আইনশৃঙ্খলা
এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ ডাক্তার লিখতে পারবে না
এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ নামের আগে ডাক্তার পদবি লিখতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১২ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পৃথক দুটি রিটের শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া আজ পর্যন্ত যারা ডাক্তার পদবি ব্যবহার করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
তবে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) থেকে আইন ভঙ্গ করে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
২০১০ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন হয়। ‘ডিএমএফ’ ডিগ্রিধারীদের (ডিপ্লোমাধারী হিসেবে নিবন্ধিত) ক্ষেত্রে আইনটির বৈষম্যমূলক প্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন আহ্বায়ক শামসুল হুদাসহ অন্যরা ২০১৩ সালে একটি রিট করেন।
ওই আইনের ২৯ ধারার বৈধতা নিয়ে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিশনের সভাপতি ও সেক্রেটারি গত বছর অপর একটি রিট করেন।
বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনের ২৯(১) ধারার ভাষ্য, এই আইনের অধীন নিবন্ধন করা কোনো মেডিকেল চিকিৎসক বা ডেন্টাল চিকিৎসক এমন কোনো নাম, পদবি, বিবরণ বা প্রতীক এমনভাবে ব্যবহার বা প্রকাশ করবেন না, যার ফলে তার কোনো অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতা আছে বলে কেউ মনে করতে পারেন, যদি না তা কোনো স্বীকৃত মেডিকেল চিকিৎসা-শিক্ষা যোগ্যতা বা স্বীকৃত ডেন্টাল চিকিৎসা-শিক্ষা যোগ্যতা হয়ে থাকে।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে সিভিল সার্জনসহ ৪ ডাক্তার ও সরবরাহকারীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
ন্যূনতম এমবিবিএস অথবা বিডিএস ডিগ্রিপ্রাপ্তরা ছাড়া অন্য কেউ তাদের নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না। ২৯ (২) ধারার ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘন করলে তা হবে একটি অপরাধ এবং সেজন্য তিনি ৩ (তিন) বছর কারাদণ্ড বা ১ (এক) লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং ওই অপরাধ অব্যাহত থাকলে প্রতিবার এর পুনরাবৃত্তির জন্য অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে, বর্ণিত দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে, দণ্ডনীয় হবেন।
প্রথম রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৩ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। দ্বিতীয় রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ২৫ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে আইনের ২৯ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। রুলের ওপর একসঙ্গে শুনানি হয়।
আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন শুনানি করেন। এছাড়া প্রথম রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. সাইদুর রহমান।
রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ এম সাইফুল করিম শুনানি করেন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের পক্ষে আইনজীবী কাজী এরশাদুল আলম শুনানি করেন।
৩৫৯ দিন আগে
নারী নির্যাতন: পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হটলাইনে ১০৩ অভিযোগ
নারী নির্যাতন প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হটলাইনে একদিনের ব্যবধানে ১০৩ অভিযোগ এসেছে। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, সোমবার (১০ মার্চ) বিকাল ৪টা থেকে হটলাইন চালু করা হয়েছে। পরের দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত ১০৩টি অভিযোগ গৃহীত হয়েছে।
প্রাপ্ত অভিযোগের যেসব ক্ষেত্রে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানার অফিসারকে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। যেগুলোর ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক প্রতিকার প্রয়োজন হয়নি; সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে হটলাইন চালু
১০৩টি অভিযোগের মধ্যে ৬২টি অভিযোগ অপ্রাসঙ্গিক (যেমন কারও টেলিফোন নম্বর চাওয়া, বেসরকারি হাসপাতালের ডাক্তারের নাম ও মোবাইল নম্বর চাওয়া ইত্যাদি)।
হটলাইন নম্বরে (০১৩২০০০২০০১, ০১৩২০০০২০০২, ০১৩২০০০২২২২) অপ্রাসঙ্গিক অভিযোগ না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
৩৬০ দিন আগে
