শিক্ষা
যশোর বোর্ডে কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এ বছর উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১ লাখ ২২ হাজার ৫১১ জন। পাস করেছে ৭৮ হাজার ৭৬৪। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৪৯ জন শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন: রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৮১.২৪ শতাংশ
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মর্জিনা আক্তার ফলাফল প্রকাশ করেন।
এসময় চেয়ারম্যানের কনফারেন্স রুমে উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. বিশ্বাস মোহাম্মদ শাহিন আহমেদ ।
২০২৩ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৮ হাজার ৭০৩ জন শিক্ষার্থী।
২০২২ সালে এ বোর্ডের পাসের হার ছিল ৯৮ দশমিক ১১ শতাংশ । জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২০ হাজার ৮৭৮ জন শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন: এইচএসসির ফলাফলে এগিয়ে আছে মেয়েরা
৫০৭ দিন আগে
রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৮১.২৪ শতাংশ
রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ পেয়েছে ২৪ হাজার ৯০২ জন। এরমধ্যে ছাত্র ১০ হাজার ৩০৫ জন। আর ছাত্রী ১৪ হাজার ৫৯৭ জন।
বোর্ডটিতে এবার মোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ১৯৩ পরীক্ষার্থী ছিল। এরমধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৮৪ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাস করে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৪৮ জন।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার ফল: ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি
২০২৩ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। গত বছর ১১ হাজার ২৫৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ১১টার দিকে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কনফারেন্স রুমে চেয়ারম্যান অধ্যাপক অলিউল আলম এ তথ্য জানান।
এসময় ড. অলীউল আলম বলেন, রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলায় মোট কলেজের সংখ্যা ৭৪১টি। এরমধ্যে ১২টি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। আর ৩৫টি কলেজের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছেন।
যেসব কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি সেসব কলেজের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান অধ্যাপক অলিউল আলম।
রাজশাহী বোর্ডে গতবছর এইচএসসির পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে।
এছাড়া বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাও। গতবছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১১ হাজার ২৫৮ জন। এবার দ্বিগুণের বেশি। গতবছর পরীক্ষা দেওয়া শিক্ষার্থী সংখ্যা এবারের চেয়ে বেশি, ১ লাখ ৩৮ হাজার ৩৯০ জন।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: পাসের হার ৭৭.৭৮ শতাংশ, ১ লাখ ৪৫ হাজার জিপিএ-৫
৫০৭ দিন আগে
কুমিল্লায় পাসের হার ৭১.১৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ ৭৯২২
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর পাশের হার ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৯২২ জন। গেল বছর থেকে এ বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ২ হাজার ২৬৭ জন।
সারাদেশের মতো কুমিল্লায়ও ফলাফলে ছেলেদের থেকে মেয়েরা এগিয়ে আছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নিজামুল করিম এ ফলাফল ঘোষনা করেন।
চলতি বছর এ বোর্ডের আওতায় ছয় জেলায় ১ লাখ ১২ হাজার ৩১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে পাস করেছে ৭৯ হাজার ৯০৫ জন। শতভাগ পাস করেছে ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার ফল: ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি
চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী।
পাসের হারের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে সিলেট আর সবচেয়ে পিছিয়ে আছে ময়মনসিংহ।
২ হাজার ৬৯৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ১৯৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৮ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল, যার মধ্যে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ জন।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী- ৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটাসংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।
বাতিল পরীক্ষাগুলোতে এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এইচএসসিতেও একই নম্বর দিয়ে ফল তৈরি করেছে শিক্ষা বোর্ড। তাছাড়া বিভাগ ও বিষয়ে মিল না থাকলে সেক্ষেত্রে সাবজেক্ট ম্যাপিং নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে আইসিটি ও ইংরেজিতে অকৃতকার্যের কারণে কমেছে পাসের হার
৫০৭ দিন আগে
এইচএসসি পরীক্ষার ফল: ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি
২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ৬৫টি কলেজ থেকে কেউ পাস করতে পারেনি।
গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪২টি। সেই হিসাবে এবার কেউ পাস করেনি এমন কলেজের সংখ্যা ২৩টি বেড়েছে।
৯টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সব বোর্ডের ওয়েবসাইট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এ ফল প্রকাশ করা হয়।
এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ ও ৮৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।
এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ শিক্ষার্থী যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। গত বছর পেয়েছিল ৯২ হাজার ৫৯৫ জন।
পাসের হারের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে সিলেট আর সবচেয়ে পিছিয়ে আছে ময়মনসিংহ।
পাসের হার সিলেট বোর্ডে ৮৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, বরিশালে ৮১ দশমিক ৮৫ শতাংশ, রাজশাহীতে ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ, ঢাকায় ৭৯ দশমিক ২১ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ, যশোরে ৬৪ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ।
চলতি বছরে ২ হাজার ৬৯৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ১৯৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৮ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল, যার মধ্যে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ জন।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী- ৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটাসংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।
বাতিল পরীক্ষাগুলোতে এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এইচএসসিতেও একই নম্বর দিয়ে ফল তৈরি করেছে শিক্ষা বোর্ড। তাছাড়া বিভাগ ও বিষয়ে মিল না থাকলে সেক্ষেত্রে সাবজেক্ট ম্যাপিং নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
৫০৭ দিন আগে
ময়মনসিংহে আইসিটি ও ইংরেজিতে অকৃতকার্যের কারণে কমেছে পাসের হার
ময়মনসিংহে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৮২৬ জন।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১১টায় বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবু তাহের এক সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, এবার ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭৭ হাজার ৬২১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪৯ হাজার ৬৯ জন। ফেল করেছে ২৮ হাজার ৫৫২ জন।
পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এবারও এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। ছেলেরা জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ১০৯ জন এবং মেয়েরা পেয়েছে ২ হাজার ৭১৭ জন।
আরও পড়ুন: এইচএসসির ফলাফলে চমক দেখালো সিলেটের শিক্ষার্থীরা
গত বছর এই বোর্ডে পাসের হার ছিল শতকরা ৭০ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এবার পাসের হার কমেছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ।
এবার আইসিটি ও ইংরেজিতে অকৃতকার্যের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পাশের হার কমেছে বলে জানান বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবু তাহের।
তিনি বলেন, এ ব্যাপারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সঙ্গে আমরা মতবিনিময় করব। যাতে ভালো করে পাঠদান করে পাশের হার বাড়ানো যায়। এ বিষয়ে শিক্ষকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও দক্ষ করে তুলতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করা হবে।
ব্যক্তিগতভাবে বোর্ডের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনায় বসবেন বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলার মোট ২৯৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে এবং ৪টি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।
আরও পড়ুন: বরিশালে বেড়েছে পাসের হার ও জিপিএ-৫
৫০৭ দিন আগে
এইচএসসির ফলাফলে চমক দেখালো সিলেটের শিক্ষার্থীরা
চলতি বছরে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাসের হার সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে। সিলেটের পাসের হার ৮৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৭ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তি সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) এইচএসসি ও সমমানের প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিন বেলা ১১টার দিকে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলনকক্ষে ফল প্রকাশ করেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জাকির আহমদ।
পরে বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন চন্দ্র পাল।
আরও পড়ুন: এইচএসসির ফলাফলে এগিয়ে আছে মেয়েরা
ফলাফলে দেখা যায়, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসির পরীক্ষায় এবার অংশ নিয়েছে ৮৩ হাজার ১৫৬ জন অংশ নিয়ে ৭১ হাজার ১২ জন পাস করেছে।
এর মধ্যে ছাত্রী ৪৯ হাজার ৩৫৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৪২ হাজার ৬৬১ জন। পাসের হার ৮৬ দশমিক শূন্য ৪৪। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮২৯ জন।
অন্যদিকে ছাত্রদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩৩ হাজার ৮১১ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ২৮ হাজার ৩৫১ জন। পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৫। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৮৬৯ জন।
