কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও নিহতদের পরিবার-স্বজনদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন এবং মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর গত রাতে নিহতদের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত সাত বাংলাদেশি নাগরিকের মধ্যে আজ সকালে সাতক্ষীরার এস এম আলীমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা-ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হয় এবং তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এছাড়া কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত ও তার পরিবারের তিন সদস্য—আফসানা শারমিন, স্বর্ণশীষ দত্ত ও মো. আকরাম আলী—একই পরিবারের চারজনের মরদেহ এবং ঢাকার আমিনবাজারের বাবু আহমেদের মরদেহ পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে আজ বিকেলে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।
কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন মরদেহ সংরক্ষণ, পরিবহন ও দেশে ফেরত পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়ায় নিহতদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এছাড়া, সাতক্ষীরার নিহত রেবতি সরকারের মরদেহ তার পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী গতকাল রাতে কলকাতায় সৎকার করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন আর্থিক ও অন্যান্য সব ধরনের সহযোগিতা করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘটনায় নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে।
১৩ দিন আগে
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: সাজুর মরদেহ বাড়ি ফিরলেও রেবতি সরকারের মরদেহ দাহ হয়েছে ভারতে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত দুইজেনর মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ (৪৫) সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে এসেছে। তবে নিহত রেবতি সরকারের মরদেহ ভারতে সৎকার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
গেল মঙ্গলবার মধ্যরাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলতায় একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন সাজু। তিনি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের ইউনুস সরদারের ছেলে। এছাড়া একই ঘটনায় তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেশ সরকারের স্ত্রী রেবতী সরকারও (৩৭) নিহত হন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তারা উভয়ই চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। সেখানে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ওঠেন। রাতে ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি ৭ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে দুইজন সাতক্ষীরার। দুইদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তার করা হয়। এর মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।
রেবতি সরকারের দেবর সঞ্জয় সরকার জানান, তার ছেলেমেয়ে ভারতে অবস্থান করায় সেখানেই তার মরদেহ সৎকার করা হয়েছে।
ভোমরা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আজ (শনিবার) দুপুর ১২টার পর সাজুর মরদেহ তারা গ্রহণ করেছেন। মাজুর বাড়িতে জানাজা এবং দাফনের সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন নিহতের পরিবার।
১৩ দিন আগে
অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষের মেয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নিল এডুকেয়ার স্কুল
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের সাত বছর বয়সী মেয়ে মহিমা দত্ত বাবা-মা ও ছোট ভাইকে হারিয়ে একা হয়ে পড়েছে। সে কুষ্টিয়ার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কেজি শ্রেণির ছাত্রী। তার ভবিষ্যৎ যখন অনিশ্চয়তার মুখে, ঠিক তখনই তার পাশে দাঁড়িয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।
গেল মঙ্গলবার মধ্যরাতে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দমবন্ধ হয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশের সাতজন রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে দৈনিক আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ও স্থানীয় দৈনিক আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং দেবাশীষের শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬৪) রয়েছেন।
এই দুর্ঘটনায় বাবা-মা ও ছোট ভাইকে হারিয়ে মহিমা এখন একা হয়ে পড়েছেন। ভারতে যাওয়ার আগে দেবাশীষ তার মেয়ে মহিমাকে কুষ্টিয়ায় ঠাকুরমা ও ঠাকুরদাদার কাছে রেখে গিয়েছিলেন। এখন বাবা-মা ও ছোট ভাইকে হারিয়ে সেই ঠাকুরমা-ঠাকুরদাদাই তার একমাত্র আশ্রয় হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
তার এই কঠিন সময়ে মহিমার এইচএসসি পর্যন্ত পড়াশোনার যাবতীয় দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে স্কুলের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক রাসেলসহ শিক্ষকরা তার বাড়িতে যান। তারা মহিমার ঠাকুরমা-ঠাকুরদাদার সঙ্গে কথা বলেন এবং তার পড়াশোনার জন্য বই, খাতা, কলমসহ শিক্ষা-সংক্রান্ত সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক রাসেল বলেন, ‘মহিমা দত্তের এইচএসসি পর্যন্ত স্কুলের বেতন, পরীক্ষার ফি, বই-খাতা, কলমসহ যাবতীয় খরচ এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ বহন করবে। শুরু থেকেই যেন বাবা-মায়ের অভাবে সে শিক্ষা থেকে পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্য আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। সকালে আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের কাছে গিয়ে সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছি।’
মহিমার পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার এই খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তার ঠাকুরমা-ঠাকুরদাদাসহ পরিবারের সদস্য এবং দেবাশীষের সহকর্মীরা। তারা এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।