দেশজুড়ে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ঘটনায় চার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার বিবৃতি
সম্প্রতি সারা দেশে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ঘটনায় অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ কর্মরত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে দেশজুড়ে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে একশনএইড বাংলাদেশ, অক্সফাম ইন বাংলাদেশ, সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল।
বিবৃতিতে সারা দেশে শিশু ও নারী সহিংসতার বিরুদ্ধে সাহসী শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সমাজকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে একাত্মতা ও সংহতি প্রকাশ করেছে ওই আন্তজার্তিক সংস্থাগুলো।
নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে সরকারের নেওয়া সাম্প্রতিক ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধর্ষণের ঘটনায় ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত এবং ৯০ দিনের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি প্রশংসনীয়। এই প্রতিশ্রুতির দ্রুত কার্যকর ও সুষ্ঠু বাস্তবায়ন আশা করেন বলে জানিয়েছে সংস্থাগুলো।
আরও পড়ুন: ধর্ষকের বিচারসহ ৬ দফা দাবিতে উত্তাল শাহবাগ
এ সময় ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানায় তারা।
এছাড়া বিবৃতিতে ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধর্ষণ আইনের সংস্কার এবং ভুক্তভোগী ব্যক্তি ও সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করার দাবি জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে সম্প্রতি আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রকাশিত কিছু তথ্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে ২৯৪ জন নারী ও শিশু সহিংসতার শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে ৯৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এবং ৪৪টি শিশুও রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে এই অপরাধের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ১০৭ জন নারী ও কন্যাশিশু সহিংসতার শিকার হয়েছেন। ৫৩টি ধর্ষণের ঘটনার মধ্যে ৩৮ জন নারীর বয়স ১৮ বছরের কম।
একই সঙ্গে মোরাল পুলিশিং, মব ভায়োলেন্স এবং জেন্ডার ন্যয়বিচারের অপব্যাখ্যার হার আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওই চার মানবাধিকার সংস্থা।
আরও পড়ুন: ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে বাকৃবিতে নারী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
তারা বলছে, এই উদ্বেগজনক প্রবণতা শুধু ভুক্তভোগীর ভোগান্তিই বাড়াচ্ছে না, বরং তাদের ন্যায়বিচার ও সুরক্ষা চাওয়ার ক্ষেত্রেও নিরুৎসাহিত করে থাকে।
এ ছাড়াও যৌথ বিবৃতিতে ভুক্তভোগীদের প্রাধান্য দিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে অপরাধীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। এর পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিতের বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে আইনি সংস্কার করার দাবি জানিয়েছে চার মানবাধিকার সংস্থা।
৩৬০ দিন আগে
হাসিনা পরিবারের ১২৪ ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ১২৪টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুদকের উপ-পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম এ আবেদন করেন।
আরও পড়ুন: সুধা সদনসহ হাসিনা পরিবারের বাড়ি ও ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ
শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। শেখ হাসিনার ১৭টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
এ ছাড়া আওয়ামী লীগের ছয়টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
এর বাইরে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পাঁচটি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ-সংশ্লিষ্টরা অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবিলম্বে জব্দ করা আবশ্যক।
৩৬০ দিন আগে
সুধা সদনসহ হাসিনা পরিবারের বাড়ি ও ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ছোট বোন শেখ রেহানা সিদ্দিক এবং রেহানার সন্তান রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের নামে থাকা জমিসহ বাড়ি ও ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
