বৈদেশিক-সম্পর্ক
ঢাকার উদ্দেশে রোম ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগদান শেষে ঢাকার উদ্দেশে রোম ছেড়েছেন। বাংলাদেশ সময় রবিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে প্রধান উপদেষ্টা ইতালির রোম ত্যাগ করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এমন তথ্য জানিয়েছেন। শনিবার পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে অধ্যাপক ইউনূসও পোপের শেষকৃত্যে যোগ দেন।
এর আগে গত শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা কাতারের দোহা থেকে রোমে যান। শনিবার রোমে পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ক্যাথলিক চার্চের শীর্ষস্থানীয় দুই নেতা কার্ডিনাল সিলভানো মারিয়া তোমাসি এবং কার্ডিনাল জ্যাকব কুভাকাড ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
দুই কার্ডিনাল পোপ ফ্রান্সিসের আজীবন দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, যুদ্ধ এবং পারমাণবিক অস্ত্রবিহীন পৃথিবীর স্বপ্নের কথা স্মরণ করেন।
তারা অধ্যাপক ইউনূসের কাজের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাকে পোপের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে জীবন উৎসর্গ করার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অধ্যাপক ইউনূস পোপ ফ্রান্সিসের সাথে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘পোপ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে আপন করে নিতে পারতেন। তিনি একজন অসাধারণ মানুষ ছিলেন।’
ইউনূস উল্লেখ করেন, পোপ ফ্রান্সিসের দায়িত্ব পালনকালে বহুবার তার সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে এবং কীভাবে ভ্যাটিকান ব্যাংকের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তার লেখা একটি সমালোচনামূলক চিঠি ভ্যাটিকানের সরকারি পত্রিকা এল ওসারভেটরি রোমানোর প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়েছিল, তা স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি লিখেছিলাম কিভাবে ভ্যাটিকান তার ব্যাংককে দরিদ্রবান্ধব করে তুলতে পারে। আমি ব্যাংকের কার্যকারিতা ও বিতর্ক নিয়ে সমালোচনা করেছিলাম। তবুও, পোপ সম্পূর্ণ চিঠিটি প্রকাশ করেছিলেন।’
অধ্যাপক ইউনূস আরও জানান, পোপ ফ্রান্সিস তাকে ভ্যাটিকান ব্যাংকের সংস্কার এবং চার্চের দরিদ্রবান্ধব উদ্যোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেন।
৩১৩ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে উরুগুয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
উরুগুয়ে ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন উরুগুয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিও লুবেটকিন।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) রোমের একটি হোটেলে বাংলাদেশের অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি পারস্পরিক সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ করে ঢাকা ও মার্কোসুর সদস্য(দক্ষিণ আমেরিকার বাণিজ্য ব্লক) দেশগুলোর মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে যোগদানের পর রোমে তারা এই বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন: পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যে যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৈঠকে উভয় নেতা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বর্তমান বিশ্ব বাণিজ্য পরিস্থিতি, ল্যাটিন আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যে সহযোগিতার সেতুবন্ধনের বিষয়টিও তাদের আলোচনায় স্থান পায়।
প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ ইউএনবি জানান, অধ্যাপক ইউনূস ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী লুবেটকিন সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগ ও তরুণ সমাজের জন্য বিনিয়োগ কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন।
তারা ‘তিন শূন্যের’ পৃথিবী গড়ে তোলার দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্ব্যক্ত করেছেন- শূন্য বেকারত্ব, শূন্য সম্পদ মজুদ ও শূন্য কার্বন নির্গমন।
অধ্যাপক ইউনূস নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার ওপর জোর দেন এবং যতদ্রুত সম্ভব পররাষ্ট্রমন্ত্রী লুবেটকিনকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
আরও পড়ুন: রোমে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, ভ্যাটিকানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আরিফুল ইসলাম এবং ইতালিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক উপস্থিত ছিলেন।
৩১৩ দিন আগে
পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যে যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সদ্যপ্রয়াত ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যে বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি যোগ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স স্কয়ারের বাসিলিকা গির্জার সামনের চত্বরে পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু হয়। অনুষ্ঠানে ড. ইউনূসের পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কিসহ বিশ্বনেতারা যোগ দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পোপ ফ্রান্সিস ছিলেন অধ্যাপক ইউনূসের কাজের একজন বড় ভক্ত। তিনি বারবার ইউনূসের সামাজিক ব্যবসা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে নেওয়া উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।
