শিক্ষা
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদল।
রবিবার (৩১ আগস্ট) রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ছাত্রদের উপর ‘হামলা কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’, ‘ফ্যাসিবাদের দোসরেরা হুশিয়ার, সাবধান’—ইত্যাদি বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় ছাত্রদল নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা হয়েছে। এর আগেও আমরা দেখেছি, জুলাই আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুরের উপর হামলা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সরকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ। গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে মতাদর্শের ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু কোনো ধরনের বিভেদ নেই।জবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, ফ্যাসিবাদের দোসরেরা সারা দেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে। তাদের হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, বাংলাদেশের মাটিতে ফ্যাসিবাদের কোনো ঠাঁই নেই। ছাত্রদল যে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। যারা বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন, তারা সাবধান হয়ে যান।’
আরও পড়ুন: সংঘর্ষের ঘটনায় চবিতে ১৪৪ ধারা জারি
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘আমরা দেখছি কিছু কিছু মহল যারা দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাচ্ছে, তারা আজ বিভিন্ন স্থানে ছাত্রদের উপর হামলা করেছে। আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে একটি মহল। ইন্টেরিম সরকার ষড়যন্ত্র রুখতে ব্যর্থ। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানাই। একটি নির্বাচিত সরকারই দেশকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পারবেন।’
বিক্ষোভ মিছিলে জবি ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১৮৬ দিন আগে
বাকৃবির শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশু পালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের সিংহভাগ শিক্ষার্থী কম্বাইন্ড ডিগ্রির পক্ষে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
এর আগে আজ বেলা ১১টায় কম্বাইন্ড ডিগ্রি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভা শুরু হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, পূর্বের মতো বিএসসি ইন অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ও ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিনের (ডিভিএম) পাশাপাশি কম্বাইন্ড ডিগ্রিও চালু থাকবে। শিক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্তকে তাদের দীর্ঘ আন্দোলনের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অভিহিত করে এবং বাকৃবি উপাচার্যসহ প্রায় আড়াইশ শিক্ষককে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত দাবি আদায়ের লক্ষ্যে অবরুদ্ধ রেখেছিল শিক্ষার্থীরা।
পড়ুন: শিক্ষার্থীদের অবরোধে ৪ ঘণ্টা বন্ধ ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ
চলমান আন্দোলনের মধ্যে হঠাৎ করেই শিক্ষার্থীদের উপর বহিরাগতরা হামলা করেছে। এতে নারী শিক্ষার্থীসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে উপাচার্যের বাসভবনের দিক থেকে অর্ধশত বহিরাগত আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমরা আতঙ্কিত হয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছি।
শিক্ষার্থীরা তাদের উপর এই হামলার প্রতিবাদে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা জব্বারের মোড়ে জড়ো হচ্ছেন।
১৮৭ দিন আগে
সংঘর্ষের ঘটনায় চবিতে ১৪৪ ধারা জারি
শুক্রবার দিবাগত রাতে এক ছাত্রীকে হেনস্থার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় জনতার সংঘর্ষের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মুমিন রবিবার(৩১ আগস্ট) বিকালে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটের পূর্ব পাশ থেকে উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পূর্ব পাশে রেলগেট পর্যন্ত রবিবার দুপুর ২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে এবং জনসাধারণের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য স্থানীয় প্রশাসন এই জরুরি অবস্থা জারি করেছে।
স্থানীয় প্রশাসনের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে সকল ধরণের আন্দোলন, জমায়েত, সমাবেশ, বিক্ষোভ এবং সকল ধরণের অস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পড়ুন: চবিতে আবারও দফায় দফায় সংঘর্ষ, সব পরীক্ষা স্থগিত
এর আগে, গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে স্থানীয়দের সংঘর্ষে উপাচার্য ও প্রক্টরসহ কমপক্ষে ৫০ জন আহত হন।
সংঘর্ষে অধ্যাপক কামাল উদ্দিন, উপ উপাচার্য এবং প্রক্টর তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ আহত হন।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দুপুর পৌনে ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর আবাসিক এলাকার ২ নম্বর গেটে স্থানীয় একদল লোক কোনো উসকানি ছাড়াই শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং ৫০ জন আহত হন। এসময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
