শিক্ষা
৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
৪৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ ও কারিগরি ক্যাডারের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়।
এতে বলা হয়, প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd] [www.bpsc.gov.bd] অথবা টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের [http://bpsc.teletalk.com.bd] পাওয়া যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তিসংগত কারণে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে কমিশন তা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে।
আরও পড়ুন: ৪৩তম বিসিএস: সহকারী কমিশনার হলেন ২৬৭ কর্মকর্তা
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত উভয় ক্যাডারের পদগুলোর প্রার্থীদের মধ্য থেকে ৯০০ জন রেজিস্ট্রেশন নম্বরধারী প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে ৯ ফেব্রুয়ারি। পরীক্ষা চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সরকারি কর্ম কমিশনের প্রধান কার্যালয় আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৭১০ জন কর্মকর্তা নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৫০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৫০, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ১০, আনসার ক্যাডারে ১৪, নিরীক্ষা ও হিসাবে ৩০, কর ক্যাডারে ১১, সমবায়ে ৮, রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিকে ৭, তথ্যে ১০, ডাকে ২৩, বাণিজ্যে ৬, পরিবার পরিকল্পনায় ২৭, খাদ্যে ৩, টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৪৮৫ এবং শিক্ষা ক্যাডারে ৭৭৬ জন নেওয়া হবে।
৪০৩ দিন আগে
দেশের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা ‘রঙিন চাল’, কমাবে ডায়াবেটিস ও স্থূলতা
দেশের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার আলো নিয়ে এসেছে রঙিন চাল। এই চালের ব্রানে প্রোটিন ও আঁশের পরিমাণ সাদা চালের চেয়ে বেশি হওয়ায় ডায়াবেটিস ও স্থূলতা কমাতে সাহায্য করে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফসল ও উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ছোলায়মান আলী ফকির ও তার গবেষকদল বিশেষ এই চাল নিয়ে গবেষণা করে এর পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য উপকারিতা, চাষাবাদ, ফলন ও এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য ইউএনবির কাছে তুলে ধরেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পরিচালিত ওই গবেষণা দলে আরও যুক্ত ছিলেন কো-পিআই অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন এবং স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস ও সাগরিকা খাতুন।
রঙিন চালের পুষ্টিগুণের কারণেই এটি স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে বর্তমানে জনপ্রিয় হচ্ছে উল্লেখ করে অধ্যাপক ড. ছোলায়মান আলী ফকির বলেন, বর্তমানে পাহাড়ি এলাকায় ও প্রগতিশীল কৃষকরা রঙিন চালের চাষ করছেন। সাধারণ সাদা চালের তুলনায় এই চাল অধিক প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আঁশ-সমৃদ্ধ। রঙিন চালের ধানের রং সোনালি, লাল, কালো কিংবা বেগুনি বর্ণের হতে পারে, তবে চালের রং লাল, বেগুনি, বাদামি বা কালো রঙের হয়।
তিনি জানান, খোসা ছাড়ানোর পর এই চালের দানা বাইরে থেকে কালো বা লাল রঙের বহিরাবরণ দিয়ে আবৃত থাকে যাকে ব্রান বলা হয় এবং ব্রানের ভেতরে দানা ও ভ্রুণ থাকে। দানা প্রধানত স্টার্চ ও জার্ম প্রোটিন, আঁশ, ফাইটোক্যামিকেলস ও এন্থোসায়ানিন নামক লাল পদার্থ দ্বারা গঠিত। ব্রানের লাল রং সাধারণত এন্থোসায়ানিনের উপস্থিতির কারণে হয়ে থাকে। এন্থোসায়ানিনসহ অন্যান্য ফাইটোক্যামিকেলসের প্রচুর স্বাস্থ্য গুণাগুণ বিদ্যমান। গবেষণায় জানা গেছে, এন্থোসায়ানিন ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও হৃদরোগ প্রশমিত করে।
আরও পড়ুন: গবাদিপশুর ম্যাসটাইটিস ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করলেন বাকৃবির অধ্যাপক