বিশেষ করে, অধ্যাপক ইউনূসের ‘তিন শূন্য’ নীতি, যেখানে পৃথিবীতে কোনো দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ থাকবে না, তা পোপ ফ্রান্সিস গভীরভাবে সমর্থন করতেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ড. ইউনূসের সঙ্গে যৌথভাবে ভ্যাটিকানে ‘তিন শূন্য উদ্যোগ’ চালু করেন পোপ।
আরও পড়ুন: রোমে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
এর আগে, পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যে যোগ দিতে এবং তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গতকাল (শুক্রবার) ইতালির রোম পৌঁছান অধ্যাপক ইউনূস। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানটি রোমে পৌঁছায়। সেখানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান।
এরপর গতকালই বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান তিনি।
শনিবার পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি যোগ দিয়েছেন ক্যাথলিক ধর্মানুসারী থেকে শুরু করে শোকাহত হাজারো মানুষ।
ভ্যাটিকানের তথ্য অনুসারে, সেন্ট পিটার্স স্কয়ারের চারপাশে প্রায় ২ লাখ মানুষ জড়ো হয়েছেন। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অন্তত ১৬২টি প্রতিনিধি দল উপস্থিত রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৫০ জন রাষ্ট্রপ্রধান ও ১০ জন ক্ষমতাসীন রাজা রয়েছেন। আরও উপস্থিত রয়েছেন ২০০ জনেরও বেশি কার্ডিনাল এবং প্রায় ৪ হাজার ধর্মযাজক।
বেশ কিছুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত সোমবার (২১ এপ্রিল) ৮৮ বছর বয়সে পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: পোপ ফ্রান্সিস মারা গেছেন
বুধবার (২৩ এপ্রিল) সকালে তার মরদেহ সেন্ট পিটার্স বাসিলিকায় আনা হয়। ভক্তরা যাতে এই ধর্মগুরুকে শেষবারের মতো দেখতে পারেন, সে লক্ষ্যে ওইদিন সারা রাত খোলা রাখা হয়েছিল বাসিলিকা।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জনসাধারণের জন্য প্রদর্শন শেষ হয়। এই তিন দিনে আড়াই লাখের বেশি মানুষ পোপ ফ্রান্সিসকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ভ্যাটিকান।
এদিকে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান শেষে আগামীকাল (রবিবার) স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) ড. ইউনূস রোমের লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি বিমানবন্দর থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। এরপর সোমবার ভোরে তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপ-প্রেস সচিব।
আরও পড়ুন: ব্যর্থ প্রেমিক থেকে যেভাবে পোপ ফ্রান্সিস হয়ে ওঠেন হোর্গে বারগোগ্লিও
৩১৪ দিন আগে
রোমে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যে যোগ দিতে ও তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আজ (শুক্রবার) ইতালির রোম পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানটি রোমে পৌঁছায়। সেখানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার প্রধান উপদেষ্টার রোমে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আগামীকাল শনিবার ভ্যাটিকান সিটিতে পোপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আজ দোহা থেকে সরাসরি রোমে যান ড. ইউনূস।
কাতারের চিফ অব প্রটোকল ইব্রাহিম বিন ইউসিফ আবদুল্লাহ ফাখরু দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে বিদায় জানান।
ইতালিতে পৌঁছানোর এক ঘণ্টা পর শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি।
ভ্যাটিকান সিটির ভিকার জেনারেল, পরম শ্রদ্ধেয় কার্ডিনাল মাউরো গাম্বেত্তি সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা জানাবেন।
এরপর শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেবেন ড. ইউনূস।
রবিবার সকাল ৮টার দিকে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) তিনি রোমের লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি বিমানবন্দর থেকে রওনা হবেন এবং সোমবার ভোরে ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ব্যর্থ প্রেমিক থেকে যেভাবে পোপ ফ্রান্সিস হয়ে ওঠেন হোর্গে বারগোগ্লিও
৩১৫ দিন আগে
পোপের শেষকৃত্যে যোগ দিতে ভ্যাটিকানের উদ্দেশে কাতার ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যে যোগ দিতে এবং তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আজ (শুক্রবার) ভ্যাটিকানের উদ্দেশে কাতার ত্যাগ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ২৫ মিনিট) ভ্যাটিকান শহরের উদ্দেশে তিনি কাতার ত্যাগ করেন। কাতারের চিফ অব প্রটোকল ইব্রাহিম বিন ইউসিফ আবদুল্লাহ ফাখরু দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে বিদায় জানান।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ইউএনবিকে জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা দুপুর ২টা ১৫মিনিটে (ইতালি সময়) রোমে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে ইতালিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং ভ্যাটিকান সিটিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তাকে স্বাগত জানাবেন।
ইতালিতে পৌঁছানোর এক ঘণ্টা পর প্রধান উপদেষ্টা শুক্রবার বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে যাবেন এবং পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
ভ্যাটিকান সিটির ভিকার জেনারেল, পরম শ্রদ্ধেয় কার্ডিনাল মাউরো গাম্বেত্তি সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা জানাবেন।
শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধান উপদেষ্টা সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেবেন।
রবিবার সকাল ৮টার দিকে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) তিনি রোমের লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি বিমানবন্দর থেকে রওনা হবেন এবং সোমবার ভোরে ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
৩১৫ দিন আগে
পুলিশের সামর্থ্য বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে ইতালি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধ এবং বাংলাদেশ পুলিশের সামর্থ্য বৃদ্ধিতে ইতালি সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও অ্যালেসান্দ্রোর সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান।
সাক্ষাৎকালে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ম্যাথু পিয়ান্তেডোসির আগামী ৫ থেকে ৬ মে আসন্ন বাংলাদেশ সফর নিয়ে আলোচনা হয়। সফরে অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধ, নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা, পুলিশ ও বিজিবিকে উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান, জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে পুলিশের দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিসহ দু'দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকের শুরুতে ইতালির রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ইতালি বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। তিনি বলেন, ইতালিতে কর্মরত বাংলাদেশিরা দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রভূত অবদান রাখছে। বর্তমানে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী দেশটিতে কাজ করছে। ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আসন্ন সফরের মাধ্যমে সেখানে কর্মরত দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা আরও বাড়বে এবং এর মাধ্যমে দু'দেশের পারস্পরিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আরও দৃঢ়তর হবে বলে উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত জানান, সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
আরও পড়ুন: আ. লীগের মিছিল বন্ধ করতে না পারলে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এসময় উপদেষ্টা জানান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে একটি দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেসময় উভয় পক্ষের সম্মতি সাপেক্ষে অবৈধ অভিবাসন রোধ, আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমন, দু'দেশের পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা, ইত্যাদি বিষয়ে ঘোষণা বা সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি সই হতে পারে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবসময় আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন মেনে বৈধ চ্যানেলে জনশক্তি রপ্তানিতে আগ্রহী। আমরা অবৈধ অভিবাসনের বিপক্ষে। ইতালিসহ বিভিন্ন দেশে গমনের ক্ষেত্রে যেসব দালাল ও অবৈধ মানবপাচার চক্র সক্রিয় রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাষ্ট্রদূত এসময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্য কামনা করেন এবং ইতালি সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (নিরাপত্তা ও বহিরাগমন) মো. শামীম খান, জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্মসচিব (রাজনৈতিক-১) মুহাম্মদ জসীম উদ্দিন খান, ঢাকাস্থ ইতালি দূতাবাসের মাইগ্রেশন অ্যাটাচে জিউসেপ্পে ডি জিওভানি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের মানুষ সবসময় নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের পাশে আছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
৩১৬ দিন আগে
উদ্ভাবন ও কূটনীতির কৌশলগত বিষয়ে আলোচনার জন্য দোহায় মিলিত বিশ্বনেতারা
টোটাল এভিয়েশন সিস্টেমসের (টিএএস) চেয়ারম্যান ও ইয়েমেনের অনারারি কনসাল কে এম মজিবুল হকের আয়োজনে উদ্ভাবন ও কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়ে আন্তঃখাত সংলাপে মহাকাশ, কূটনীতি এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্বদের নিয়ে দোহায় একটি বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই আয়োজনে বাংলাদেশে মহাকাশ প্রযুক্তির অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী স্পেসএক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার, বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক রূপান্তরকারী হিসেবে পরিচিত ও ফিলিপ মরিস ইন্টারন্যাশনালের (পিএমআই) ভাইস প্রেসিডেন্ট নেভভেনা এবং বাংলাদেশকে বিশ্ব মঞ্চে সংযুক্ত করার নেতৃত্বদানকারী ইলন মাস্কের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা রিচার্ড গ্রিফিথস উদ্ভাবনের বিষয়ে নদৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
মজিবুল হক বলেন, 'এ ধরনের সমাবেশ আমাদের শুধু ধারণাই নয়, মূল্যবোধও বিনিময়ের সুযোগ করে দেয়- যা শিল্প ও জাতিকে ছাড়িয়ে সহযোগিতার পথ তৈরি করে।’
আরও পড়ুন: দেশের নারী ক্রীড়াবিদদের আশার আলো দেখিয়েছে কাতার ফাউন্ডেশন
