বৈদেশিক-সম্পর্ক
মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ থাকবেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নেপালের পক্ষ থেকে যোগ দেবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।
কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাঠমান্ডু থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সোমবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। এরপর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফিরে যাবেন।
নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বালা নন্দের এই সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এবং নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার বন্ধন গভীর করতে নেপালের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
সফরকালে বালা নন্দের সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও থাকবেন।
এর আগে, নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের খবর পেয়ে গত শুক্রবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছিলেন, তার দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্কের প্রত্যাশা করে।
শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক জোরদার করতে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা সুসংহত করতে আমি আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।’
উল্লেখ্য, নেপাল সরকার ও দেশটির জনগণের পক্ষ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতেও ৩০ ডিসেম্বর বালা নন্দ শর্মা ঢাকায় এসেছিলেন।
১৮ দিন আগে
মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির স্বাস্থ্য ও তথ্যমন্ত্রী ড. নালিন্দ জয়াতিসা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি কলম্বো থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের হাইকমিশন জানিয়েছে, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ (সোমবার) সকালে কলম্বোর বন্দরনায়েকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করেন। বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস।।
হাইকমিশন বলছে, এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার মন্ত্রীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) তাদের শপথ পড়ানোর কথা রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
১৮ দিন আগে
নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মোদিকে আমন্ত্রণ প্রধান উপদেষ্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান ও সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ঢাকা।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নয়াদিল্লি থেকে এক কূটনৈতিক সূত্র ইউএনবিকে বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা অধ্যাপক ইউনুসের কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র পেয়েছি। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কে প্রতিনিধিত্ব করবেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নিয়ে কাজ চলছে।’
সূত্র জানায়, চলতি মাসের ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’ অনুষ্ঠিত হবে। ওই সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁসহ প্রায় ২০ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে আতিথ্য দেবে ভারত। এ কারণে মোদির ঢাকায় আসার সম্ভাবনা কম, তবে তিনি তার প্রতিনিধি পাঠাতে পারেন।
‘ইন্ডিয়া-এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বৈশ্বিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি হবে গ্লোবাল সাউথ অঞ্চলে আয়োজিত প্রথম বৈশ্বিক এআই সম্মেলন।
সূত্র আরও জানায়, ভারতীয় লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা এবং দেশটির পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকায় আসতে পারেন। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও দেওয়া হয়নি।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
সাধারণত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয়। তবে দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান এবার হতে যাচ্ছে খোলা প্রাঙ্গণে।
১৯ দিন আগে
তারেক রহমানকে মিষ্টি ও ফুল পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান এই ফুল ও মিষ্টি গ্রহণ করেন। এ সময় গুলশান কার্যালয়ের বিশেষ কর্মকর্তা মেহেদুল ইসলাম মেহিদী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের আমার সকল ভাইবোন ও সাধারণ মানুষকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাদের সবাইকে জানাই অগ্রিম রমজান মোবারক। এই বিশাল জয়ের জন্য আমার ভাই তারেক, তার দল এবং অন্য সকল দলকে অভিনন্দন। প্রার্থনা করি আপনারা সবাই ভালো ও সুখে থাকুন।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। একইসঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। ৩০০ আসনের বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এককভাবে সরকার গঠন করতে কমপক্ষে ১৫১ আসন প্রয়োজন হয়। দুই শতাধিক আসন পাওয়ায় বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
অন্যদিকে, একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
১৯ দিন আগে
বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ২০০৮ সালের পর প্রথম ‘বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক’ নির্বাচন এবং দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত বলে উল্লেখ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। তবে নারী প্রার্থীর স্বল্পতা, বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা, অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা এবং কিছু প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভারস ইয়াবস এ মূল্যায়ন তুলে ধরেন।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনটি ছিল সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক এবং নবায়ন করা আইনি কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে নির্বাচনটি অনেকাংশে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল এবং মৌলিক স্বাধীনতা মোটামুটি গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে কিছু রাজনৈতিক সহিংসতা এবং অনলাইন বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একইসঙ্গে নারীদের জন্য সীমিত রাজনৈতিক পরিসর তাদের অংশগ্রহণে বাধা তৈরি করেছে।
ইভারস ইয়াবস জানান, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে কাজ করেছে এবং অংশীজনদের আস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনি আইনি কাঠামো গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার জন্য উপযোগী হলেও আইনি নিশ্চয়তা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে আরও সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
