আওয়ামী-লীগ
সাংবিধানিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে কেউ হটাতে পারবে না: কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সাংবিধানিকভাবে নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটানোর ক্ষমতা কারো নেই।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি আবারও কালো পতাকা মিছিলের নামে সন্ত্রাস ও সহিংসতার সুর তুলছে। কিন্তু সাংবিধানিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার ক্ষমতা কারো নেই।’
সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচনে না এসে বিএনপি যে ভুল করেছে তার খেসারত দিতে হবে।
আরও পড়ুন: দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা একটি চ্যালেঞ্জ: ওবায়দুল কাদের
ওবায়দুল কাদের বলেন, সংবিধান ও জাতীয় সংসদের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আগামীকাল থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘অগণতান্ত্রিক আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে জনগণ বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করেছে, যা দেশে গণতন্ত্রের নতুন বিজয়।’ বিপুল সমর্থনের জন্য জনগণকে ধন্যবাদও জানান তিনি।
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ রাজপথে রাজনৈতিক ইস্যু মোকাবিলা করবে। আর দেশের স্বার্থে কোনো অশুভ শক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, বিএনপি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসকে বিকৃত করে এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তাদের অপচেষ্টা সফল হয়নি।
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুর নাম দেশে-বিদেশে শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খানকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বিএনপি প্রমাণ করেছে তারা স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার ও আলবদর শক্তির দল।
আরও পড়ুন: স্বতন্ত্র এমপিরা সংসদে স্বতন্ত্র হিসেবেই ভূমিকা রাখবেন: কাদের
তিনি বলেন, বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের জন্য মঈন খানের উচিত জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া।
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এখন সরকারের অগ্রাধিকার হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা এবং বাজার নিয়ন্ত্রণ করা।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
তিনি বলেন, ‘মৌখিকভাবে হুমকি দেওয়া সবসময় সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে না। আমাদের ইতিবাচক পদক্ষেপে যেতে হবে। এর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ইতিবাচক ব্যবস্থা নিতে হবে।’
এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার রোকেয়া সুলতানা, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বিএনপি আন্দোলনের নামে সহিংসতা করলে কঠোরভাবে দমন করা হবে: কাদের
৭৬৭ দিন আগে
স্বতন্ত্র এমপিরা সংসদে স্বতন্ত্র হিসেবেই ভূমিকা রাখবেন: কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বতন্ত্ররা স্বতন্ত্রই থাকবে। তবে তারা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারবে।
তিনি বলেন, আমাদের সংসদ নেতা, দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বলেছেন।
রবিবার(২৮ জানুয়ারি) রাতে গণভবনে স্বতন্ত্র এমপিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, এই নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক এবং বিভিন্ন প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে কিছু সংঘাত, সহিংসতা, অন্তর কলহ হয়েছে। এখনও বিক্ষিপ্ত, বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন এটা মেটাতে হবে।
আরও পড়ুন: জাপা চেয়ারম্যানের পদ থেকে জিএম কাদেরকে বরখাস্ত করলেন রওশন
ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বতন্ত্র এমপিরা জানিয়েছেন তারা নিজেদেরকে আওয়ামী লীগ ভিন্ন পরিচয় দিতে তাদের আবেগ এবং বিবেক আহত হয়। সে অবস্থায় নিজেরা নিজেদের মধ্যে বিবাদ ও অন্তঃকলহ মেটাতে হবে। নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে সকলকে কাজ করতে হবে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাদেরকে মনোনীত করবেন তাদের প্রতি সমর্থন থাকবে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের।
আরও পড়ুন: সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হলেন জিএম কাদের, উপনেতা আনিসুল ইসলাম
৭৬৭ দিন আগে
বিএনপি এখন বলে, তারেক জিয়াই সব শেষ করল: নীলফামারীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, 'বিএনপির মধ্যে এখন চরম হতাশা। তারা বলে, তারেক জিয়াই সব শেষ করল, নির্বাচন করলেই ভালো হতো।'
তিনি বলেন, 'বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে, বন্দরে, বিয়ে-সাদীর অনুষ্ঠানে দেখা হলে কী ঘটনা জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন- সব উনি শেষ করেছেন। উনি কে, তারেক রহমান। কারণ আজকে বিএনপিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন এই তারেক রহমান।'
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগের চমৎকার সুযোগ রয়েছে: জার্মান রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রবিবার নীলফামারী জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শীতবস্ত্র বিতরণে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় হাছান মাহমুদ এ সব কথা বলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চীন ও নেপালের রাষ্ট্রদূত এবং জাতিসংঘ সমন্বয়কের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিকেলে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর হয়ে নীলফামারী পৌঁছান তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখতে পেয়েছেন সমগ্র পৃথিবীর সমস্ত রাষ্ট্র শেখ হাসিনার সরকারকে অভিনন্দন জানাচ্ছে এবং কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করছে। এতেই বিএনপির মধ্যে হতাশা আরও গভীর হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হকের সঞ্চালনায় বক্তৃতা দেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, শাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।