এসব সম্পদের বাজারমূল্য ৮ কোটি ৮৫ লাখ ২৫ হাজার ৩২০ টাকা।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
যেসব সম্পদ জব্দ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে—টিউলিপ সিদ্দিকের নামে গুলশানের ফ্ল্যাট। এর বাজারমূল্য ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ৯২০ টাকা।
জয় ও পুতুলের নামে ধানমন্ডিতে থাকা ১৬ কাঠা জমিসহ বাড়ি ‘সুধা সদন’। এর বাজারমূল্য ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
শেখ রেহানার নামে গাজীপুরে ৮ লাখ ৭৫ হাজার ৫০০ টাকা দামের সাড়ে ৮ কাঠা জমি, গাজীপুরে আরেক জায়গায় ৩ লাখ টাকা দামের ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ জমি এবং সেগুনবাগিচায় ১৮ লাখ টাকার ফ্ল্যাট।
রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববির নামে গুলশানে থাকা ছয়টি ফ্ল্যাট জব্দ করা হয়েছে। এসব ফ্ল্যাটের বাজারমূল্য ৪ কোটি ৮২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুদকের উপ-পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম এসব সম্পদ জব্দ করার আবেদন করেন।
আরও পড়ুন: সালমান এফ রহমান ও পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
আবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও টিউলিপ সিদ্দিক স্থাবর সম্পদগুলো অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন।
এ অবস্থায় অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এসব স্থাবর জব্দ করা হোক।
৩৬০ দিন আগে
শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ঢাকা মহানগর জেষ্ঠ স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: সালমান এফ রহমান ও পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
মামলার অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মনিরুল ইসলাম তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক এবং ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের বিরুদ্ধে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের নামে প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকা লোপাট/আত্মসাতের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে অনুসন্ধানাধীন আছে।
অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পাঁচ সদস্যের দল গঠন করা হয়েছে।
৩৬০ দিন আগে
ধর্ষকের বিচারসহ ৬ দফা দাবিতে উত্তাল শাহবাগ
মাগুরায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের বিচারের দাবিসহ চলমান একের পর এক ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার সকাল-সন্ধ্যা ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছেন ঢাকার ২০ কলেজের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘কণ্ঠে আবার লাগা জোড়, ধর্ষকদের কবর খোড়’ প্রতিপাদ্যে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
তবে রমজানে জনভোগান্তির কথা মাথায় রেখে আপাতত ব্লকেডের বদলে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে নটরডেম কলেজ, ঢাকা কলেজ, সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ, হলিক্রস কলেজ, উইলস্ লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজসহ অন্যান্য কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দিয়েছেন। সময় যত এগোচ্ছে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা এসে যোগ দিচ্ছেন বিক্ষোভে।
আরও পড়ুন: ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে বাকৃবিতে নারী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
এ সময় ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখার পাশাপাশি জনসমক্ষে ধর্ষকের শাস্তি নিশ্চিত করে দৃষ্টান্ত গড়াসহ ধর্ষণ প্রতিরোধে ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
এছাড়া ধর্ষণের বিচার দ্রুত করতে আলাদা ট্রাইবুন্যাল গঠনের দাবিও তুলেছেন তারা।
৩৬০ দিন আগে
রাষ্ট্রপতিকে স্পিকারের শপথ পড়ানো নিয়ে রুল জারি
রাষ্ট্রপতিকে স্পিকারের শপথ পড়ানো বিধানের বৈধ কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রুলে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের শপথ পড়ানোর বিষয়ে যুক্ত করা বিধান কেন ১৯৭২ সালের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) গীতিকবি, লেখক শহীদুল্লাহ ফরায়জীর করা রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আইন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে আট সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে বুধবার (১১ মার্চ) রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ওমর ফারুক।
