আইনশৃঙ্খলা
কর ফাঁকির মামলায় বিএনপির নেতা দুলু খালাস
কর ফাঁকির মামলায় বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ত্রয়োদশ সংসদে নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ রবিউল আলম খালাস দেন।
রায় ঘোষণার সময় দুলু আদালতে হাজির ছিলেন বলে জানান তার আইনজীবী মো. উদ্দিন। তিনি বলেন, এ মামলায় এনবিআরের ৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক দুলুকে মামলা থেকে খালাস দেন।
২০০৮ সালের ৩ অগাস্ট দুলুর বিরুদ্ধে এ মামলাটি করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সহকারী কর কমিশনার হাফিজ আল আসাদ।
মামলায় বলা হয়, ১৯৮৩ সাল থেকে ২ কোটি ৩৪ লাখ ৩৭ হাজার ৫০১ টাকা আয়ের বিপরীতে ১০ লাখ টাকা আয়কর ফাঁকি দিয়েছে, এছাড়া প্রকৃত আয় ও ব্যয় সম্পর্কে আয়কর বিভাগকে ভুল তথ্য দিয়েছেন দুলু।
মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দুলু উচ্চ আদালতে যান। দীর্ঘ দিন মামলাটি উচ্চ আদালত স্থগিত ছিল। পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালত দুলুর বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দেন। ২০২৩ সালের ৯ এপ্রিল আদালত দুলুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। বিচার চলাকালীন আদালত চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় দিয়েছেন।
৫৪ দিন আগে
চীনা নাগরিকদের তত্ত্বাবধানে ঢাকায় অবৈধ আইফোন কারখানা, গ্রেপ্তার ৩
রাজধানী ঢাকার উত্তরা ও নিকুঞ্জ এলাকায় চীনা নাগরিকদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি অবৈধ আইফোন সংযোজন কারখানার সন্ধান পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশ থেকে আনা মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ দিয়ে সেখানে অবৈধভাবে আইফোন সংযোজন করে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
সম্প্রতি ওই কারখানাগুলোতে অভিযান চালিয়ে তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন, আইফোনের যন্ত্রাংশ এবং মোবাইল ফোন তৈরির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবি মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ ৭ জানুয়ারি রাজধানীর উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর ও নিকুঞ্জ-১ এলাকায় একযোগে অভিযান চালায়। অভিযানে উত্তরা এলাকা থেকে ৫৮টি আইফোনসহ একজনকে এবং নিকুঞ্জ-১ থেকে মোট ৩০৫টি ফোনসহ দুই চীনা নাগরিককে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকালে অবৈধ মোবাইলের পাশাপাশি আইফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, পার্টস সংযোজনের মেশিনারিজ এবং বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— ট্যান জিয়ান, উ জুন এবং ডং হংওয়েই।
উপকমিশনার সোহেল বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি বিদেশ থেকে আইফোনের বিভিন্ন পার্টস আলাদা করে অবৈধভাবে ঢাকায় এনে একটি গোপন ল্যাব স্থাপন করে। ওই ল্যাবে যন্ত্রাংশ সংযোজন করে আইফোনের আদলে ভুয়া মোবাইল ফোন তৈরি করা হতো, যা পরে আসল আইফোন হিসেবে বাজারে ছাড়া হতো।
তিনি আরও বলেন, প্রায় দেড় বছর ধরে চক্রটি এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এ সময়ে তারা বিপুল পরিমাণ ভুয়া মোবাইল ফোন বাজারে সরবরাহ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই চক্রের সঙ্গে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক জড়িত আছে কি না তা জানতে চাইলে ডিবি কর্মকর্তা জানান, বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এখনই তা প্রকাশ করা সম্ভব নয়। বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং এই চক্রের মূল হোতা ও বাকি সদস্যদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
ডিবি কর্মকর্তা জনগণকে মোবাইল ফোন কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কম দামে ‘অরিজিনাল আইফোন’ বিক্রির প্রলোভনে পড়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। তাই অনুমোদিত ও অফিশিয়াল শোরুম বা বিশ্বস্ত উৎস ছাড়া মোবাইল ফোন না কেনার অনুরোধ করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৫৭ দিন আগে
পুলিশের উচ্চ পদে ১৪ কর্মকর্তাকে রদবদল
বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ শীর্ষ ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি করে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়।
বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে সিআইডির ডিআইজি এস এম ফজলুর রহমানকে রাজারবাগ পুলিশ টেলিকম ইউনিটে, ডিআইজি মো. সাজ্জাদুর রহমানকে এপিবিএনে, অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খানকে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার করা হয়েছে।
