প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
প্রতিটি গ্রামকে নাগরিক সুবিধার আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার দেশের সব গ্রামের মানুষদের জন্য নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিটি গ্রামকে নাগরিক সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনব এবং প্রতিটি গ্রামের মানুষ নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে।’
মঙ্গলবার (১১ জুন) ঈদুল আজহার ৫ দিন আগে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে আরও ১৮ হাজার ৫৬৬টি বাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীনদের আরও ১৮,৫৬৬টি বাড়ি হস্তান্তর প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ, কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে সুবিধাভোগীদের কাছে জমির মালিকানা দলিলসহ বাড়ি হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।
সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের ফ্ল্যাগশিপ আবাসন কর্মসূচি আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত বাড়িগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে হস্তান্তর করেন জনপ্রতিনিধি ও মাঠ প্রশাসন।
ঘর বিতরণের পাশাপাশি ২৬টি জেলার সব উপজেলাসহ আরও ৭০টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেন তিনি।
নতুন এই ঘোষণার ফলে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলার মোট সংখ্যা ৫৮টিতে পৌঁছাল এবং সারা দেশে উপজেলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৪টিতে।
আরও পড়ুন: আশ্রয়ণ প্রকল্প: ‘এহন আমাগের দিন ঘুরতে শুরু করছে’
৬৩৩ দিন আগে
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীনদের আরও ১৮,৫৬৬টি বাড়ি হস্তান্তর প্রধানমন্ত্রীর
ঈদুল আজহার ৫ দিন আগে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে আরও ১৮ হাজার ৫৬৬টি বাড়ি হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (১১ জুন) প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ, কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে সুবিধাভোগীদের কাছে জমির মালিকানা দলিলসহ বাড়ি হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।
ঘর বিতরণের পাশাপাশি ২৬টি জেলার সব উপজেলাসহ আরও ৭০টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেন তিনি।
নতুন এই ঘোষণার ফলে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলার মোট সংখ্যা ৫৮টিতে পৌঁছাল এবং সারা দেশে উপজেলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৪টিতে।
সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের ফ্ল্যাগশিপ আবাসন কর্মসূচি আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এসব ঘর নির্মাণ করা হয়।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাটে ১ হাজার ২৮২টি, কক্সবাজারে ২৬১টি এবং ভোলায় ১ হাজার ২৩৪টি বাড়ি হস্তান্তর করেন।
আরও পড়ুন: আশ্রয়ণ প্রকল্প: মঙ্গলবার আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করবেন শেখ হাসিনা
এর আগে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রী প্রথম পর্যায়ে ৬৩ হাজার ৯৯৯টি, দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৩০টি, তৃতীয় পর্যায়ে ৫৯ হাজার ১৩৩টি এবং চতুর্থ ধাপে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি ঘর হস্তান্তর করেন।
প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে দুই শতক জমিতে একটি করে আধা-পাকা ঘর প্রদান করা হয়, যার মালিকানা যৌথভাবে স্ত্রী-স্বামী উভয়কে দেওয়া হয়। প্রতিটি বাড়িতে দুটি শয়নকক্ষ, একটি রান্নাঘর, একটি টয়লেট এবং একটি বারান্দা রয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে গৃহহীনদের জন্য পুনর্বাসন কর্মসূচি প্রথম চালু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গৃহহীন ও ভূমিহীনদের ঘরবাড়ি ও জমির মালিকানা দিতে ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্প হাতে নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তখন থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় মোট ৭ লাখ ৭১ হাজার ৩০১টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। এর ফলে আনুমানিক ৩৮ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৫ জন ব্যক্তি উপকৃত হয়েছে। সব আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ ৮২ হাজার ৫৩টি পরিবারের ২৯ লাখ ১০ হাজার ২৬৫ জনসহ ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯০৪টি পরিবারের ৪৩ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্প বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিকে সক্ষম করছে: ইন্ডিয়া টুডে’র প্রতিবেদন
৬৩৩ দিন আগে
আশ্রয়ণ প্রকল্প: মঙ্গলবার আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করবেন শেখ হাসিনা
মঙ্গলবার সারাদেশের গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মাঝে আরও ১৮ হাজার ৫৬৬টি বাড়ি হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক আবাসন কর্মসূচি আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এটি করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা, কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা এবং ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় বাড়ি ও মালিকানার কাগজপত্র হস্তান্তর করবেন।
আরও পড়ুন: আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর দেয়ার নামে প্রতারণা, চক্রের মূল হোতা আটক