আইনজীবী বলেন, ‘সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর আগে প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করাতেন রাষ্ট্রপতি, আর রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাতেন প্রধান বিচারপতি। চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির শপথ পাঠ করানোর বিধানে পরিবর্তন আনা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার। পরে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান বাতিল করে দেওয়া হয়। কিন্তু ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাবেন স্পিকার, সেই বিধান ফিরিয়ে আনা হয়। তাই বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করলে আদালত আজ রুল জারি করেছেন।’
এর আগে গত সোমবার কবি, গীতিকার, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট শহীদুল্লাহ ফরায়েজী এ রিট দায়ের করেন। রিট আবেদেনে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘রাষ্ট্রপতির শপথে প্রধান বিচারপতির অনিবার্যতা’ শীর্ষক প্রকাশিত একটি কলামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেটি লিখেছেন রিটকারী শহীদুল্লাহ ফরায়জী।
আরও পড়ুন: সম্মানসূচক রাষ্ট্রপতি পদকে ভূষিত সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
ওই কলামের একটি অংশে বলা হয়, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে রাষ্ট্রপতি বা প্রেসিডেন্টকে শপথ বাক্য পাঠ করান সেই দেশের প্রধান বিচারপতি। সংসদীয় সরকার পদ্ধতি বা রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির দেশেও রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণ করেন প্রধান বিচারপতির নিকট।
এটা বিশ্বব্যাপী সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত রেওয়াজ। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার। রাষ্ট্রের প্রধানের শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগকে উপেক্ষা করা প্রকারান্তরে রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ভারসাম্য বিনষ্ট করা। এতে সংবিধানের গভীর দার্শনিক ভিত্তি থেকে রাষ্ট্র বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সেই দার্শনিক ভিত্তি হচ্ছে- রাষ্ট্রপতি সংসদের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে প্রধান বিচারপতির নিকট শপথ গ্রহণ করে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, এটাই হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য সাংবিধানিক নির্দেশনা।
রাষ্ট্রপতির প্রধান বিচারপতির নিকট শপথ বাক্য পাঠ করার এই বাধ্যবাধকতা এবং মহিমান্বিত সাংবিধানিক মর্যাদা প্রজাতন্ত্রের কেউ বিনষ্ট করতে পারেন না, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার তা করেছে।
সংবিধানের চতুর্থ ও পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই আইন বলবৎ করা হয়েছে, যা প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে চরমভাবে সাংঘর্ষিক। এটা আইন ও বিচারবিভাগের প্রতি ছিল আওয়ামী সরকারের অসম্ভব বিদ্বেষমূলক আচরণ প্রকাশের নজির— যা সাংবিধানিক ন্যায্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।
‘৭২ সালের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য ও প্রধান বিচারপতির মর্যাদা সুরক্ষার প্রশ্নে শপথ ও ঘোষণার তৃতীয় তফসিলে বলা হয়েছিল— ‘রাষ্ট্রপতি, স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের শপথ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক পরিচালিত হইবে।’ এগুলো আইনবিভাগ ও শাসনবিভাগের সঙ্গে বিচারবিভাগের ভারসাম্যপূর্ণ নীতি, যা সংবিধান প্রণয়নের সময়ই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত।
১৯৭২ সালের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য এবং চরিত্র যতোটুকু সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল, আওয়ামী লীগ অতি দ্রুত তা ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রকে আওয়ামী লীগ নামক দলটি কীভাবে দেখতে চায়— তার প্রতিফলন ঘটেছে তাদের আনীত সংবিধানের চতুর্থ ও পঞ্চদশ সংশোধনীতে। রাষ্ট্রপতির শপথ স্পিকারের নিকট; এমন দেশ খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর । বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশসমূহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য পুনরুদ্ধারে— রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শপথ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক পরিচালিত হবে, এ বিধান বাংলাদেশে আবার চালু বা পুনর্বহাল করতে হবে। প্রজাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক ও শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিকাশের স্বার্থেই তা করা প্রয়োজন।