এর আগে, বুধবার রাতে কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা নিহত দেবাশীষের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান এবং পরিবারটির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভারতে যান দেবাশীষ। প্রথমে তারা বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে ১৩ দিন পর সোমবার রাতে কলকাতায় ফেরেন তারা। মঙ্গলবার আত্মীয়স্বজনদের জন্য কেনাকাটা শেষে পরদিন বুধবার তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। এর মধ্যেই কলকাতার ওই আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
একই দূর্ঘটনায় নিহত অন্য বাংলাদেশিরা হলেন: ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার বেগুনবাড়ির আহমেদ বাবু (৪০) এবং সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫) ও রেবতী সরকার।
এছাড়া ভারতের ঝাড়খন্ডের গিরিডি জেলার বাসিন্দা সন্দীপ পাসওয়ানের পরিচয় নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। নিহত অপর একজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার করা মরদেহগুলো কলকাতা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
১৫ দিন আগে
অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে যা যা করার আছে নিশ্চয়ই করব: দীনেশ ত্রিবেদী
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, তাদের ব্যাপারে যা যা করার আছে, তা নিশ্চয়ই করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর হাইকমিশনার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ ৯ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
এই ঘটনার বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে হাই কমিশনার বলেন, ‘খুব দুঃখের কথা। এ ব্যাপারে যা যা করার আছে, আমরা নিশ্চয়ই করব।’
সেখানে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, ঘটনার তদন্ত করা হবে কি না—সাংবাদিকরা এসব বিষয় জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী কোনো উত্তর দেননি।
পরে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এটি ছিল সম্পূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ। ভারতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার প্রসঙ্গ আমি ওঠাইনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘উনারা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দিয়েছেন, এটা শুধু বলেছেন। তারা আশা করছেন তিনি যাবেন।’
১৫ দিন আগে
কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে সাতক্ষীরার ২ জন নিহত, এলাকায় শোকের মাতম
ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দুইজন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বাসিন্দা।
বুধবার (১৯ আগষ্ট) রাত ১০টার দিকে এলাকায় খবর পৌঁছানোর পর দুটি পরিবারসহ এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহতরা হলেন: বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে আলিমুজ্জামান সাজু ও তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেষ সরকারের স্ত্রী রেবতী সরকার।
নিহত সাজুর আপন ভাই জানান, কোমরে ব্যাথার চিকিৎসার জন্য ৫-৬ দিন আগে সাজু ভারতে যান। গতকাল (বুধবার) তার বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু গতকাল রাত ১০টার দিকে বাড়িতে খবর আসে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে সাজু মারা গেছেন। তিনি পেশায় একজন ঘের ব্যবসায়ী ছিলেন বলে তার ভাই জানান।
অপরদিকে, নিহত রেবতী সরকার ৩ মাস আগে ভারতে থেকে ডাক্তার দেখিয়ে ফিরে আসেন। তার ফলো আপ দেখানোর জন্য দ্বিতীয়বার গিয়ে হোটেলের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত হন তিনি।
তবে উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত মরদেহ দেশে ফেরত আনার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া, নিহতের পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।
কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা সেল ফোনে জানান, কলকাতায় নিহতদের মধ্যে দুই জন কালিগঞ্জ উপজেলার জেনেছি। তাদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরতের জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ চলছে।
১৫ দিন আগে
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: স্ত্রী-সন্তান, শ্বশুরসহ পুড়ে মরলেন কুষ্টিয়ার সাংবাদিক
ভারতের কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিকসহ তার পরিবারের চারজন প্রাণ হারিয়েছেন।
বুধবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তাদের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত (৩) ও দেবাশীষের শ্বশুর মো. আকরাম আলি (৬৪)।
দেবাশীষ দত্তের বাড়ি কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া রাজারহাট এলাকায়। তার শ্বশুরবাড়ি থানাপাড়া এলাকায়।
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও স্থানীয় দৈনিক আজকের আলো পত্রিকার সম্পাদক গাজী মাহবুব রহমান চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দেবাশীষ দত্ত ওই পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়া তিনি চ্যানেল নাইন ও দৈনিক আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানান তিনি।
নিহতদের পরিবার জানায়, গত ৩ আগস্ট অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য দেবাশীষ দত্ত ভারতের বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন। দেবাশীষের আট বছর বয়সী অপর একটি কন্যাসন্তান ও বাবা-মা রয়েছেন।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, কলকাতায় বাংলাদেশের মিশন ইতোমধ্যে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশে যোগাযোগ করেছে। নিহতদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কলকাতার মিশন কাজ করছে।
মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার খরচ সরকার বহন করবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিহতরা শ্রমিক বা প্রবাসী কল্যাণের আওতাভুক্ত না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যবস্থা হয়তো এখানে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। তবে নিহতদের পরিবার যদি মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার খরচ বহন করতে না পারে, তাহলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি দেখবে।
১৬ দিন আগে
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ড, বাংলাদেশিসহ নিহত ৯
ভারতের কলকাতায় একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
আগুনে হোটেলের কয়েকজন অতিথি ভেতরে আটকা পড়েন। পরে প্রায় ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি।
এদিকে, ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, নিহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন।
কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলটিতে অগ্নিনিরাপত্তার মৌলিক ব্যবস্থা ছিল না। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। হোটেলের মালিক ও কর্মীদের খোঁজা হচ্ছে। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, হোটেলের তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও এর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আগুন ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হোটেলের কক্ষগুলো ধোঁয়ায় ভরে যায়। আতঙ্কিত অতিথিরা দ্রুত বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। রাত ২টা ৭ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি গাড়ি ঘটনাস্থলে যায়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ভবনের ভেতরে আটকা পড়াদের উদ্ধারে কাজ করেন এবং একপর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পুলিশের এক কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, ঘন ধোঁয়ার কারণে দমকলকর্মীদের সিঁড়ি দিয়ে উঠে উপরের তলায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। নয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি বলেন, আটকা পড়াদের উদ্ধার করা এবং আগুনের কারণ নির্ধারণ করাই তাদের অগ্রাধিকার ছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
কলকাতার এই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের মাত্র দুই দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় আরেকটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত আটজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন।
১৭ আগস্ট ভোরে তারাপীঠের হোটেল বিদেশিনীতে ওই আগুন লাগে। পাঁচতলা হোটেলটির নিচতলায় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। তখন অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন।
মেঘালয়ের একটি পরিবারের পাঁচ সদস্য ওই ঘটনায় নিহত হন। তারা হোটেলের সর্বোচ্চ তলায় অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার পর শিশুদের নিয়ে একসঙ্গে বের হওয়ার চেষ্টা করার সময় নিচে নামার পথে আগুনের মুখে পড়েন তারা।
১৬ দিন আগে
সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৩ বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে
সৌদি আরবের রিয়াদের শিফা থানা এলাকার সোফা কারখানার অগ্নিকাণ্ডে নওগাঁর নিহত আরও ৩ জনের পরিচয় মিলেছে। এ নিয়ে ওই সোফা কারখানায় নিহত ১৬ জনের মধ্যে নওগাঁর ১৩ জনের পরিচয় মিলেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গতকাল (রবিাবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনি এ ঘটনায় নিহত নওগাঁর ১০ জনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করেন।
পরিচয় পাওয়া ১৩ জন নিহতের মধ্যে আত্রাই উপজেলার ১২ জন এবং নওগাঁ সদর উপজেলার একজন প্রবাসী রয়েছেন।
নিহতরা হলেন—নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বোয়ালা গ্রামের মিনহাজুল ইসলাম, একই গ্রামের হৃদয় হোসেন ও নওগাঁ সদর উপজেলার পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন রেজিস্ট্রি অফিস এলাকার মজনুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ শাহিন হোসেন, নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পাচুপুর ইউনিয়নের পারকাসু্ন্দা গ্রামের মৃত তমেজ উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন, বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের বাদল হোসেনের ছেলে সুমন হোসেন, ডুবাই গ্রামের সাগর হোসেন, চঞ্চল হাসানের ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ, মাধবপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে মজিদুল ইসলাম, কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালী গ্রামের গোফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন প্রামাণিক ও সুমন প্রামানিক, জাননার হোসেনের ছেলে রুবেল হোসেন, ফজলু প্রামাণিকের ছেলে কলি উদ্দিন প্রামানিক এবং সাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের ময়েন শেখের ছেলে ফরিদ শেখ। নিহতদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা প্রশাসন জানায়, নওগাঁর বিভিন্ন গ্রাম থেকে সৌদি আরবে গিয়ে রিয়াদের মানফুয়া এলাকার ওই সোফা তৈরির কারখানায় কাজ করছিলেন তারা। রবিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের খোরদাম শহরের ওই কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এ অগ্নিদুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হন।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত আত্রাই উপজেলার ১২ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতদের বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন এবং মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।’
নিহতরা সবাই জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়ে ওই সোফা কারখানায় কর্মরত ছিলেন। অনেক পরিবার এখনও তাদের স্বজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। প্রবাসের মাটিতে কাজ করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়ে যাওয়া এসব মানুষের এমন করুণ মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
২৫ দিন আগে