শিক্ষার্থীরা আরও দাবি করেছেন, সকালে ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনীর সদস্যদের দেখা গেলেও তারা একটি সংক্ষিপ্ত অভিযান চালিয়ে চলে যান। তাদের চলে যাওয়ার পরপরই সংঘর্ষ শুরু হয়।
এদিকে, সংঘর্ষের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের চলমান সকল পরীক্ষা স্থগিত করেছে।
উপ উপাচার্য কামাল উদ্দিন বলেন, ‘স্থানীয়দের হামলায় আহত অনেক শিক্ষার্থীর আজ নির্ধারিত পরীক্ষা ছিল। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সকল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।’
এর আগে, শনিবার দর্শন বিভাগের এক ছাত্রীকে মধ্যরাতের কিছু আগে গেট খোলার বিষয়টি নিয়ে তার ভাড়া বাড়ির একজন প্রহরী এবং তার মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। এক পর্যায়ে, প্রহরী মেয়েটিকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করার অভিযোগ ওঠে।
অন্যান্য শিক্ষার্থীরা ঘটনার প্রতিবাদে জড়ো হয়ে প্রহরীকে আটক করার চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে স্থানীয়দের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এক পর্যায়ে, স্থানীয় মসজিদ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয় যে বাসিন্দাদের জড়ো হয়ে আক্রমণ করার আহ্বান জানানো হয়। অন্যদিকে চবি সোহরাওয়ার্দী হল মসজিদ থেকে ঘোষণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়, যার ফলে ভয়াবহ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং ৫০ জন আহত হয়।
শিক্ষার্থীরা আরও দাবি করেছেন যে, সংঘর্ষের সময় স্থানীয় লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কিছু শিক্ষার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।
আহতদের মধ্যে ২০ থেকে ২১ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (সিএমসিএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।
১৮৭ দিন আগে
শিক্ষার্থীদের অবরোধে ৪ ঘণ্টা বন্ধ ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ
কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদ ঘোষিত তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা ‘কৃষি অবরোধ’ কর্মসূচি পালন করায় ঢাকা ও ময়মনসিংহের মধ্যে রেল যোগাযোগ প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ ছিল।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাকৃবি কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীরা রবিবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের জব্বারের মোড় এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ করেন।
এতে ঢাকাগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনটি থেমে যায়। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটি ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে, দুপুর ১টায়, শিক্ষার্থীরা আবার একই স্থানে মোহনগঞ্জগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেন অবরোধ করে। বিকাল ৩টা ৭ মিনিটে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কমিউটার ট্রেনটি আটকে ছিল। এর ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ ছিল।
শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে-
১. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি ও অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানে দশম গ্রেডের সকল পদ (উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা/উপসহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা/সমমানের) কৃষিবিদদের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দিতে হবে।
২. নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন না করে নবম গ্রেডে পদোন্নতির অনুমতি দেওয়া বন্ধ করাসহ বিএডিসিতে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।
৩. কৃষি ও কৃষি-সম্পর্কিত বিষয়ের স্নাতক ছাড়া অন্য কেউ ‘কৃষিবিদ’ (কৃষিবিদ) উপাধি ব্যবহার করতে পারবে না। এই বিষয়ে একটি সরকারি গেজেট জারি করতে হবে।
পড়ুন: বিমানবন্দর এলাকায় ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকামুখী ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তারা কেবল তাদের দাবি আদায়ের জন্যই নয়, বরং ডিপ্লোমাধারীদের ‘অযৌক্তিক দাবি’ বলে বর্ণনা করার প্রতিবাদে এই অবরোধ করেছে। তারা অভিযোগ করেছেন, ডিপ্লোমাধারীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় নারী কৃষি শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে অবমাননাকর মন্তব্য করছে।
বাকৃবির কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী রুবেল আহমেদ বলেন, ‘আমরা এই ডিগ্রি অর্জনের জন্য পাঁচ বছর ধরে পড়াশোনা করি। যদি ডিপ্লোমাধারীদের একই পদবি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়—তাহলে আমাদের ডিগ্রির কী মূল্য আছে?’ তিনি দেরি না করে তাদের দাবি মেনে নিতে সরকারকে আহ্বান জানান।