রঙিন চালের পুষ্টি ও ঔষধি গুণ সম্পর্কে এই অধ্যাপক জানান, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়দের খাবারে প্রোটিন, ভিটামিন, আঁশ, খনিজ পদার্থ ইত্যাদির প্রায়শই ঘাটতি থাকে। সাদা চালের চেয়ে কালো চালের ব্রানে দুই থেকে তিনগুণ খনিজ পদার্থ, বিশেষ করে আয়রন ও জিঙ্ক বিদ্যমান। অধিকন্তু আমাদের দেশে অটোরাইসমিল থেকে প্রাপ্ত ব্রান/ভূষি পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। প্রকৃতপক্ষে এই ভূষিতে মূল্যবান পুষ্টিগুলো চলে যায়। রঙিন চালের ব্রানে প্রোটিন ও আঁশের পরিমাণ সাদা চালের চেয়ে বেশি। এই আঁশ ডায়াবেটিস ও স্থূলতা কমাতে সাহায্য করে।
তার দেওয়া তথ্য অনুসারে, রঙিন চালের ব্রানে প্রোটিন, ফ্লাভোনয়েড, ফেনল ও ভিটামিন রয়েছে যা স্বাস্থ্যগত দিক থেকে খুবই উপকারী। রঙিন চালে বিদ্যমান এন্থোসায়ানিন একটি শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট যা দেহের ক্ষতিকারক রেডিক্যালসকে বিশোধন করে।
তাছাড়া এই চাল দিয়ে ভাত, বিরিয়ানি, খিচুড়ি, চিড়া, মুড়ি ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের পিঠা ও কেক প্রস্তুত করা যায়। তাই সহজেই এটি দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন অধ্যাপক ছোলায়মান আলী ফকির।
৪০৫ দিন আগে
আন্তঃস্কুল স্টেম ফেস্ট ২০২৫: যুক্তরাষ্ট্র ও দুবাই যাবে বিজয়ীরা
রাজধানীর উত্তরায় ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশ প্রাঙ্গণে চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে স্কুল পর্যায়ে বিজ্ঞানবিষয়ক সর্ববৃহৎ প্রতিযোগিতা আন্তঃস্কুল স্টেম ফেস্ট ২০২৫।
ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশের হোপিয়ান ম্যাথ প্রোগ্রামিং অ্যান্ড রোবোটিক ক্লাব এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। দেশসেরা স্কুলগুলোর তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিজ্ঞান প্রতিযোগিতার এ আয়োজন করা হয়।
এই প্রতিযোগিতায় এবারও রাজধানীর অর্ধশতাধিক স্কুল অংশগ্রহণ করে। এছাড়া ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এই প্রতিযোগিতায় ১৪০টি বিজ্ঞানবিষয়ক প্রজেক্টও প্রদর্শিত হয়।
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত—এই চারটি বিষয় নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন কার হয়। এবারের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কৃত হয়েছে মোট ২৮০ জন শিক্ষার্থী।
প্রতিটি বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা পেয়েছে যথাক্রমে পাঁচ, তিন ও দুই হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কারসহ মেডেল ও সনদ। এছাড়া প্রতিটি বিভাগে অংশ নেওয়া চতুর্থ থেকে দশম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা পেয়েছে মেডেল ও সনদ।
এবারও প্রতিযোগিতায় সেরা ৩০ জন শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ‘নাসা রোভার চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। ‘নাসা রোভার চ্যালেঞ্জ’- এ এবার শিক্ষার্থীরা ‘রিমোট কন্ট্রোল রোভার’ ও ‘হিউম্যান পাওয়ার রোভার’ শীর্ষক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।
ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এতে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন স্কুলের ২৬২ জন শিক্ষার্থী।
একই দিনে ৫০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে প্রোগ্রামিং অলিম্পিয়াড ও ২২১ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বায়োকেমেস্ট্রি অলিম্পিয়াড শুরু হয়। এসব অলিম্পিয়াডে তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে অংশ নেয়।
২৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত গণিত অলিম্পিয়াডে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাশাপাশি তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করে। সমাপনীর দিন আরও ছিল প্রজেক্ট প্রদর্শনী, পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল রোকসানা জারিন বলেন, বাংলাদেশে স্কুল-পর্যায়ে বিজ্ঞানবিষয়ক সর্ববৃহৎ প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে। শুধু আমাদের স্কুল নয়, এ বছর আমাদের প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয়েছে বড় বড় ৫০টির বেশি স্কুল। এছাড়া শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান উৎসবের ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী। তাদের বিজ্ঞানচর্চা আমাদের দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তিতে নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে।
তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে অংশগ্রহণকারীদের অনেকে আমেরিকায় নাসা ‘রোভার চ্যালেঞ্জ’ নামক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এটি আমাদের অনেক বড় পাওয়া। এবারও এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক সুনাম অর্জন করবে বলে আমরা আশাবাদী।
আরও পড়ুন: ঢাকা মোটর ফেস্টে মিলছে প্রগতি-কিয়া’র সিরাটো সিডান কার
৪০৫ দিন আগে
পাঠ্যপুস্তক থেকে আওয়ামী বয়ান বাতিল করতে হবে: ইউট্যাব
পাঠ্যপুস্তকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী বয়ান দ্রুত সময়ের মধ্যে বাতিল করে স্বৈরাচারের দোসরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে সংগঠনটি সভাপতি অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান বলেন, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত প্রকাশিত ও সরবরাহকৃত বইয়ে এখনো আওয়ামী বয়ান ও ইতিহাস বিকৃতি বহাল রাখা হয়েছে।
‘গণহত্যাকারী ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের হাতে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক বয়ান অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। সেইসঙ্গে চব্বিশের ছাত্র-নাগরিক গণঅভ্যুত্থানের পরও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের যে বা যারা পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের নামে আওয়ামী বয়ানকে প্রচারে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট ব্যবস্থা নিতে হবে,’ দাবি এই দুই শিক্ষকের।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে —নবম-দশম শ্রেণীর ‘পৌরনীতি ও নাগরিকতা’ বইয়ের ‘গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন ব্যবস্থা’ শীর্ষক সপ্তম অধ্যায়ে গণহত্যাকারী ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংসকারী আওয়ামী লীগকে দেশের সবচেয়ে বৃহত্তম দল হিসেবে চিত্রায়িত করা হয়েছে। বইটির একই অধ্যায়ে বিএনপি সম্পর্কেও বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছে।
‘জিয়াউর রহমানকে সাবেক রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে সাবেক সেনাপ্রধান উল্লেখ করে তার শাসনামলকে সামরিক শাসনামল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিতর্কের মুখে অনলাইন ভার্সনে এই বিষয়ে পরিবর্তন আনা হলেও অনেক মুদ্রিত বইয়ে আওয়ামী বয়ান বহাল রয়ে গেছে।’
ইউট্যাব বলছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়া ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান সম্পৃক্ত অল্প বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। তবে নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে ‘আমাদের নতুন গৌরবগাঁথা’ অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে—‘পতন অত্যাসন্ন টের পেয়ে স্বৈরাচারী সরকার প্রধান পালিয়ে যান দেশ ছেড়ে। অভাবনীয় এক গণঅভ্যুত্থান দেখে সারা দুনিয়ার মানুষ।’ এখানে শেখ হাসিনা কিংবা তার দল আওয়ামী লীগের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
‘উপজাতি-ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী-আদিবাসী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত থাকার পরও নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি বইয়ের পেছনের প্রচ্ছদে আদিবাসী শব্দযুক্ত একটি গ্রাফিতি যুক্ত করা হয়েছিল। যার ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং তার পুরো দায়ভার জাতীয় পাঠ্যপুস্তক বোর্ড- এনসিটিবি সংশ্লিষ্টদের।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকে রাজনৈতিক ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, বিএনপি সম্পর্কে তথ্য যথাযথভাবে পরিবেশিত হয়নি। একইসাথে ২০২৪ সালের ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাসও যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। অপরদিকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বাকশালের ইতিহাস, গণতন্ত্র ধ্বংসের ইতিহাস, গণহত্যার ইতিহাস তুলে ধরার পরিবর্তে সূক্ষ্মভাবে আওয়ামী বয়ানকে গ্লোরিফাই করা হয়েছে।
৪০৫ দিন আগে
দশম গ্রেডের বেতন স্কেল দাবি প্রাথমিকের শিক্ষকদের
সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেডের বেতন স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে তারা এই দাবি তুলে ধরেছেন।