এছাড়া ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার খন্দকার খালিদ বিন নুরকে ডিএমপির উপকমিশনার, নোয়াখালীর পিটিসির পুলিশ সুপার আসমা বেগম রিটাকে এপিবিএন হেডকোয়ার্টার্সে, পিটিসি খুলনার পুলিশ সুপার সোমা হাপাংকে ময়মনসিংহে ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কামান্ড্যান্ট, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ ওসমান গনিকে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার সানা শামীনুর রহমানকে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার, এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরকে একই শাখায় ডিআইজি পদে পদায়ন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম অঞ্চলে নৌপুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে পুলিশ অধিদফতরে (টিআর পদে) পুলিশ সুপার, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার মাহফুজা লিজাকে পুলিশ অধিদফতরে (টিআর পদে) পুলিশ সুপার, এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. যায়েদ শাহরীয়ারকে পুলিশ অধিদফতরে (টিআর পদে) পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি)।
অন্যদিকে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি ও রেলওয়ে পুলিশ সুপার সাইফুল হককে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এ দুজনের বদলির আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
৫৮ দিন আগে
হাদি হত্যা মামলা: ফয়সালের ৫৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের ৫৩টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ৬৫ লাখ ৫০ হাজার ২৪৬ টাকা অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক আব্দুল লতিফ এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং বিষয়ক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।
অনুসন্ধানকালে মো. ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির নামে এসব হিসাব বিশ্লেষণে যথেষ্ট সন্দেহজনক লেনদেন দেখা গেছে।
এছাড়া প্রাথমিক অনুসন্ধানে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থ জোগান এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারামতে সম্পৃক্ত অপরাধ।
এমতাবস্থায় এসব হিসাব মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫)-এর ১৪ ধারার বিধানমতে অবরুদ্ধকরণ এবং একই আইনের ১৭(২) ধারার বিধান মোতাবেক হিসাবগুলোতে স্থিত সমুদয় অর্থ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা একান্ত প্রয়োজন। অন্যথায়, অভিযোগ নিষ্পত্তির আগেই হিসাবগুলোতে স্থিত অর্থ বেহাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, হাদি হত্যা মামলায় ফয়সাল ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পিসহ ১৭ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের মধ্যে ১১ জন গ্রেপ্তার আছেন।
গ্রেপ্তার থাকা ১১ জন হলেন— ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম, কাউন্সিলর বাপ্পির ভগ্নিপতি আমিনুল ইসলাম রাজু এবং সিপুর ঘনিষ্ঠ মো. ফয়সাল।
এছাড়া তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদ, মোটরসাইকেল চালক আলমগীর, ভারতে পাচারের সহায়তাকারী ফিলিপ, ফয়সলের বোন জেসমিন এবং তার স্বামী মুফতি মাহমুদ পলাতক রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ আদায় করে নির্বাচনি প্রচারণা শেষ করেন ওসমান হাদি।
এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে ওই দিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে এভারকেয়ার পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর গত ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলা করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।
৫৮ দিন আগে
সাবেক কাউন্সিলর বাপ্পির নির্দেশে হাদিকে হত্যা করা হয়: ডিবি প্রধান
মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা শেষে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে তিনি এ তথ্য জানান।
চার্জশিটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ফয়সাল করিমসহ মোট ১৭ জনের অভিযোগ প্রমাণ থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলেই চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। চার্জশিট দেওয়া ১৭ জনের মধ্যে ১২ জন গ্রেপ্তার এবং ৫ জন পলাতক রয়েছেন।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই হাদিকে হত্যা করা হয় বলে জানান তিনি।
অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের কথিত ভিডিওবার্তা নিয়ে এ সময় ডিবিপ্রধান বলেন, ভিডিও বার্তা দিতেই পারে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এর আগে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, চার্জশিট আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে অবশ্যই দাখিল করা হবে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে এ কথা তিনি জানান।