১৮৭ দিন আগে
চবিতে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগে এলাকাবাসী-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে আহত ৩২, সেনা মোতায়েন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে দারোয়ানের মারধর ও হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩২ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।শিক্ষার্থীরা জানান, শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ৩২ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তারা আরও জানান, প্রথমে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছেন। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম ক্যাম্পাসে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভুক্তভোগী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটের কাছে একটি ভবনে ভাড়া থাকেন। গতকাল (শনিবার) রাতে তার কক্ষে যেতে দেরি হওয়ায় দারোয়ানের সঙ্গে কথা কাটাকাটির হয়। একপর্যায়ে দারোয়ান ওই শিক্ষার্থীর ওপর চড়াও হন। এ সময় ২ নম্বর গেটে থাকা শিক্ষার্থীরা দারোয়ানকে ধরতে গেলে তিনি পালিয়ে যান। শিক্ষার্থীরা তাকে ধাওয়া করলে স্থানীয় লোকজন ইটপাটকেল মারা শুরু করেন। তখন তাদের মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: ৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি চবির অপহৃত পাঁচ শিক্ষার্থী
ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সময় মতো বাসায় আসি। আজকেও দেরি করিনি। ১২টার মধ্যে চলে আসি। দারোয়ানকে দরজা খুলতে বলি। তবে তিনি দরজা খুলতে রাজি হচ্ছিলেন না। পরে জোরে ডাক দিলে তিনি অকথ্য ভাষায় কথা বলেন। আমি জবাব দিতে গেলে হঠাৎ আমার গলায় চড় মারেন। সঙ্গে সঙ্গে আমার রুমমেটরা নামলে তিনি আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন এবং লাথি মারতে থাকেন। আমি আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে আমার রুমমেট ও আশপাশের স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন।’
ফরহাদ হোসেন নামের এক শিক্ষার্থী জানান, রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় মাছ বাজারের সামনে একটি বাসায় এক ছাত্রীর ঢুকতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে দারোয়ানের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে দারোয়ান ওই শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালান। তাকে বিভাগের ছোট ভাইয়েরা বিষয়টি জানালে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে যান এবং দারোয়ানকে ধরতে গেলে সে পালিয়ে যান।
পরবর্তীতে একটু দূরে গিয়ে তাকে ধরে ফেলেন তারা। তখন এলাকাবাসী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে দারোয়ানকে ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তারা আইন বিভাগের ২০-২১ সেশনের ইমতিয়াজকে রক্তাক্ত করে।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তানভীর মোহাম্মদ হায়দার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের কাছে খবর এসেছে। আমি নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশকে জানিয়েছি। তারা ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।’
১৮৭ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচন: ৭ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ঢাবিতে সব ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের কারণে আগামী ৭ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস এবং পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। শনিবার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ডাকসু নির্বাচনের জন্য প্রার্থীরা বর্তমানে তাদের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে ২৮টি পদের জন্য মোট ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এর মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৪৫ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন এবং সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচনে সেনা মোতেয়েন করা হবে না: আইএসপিআর
এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদে ১৭ জন; কমন রুম, রিডিং রুম এবং ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ১১ জন; আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ১৪ জন; সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ১৯ জন; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ১২ জন; গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৯ জন; ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১৩ জন; ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১২ জন; সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৭ জন; স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ১৫ জন; মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক পদে ১১ জন এবং ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক পদে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এবার নির্বাহী সদস্য পদের জন্য মোট ২১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