ঘর বিতরণের পাশাপাশি ২৬টি জেলার সব উপজেলাসহ আরও ৭০টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করবেন তিনি।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাটে ১ হাজার ২৮২টি, কক্সবাজারে ২৬১টি এবং ভোলায় ১ হাজার ২৩৪টি বাড়ি বিতরণ করবেন।
নতুন এই ঘোষণার ফলে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলার মোট সংখ্যা ৫৮টিতে পৌঁছাবে এবং সারাদেশে উপজেলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৪৬৪টিতে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী প্রথম পর্যায়ে ৬৩ হাজার ৯৯৯টি, দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৩০টি, তৃতীয় পর্যায়ে ৫৯ হাজার ১৩৩টি এবং আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের চতুর্থ ধাপে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি ঘর বিতরণ করেন।
প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে দুই শতক জমিতে একটি করে আধা-পাকা ঘর প্রদান করা হয়, যার মালিকানা যৌথভাবে স্বামী-স্ত্রী উভয়কে দেওয়া হয়। প্রতিটি বাড়িতে দুটি শয়নকক্ষ, একটি রান্নাঘর, একটি টয়লেট এবং একটি বারান্দা রয়েছে।
আরও পড়ুন: ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৫০ হাজার ঘর নির্মাণ হচ্ছে
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান জানান, আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় জেলায় আগে ৪ হাজার ৬৬৬টি ঘর বিতরণ করা হয়েছে।
এই ২৬১টি বাড়ি হস্তান্তরের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল কক্সবাজারকে গৃহহীন ও ভূমিহীন জেলা হিসেবে ঘোষণা করবেন।
শাহীন বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প শুধু আশ্রয়ই দেয় না, কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করে, উপকারভোগীদের মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা বাড়ায়।
প্রকল্প বিবরণে বলা হয়েছে, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম পর্যায়ের প্রথম পর্যায়ে ২ লাখ ৬৬ হাজার ১২টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার পঞ্চম ধাপের দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ১৮ হাজার ৫৬৬টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে গৃহহীনদের জন্য পুনর্বাসন কর্মসূচি প্রথম চালু করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গৃহহীন ও ভূমিহীনদের ঘরবাড়ি ও জমির মালিকানা দিতে ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্প হাতে নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্পটি মোট ৭ লাখ ৭১ হাজার ৩০১টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করেছে। এর ফলে আনুমানিক ৩৮ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৫ জন ব্যক্তি উপকৃত হয়েছে। সকল আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ ৮২ হাজার ৫৩টি পরিবারের ২৯ লাখ ১০ হাজার ২৬৫ জনসহ ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯০৪টি পরিবারের ৪৩ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আশ্রয়ণ: বাগেরহাটে শেফালীসহ ৪৫ পরিবারের স্বপ্ন পুরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
৬৩৪ দিন আগে
মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (১০ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
আরও পড়ুন: ভারত সফরে বিজেপির প্রবীণ নেতা আদভানির সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ
ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার নয়াদিল্লি যান শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন: ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছেন শেখ হাসিনা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৬৩৪ দিন আগে
ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছেন শেখ হাসিনা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ভুটান থেকে ভারতের মধ্য দিয়ে জলবিদ্যুৎ আমদানিতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার (৯ জুন) দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে। সে সময় এই আগ্রহ প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।
তিনি ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, 'এর জন্য একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি প্রয়োজন এবং আমরা এরই মধ্যে ভারতের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি।’
সাক্ষাৎ শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
ভুটান বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ রপ্তানির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: বারিধারায় গুলিবর্ষণ: পুলিশ কনস্টেবলদের মধ্যে কোনো পূর্বশত্রুতা ছিল না: ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বর্তমানে নয়াদিল্লিতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আনতে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি প্রয়োজন এবং বিষয়টি এরইমধ্যে ভারতের নজরে আনা হয়েছে।
হাছান মাহমুদ আরও জানান, সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় আলোচনায় আসে।
তিনি বলেন, বিদ্যমান বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদারে দুই দেশই নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বার্ন ইউনিট নির্মাণ এবং এক বছরের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে।
শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, ভুটান বাংলাদেশের জনগণের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে, কারণ ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর বাংলাদেশকে প্রথম স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ভুটান।
