আইনশৃঙ্খলা
কারাগারে আত্মহত্যা করলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুজন
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে নির্বিচারে হামলা করা সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন (৪৫) কারাগারে আত্মহত্যা করেছেন।
রবিবার (১৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সূর্যমুখী ভবনের একটি কক্ষে নিজের গলায় গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি।
ঘটনার পরপরই তাকে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারাগার সূত্র জানায়, বন্দি হিসেবে সুজন সূর্যমুখী ভবনের একটি সাধারণ কক্ষেই ছিলেন। তার ব্যবহৃত গামছা দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কারা হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে মারা যান তিনি।
কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন বলেন, সুজন ডিটেনশনে সূর্যমুখী ভবনের একটি কক্ষে ছিলেন। এদিন সকালে সুজন নাস্তাও করেছেন। ওই কক্ষের তিনজন বন্দির একজন আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছেন এবং আরেকজন ঘুমিয়ে ছিলেন। এই সুযোগে সুজন নিজের গামছা পেঁচিয়ে জানালার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন।
আরও পড়ুন: পিট্টি মারার পুলিশ চাচ্ছি না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
কারা মহাপরিদর্শক বলেন, পরে তাকে উদ্ধার করে কারা হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে মারা যায় সে।
তিনি আরও বলেন, ‘সুজনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা আছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনেরও একাধিক মামলা রয়েছে। সম্ভবত অবসাদগ্রস্ত হয়ে তিনি এমন কাজ করতে পারেন। কিন্তু এটি অবশ্যই অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা তদন্ত কমিটি করে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে বন্দি সুজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাসহ মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালে সুজনকে প্রকাশ্যে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ছুড়তে দেখা যায়। এ ছাড়া, এলাকায় জমি দখলসহ আধিপত্য বিস্তারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবের আগে থেকেই একাধিক অভিযোগ পাওয়া যায়।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ও শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলে সুজনও আত্মগোপনে চলে যান। তবে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে রাজধানীর উত্তরার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি থেকে তিনি কারাবন্দি ছিলেন।
এর আগে, শেখ হাসিনার শাসনামলে ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজির অভিযোগে বিরুলিয়া ইউনিয়নের কাকাবর এলাকায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সুজন।
২৬৪ দিন আগে
পিট্টি মারার পুলিশ চাচ্ছি না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সেবাগ্রহীতাদের পিট্টি (পিটালে) মারবে, সরকার এমন পুলিশ চাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বর্তমান পুলিশ মানবিক এবং আগের থেকে তারা অনেক বেশি সক্রিয় বলেও মনে করেন তিনি।
তাছাড়া, এবার ঈদে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল বলেও দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। রবিবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব বলেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে সচল হয়নি- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, ‘কে বলল সচল হয়নি? এখন সচল যদি আগের ১৫ বছরের মতো ভাবা হয় যে, গেলে দুটি পিট্টি মারলেই পুলিশ খুব সচল, ওই পুলিশ তো আমরা চাচ্ছি না। আমরা মানবিক পুলিশ চাচ্ছি, যারা সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি ভাবা হয় পুলিশের কাজ হবে দুটি বাড়ি মারা, লাথি মারা— ওই পুলিশ তো আমরা চাচ্ছি না। এখনের পুলিশ হলো মানবিক পুলিশ। এখন হয়তো লোকজন ভাবছে পুলিশ সচল হয়নি। পুলিশ কিন্তু আগের থেকে এখন আরও বেশি সক্রিয়।’
এ ছাড়া, র্যাবের পোশাক পরে ডাকাতির ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, 'র্যাবের পোশাক পরে যে ঘটনাটা ঘটেছে, এটা নিয়ে আমরাও খুব উদ্বিগ্ন। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, এটার সঙ্গে যেই জড়িত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যেন আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারি।’
আরও পড়ুন: নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব প্রস্তুতি আছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এ সময় ভারতের পুশ ইনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেছি। ভারতে আমাদের যে হাইকমিশনার আছেন, তিনিও আমাদের অফিসে এসেছিলেন। আমরা বলেছি আমাদের দেশের নাগরিক যদি ভারতে থেকে থাকে, প্রোপার চ্যানেলে পাঠাও আমরা নেব। জঙ্গলের মধ্যে, নদীর মধ্যে, লেকের মধ্যে ফেলে দেওয়া— এটা কোন সভ্য দেশে হওয়া উচিত না।’