এছাড়াও গত বছরের তুলনায় সিলেটে পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই বেড়েছে। এবার সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৩৯। যা গত বছরের তুলনায় ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি। গত বছর পাসের হার ছিল ৭১ দশমিক ৬২। গত কয়েক বছর সিলেটে জিপিএ কম থাকলেও এবছর রেকর্ড ৬ হাজার ৬৯৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৬৯৯ জন শিক্ষার্থী।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, পাসের হারে এ বছর শীর্ষে থাকা সিলেট বোর্ডের পরেই রয়েছে বরিশাল বোর্ড। বরিশালে পাসের হার ৮১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। তার কাছাকাছি অবস্থানে রাজশাহী বোর্ডও। রাজশাহীতে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ।
পাসের হারে এরপর পর্যায়ক্রমে রয়েছে ঢাকা বোর্ড ৭৯ দশমিক ২১ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ, যশোরে ৬৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।
এদিকে, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদরাসা ও কারিগরি মিলিয়ে ১১টি বোর্ডের হিসাবে পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। এ বছর এ বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। এরপরই অবস্থান করছে কারিগরি বোর্ড, সেখানে পাসের হার ৮৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী- ৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ১১ আগস্ট থেকে নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে স্থগিত পরীক্ষাগুলো না নিতে আন্দোলনে নামেন একদল পরীক্ষার্থী।
তাদের দাবি ছিল, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরীক্ষা বন্ধ থাকার বিষয়টি তাদের মানসিক চাপে ফেলেছে। তাই অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো বাতিল করতে হবে। একপর্যায়ে পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হয়।
বাতিল পরীক্ষাগুলোতে এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এইচএসসিতেও একই নম্বর দিয়ে ফল তৈরি করে শিক্ষা বোর্ড। তাছাড়া বিভাগ ও বিষয়ে মিল না থাকলে সেক্ষেত্রে সাবজেক্ট ম্যাপিং নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: পাসের হার ৭৭.৭৮ শতাংশ, ১ লাখ ৪৫ হাজার জিপিএ-৫
৫০৭ দিন আগে
এইচএসসির ফলাফলে এগিয়ে আছে মেয়েরা
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে আছে মেয়েরা।
৯টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রীদের পাসের হার ৭৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রদের পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ।
মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও এগিয়ে রয়েছে। ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রী ৮০ হাজার ৯৩৩ জন আর ছাত্র ৬৪ হাজার ৯৭৮ জন।
এবছর পাসের হার কিছুটা কমেছে। গত বছর ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ যা এ বছর ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: পাসের হার ৭৭.৭৮ শতাংশ, ১ লাখ ৪৫ হাজার জিপিএ-৫
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ ও ৮৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সব বোর্ডের ওয়েবসাইট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়।
পাসের হারের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে সিলেট আর সবচেয়ে পিছিয়ে আছে ময়মনসিংহ।
পাসের হার সিলেট বোর্ডে ৮৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, বরিশালে ৮১ দশমিক ৮৫ শতাংশ, রাজশাহীতে ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ, ঢাকায় ৭৯ দশমিক ২১ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ, যশোরে ৬৪ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ।
চলতি বছরে ২ হাজার ৬৯৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ১৯৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৮ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল, যার মধ্যে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ জন।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী- ৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটাসংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার
বাতিল পরীক্ষাগুলোতে এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এইচএসসিতেও একই নম্বর দিয়ে ফল তৈরি করেছে শিক্ষা বোর্ড। তাছাড়া বিভাগ ও বিষয়ে মিল না থাকলে সেক্ষেত্রে সাবজেক্ট ম্যাপিং নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আগামীকাল যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফলাফল
৫০৭ দিন আগে
এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: পাসের হার ৭৭.৭৮ শতাংশ, ১ লাখ ৪৫ হাজার জিপিএ-৫
২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।
৯টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সব বোর্ডের ওয়েবসাইট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এ ফল প্রকাশ করা হয়।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ ও ৮৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।
এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ শিক্ষার্থী যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। গত বছর পেয়েছিল ৯২ হাজার ৫৯৫ জন।
আরও পড়ুন: আগামীকাল যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফলাফল
পাসের হারের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে সিলেট আর সবচেয়ে পিছিয়ে আছে ময়মনসিংহ।