এদিন সকাল ১০টা থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের অংশগ্রহণে আন্দোলন শুরু হয়। তারা যুক্তি দিয়েছেন, তাদের বর্তমান তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসাবে শ্রেণিবদ্ধকরণ অন্যায় এবং শিক্ষকতা পেশার জন্য অবমাননাকর।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষকরা সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দুপুর ২টার মধ্যে দাবি আদায় করা না হলে আন্দোলন আরও বাড়বে। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তারা শাহবাগের দিকে অগ্রসর হলে শাহবাগ থানার কাছে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখোমুখি হন তারা। বাধায় দমে না গিয়ে তারা ব্যারিকেডের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যান তারা।
আন্দোলন চলার সময় এক শিক্ষক ঘোষণায় বলেন, ‘আমাদের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে বেতন দেওয়া হয়, যা আমরা শিক্ষক হিসেবে মেনে নিতে পারি না। দশম গ্রেড আমাদের দাবি।’
সুনামগঞ্জের বারুইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফরহাদ হোসেন একই সুরে বলেন, 'আমরা শিক্ষক সমাজের অংশ। আমরা কেন তৃতীয় শ্রেণিতে থাকব? শিক্ষকদের তৃতীয় শ্রেণির মধ্যে রেখে দেশ গড়া সম্ভব নয়।’
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে সরকারের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। শাহবাগের পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে। শিক্ষকরা তাদের দাবি আদায়ের আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
৪০৬ দিন আগে
চবির ৭৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকের উপর হামলায় জড়িত থাকার দায়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: জাককানইবিতে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় ১৬ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ও আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে থাকায় সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় সর্বমোট ৭৩ জন শিক্ষার্থীকে আমরা বহিষ্কার করেছি।
তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে যাদের বিষয়ে প্রমাণ পেয়েছি তাদেরকে বহিষ্কার করেছি। পরবর্তীতে প্রমাণ সাপেক্ষে আরও শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হবে।
আরও পড়ুন: চবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষ, আহত ৩
৪০৭ দিন আগে
শাবিপ্রবিতে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ও ফি জমা দেওয়ার সময় ৩১ জানুয়ারি রাত ১১টা ৫৯টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট ৮১ হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে পেমেন্ট নিশ্চিত করেছেন ৭১ হাজার শিক্ষার্থী। এছাড়া ‘এ’ ইউনিটে (বিজ্ঞান শাখা) ৪৭ হাজার ও ‘বি’ ইউনিটে (বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক) ৩৪ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবিতে ভর্তিতে আবেদন শুরু, থাকছে দ্বিতীয়বার ভর্তির সুযোগ
এছাড়া বিস্তারিত তথ্য শাবিপ্রবির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
গত ৫ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ আবেদন প্রক্রিয়া ২৫ জানুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। আবেদনের সময় বাড়ানোর ফলে শিক্ষার্থীরা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ৬ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় আবেদন বন্ধ থাকে। ফলে অনেক ভর্তিচ্ছু আবেদন করতে পারেননি।
৪০৮ দিন আগে
জাককানইবিতে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় ১৬ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) দুই সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে ছাত্রলীগের ১৬ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ সময় চার শিক্ষার্থীর সনদ বাতিল, একজনকে স্থায়ী বহিষ্কার, দুজনের সনদ এক বছরের জন্য স্থগিত এবং ৯ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭তম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছে সূত্র।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে ওসিকে মারধরের ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা বহিষ্কার
গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা আবু নাঈম আব্দুল্লাহর অনুসারীদের হামলায় আহত হন দুই সাংবাদিক।
শাস্তি পাওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আবু নাঈমকে (ফোকলোর বিভাগ, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ) স্থায়ী বহিষ্কার, সাবেক উপ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক জয় মোড়লের (আইন ও বিচার বিভাগ, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) স্নাতকের সনদ বাতিল, সাবেক উপ-দপ্তর সম্পাদক লোবন মোখলেছের (ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ) স্নাতকোত্তর সনদ বাতিল, ছাত্রলীগ নেতা তানভীর আহমেদ তুহিনের (লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগ, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) স্নাতকের সনদ বাতিল এবং ছাত্রলীগকর্মী মোস্তফা ফাহিম সিরাজির (অর্থনীতি বিভাগ, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ) স্নাতকোত্তর সনদ বাতিল করা হয়েছে।
বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার হওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে বর্তমান কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সামিউল হক হিমেলকে (টিপিএস বিভাগ, স্নাতকোত্তর ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) এক বছর, সাবেক উপশিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক মাছুম বিল্লাহকে (নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) এক বছর, ছাত্রলীগকর্মী রেজওয়ানুল কবীর রাব্বিকে (ইইই বিভাগ, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) তিন বছর, আবু রায়হানকে (লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগ, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) তিন বছর, গালিব ফয়সাল নির্ঝরকে (ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) দুই বছর, সৌমিক জাহানকে (চারুকলা বিভাগ, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) তিন বছর, নাঈমুল ইসলাম অনিককে (আইন ও বিচার বিভাগ, স্নাতকোত্তর ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ) এক বছর, পবিত্র মণ্ডলকে (পপুলেশন সায়েন্স, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) এক বছর এবং আব্দুল্লাহ আল শাহরিয়ারকে (চারুকলা ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ) এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়া, ছাত্রলীগকর্মী হাবিবুল্লাহর (আইন ও বিচার বিভাগ, স্নাতকোত্তর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) স্নাতকোত্তর সনদ ও নয়ন হাসানের (ইএসই ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ) স্নাতক সনদ এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নিবীণা হলে সিট বরাদ্দকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ বাঁধলে সংবাদ সংগ্রহে গেলে এ হামলা হয়। এ ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহের সময় দফায় দফায় দুই সাংবাদিককে মেরে আহত করে নাঈমের অনুসারীরা।
আহত দুই সাংবাদিক হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি ফাহাদ বিন সাঈদ ও যায় যায় দিনের প্রতিনিধি আহসান হাবিব রিয়াদ।
আরও পড়ুন: বাকৃবিতে র্যাগিংয়ের অভিযোগে ২৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর তাদের আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট মাসুম হাওলাদারকে আহ্বায়ক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মেহেদী উল্লাহকে সদস্য ও প্রক্টর সঞ্জয় কুমার মুখার্জিকে সদস্য সচিব করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত শেষে ছাত্রলীগের ১৬ নেতাকর্মীর সনদ বাতিল, স্থায়ী বহিষ্কার, সনদ স্থগিতসহ বিভিন্ন শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।
৪০৯ দিন আগে
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৯৩ শিক্ষার্থী
মেডিকেল কলেজে ২০২৪-২৫ সালের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় ১৯৩ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। সোমবার (২০ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, এমবিবিএস ভর্তি কার্যক্রমে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বিদ্যমান বিধি অনুসারে শুধু মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনাদের সন্তানদের জন্য প্রযোজ্য হবে। তাদের নাতি-নাতনি বা অন্য কারো জন্য প্রযোজ্য হবে না।