এ ছাড়াও, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকার বাহিনী কতটা প্রস্তুত— এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন। তারা যে সময় ঘোষণা করবে, আমার মনে হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই সময় প্রস্তুত।’
২৬৪ দিন আগে
ইসি যখনই নির্বাচনের তারিখ দেবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: উপদেষ্টা
নির্বাচন কমিশন (ইসি) যখনই নির্বাচনের তারিখ দেবে, তখনই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময়ে পুলিশ বর্তমানে সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে, তাই মানুষ ভাবছে পুলিশ সচল হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
রবিবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব বলেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘পুলিশ আগের থেকে আরও বেশি সচল।’
পুলিশ পুরোপুরিভাবে সচল হয়েছে কিনা এই প্রসঙ্গে উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ‘গেল পনেরো বছরের মতো পুলিশ আমরা চাচ্ছি না, যে গেল দুইটি পিট্টি মারলো। আমরা মানবিক পুলিশ চাই, যারা সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবে, সবকিছু ভালোভাবে চলবে। পুলিশ এখন ভালো ব্যবহার করে, তাই মানুষ ভাবে পুলিশ সচল হয়নি। কিন্তু পুলিশ আগের থেকে আরও বেশি একটিভ (সচল)।’
এদিকে, সম্প্রতি লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক শেষে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানানো হয়।ৎ
আরও পড়ুন: নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব প্রস্তুতি আছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আইনশৃঙ্খলার বাহিনী এজন্য প্রস্তুত রয়েছে কিনা জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যখন নির্বাচনের তারিখ দেবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তখনই প্রস্তুত আছে।’
এ সময় সীমান্তে পুশ ইন সম্পর্কে জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বেশ আলোচনা করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাছাড়া ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গেও কথা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘যদি আমাদের দেশের নাগরিক ভারতে থেকে থাকেন, তাহলে প্রোপার চ্যানেলে পাঠালে আমরা নেব। কিন্তু এভাবে জঙ্গলে ফেলে যাওয়া, নদীর ওপর ফেলে যাওয়া, লেকের ওপর ফেলে যাওয়া— এটা কোনো সভ্য দেশের কাজ হওয়া উচিত না।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমরা অনুরোধ করেছি, আমাদের দেশের নাগরিক হলে প্রোপার চ্যানেলে পাঠাও, আমরা নিয়ে নেব।’
আরও পড়ুন: তারেক দেশে ফিরতে পারেন যেকোনো সময়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এ বিষয়ে মিডিয়াকেও প্রচার চালাতে বলেন তিনি। এছাড়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া, ঢাকার উত্তরায় র্যাবের পোশাক পরে কয়েকজন এসে মোবাইলে আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদের এজেন্টের কাছ থেকে কোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি। আমরা সর্বোচ্চভাবে চেষ্টা করছি, এর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনার।’
২৬৪ দিন আগে
পুলিশের চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বে রদবদল
বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন পদের চার কর্মকর্তার দায়িত্বে রদবদল ও পদোন্নতি হয়েছে।
রবিবার (১৫ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ অধিশাখার উপসচিব মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের কমান্ড্যান্ট আলি আকবর খানকে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি করা হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রামের আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. শামসুল হককে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি করা হয়েছে।
এ ছাড়াও ঢাকা আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি করা হয়েছে। আর সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রোমানা আক্তারকে ঢাকা রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের কমান্ড্যান্ট করা হয়েছে।
জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২৬৪ দিন আগে
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাকে মারপিট করে পুলিশে দিল জনতা
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও খানজাহান আলী থানার সাবেক সভাপতি বেগ লিয়াকত আলীকে মারপিট করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
শনিবার (১৪ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর ফুলবাড়িগেট বাজার মোড় থেকে তাকে আটক করা হয়।