স্বরাষ্ট্র সচিব বলেন, হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট ৭ তারিখের (জানুয়ারি) মধ্যে অবশ্যই ইনশাআল্লাহ আমরা দিয়ে দেব। এটি চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত হয়ে গেছে। আমরা একটু দেখছি। দেখে ইনশাল্লাহ ফাইনাল চার্জশিট চলে যাবে।
সেদিন সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এরই মধ্যে হাদি হত্যা মামলায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার এ মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। পরের দিন তার মরদেহ দেশে আনার পর গত ২০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের কাছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
৫৯ দিন আগে
যেকোনো সময় ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো বা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ভোটকেন্দ্রসহ যেকোনো স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যেকোনো সময় প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৯তম সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। ব্রিফিংয়ের সময় তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে ও মাঠ পর্যায়ে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রচার-প্রচারণাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থার গ্রহণের জন্য সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি এ সময় সাধারণ জনগণসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহযোগিতা এবং নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, রাস্তাঘাট বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করাসহ আরও বেশি সক্রিয় ও তৎপর থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সকল বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য-উপাত্ত সমন্বয় করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৬০ দিন আগে
‘হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট প্রস্তুত, ৭ জানুয়ারির মধ্যে দাখিল’
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে অবশ্যই দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনি।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে তিনি এ কথা জানান। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন।
স্বরাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট ৭ তারিখের (৭ জানুয়ারি) মধ্যে অবশ্যই ইনশাআল্লাহ আমরা দিয়ে দেব। এটি চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত হয়ে গেছে। আমরা একটু দেখছি। দেখে ইনশাল্লাহ ফাইনাল চার্জশিট চলে যাবে।’
এর আগে, এই মামলার বিচার নিয়ে তাড়াহুড়া করার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছিলেন, ‘বিচার এমন একটি বিষয়, যেটি নিয়ে তাড়াহুড়া করার কোনো সুযোগ নেই। তবে অবশ্যই আমরা তাদের (আসামি) ফেরত আনার চেষ্টা করছি।’
হাদি হত্যা মামলার আসামিদের অবস্থান সম্পর্কে শনিবার (৩ জানুয়ারি) উপদেষ্টা বলেন, ‘এখনো শতভাগ নিশ্চিতভাবে আমরা বলতে পারছি না। অন্তত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে এখনো নিশ্চিত করে বলা হয়নি যে জড়িতরা নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় অবস্থান করছেন।
‘ইন্টারোগেশন (জেরা) থেকে আমরা কিছু ইঙ্গিত পেয়েছি যে, তারা সম্ভবত সীমান্ত পার হয়ে গেছে। যদি আমরা খুব সুনির্দিষ্ট কোনো অবস্থান শনাক্ত করতে পারি, তাহলে ভারতকে বলতে পারব যে অমুক জায়গায় তিনি আছেন, তাকে ধরে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হোক।’
তিনি বলেন, ‘এমনিতেই ভারতের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ বজায় রয়েছে। দেখা যাক, এ ব্যাপারে আমরা কতটা অগ্রগতি করতে পারি।’
৬০ দিন আগে
দেশে ই-সিগারেট, ভ্যাপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করল সরকার
তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে জনগণকে সুরক্ষা দিতে ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ সব ধরনের বিকাশমান তামাকপণ্য নিষিদ্ধ করে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫’কে আরও শক্তিশালী করে নতুন সংশোধিত অধ্যাদেশ কার্যকর করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হয়েছে।
এ আইনের মূল উদ্দেশ্যে হলো তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, বিড়ি উৎপাদন সংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একীভূত আইন প্রণয়ন, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ ইমাজিং তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও সংযোজন—