আরও পড়ুন: এই সরকার জনগণের: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আশাবাদী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৭৬৮ দিন আগে
দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা একটি চ্যালেঞ্জ: ওবায়দুল কাদের
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা একটি চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, এটা বাস্তবতা, অস্বীকার করে লাভ নেই এ নিয়ে সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন।
রবিবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: বিএনপি আন্দোলনের নামে সহিংসতা করলে কঠোরভাবে দমন করা হবে: কাদের
তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে সার্বিক পরিস্থিতিতে ভারত আমাদের সঙ্গে প্রতিবেশীসুলভ আচরণ করেছে। বিএনপি যখন কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে নির্বাচন ভণ্ডুল করতে চেয়েছিল, তখন ভারত আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
‘আমি মনে করি, সংশয় ও অবিশ্বাসের দেয়াল অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভেঙে দিয়েছেন।’
মন্ত্রী বলেন, আমাদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের চিড় ধরার কোনো কারণ নেই।
রাজনীতি উত্তপ্ত হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, নতুন সরকারের কাজে যখন বাধা আসবে, তখন সেটা আমাদের অতিক্রম করতে হবে। তারা (বিএনপি) এখানে যদি সহিংস কর্মসূচি কিংবা সাধারণ কর্মসূচি দিয়ে সহিংসতা করে, তবে সেটার মোকাবিলা আমাদের করতে হবে। কারণ আমরা ক্ষমতায় আছি, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।
সরকার মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবে না, বিএনপির এমন মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপি এ পর্যন্ত যত স্বপ্ন দেখেছে, সব দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অনেক দিন পর গতকাল আবির্ভূত হলেন, এতদিন পলাতক ছিলেন। তিনি এতদিন কোথায় পালিয়ে ছিলেন, সেই জবাব তো পেলাম না। কঠিন সময় পার করা, চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করার সৎ সাহস আমাদের আছে। আমরা পেরেছি, ভবিষ্যতেও পারব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে দায়িত্ব আমরা নিয়েছি, সেটা আমরা পালন করব।’
বিরোধী দল কারা হবে- এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এখানে তো বিরোধী দল বলতে জাতীয় পার্টিই সামনে আসে। তারা আগেও ছিল। তাদের অনেক অভিজ্ঞতা আছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।
আরও পড়ুন: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে কাদের
৭৬৮ দিন আগে
বিএনপিকে জনগণ কালো পতাকা ও বিদেশিরা লাল পতাকা দেখিয়েছে: হাছান মাহমুদ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি না কি কালো পতাকা মিছিল ডেকেছে। অথচ বিএনপির নির্বাচন ভন্ডুলের চক্রান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দেশের জনগণ নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পুণনির্বাচিত করে বিএনপিকে ইতিমধ্যেই কালো পতাকা দেখিয়ে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে যে বিদেশিদের কাছে বিএনপি বারবার ধর্ণা দিয়েছিল, তারাও নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, নির্বাচনের প্রশংসা করেছে, শেখ হাসিনার সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে একসঙ্গে কাজের আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। অর্থাৎ বিদেশিরাও বিএনপিকে লাল পতাকা দেখিয়েছে।
শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘শান্তি ও গণতন্ত্র’ সমাবেশে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: নতুন সরকারকে বিশ্ব নেতাদের অভিনন্দন বিএনপির মাথা খারাপ করে দিচ্ছে: হাছান মাহমুদ
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচনের পর কার্যত এটিই আওয়ামী লীগের প্রথম সমাবেশ এবং এ সমাবেশ থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে পুণনির্বাচিত করার জন্য দেশের জনগণকে ধন্যবাদ জানাই।’
তিনি আরও বলেন, 'ইঁদুর যেমন গর্ত থেকে উঁকি দেয় তেমনি বিএনপিও এখন গর্ত থেকে উঁকি দিচ্ছে। তারা আবার দেশে অশান্তি তৈরির অপচেষ্টা চালাবে। এ জন্য দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগ রাজপথের দল, রাজপথে সবসময় থাকবে।'
আরও পড়ুন: চরম হতাশা বিএনপিকে গ্রাস করেছে: হাছান মাহমুদ
সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক, আইনজীবী কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, হান্নান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হকসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূসকে নিয়ে 'লবিস্ট সমর্থিত' বিবৃতি বিদেশি বিনিয়োগে প্রভাব ফেলবে না: হাছান মাহমুদ
৭৬৮ দিন আগে
বিএনপি আন্দোলনের নামে সহিংসতা করলে কঠোরভাবে দমন করা হবে: কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আন্দোলনের নামে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে কঠোরভাবে দমন করা হবে।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপকমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এই মুহূর্তে বিএনপির কোনো আশা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা এখন কালো পতাকা নিয়ে মিছিল করছে, এটা শোকের মিছিল। ‘এভাবে তারা নিজেরাই জাতিকে বলছে যে, আমরা পরাজিত হয়েছি।’
গ্রেপ্তার হওয়া নেতা-কর্মীদের সংখ্যা নিয়ে বিএনপির দাবি প্রত্যাখ্যান করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, যারা ট্রেনে, বাসে আগুন দিয়েছে, যারা পিটিয়ে পুলিশ হত্যা করেছে, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা চালিয়েছে তারা কারাগারে আছে।
বিএনপিকে আইনিভাবে মোকাবিলা করারও আহ্বান জানান তিনি।
কাদের বলেন, ‘কোন দেশে অপরাধ করলে শাস্তি হয় না? আমরা কি আমেরিকার পরামর্শ অনুযায়ী তাদের মুক্তি দেব?'
আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের সভাপতিত্বে এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদসহ উপকমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
৭৭০ দিন আগে
সিলেটে যুবলীগের দু'পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৬
সিলেট নগরীর পাঠানটুলা এলাকায় যুবলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। এ সময় অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে পাঠানটুলা এলাকার স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অফিসার) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
এ ঘটনায় উভয়পক্ষের আহতরা হলেন- সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার আব্বাসের ছেলে রশিদ (৩৫), জালালাবাদ থানার গোয়াবাড়ি এলাকার আলী (৩৩), একই থানার নতুন বাজার এলাকার বিরেন্দ্র দাসের ছেলে বিদ্যুৎ (৩৫) ও পল্লবী রোডের মৃত আলী আব্বাসের ছেলে শিপলু। এছাড়া জামাল ও কয়েস নামে আরও দুজন আহত হয়েছেন।
ঘটনার পর আহতদের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে গুরুতর আহত আলীকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকি সবাই ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আরও পড়ুন: আড়াইহাজারের ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষ, ভোট গ্রহণ স্থগিত
জানা গেছে, বুধবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল যুবলীগ নেতা শিপলুর নিয়ন্ত্রণাধীন জুয়ার বোর্ডে হানা দেয়। এ ঘটনায় বিদ্যুৎ গ্রুপকে দোষারোপ করে শিপলু গ্রুপের নেতা-কর্মীরা। এখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত।
রাত পৌনে ৯টার দিকে বিদ্যুৎ গ্রুপের নেতা-কর্মীরা স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে আড্ডা দেওয়া অবস্থায় শিপলু গ্রুপের নেতা-কর্মীরা তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তাদের আলীসহ পাঁচজন আহত হয়। এসময় পাল্টা হামলায় আহত হয় শিপলু গ্রুপের শিপলু।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইন উদ্দিন শিপন জানান, খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
আরও পড়ুন: ভাঙ্গায় দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ১৫
৭৭১ দিন আগে
গণহত্যার নায়ককে পুরস্কৃত করেছিল এরশাদ-খালেদা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, `১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে গণহত্যার মাধ্যমে যে কালো অধ্যায় রচিত হয়েছিল তার মূল নায়ক ছিল পুলিশ কমিশনার রকিবুল হুদা। তাকে এরশাদ সাহেবও প্রমোশন দিয়েছেন, পরে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াও প্রমোশন দিয়েছেন।’
মন্ত্রী আরও বলেন, সেদিন শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই বৃষ্টির মতো গুলি ছুঁড়ে ২৪ জনকে হত্যা করা হয়েছে। সেটির দায়ে পুলিশ কমিশনারকে অভিযুক্ত করা হয়নি, বরং পুরস্কৃত করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘চট্টগ্রাম গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: সংশোধিত শ্রম আইন আগামী অধিবেশনে পাস হবে: আইনমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর সামনে একটি গর্বিত দেশ। ন্যাম সামিটে জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথ সেক্রেটারিসহ বহু দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। প্রত্যেকেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন।’
তিনি বলেন, তিনি আবার নতুনভাবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। পত্রপত্রিকায় দেখেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। নির্বাচন কেন করলাম না, বিএনপির মধ্যে এখন এ নিয়ে গভীর হতাশা। সারা পৃথিবী যখন অভিনন্দন জানাচ্ছে, তখন তারা দিশেহারা হয়ে গেছে, খেই হারিয়ে ফেলেছে।
মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামেও ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি শেখ হাসিনা মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেদিনও পাখি শিকারের মতো মানুষ শিকার করে গুলি ছুঁড়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। সেদিন নিহতের সংখ্যা ২৪ জন বলা হলেও অনেক লাশ গুম করা হয়েছে, বহু মানুষ আহত হয়েছিল।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান বলেন, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছিল। ভোট নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করে তারা আসলে নিজের মুখটা রক্ষা করার জন্য প্রশ্ন উত্থাপন করছে। বিএনপি এখন আগের নেতৃবৃন্দকে বাদ দিয়ে ড. মঈন খানকে নামিয়েছে। সুন্দর সুন্দর কথা বলে তিনি যদি কিছু করতে পারেন।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান বলেন, ‘আসলে বিএনপির মধ্যে ভেতরে ভেতরে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড অসন্তোষ। সেই অসন্তোষ কোনো একসময় বিস্ফোরণ ঘটবে।’