বেগ লিয়াকত আলীর বাড়ি খানজাহান আলী থানার বাদামতলা পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মাটিতে বসা বেগ লিয়াকত আলীর জামার কলার ধরে আছেন এক ব্যক্তি। অন্যরা তাকে ঘিরে ধরে বিভিন্ন সময় স্থানীয়দের ওপর বেগ লিয়াকতের চালানো নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে গালাগাল করছেন। কয়েকজন তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন।
এ সময় মধ্য বয়স্ক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার বুড়ো বাপকেও তুই ছাড়িসনি। তাকেও মারতে গেছিস’।
জানা যায়, ৫ আগস্টের পর বেগ লিয়াকাত আলীর বিরুদ্ধে দিঘলিয়া, দৌলতপুর, খান জাহান আলী এবং সাভার থানায় বেশ কয়েকটি মামলা হয়। গত ১৩ মে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পরের দিন তিনি আদালতে জামিন নিতে গেলে পুলিশ সেখান থেকে তাকে আটক করে। ঈদের সপ্তাহখানেক আগে তিনি জামিনে কারামুক্ত হন। সেই থেকে তিনি বাড়িতেই থাকতেন।
আরও পড়ুন: দ্রুত ও কম খরচে মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কাজ করছে আইন মন্ত্রণালয়: আসিফ নজরুল
স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন অনেকটা জোরপূর্বক তিনি ফুলবাড়িগেট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি পদ দখলে রেখেছিলেন। বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ী, এমনকি আওয়ামী লীগের সমর্থক ব্যবসায়ীরাও নির্বাচনের দাবি জানালেও তিনি কান দেননি। এসব কারণে বাজারের ব্যবসায়ীরা তার উপর ক্ষুব্ধ ছিল।
নগরীর খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, বেগ লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। শনিবার একটার দিকে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
২৬৫ দিন আগে
রাজধানীতে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর ব্যবসায়ীর খন্ডিত লাশ উদ্ধার
রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর এক ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীর খন্ডিত লাশ মাটি খুড়ে উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সকালে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ব্যবসায়ীর নাম জাকির হোসেন (৫৫)। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে।
সত্যতা নিশ্চিত করে সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক এসআই শামসুল আমিন বলেন, গত ৪ জুন থেকে ঐ ব্যবসায়ী নিখোঁজ ছিলেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। সেই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যায়, তারই পরিচিত আজহার নামে এক ব্যাক্তি তাকে ফোনে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। এরপর থেকে আর তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না।
তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাজধানীর মহানগর এলাকা থেকে প্রথমে আজহারকে আটক করি। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাসে তিনি স্বীকার করেন যে, তারাই জাকিরকে হত্যা করে জাকিরের বাড়ির পাশে বাইকদিয়া এলাকার একটি জঙ্গলে ফেলে রাখে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তার ক্ষতবিক্ষত ছয় টুকরা করা দেহ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: খুলনার আঠারো বেকী নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
তিনি বলেন, জাকিরকে প্রথমে রড দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। সে নিচে পড়ে গেলে, তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে শরীর থেকে বিভিন্ন অংশ আলাদা করা হয়।
তিনি বলেন, আমরা তার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কি কারণ তাদের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল, যার কারণে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে পুলিশের ঐ কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করে পরে জানানো যাবে।
সবুজবাগ বাইকদিয়া এলাকায় থাকতেন ব্যাবসায়ী জাকির হোসেন। তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান নন্দিপাড়া এলাকায়।
নিহতের ছোট ভাই মাসুদ হোসেন জানিয়েছেন, বহুবছর যাবত বাকইদিয়া এলাকায় জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল স্থানীয় ফারুক, মেহের আলীসহ অনেকের সঙ্গে।
অভিযোগ করে ভাই মাসুদ বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষদের সম্পদ তারা দখল করে রেখেছে। ঐ সব জমিজমা নিয়ে মামলা চলছিল। ভাই জাকির হোসেন ঐ মামলা পরিচালনা করে আসছিলেন।
তার দাবি, ঐ চক্ররা পরিকল্পিতভাবে ভাড়াটিয়ে লোক দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন, গত ৪ জুন রাতে ভাইয়ের পূর্ব পরিচিত আজাহার, তাকে (ভাই) ফোন করে ডেকে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ভাইয়ের কাছে কয়েক লাখ টাকা ছিল। ভাই, বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর আর বাসায় ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর আমাদের সন্দেহ হয়, ভাই নিখোঁজের পেছনে স্থানীয়রা জড়িত। পুরো বিষয়টি জানিয়ে আমরা থানায় আজাহার, স্বপন, ইমন, রাজিব, শুক্কুরসহ বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে অপহরণ মামলা করি।