কমিশন গণমাধ্যমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ বজায় রেখেছে, তবে কঠোর প্রচারণাবিধি সবক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ না হওয়ায় পক্ষপাতের অভিযোগও উঠেছে।
নির্বাচন প্রস্তুতি পেশাদারত্বের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বিদেশে থাকা প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার ভোটার ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন। ৮ লাখ ৫০ হাজারের বেশি নির্বাচনকর্মী প্রশিক্ষণ পেয়েছেন এবং সামগ্রী বিতরণও সুষ্ঠুভাবে হয়েছে। তবে বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্র প্রতিবন্ধী ও সীমিত চলাচলক্ষম ভোটারদের জন্য সহজ প্রবেশযোগ্য ছিল না।
ভোট গণনা ও ফল সংকলন মোটামুটি দক্ষতার সঙ্গে হলেও কিছু ক্ষেত্রে অখণ্ডতা রক্ষার ব্যবস্থা পুরোপুরি অনুসরণ হয়নি এবং তিনটি ঘটনায় ফল সংকলনে স্বচ্ছতার ঘাটতি লক্ষ করা হয়েছে। তবুও দলীয় এজেন্টদের উপস্থিতি এবং নিয়মিত ফল প্রকাশ জনআস্থা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।
প্রার্থী মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ৬০০-এর বেশি আপিল নিষ্পত্তি এবং দুই-তৃতীয়াংশ প্রার্থী পুনর্বহালকে ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তিনি বলেন, দুই হজারের এর বেশি প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ভোটাররা বিস্তৃত রাজনৈতিক বিকল্প পেয়েছেন। প্রচারণা ছিল প্রাণবন্ত এবং প্রার্থীরা সমাবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করেছেন, যদিও শেষদিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পারস্পরিক অভিযোগ বেড়ে যায়।
নারীর অংশগ্রহণ কম হওয়াকে বড় হতাশা হিসেবে উল্লেখ করে ইভারস ইয়াবস বলেন, মাত্র ৪ শতাংশ প্রার্থী নারী ছিলেন। পিতৃতন্ত্র, বৈষম্য, অনলাইন হয়রানি ও চরিত্রহনন নারীদের অংশগ্রহণে বড় বাধা হিসেবে কাজ করেছে। আদিবাসী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং জনপরিসরে ধর্মীয় বক্তব্যের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
তিনি জানান, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অন্তত ৫৬টি সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, যাতে শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটে। নারী প্রচারকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও সম্পত্তিতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পরিপন্থি বলে উল্লেখ করা হয়।
অনলাইন প্রচারণায় বিভ্রান্তিমূলক তথ্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষণে।
ইভারস ইয়াবস জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অন্তত ৩০টি ভুয়া তথ্যের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ লাখের বেশি ভিউ পেয়েছে। জাতীয় ফ্যাক্ট চেকিং উদ্যোগগুলো সক্রিয় থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতিক্রিয়া ধীর ছিল।
নাগরিক সমাজের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ৮১টি নাগরিক পর্যবেক্ষক দল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছে এবং তরুণ কর্মীরা দেশজুড়ে ভোটার শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে গণতান্ত্রিক চর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
ইয়াবস বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ক্রমবর্ধমান পরিপক্বতার প্রতিফলন ঘটায় না, এমন পুরোনো চর্চা পরিত্যাগের সময় এসেছে। স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার ও জবাবদিহিতা জোরদারের মাধ্যমে নতুন পথরেখা নির্ধারণ করতে হবে।’
ইউরোপীয় পার্লামেন্ট প্রতিনিধিদলের প্রধান টমাশ জদেচোভস্কি বলেন, ‘দেশ এখন একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করছে। নতুন সংসদ ও সরকারকে অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় অনুমোদিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।’
২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে ইইউ পর্যবেক্ষক মিশন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। ভোটের দিন মিশনের ২২৩ জন পর্যবেক্ষক রাজধানীসহ দেশের নানা প্রান্তের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত ছিলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব সদস্যরাষ্ট্র ছাড়াও কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকেও পর্যবেক্ষকরা এই মিশনে যুক্ত হন। দেশের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে মিশনটি। এরপর আগামী মাসগুলোতে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের উন্নয়নকল্পে সুপারিশসহ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।
২০ দিন আগে
তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভূমিধ্বস বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিজয় অর্জন করায় আমি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। নির্বাচন সফল করায় বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানাই।
‘আমাদের ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্যে আমি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।’
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করে বাংলাদেশের। দীর্ঘ ১৪ বছরের পর গত মাসের শেষের দিকে ঢাকা থেকে করাচিতে আকাশপথে বাণিজ্যিক যোগাযোগ শুরু হয়।
কয়েক মাস আগে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ১৩ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ঢাকা সফর করেন।
এছাড়া বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারাও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশ দুটির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২১ দিন আগে
তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভূমিধ্বস বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক্সে একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ের অভিমুখে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
‘এই ফলাফল আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।’
তিনি আরও বলেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজের আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং আমাদের অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিপ্রায়ে আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।
অন্যদিকে, ভারতের বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলটির সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও নির্বাচনে জয়লাভ করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হ্যান্ডেলে তিনি এ শুভেচ্ছা বার্তা জানান।
অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি এবং অন্যান্য অনেক বিষয়ে অত্যন্ত গভীর যোগসূত্র রয়েছে।’