‘তামাকজাত দ্রব্য’ সংজ্ঞা সম্প্রসারণ: তামাকজাত দ্রব্যের সংজ্ঞায় ই-সিগারেট, ইলেক্ট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম (ইএনডিএস), হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্ট (এইচটিপি), নিকোটিন পাউচসহ সব উদীয়মান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার এমন যেকোনো পণ্যকে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। এ ছাড়াও, ‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিন দ্রব্যর’ পৃথক সংজ্ঞা সংযোজনসহ ‘পাবলিক প্লেসের’ সংজ্ঞা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
পাবলিক প্লেসে নিষেধাজ্ঞা: সব পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন ও প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, (ওটিটি) প্ল্যাটফর্মসহ সব মাধ্যমে তামাকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ, বিক্রয়স্থলে প্যাকেট প্রদর্শন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ, সিএসআর কার্যক্রমে তামাক কোম্পানির নাম বা লোগো ব্যবহার এবং কোনো অনুষ্ঠান বা কর্মসূচির নামে তামাক কোম্পানির আর্থিক সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশপাশে বিক্রয় নিষিদ্ধ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ই-সিগারেট ও উদীয়মান তামাকপণ্য (ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্টস) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। বিধান লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতার বিড়ি নিষিদ্ধ: উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পৃথক বিডি ম্যানুফ্যাকচার (প্রভিশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৫ বাতিল করা হয়েছে।
আসক্তিমূলক দ্রব্য মিশ্রণ নিষিদ্ধ: তামাক বা তামাকজাত দ্রব্যের সঙ্গে কোনো ক্ষতিকর আসক্তিমূলক দ্রব্য মেশানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিধান রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ও স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং: প্যাকেটের ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে রঙিন ছবি ও সতর্কবাণী বাধ্যতামূলক স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং ছাড়া তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
শাস্তি ও প্রয়োগ জোরদার: জরিমানা ও কারাদণ্ডের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি, কোম্পানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল জব্দের বিধান রাখা হয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনার বিধান সন্নিবেশ করা হয়েছে।
৬৪ দিন আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-হাসপাতালের আশপাশে সিগারেট বিক্রি করলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্ক এলাকায় সিগারেট বা তামাক বিক্রির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়েছে।
২০০৫ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধন করে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করবেন না বা করাবেন না।
সরকার বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সময় সময় সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দিয়ে এ সীমানার পরিধি বাড়াতে পারবে বলে অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি এ বিধান লঙ্ঘন করলে তিনি সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানা মুখে পড়বেন। দ্বিতীয়বার বা বারবার এ অপরাধ করলে দ্বিগুণ হারে শাস্তি পেতে হবে।
৬৫ দিন আগে
খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন ঘিরে ঢাকায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির ২৭ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান এ তথ্য জানান।
শরিফুল ইসলাম বলেন, সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে এভারকেয়ার হাসপাতাল, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা ও জিয়া উদ্যানজুড়ে ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্যদিকে আজ সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসায় নেওয়া হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মরদেহ। সকাল সোয়া ৯টার পর খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী লাল-সবুজ পতাকা মোড়ানো গাড়িটি গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসায় পৌঁছায়।
খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা আজ (বুধবার) দুপুর ২টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে এবং এরপর তার স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
অন্যদিকে, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারা দেশে বুধবার থেকে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং সাধারণ ছুটি পালিত হচ্ছে।
৬৫ দিন আগে