৩৬০ দিন আগে
হাবিবউল্লাহ বাহার কলেজের উপাধ্যক্ষ সাইফুর খুন
রাজধানীর উত্তরখান থানাধীন পুরানপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় খুন হয়েছেন হাবিবউল্লাহ বাহার কলেজের উপাধ্যক্ষ সাইফুর রহমান ভুঁইয়া।
সোমবার (১০ মার্চ) ভোরের দিকে কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। উত্তরখানা থানার ডিউটি অফিসার হুমায়ুন কবির ইউএনবিকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে উত্তরখানা থানার ওসি জিয়াউর রহমান বলেন, ‘তিনি ভাড়া বাসায় একাই থাকতেন। গতকাল ভোর রাতে আনুমানিক পাঁচটায় কয়েকজন লোক এসে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এরপর তাকে উদ্ধার করে উত্তরা স্থানীয় লিংক ইউ হাসপাতাল ভর্তি করা হলে সেখানেই তিনি মারা যান।
সাইফুর রহমান ভুঁইয়ার লাশ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপ কমিশনার আহাম্মদ আলী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘তাকে ছুরিকাঘাত করে বাসার বাথরুমে আটকে রাখা হয়। পরে তিনি কোনোরকমে বাথরুমের দরজা ভেঙে বের হয়ে এসে চীৎকার করতে থাকেন।’
‘ভোরে তেমন লোক ছিল না রাস্তায়। এরপরও একজন শুনতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন,’ বলেন তিনি।
পুলিশ কর্মকর্তা আহাম্মদ আলী বলেন, ওই বাসায় সাইফুর রহমান একাই থাকতেন। দুদিন আগে তার বাসায় একজন নারী ও একজন পুরুষ এসে উঠেছিলেন। পুলিশ তাদের খোঁজ করছে।আরও পড়ুন: উত্তরায় দম্পতিকে রামদা দিয়ে কোপানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ জানা গেছে, সাইফুর রহমান ভূঁইয়া পরিবার নিয়ে শান্তিনগর এলাকায় থাকতেন। তবে উত্তরার উত্তরখান থানা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় মাঝে মাঝে থাকতেন। সেই বাসায় একাই ছিলেন বলেও জানা গেছে।ওই কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী রেজাউল রায়হান বলেন, সাইফুর রহমান স্যারকে কে বা কারা গতকাল ভোর রাতে (সেহেরির সময়) দেশী অস্ত্র দিয়ে হামলা করে হত্যা করেছে। তার গলায় ও মাথায় রামদার কোপের দাগ রয়েছে। হাসপাতালে শিক্ষকরা থাকলেও কেউ থানার সহযোগীতা নেয়নি বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকার পরিবর্তেনের পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে অধ্যক্ষ থেকে শুরু করে সবাইকে পদত্যাগ করিয়ে নতুন করে শিক্ষকদের পদন্নতি দেওয়া হয়। সেখানে সাইফুর রহমান ভূঁইয়াকে উপাধ্যক্ষ করা হয়েছিলো। তিনি (সাইফুর) একসময় বিএনপির মতদর্শী থাকলেও আওয়ামী লীগের আমলে বিভিন্ন সেমিনারে যাওয়ার কিছু ছবি ভাইরাল হয়। সেই ছবি দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে কিছু শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেন। এ নিয়ে ওই কলেজে শিক্ষকদের মধ্যে কোন্দল ছিলো বলে জানা গেছে।
৩৬১ দিন আগে
কক্সবাজারে মার্কিন নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবক আটক
কক্সবাজারে ইউএন ওম্যান নামে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত মার্কিন এক নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তারেকুর রহমান প্রকাশ ওরফে সোইল্যা তারেককে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে শহরের শহীদ সরণীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: ধর্ষণের শিকার চিকিৎসাধীন শিশুটি চোখের পাতা নেড়েছে: প্রেস উইং
তারেক কক্সবাজার শহরের মোহাজের পাড়ার মোহাম্মদ ফরিদের ছেলে।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফউদ্দিন শাহীন বলেন, ইউএন ওম্যান নামের সংস্থার কর্মরত যুক্তরাষ্ট্রের এক নারী ও তার অপর এক সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে আজ সকাল ১০টার দিকে শহরে হেঁটে যাওয়ার সময় ঘটনাস্থলে ওই যুবক গতিরোধ করে ঝাপটে ধরেন। একই সঙ্গে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করেন। বিষয়টি পরবর্তীতে তিনি পুলিশকে জানালে পুলিশ বিকাল ৪টার দিকে শহরের ঝাউতলা থেকে অভিযুক্তকে আটক করে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
৩৬১ দিন আগে