কংগ্রেস সভাপতি আরও উল্লেখ করেন, এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও শান্তির স্বার্থে একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি সকল ভারতের সকলের সমর্থন সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
২১ দিন আগে
বিএনপি ও তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপি এবং দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে একটি সফল ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছে দেশটি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই শুভাচ্ছে বার্তা জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়েছে, একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি ও তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা। আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।
২১ দিন আগে
নির্বাচনি পরিবেশ ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক: ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান
বাংলাদেশে একটি নির্ভরযোগ্য, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভারস ইয়াবস। তিনি বলেছেন, ‘সামগ্রিক নির্বাচনি পরিবেশ ইতিবাচক। এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।’
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক সংবাদ সম্মেলনে ইভারস ইয়াবস এসব কথা বলেন।
ইভারস ইয়াবস বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার প্রত্যাশা করছে। গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ক্ষমতার জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশে তাদের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রার্থী এবং দেশের এলাকায় সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। সাধারণ পরিবেশ খুব ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক। যাদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই জোর দিয়ে বলেছেন যে এটি বাংলাদেশের ইতিহাস ও গণতন্ত্রে একটি নতুন অধ্যায় হতে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ইইউ প্রধান পর্যবেক্ষক বলেন, ‘মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।’
নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ইয়াবস বলেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক বিষয়। নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে সব সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু এবং বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ মিশনের বিশেষ নজরে থাকবে।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য দেশের ৬৪টি জেলায় ইইউ মিশনের ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে বলে জানান তিনি। ইয়াবস জানান, এই স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্র খোলা, ভোটগ্রহণ, ভোটকেন্দ্র বন্ধ, ব্যালট গণনা এবং ফলাফল তালিকাবদ্ধসহ নির্বাচনের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।
তিনি বলেন, স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা শহর, নগর ও গ্রামে প্রায় প্রতিটি সংসদীয় আসনে উপস্থিত থাকবেন। তাদের সারা দিনের পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদন এই ঐতিহাসিক নির্বাচন সম্পর্কে আমাদের নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হবে।
এই পর্যবেক্ষক বলেন, দেশজুড়ে মোট ২০০ জন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করার মাধ্যমে তারা এই নির্বাচনের স্বচ্ছতায় অবদান রাখছেন। এই বিশাল এবং নিবেদিতপ্রাণ মিশন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অটুট অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
প্রাক-নির্বাচনি প্রচারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এসব বিষয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করা সমীচীন নয়। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে এবং তখন এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে।
‘নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের কাজ হলো নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হওয়া। নির্বাচন শেষে প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী পর্যবেক্ষকরা ইউরোপের চোখ ও কান হিসেবে কাজ করবেন। তাদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন উপস্থাপন করা হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি ভালো, অংশগ্রহণমূলক, বিশ্বাসযোগ্য এবং অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে আগ্রহী।’
এর আগে, গত মাসে মিশনটির ৫৬ জন প্রতিনিধি দীর্ঘ মেয়াদে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে ঢাকায় আসেন। তারা নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের প্রস্তুতি, নির্বাচনি প্রচারণা, ভোটার শিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে যোগাযোগ।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যদের একটি প্রতিনিধিদল মিশনটিকে আরও শক্তিশালী করেছে। পূর্ণ সক্ষমতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্যরাষ্ট্র ছাড়াও কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক এই মিশনে পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন।
নির্বাচনের দুই দিন পর, অর্থাৎ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নিয়ে একটি প্রাথমিক বিবৃতি দেবে ইইউ মিশন। ওইদিন ঢাকায় একটি সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে তাদের। তার দুই মাসের মধ্যে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য সুপারিশসহ একটি পূর্ণাঙ্গ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করবে তারা।
ইভারস ইয়াবস জানিয়েছেন, ২০০৫ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অনুমোদিত ‘আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা’ অনুযায়ী তাদের মিশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাংলাদেশেও ইইউ পর্যবেক্ষক মিশনের সবাই কঠোর আচরণবিধি মেনে চলবেন।
২৪ দিন আগে
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরালো করার ইঙ্গিত দিয়েছেন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছান। এদিন কর্মসূচির শুরুতে তিনি পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়ামের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের দপ্তরে যান।
বৈঠক শেষে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে চমৎকার বৈঠক হয়েছে। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’
এদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক কমানোর সুযোগ খুঁজছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে আগামীকাল (সোমবার) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একটি বাণিজ্যচুক্তি সই করতে পারে।
২৬ দিন আগে