‘এই কোটার অধীনে সংরক্ষিত ২৬৯টি আসনের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৯৩ জন প্রার্থী পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট ৭৬টি আসন এরইমধ্যে মেধা তালিকা থেকে পূরণ করা হয়েছে।’
এই কোটায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৯৩ জনের পিতা/মাতার মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র, নিজের জন্মনিবন্ধন সনদসহ যাবতীয় প্রমাণাদি ও একাডেমিক সনদ নিয়ে আগামী ২৯ জানুয়ারির মধ্যে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পুরাতন ভবনের দোতলায় মেডিকেল এডুকেশন শাখায় উপস্থিত হয়ে যাচাই-বাছাই করাতে হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
আরও পড়ুন: এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনঃপ্রকাশের দাবি শিক্ষার্থীদের
‘যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কোনো ভুল বা অসত্য তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর ভর্তি বাতিল হবে এবং মেধা তালিকা থেকে সেই শূন্য আসন পূর্ণ করা হবে।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই ১৯৩ জনের ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। অবশিষ্টদের ভর্তিসহ মেডিকেল কলেজের অন্যান্য কার্যক্রম যথারীতি চালু থাকবে।
৪১০ দিন আগে
এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনঃপ্রকাশের দাবি শিক্ষার্থীদের
মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ সব ধরনের অযৌক্তিক কোটা বাতিল করে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনরায় প্রকাশের দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এই বিক্ষোভে সংহতি প্রকাশ করেন। সমাবেশ চলাকালে বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
গতকাল রবিবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে ৪০ বা ৪১ নম্বর পাওয়া অনেক পরীক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। পক্ষান্তরে যারা তাদের চেয়েও দ্বিগুণ নম্বর পেয়েছেন— কিন্ত তারা ভর্তির সুযোগ পাননি।
কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের সাইকিয়াট্রি প্রফেসর ডা. মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) আব্দুল ওহাব শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন। প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, এটা কি বৈষম্য নয়?
আরও পড়ুন: এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার
তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'তোমরা যখন প্রতিবাদ করতে শিখেছ, তখন রাজপথে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী দোহা বলেন, 'বৈষম্য দূর করার দাবিতে সফল আন্দোলনের পর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এ ধরনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ হওয়া উচিত নয়। পাশ মার্ক যখন ৪০ হয়, তখন ৩৭ বা ৩৮ নম্বরের কেউ কীভাবে ভর্তি হতে পারে? আমরা আজ এই বৈষম্যের অবসান দাবি করছি।’
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আবির হোসেন বলেন, 'আগের বছরগুলোতে কাট-অফের সামান্য নিচে নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীরা কোটার মাধ্যমে ভর্তি হতে পারত। কিন্তু এ বছর কাট-অফের নিচে ৩০ থেকে ৩৫ নম্বর পাওয়া প্রার্থীরা কোটা পদ্ধতিতে ভর্তি হয়েছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ সব ধরনের কোটা বাতিল করে আজ পুনরায় ফল প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহিন সরকারও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে বলেন, 'বাংলাদেশে আন্দোলনের পরও আমরা দেখছি মেডিকেল কলেজগুলোতে অযৌক্তিক কোটা বাস্তবায়ন হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ ভর্তি পরীক্ষায় ৭২ নম্বর পাওয়া কিছু শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারেননি, অথচ অনেকে ৪০ নম্বর পেয়ে ভর্তি হয়েছেন। আমরা অবিলম্বে মেডিকেল ভর্তির ফলাফল পুনঃপ্রকাশের দাবি জানাচ্ছি এবং সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় সব ধরনের অযৌক্তিক কোটা বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
৪১০ দিন আগে