১৮৮ দিন আগে
জাকসু নির্বাচন: প্রগতিশীলদের ‘সংশপ্তক পর্ষদ’, স্বতন্ত্রদের ‘স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ’ নামে প্যানেল ঘোষণা
আসন্ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ছাত্র ইউনিয়ন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট সমর্থিত ‘সংশপ্তক পর্ষদ’ নামে এবং ‘স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ’ নামে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থীদের আলাদা দুইটি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার ( ৩০ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিকী অনুষদের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে ৮ সদস্যবিশিষ্ট ‘স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ’ নামে একটি স্বতন্ত্র প্যানেল ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত প্যানেলে সহ-সভাপতি (ভিপি) হিসেবে প্রার্থী হয়েছেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী এবং জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের মুখপাত্র মো. মাহফুজুল ইসলাম মেঘ।
পড়ুন: জাকসু নির্বাচন: ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ নামে ছাত্র ইউনিয়ন সমর্থিত প্যানেল ঘোষণা
এছাড়াও এই প্যানেলে অন্যান্যদের মধ্যে সহ-সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মো. নাজমুল ইসলাম, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে সৈয়দা মেহের আফরোজ শাঁওলি, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে সাহিদুল ইসলাম শিমুল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে সাদিয়া রহমান মোহনা, সহ-সাংস্কৃতিক পদে শেখ আল ইমরান, নাট্য সম্পাদক পদে তপু চন্দ্র দাস এবং পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে শাশ্বত পিকে মনোনীত হয়েছেন।
এর আগে দুপুর দেড়টায় জাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জাবি সংসদ সমর্থিত "সংশপ্তক পর্ষদ" নামে আলাদা একটি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে।
'সংশপ্তক পর্ষদ’ প্যানেলে থেকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাবি শাখার সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ইমন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ছাত্রফ্রন্ট, জাবি শাখার সংগঠক সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস।
এছাড়াও এই প্যানেল অন্যান্যদের মধ্যে তথ্য-প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার বিষয়ক সম্পাদক পদে সৈয়দ তানজিম আহমেদ, সহ সমাজসেবা ও মানব উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে সাদিয়া ইমরোজ ইলা এবং শিক্ষা গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক পদে তানজীল আহমেদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
১৮৮ দিন আগে
জাকসু নির্বাচন: ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ নামে ছাত্র ইউনিয়ন সমর্থিত প্যানেল ঘোষণা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ নামে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট প্যানেল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের একাংশ।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার সংলগ্ন সংসপ্তকের পাদদেশে এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই প্যানেল ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত প্যানেলে সহ-সভাপতি (ভিপি) হিসাবে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি শাখার সাবেক সভাপতি অমর্ত্য রায় (প্রত্নতত্ত্ব, ২০১৭-১৮ সেশন), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসাবে জাবি সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি শরণ এহসান, (নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, ২০১৭-১৮ সেশন), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) হিসাবে ফারিয়া জামান নিকি (নৃবিজ্ঞান ২০১৮-১৯ সেশন), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) হিসাবে নূর এ তামীম স্রোত (নৃবিজ্ঞান, ২০১৯-২০ সেশন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এ ছাড়াও প্যানেলে শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক হিসাবে সুকান্ত বর্মণ, পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সোমা ডুমরী, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আতিকুর রহমান জনি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোছাম্মাৎ রাহাতুল ফেরদৌস রাত্রি, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক মায়মুনা বিনতে সাইফুল, নাট্য সম্পাদক ইগিমি চাকমা, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (নারী) হিসাবে প্রত্যাশা ত্রিপুরা, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (পুরুষ) হিসাবে রেং থ্রী ম্রো, তথ্য প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. মাহফুজ আহমেদ, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক আবরার হক বিন সাজেদ, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (নারী) হিসাবে মায়িশা মনি, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (পুরুষ) পদে মো. তাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক পদে লাবিবা মুবাশশিরা ইশাদি, পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে সীমান্ত বর্ধন মনোনীত হয়েছেন।