তিনি বলেন, 'আমরা ভুটানকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারতকে দেওয়া স্থানের যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ভুটান সেখানে শিল্প গড়ে তুলবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ভুটানের বিনিয়োগ কামনা করেন।
এ সময় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র কন্যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তার সাম্প্রতিক ভুটান সফরের কথা উল্লেখ করেন।
পৃথক এক সংবাদ সম্মেলনে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, তিনি (ভুটানের প্রধানমন্ত্রী) সবসময় বাংলাদেশের কথা মনে রাখেন এবং চিন্তা করেন।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'নয়াদিল্লিতে অবস্থানকালে জিমে যাওয়ার পথে বাংলাদেশ হাইকমিশন দেখি। এটি আমাকে সবসময় বাংলাদেশের কথা মনে করিয়ে দেয়।’
প্রেস সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী জানান, তার দেশের বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব বাংলাদেশে ভুটানের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও ফলপ্রসূ করতে এবং বাংলাদেশের সহায়তা কীভাবে ভুটানের জন্য আরও অর্থবহভাবে ব্যবহার করতে পারেন সে বিষয়ে তার পররাষ্ট্র সচিব সব সময় চিন্তা করেন।
সাম্প্রতিক ঢাকা সফরের সময় ভুটানের রাজা ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি ভালোবাসা ও স্নেহের কথা উল্লেখ করে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভুটানের পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা তাদের অনুপ্রাণিত করেছে।
বৈঠকে আরও ছিলেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জ্বল হোসেন মিয়া, পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) মাসুদ বিন মোমেন, পিএমও সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান।
ভুটানের পক্ষ থেকে ছিলেন অবকাঠামো ও পরিবহনমন্ত্রী চন্দ্র বাহাদুর গুরুং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেরিং, ভারতে ভুটানের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল ভি নামগিয়েল, মন্ত্রিপরিষদসচিব কেসাং ডেকি এবং পররাষ্ট্রসচিব পেমা চোডেন।
আরও পড়ুন: পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নেতারা
ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি নেতাদের আর সহ্য হচ্ছে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৬৩৫ দিন আগে
ভারত সফরে বিজেপির প্রবীণ নেতা আদভানির সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ
ভারতে তিন দিনের সরকারি সফরকালে প্রবীণ বিজেপি নেতা ও ভারত রত্ন লালকৃষ্ণ আদভানির বাসভবনে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম বৈঠকের তিনটি ছবি প্রকাশ করলেও বিস্তারিত আর কিছু জানায়নি।
১৯৮০ সাল থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন লালকৃষ্ণ আদভানি। প্রায় তিন দশক ধরে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন রয়েছে তার।
তিনি ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং উপপ্রধানমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার নয়া দিল্লি যাচ্ছেন শেখ হাসিনা
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকেই প্রথম ‘সম্মানিত’ অতিথি হিসেবে স্বাগত জানায় ভারতীয় উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
এছাড়া ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিমানবন্দরে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, 'আমাদের অন্যতম মূল্যবান অংশীদারের এই সফর বাংলাদেশ-ভারত ঘনিষ্ঠ ও গভীর বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও জোরদার করবে।’
ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরপর তিন মেয়াদে- ১৯৫২, ১৯৫৭ ও ১৯৬২ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হন জওহরলাল নেহরু। এবার ৭৩ বছর বয়সী মোদিও পরপর তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার রাত ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন।
আরও পড়ুন: মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার দিল্লি যাচ্ছেন শেখ হাসিনা
৬৩৫ দিন আগে
বাজেটে কালো টাকা সাদা করার প্রস্তাবে সমর্থন প্রধানমন্ত্রীর
বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগে কালো টাকা বৈধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘নামমাত্র পরিমাণ অর্থ (ট্যাক্স) দিয়ে প্রথমে যথাযথ জায়গায় (ব্যাংকিং চ্যানেলে) টাকা আসতে দিতে হবে এবং তারপর নিয়মিত কর দিতে হবে। মাছ ধরতে গেলে আগে টোপ দিতে হবে।’
শুক্রবার (৭ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে কালো টাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং যুক্তি দিয়েছেন যে এটি আইনি করদাতাদের নিরুৎসাহিত করবে।
তিনি বলেন, এটা ঠিক নয়, বরং আসল কথা হলো সবকিছুর দাম বেড়েছে এবং এক কাঠা জমির মালিক কোটিপতি। কিন্তু কেউই সরকারি দামে জমি বিক্রি করে না বরং বেশি দামে বিক্রি করছে। তাই জমি বিক্রি করে পাওয়া বাড়তি টাকা ব্যাংকে রাখে না।
আরও পড়ুন: যেসব দেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ তাদের সঙ্গে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি সরকারের আমলে সর্বশেষ বাজেট ছিল ৬২ হাজার কোটি টাকা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ছিল ৬৮ হাজার কোটি টাকা, অথচ তার সরকার এবার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই বাজেটে কিছু মৌলিক দাবির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও স্থানীয় শিল্প এবং সামাজিক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।’