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।
আরও পড়ুন: বিদেশি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলো নিয়মিত পর্যালোচনা করবে সরকার
ঢাকা-লন্ডন সম্পর্ক আধুনিক অংশীদারিত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে: ক্যামেরন
৭৭২ দিন আগে
চরম হতাশা বিএনপিকে গ্রাস করেছে: হাছান মাহমুদ
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি এখন বুঝতে পেরেছে যে নির্বাচন বর্জন করা বড় ভুল ছিল।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) পুরান ঢাকার বকশী বাজারের ঐতিহাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নবকুমার ইনস্টিটিউশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: সায়মা ওয়াজেদকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ মতিউর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভে দলীয় নেতাদের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন হাছান মাহমুদ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুনঃনির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সারা বিশ্ব অভিনন্দন জানাচ্ছে। এতে তারা (বিএনপি) হতাশ হয়েছে এবং তারা আবোল তাবোল কথা বলছে।
আরও পড়ুন: গবেষণা করে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়ানো হবে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতা সংগ্রামকে অস্বীকার করেছে। বিএনপি-জামায়াত আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করেছে এবং বলছে হুইসেল বাজিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এজন্য তারা স্বাধীনতা সংগ্রামকে অস্বীকার করে।
দলীয় নেতাদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, কারো বাঁশি বাজিয়ে আমাদের স্বাধীনতা আসেনি।
আরও পড়ুন: মার্চেই কালুরঘাট সেতুতে যান চলাচল শুরু হবে: রেলমন্ত্রী
৭৭২ দিন আগে
তারেকের বিরুদ্ধে রায় বাস্তবায়নে যা কিছু করা সম্ভব্ সবই করবে সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আদালতের রায় বাস্তবায়নে যা কিছু করা সম্ভব যথা সময়ে সরকার সবই করবে।
তিনি বলেন, 'প্রত্যেক দণ্ডিত ব্যক্তির রায় কার্যকর নিশ্চিত করতে চায় আমাদের সরকার। তারেক রহমানের ইস্যুতে সরকার উপযুক্ত সময়ে সম্ভাব্য সবকিছুই করবে।’
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ইস্যুকে জাতিসংঘের আলোচ্যসূচির শীর্ষে রাখতে মহাসচিবের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধ
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আদালতের রায় বাস্তবায়নে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেককে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন তারা।
আদালতের রায় কার্যকর করতে সরকার বিএনপির দণ্ডিত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেককে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তবে সবকিছুই নির্ভর করছে যুক্তরাজ্য সরকারের ওপর।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী বিশ্বব্যাংক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
গত বছর ওয়াশিংটনে ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা সার্ভিসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘তিনি সেখানে (যুক্তরাজ্য) আছেন। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে ফিরিয়ে এনে তাদের সাজা কার্যকর করতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। তবে এখন বিষয়টি পুরোপুরি ব্রিটিশ সরকারের ওপর নির্ভরশীল। তারা কি তাকে সেখানে রাখবে নাকি শাস্তি কার্যকর করতে দেবে? এটা সম্পূর্ণভাবে তাদের ওপর নির্ভর করছে।’
তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, অস্ত্র চোরাচালান, দুর্নীতি ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পারিবারিক পুনর্মিলনের ক্ষেত্রে অনেকে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, এই প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি ।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ শীর্ষ সম্মেলন: ঐক্য, সংহতি ও সহযোগিতার ডাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
তিনি স্বীকার করেন, যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে বসবাস করছেন এমন অনেকে আছেন।
৭৭২ দিন আগে