পড়ুন: জাবি জাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা
এর পাশাপাশি এই প্যানেল থেকে ৪ জন পুরুষ এবং ৩ জন নারী কার্যকরী সদস্য পদের জন্য লড়বেন।
কার্যকরী সদস্য (নারী) প্রার্থীরা হলেন— আরিফা জান্নাত মুক্তা, আনিকা তাবাসসুম ফারাবী, আদৃতা রায় এবং কার্যকরী সদস্য (পুরুষ) পদে লড়বেন নিহ্লা অং মারমা, সৈকত কুমার কানু, চুই থুই প্রু মারমা এবং মো. এরফানুল ইসলাম ইফতু মনোনীত হয়েছেন।
দীর্ঘ ৩৩ বছরের অচলাবস্থা ভেঙে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
১৮৯ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচনে সেনা মোতেয়েন করা হবে না: আইএসপিআর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতেয়েন করা হবে না বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে, যা সেনাবাহিনীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে এসব নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো দায়িত্বে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।
বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনসমূহ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে আশা প্রকাশ করা হয়।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচন: ছাত্রদলের ১০ দফা ইশতেহার ঘোষণা
এর আগে মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ঢাবি প্রশাসন জানায়, ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি প্রবেশপথে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীদের মধ্যে এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রশাসন জানায়, ৮টি ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকবে। প্রথম স্তরে বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসির সদস্য ও প্রক্টোরিয়াল টিম থাকবে। দ্বিতীয় স্তরে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। তৃতীয় স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি প্রবেশপথে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে।
এই সিদ্ধান্তের পর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
১৯০ দিন আগে
জবির দুই শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় বহিষ্কার ও ক্যাম্পাসে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দুই শিক্ষক ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের তিন নেতার উপর হামলার ঘটনায় শাস্তিপ্রাপ্তদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ ও শহিদ সাজিদ ভবনের নিচ তলায় সংঘঠিত অনাকাঙ্খিত ঘটনায় শিক্ষার্থীদের আবেদন ও অভিযোগকারী শিক্ষকদ্বয়ের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এবং কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী শাস্তি প্রত্যাহার করা হলো।
শাস্তিমুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন-
ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া দুইজন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং রসায়ন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের মো. মাহমুদুল এবং একই শিক্ষাবর্ষের দর্শন বিভাগের হাসান মো. জাহিদুল হাসান।
সাময়িক বহিষ্কার হওয়া তিন শিক্ষার্থী বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ইমরান হাসান ইমান, সমাজকর্ম বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের আবু হেনা মুরসালিন এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মো. ইয়াসিন হোসেন সাইফ।
উল্লেখ, গত ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রফিক বিন সাদেক রেসাদের ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে মারধর শুরু করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভাগের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ড. এ কে এম রিফাত হাসান এবং সহকারী প্রক্টর শফিকুল ইসলাম রক্ষা করতে গেলে তাদেরকে গালিগালাজ ও হামলা করে ছাত্রদলের নেতকর্মীরা। একই সঙ্গে শাখা বাগছাস সভাপতি, মুখ্য সংগঠক ও যুগ্ম-আহ্বায়ক যথাক্রমে মো. ফয়সাল মুরাদ, ফেরদৌস হাসান এবং ফারুককে ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে তাদের উপরও হামলা ও মারধর শুরু করে তারা।
এ ঘটনায় গত ১৪ জুলাই দুই শিক্ষক ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের তিন নেতার উপর হামলার ঘটনায় তিনজনকে সাময়িক বহিষ্কার এবং দুইজনকে ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
১৯০ দিন আগে