পরে পুলিশ আজাহারকে গ্রেপ্তার করে তার দেখানো মতে ভাইয়ের খন্ডিত লাশ উদ্ধার করেন।
২৬৭ দিন আগে
চার সীমান্ত দিয়ে ৭০ জনকে ঠেলে দিলো বিএসএফ
সিলেট ও সুনামগঞ্জের চারটি সীমান্ত দিয়ে ৭০ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ। বুধবার (১১ জুন) দিবাগত রাতে ও বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভোরে পুশইন করার পর তাদের আটক করে বিজিবি।
আটকদের মধ্যে ২২ জন পুরুষ, ১৮ জন মহিলা এবং ৩০ জন শিশু রয়েছে। আটকদের ৪৩ জনের বাড়ি কুড়িগ্রাম এবং ২৭ জনের বাড়ি লালমনিরহাটে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, মোকামপুঞ্জি, মিনাটিলা এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাইরাগ সীমান্ত দিয়ে ৫৩ জন, এবং সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নোয়াকোট সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে পুশইন করা হয়।
এদিকে, জৈন্তাপুরের শ্রীপুর বিওপি ২টি পরিবারের ১৭ জনকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ৪ জন নারী এবং ৯ জন শিশু রয়েছে। তারা ৭ জন কুড়িগ্রাম জেলার এবং ১০ জন লালমনিরহাট জেলার বাসিন্দা।
অন্যদিকে, মিনাটিলা বিওপি ৪টি পরিবারের ২৩ জনকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ, ৭ জন নারী এবং ৭ জন শিশু রয়েছে। সবাই কুড়িগ্রাম জেলার বাসিন্দা।
আরও পড়ুন: করোনার চোখ রাঙানি: পর্যটকপ্রিয় রাঙ্গামাটিতে স্বাস্থ্য বিভাগের ব্যাপক প্রস্তুতি
এছাড়া, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাইরাগ বিওপি ২টি পরিবারের ১৩ জনকে আটক করেছে, যাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ৩ জন নারী এবং ৬ জন শিশু রয়েছে। তারা সবাই কুড়িগ্রাম জেলার বাসিন্দা।
ছাতক উপজেলার নোয়াকোট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ছনবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ৪টি পরিবারের ১৭ জন বাংলাদেশিকে পুশইন করা হয়। আটকদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ৪ জন নারী এবং ৮ জন শিশু রয়েছে।
বিজিবির ৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি টহল জোরদার করেছে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’
২৬৭ দিন আগে
শনিবার থেকে হাইকোর্ট এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা
আগামী শনিবার (১৪ জুন) থেকে প্রধান বিচারপতির বাসভবনসহ হাইকোর্ট এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনশৃঙ্খলা রক্ষায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স (অর্ডিন্যান্স নং-III/৭৬) এর ২৯ ধারায় আগামী শনিবার (১৪ জুন) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবন, বিচারপতি ভবন, জাজেস কমপ্লেক্স, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের প্রধান গেট, মাজার গেট, জামে মসজিদ গেট, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১ ও ২ এর প্রবেশ গেট, বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ভবনের সম্মুখে সকল প্রকার সভা, সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হলো।
এতে, বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায় ও প্রতিবাদ কর্মসূচির নামে যখন-তখন সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়।
এর আগে, গত ২৬ মে সচিবালয় ও যমুনা-সংলগ্ন এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষিদ্ধ করেছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
আরও পড়ুন: সচিবালয় এলাকায় সব ধরনের সভা সমাবেশ-জমায়েতে নিষিদ্ধ করল ডিএমপি
২৬৭ দিন আগে
পল্লবীর পেপার সানি হত্যাকাণ্ড: মাদক কারবারের দ্বন্দ্ব নাকি সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থান?
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে পেপার সানি নামে পরিচিত রাকিবুল হাসান সানি (৩২) হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিনের মাদক কারবারের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বই তার মৃত্যুর প্রধান কারণ। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, সানি এলাকায় কিশোর গ্যাং ও মাদকচক্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাকে খুন করা হয়েছে।
নিহত সানি কালশীর মোহাম্মদ সোহেলের ছেলে। স্ত্রী ও মা-বাবাসহ পরিবারের সঙ্গে মিরপুরের পল্লবী এলাকায় বসবাস করতেন তিনি। তিনি ফুটপাতে কাপড়ের ব্যবসা ও অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন বলে দাবি করছেন তর পরিবার।
মাদক কারবার ও পুরোনো দ্বন্দ্ব
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সানি ও তার এক সময়কার ঘনিষ্ঠ রুবেল গ্রুপের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও এলাকায় আধিপত্য নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ গ্রুপের সদস্যরা হলেন— কুখ্যাত ল্যাংড়া রুবেল, বোমা কাল্লু, টানা আকাশ, জিন্দা ও কাসরা সোহেলসহ আরও অনেকে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এরা সবাই কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত এবং পল্লবী এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত।