পাসের হার সিলেট বোর্ডে ৮৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, বরিশালে ৮১ দশমিক ৮৫ শতাংশ, রাজশাহীতে ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ, ঢাকায় ৭৯ দশমিক ২১ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ, যশোরে ৬৪ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ।
চলতি বছরে ২ হাজার ৬৯৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ১৯৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৮ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল, যার মধ্যে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ জন।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী- ৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটাসংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।
বাতিল পরীক্ষাগুলোতে এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এইচএসসিতেও একই নম্বর দিয়ে ফল তৈরি করেছে শিক্ষা বোর্ড। তাছাড়া বিভাগ ও বিষয়ে মিল না থাকলে সেক্ষেত্রে সাবজেক্ট ম্যাপিং নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এইচএসসি’র ফল প্রকাশ ১৫ অক্টোবর
৫০৭ দিন আগে
আগামীকাল যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফলাফল
২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরা ফল ঘোষণা করবেন।
এ বছর সিলেট বিভাগ ছাড়া সারাদেশে ৩০ জুন থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। বন্যার কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিলেট বিভাগে পরীক্ষা শুরু হয় ৯ জুলাই।
শিক্ষার্থীরা এসএমএস ও অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের ফলাফল দেখতে পারবেন।
আরও পড়ুন: এইচএসসি’র ফল প্রকাশ ১৫ অক্টোবর
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের (www.dhakaeducationboard.gov.bd) www.educationboardresults.gov.bd, or www.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে "Result"-এ ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ইআইআইএন নম্বর দিয়ে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবে। এছাড়াও, শিক্ষার্থীরা তাদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে তাদের পৃথক ফলাফল শিট ডাউনলোড করতে পারেন।
বোর্ডের অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের মাধ্যমেও ফলাফল পাওয়া যাবে। এছাড়া যেসব শিক্ষার্থী এসএমএসের মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধন করবেন তারা সরাসরি মোবাইল ফোনে ফল জানতে পারবেন।
প্রাক-নিবন্ধন করতে শিক্ষার্থীদের যেকোনো মোবাইল অপারেটরের মেসেজ অপশনে গিয়ে (ইংরেজিতে) এইচএসসি<>বোর্ডের নাম (প্রথম ৩ অক্ষর)<>রোল<>বছর টাইপ করে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
পরীক্ষা শুরুর আট দিন পর, কোটা সংস্করণ আন্দোলন এবং পরবর্তী গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে এ বছর সমস্ত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
এসএসসির ফলের ভিত্তিতে অন্যান্য বিষয়ের জন্য সাবজেক্ট ম্যাপিং পদ্ধতি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সারাদেশে ২ হাজার ২৭৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ডের মোট ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।
আরও পড়ুন: এইচএসসির ফল প্রকাশ শিগগিরই: শিক্ষা মন্ত্রণালয়
৫০৮ দিন আগে
শাবিপ্রবিতে অবাঞ্ছিত ও আজীবন নিষিদ্ধ সেই উর্মি!
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে কটূক্তি, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে আলোচনায় আসেন লালমনিরহাটের সহকারী কমিশনার তাপসী তাবাসসুম উর্মি।
এ ঘটনার পর সাময়িক বরখাস্ত লালমনিরহাটের সহকারী কমিশনার, সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রী তাপসী তাবাসসুম উর্মিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবাঞ্ছিত ও আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে শাবিপ্রবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের শহীদ আবু সাইদকে সন্ত্রাসী আখ্যা দেওয়া, জুলাই-আগস্ট গণহত্যা তদন্ত সাপেক্ষ ও অমীমাংসিত বলে গণহত্যার সমর্থন করাসহ ফেসবুকে নানা বিভ্রান্তিকর লেখার মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বিপ্লবী ছাত্রজনতার বিপ্লবকে অস্বীকার করার জন্য শাবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী তাপসী তাবাসসুম উর্মিকে ক্যাম্পাসে আজীবন অবাঞ্চিত ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এতে শাবিপ্রবি প্রশাসনের কাছে তাপসী তাবাসসুম উর্মীর সনদ বাতিলের দাবিও জানান শিক্ষার্থীরা।
এছাড়াও বর্তমান সরকারের কাছে শাবিপ্রবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা দাবি করছে যে, তাপসী তাবাসসুম উর্মিকে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচার করা হোক। জুলাই বিপ্লব অস্বীকার ও শহীদদের নিয়ে কটুক্তি এবং রাষ্ট্রদ্রোহের জন্য তার কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
এর আগে বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে সাময়িক বরখাস্ত সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) তাপসী তাবাসসুমের (উর্মি) বিরুদ্ধে লালমনিরহাটে মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের এজাহার দায়ের করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি তাহিয়াতুল হাবিব মৃদুল।
আরও পড়ুন: সহকারী কমিশনার উর্মির বিরুদ্ধে মানহানি মামলার আবেদন
৫১১ দিন আগে