এছাড়া বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য কাজ করা কিং চার্লস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী ক্রিস্টিনা মুরিন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রচারে নিজের কাজের জন্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কমনওয়েলথের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক লুইস জি ফ্রান্সেসচি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কাতারের ব্যস্ত রাজধানীতে আয়োজিত এই মধ্যাহ্নভোজে কৌশলগত সম্পৃক্ততা ও কূটনীতির বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে দোহার উদীয়মান অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
৩১৬ দিন আগে
দেশের নারী ক্রীড়াবিদদের আশার আলো দেখিয়েছে কাতার ফাউন্ডেশন
বাংলাদেশি নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে কাতার ফাউন্ডেশনের প্রতিশ্রুতি ভীষণরকম আশাবাদী ও উচ্ছ্বসিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কাতারে সফররত চার নারী ক্রীড়াবিদকে।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দোহায় আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশের নারী খেলোয়াড়দের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেন কাতার ফাউন্ডেশনের সিইও শেখ হিন্দ বিনতে হামাদ আল থানি।
বাংলাদেশের চারজন জাতীয় নারী ক্রীড়াবিদ—জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের অধিনায়ক আফিদা খন্দকার, ফুটবলার শাহিদা আক্তার রিপা, ক্রিকেটার সুমাইয়া আকতার ও শারমিন সুলতানা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে নারী ক্রীড়াবিদরা নিজেদের অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশে নারী খেলোয়াড়দের স্বপ্ন ও চ্যালেঞ্জগুলো সিইও হিন্দের কাছে তুলে ধরেন। কাতারের সাবেক শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়াবিদ হিন্দ তাদের গল্পে আবেগাপ্লুত হন এবং তাদের দৃঢ়চেতা মনোভাবের প্রশংসা করেন।
বৈঠকে হিন্দ জানান, বাংলাদেশে নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি বিশেষ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে কাতার ফাউন্ডেশন।
কাতারের আমিরের বোন ও কাতার ফাউন্ডেশনের সিইও শেখ হিন্দের এই প্রতিশ্রুতিতে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত ও আশাবাদী নারী ক্রীড়াবিদরা। এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের নারী খেলোয়াড় ও খেলার উন্নয়নে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করছেন। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকার জন্যও কৃতজ্ঞতা জানান নারী খেলোয়াড়রা।
সিইও হিন্দের সঙ্গে বৈঠকের পর নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এসব জানান নারী ক্রীড়াবিদরা। এ সময় কাতার সফরের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করেন তারা।
আফিদা খন্দকার বলেন, ‘কাতার সফরের জন্য নির্বাচিত হওয়ার পর যখন প্রথম আমরা সরকারপ্রধানের সঙ্গে দেখা করতে যাই, তখন প্রধান উপদেষ্টা কাতার সফরে আমাদের কী করণীয়—সেটি খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে বলেন। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে কাতারের কাছে তুলে ধরা। আমরা সেটাই চেষ্টা করেছি।’
৩১৬ দিন আগে
ড. ইউনুস ও কাতারের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জাসিম আল থানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুদেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে নানা বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।আরও পড়ুন: ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা বাতিল
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা ফজলুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খালিলুর রহমান, এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং কাতারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জাসিম আল থানি ২০২৩ সালের ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বৈঠকটি কাতার ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে।
৩১৬ দিন আগে
বাংলাদেশে মে মাসেই চালু হবে স্পেসএক্সের সেবা
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ পরিবহন প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট সেবা চালুর টেকনিক্যাল লঞ্চ মে মাসেই হবে।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) উপসাগরীয় দেশ কাতারের দোহায় আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে এমন তথ্য জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফর গ্লোবাল ইনগেজমেন্ট লরেন ড্রেয়ার।
স্পেসএক্সের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা প্রায় শেষ ধাপে আছি এবং মে মাসেই টেকনিক্যাল লঞ্চের জন্য টিমকে প্রস্তুত থাকতে বলেছি।’
‘এই উদ্যোগটি খুবই সুন্দরভাবে এগোচ্ছে,’ বলেন ড্রেয়ার। এ সময়ে ড. ইউনূস বলেন, ‘এটা বাংলাদেশে জন্য বড় খবর। মানুষ দিন গুণছেন। যখন লঞ্চ হবে, তখন এটার উদযাপন হওয়া উচিত।‘
প্রাথমিকভাবে কারিগরি প্রক্রিয়া শুরু হবে, এরপর পুরোদমে কার্যক্রম চালু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর।
আরও পড়ুন: কাশ্মীরে হামলার ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার নিন্দা
এতে অনলাইনভিত্তিক জনপ্রিয় অর্থ লেনদেন (পেমেন্ট) ব্যবস্থা পেপ্যাল ব্যবহারের সম্ভাবনাও খুঁজে দেখা হচ্ছে। পেপ্যাল ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, নিরাপত্তা উপদেষ্টা খালিলুর রহমান ও এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ।
৩১৭ দিন আগে