আরও পড়ুন: মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি, আটক ৩ ডাকাত কারাগারে
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সানি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার বাবা বলেন, ‘আমার ছেলে এলাকার কিশোর গ্যাং ও মাদক চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতো। এটাই তার অপরাধ। এজন্যই তাকে হত্যা করা হয়েছে।’
রহস্যময় রাত ও হত্যাকাণ্ডের চিত্র
মামলার এজাহার অনুযায়ী, হত্যার আগের রাতে সোমবার (৯ জুন) সানিকে স্বপন নামে এক যুবক মিরপুর সাড়ে ১১ এলাকায় ফোন করে আড্ডা দেওয়ার জন্য ডেকে নিয়ে যায়। রাত ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে গেলেও আর ফেরেননি তিনি। পরদিন মঙ্গলবার (১০ জুন) মিরপুর ১১ এলাকার বি ব্লকের ৩ নম্বর সড়কের ২০ নম্বর বাসার সামনে একটি ফাঁকা জায়গায় সানির লাশ পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা জানান, হাতকড়া ও গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় লাশটি পড়ে ছিল। সানির মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন খোয়া যায় বলে এজাহারে বলা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, তাকে সকাল ৬টার দিকে হাতকড়া পরিয়ে, দুই পা বেঁধে গলা কাটা হয়।
রুবেল গ্রুপের অন্ধকার জগৎ
সূত্র জানায়, রুবেল আগে পেশায় রিকশাচালক ছিলেন। পরে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে সে। এক সময় সানি ও রুবেল একসঙ্গে কাজ করলেও পরবর্তীতে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এলাকাবাসী জানায়, বোমা কাল্লু সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে এসেছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তাকে ব্যবহার করা হয়েছে।
ঘটনার আগের দিন সোমবার রুবেল একটি প্রাইভেটকারে করে বোমা কাল্লুকে মিরপুর ১১ এলাকার বাংলা স্কুলের সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ফাজজু নামে আরেকজন মাদক ব্যবসায়ী। এরপর এলাকায় আধাঘণ্টা ধরে শোডাউন করে তারা। পরদিনই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
আইনি প্রক্রিয়া ও পুলিশের অবস্থান
ঘটনার পর নিহতের মা রোজিনা বেগম বাদী হয়ে মঙ্গলবার (১০ জুন) পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ল্যাংড়া রুবেল, বোমা কাল্লু, স্বপন, জিন্দা ও টানা আকাশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিউল আলম বলেন, ‘আসামিদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।’
ওসি ইউএনবিকে বলেন, ‘পেপার সানিকে তার প্রতিপক্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রুপ হত্যা করেছে। এটি দুই পক্ষের মাদক নিয়ন্ত্রণের দ্বন্দ্বের জেরে ঘটেছে। নিহত সানির বিরুদ্ধেও থানায় ৮ থেকে ৯টি মামলা ছিল।
নিরাপত্তাহীনতায় এলাকাবাসী
গত ১০ মাস ধরে পল্লবী এলাকার বাসিন্দারা রুবেল গ্রুপের তাণ্ডবে অতিষ্ট। স্থানীয়দের ভাষ্য, এই গ্রুপের সদস্যরা একের পর এক অপরাধ করলেও, তারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। পেপার সানির মতো কেউ প্রতিবাদ করলেই তার করুণ পরিণতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
ওই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, এখানে এখন আইনের শাসন নেই। কেবল আছে কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাস। আমাদের প্রতিদিনই আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে। আজ সানিতে হত্যা করা হয়েছে, কাল হয়তো আরেকজনকে করা হবে।
২৬৮ দিন আগে
মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি, আটক ৩ ডাকাত কারাগারে
ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের তিন নম্বর রোডের প্রবেশ মুখে ডাকাতির প্রস্তুতির নেওয়ার সময় আটক তিন ডাকাতকে উত্তরা পশ্চিম থানার মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার(১১ জুন) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন, মো. মিজান (৬৫), মো. রাসেল (২৭) ও মো. হাসান (১৯)।
আরও পড়ুন: লাউয়াছড়ায় ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুন ভোরে উত্তরা পশ্চিম থানার আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১৭ থেকে ১৮ জন ব্যক্তি ডাকাতির উদ্দেশ্যে শলাপরামর্শ করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে এবং বাকিরা পালিয়ে যায়।
জিজ্ঞাসাবাদের আসামিরা স্বীকার করেন, তারাসহ পলাতক আসামিরা বিভিন্ন স্থান থেকে চাপাতি, চাকু, স্টিলের ধাতব মুষ্টির রিং ও স্টিলের অর্ধ বৃত্তাকার ধারালো অংশ বিশেষ সংগ্রহ করে ঘটনাস্থলসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে এবং সুযোগ বুঝে পথচারী ও বিভিন্ন গাড়ি আটক করে ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল। পরবর্তীতে ১১ জুন এ তিন পলাতক আসামিকে আব্দুল্লাহপুর ফিলিং স্টেশন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২৬৮ দিন আগে