বিশ্বব্যাপী উচ্চ মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমিত আয়ের মানুষ মূল্যস্ফীতির কারণে কষ্ট পাচ্ছে।
আরও পড়ুন: অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দারিদ্র্য বিমোচন ও শিশুদের স্বাস্থ্য-শিক্ষায় অর্থ সরবরাহের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সীমিত আয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি, যাতে চাল, ডাল, ভোজ্যতেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ন্যায্যমূল্যে কিনতে পারে। যারা হতদরিদ্র তাদের আমরা খাবার পৌঁছে দিচ্ছি।'
এছাড়া সরকার ১৫০টি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় জনগণকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে, স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান এবং কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে প্রায় ৩০ প্রকারের ওষুধ বিনামূল্যে প্রদান করছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সাধারণত প্রতি বর্ষা মৌসুমে পণ্যের দাম বেশি থাকে। এটা মাথায় রেখেই আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি শুরু করব।'
তিনি আরও বলেন, 'এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা, বিশেষ করে খাদ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা। খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানোর জন্য এটি প্রয়োজন।’
বাজেট ঘাটতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ ঘাটতি রাখা হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশে, এমনকি উন্নত দেশগুলোতেও বাজেট ঘাটতি এর চেয়ে বেশি।
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির মধ্যে দেশে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে একটি জমিও অনাবাদি না রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: সরকার শিশুদের মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করেছে : প্রধানমন্ত্রী
৬৩৭ দিন আগে
মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার নয়া দিল্লি যাচ্ছেন শেখ হাসিনা
টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লির উদ্দেশে শনিবার (৮ জুন) ঢাকা ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি আগামীকাল সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে।
ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় নয়াদিল্লির ভিভিআইপি বিমানবন্দর পালাম বিমান বাহিনীর স্টেশনে অবতরণের কথা রয়েছে।
ভারতে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন দেশটির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান।
নয়াদিল্লি সফরকালে প্রধানমন্ত্রী রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন।
আরও পড়ুন: নির্ধারিত সময়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে ব্যর্থতার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
পরে তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতির দেওয়া রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রী রবিবার নয়াদিল্লি পৌঁছানোর পর বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
রবিবার তিনি দেশের উদ্দেশে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন এবং রাত ৮টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এর আগে বুধবার (৫ জুন) টেলিফোনে আলাপকালে মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তার সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। শেখ হাসিনা আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন।
অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২৯৩টি আসন এবং বিরোধী ইন্ডিয়া জোট ২৩৪টি আসন পায়। আগামী ৯ জুন সন্ধ্যায় শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি। এর আগে ৮ জুন সকালে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল।
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহালসহ ৮ হাজারের বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার দিল্লি যাচ্ছেন শেখ হাসিনা
৬৩৭ দিন আগে
মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার দিল্লি যাচ্ছেন শেখ হাসিনা
নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার (৭ জুন) নয়া দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম তার শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৯ জুন তিনি (প্রধানমন্ত্রী) দেশে ফিরবেন বলেও জানান তিনি।
লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) জোট ২৯৩টি আসনে জয়ী হওয়ায় আগামী ৮ জুন রাত ৮টায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন মোদি।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে জয় পাওয়ায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে বিদেশি নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, যারা মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
এর আগে মোদি শেখ হাসিনাকে তার সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান এবং সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করা হয়।
নির্বাচনে জয়লাভের পর উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই প্রথম বিদেশি নেতা যিনি মোদিকে অভিনন্দন জানান, যা দুই নেতার মধ্যে উষ্ণ ও ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রতিফলিত করে।
আরও পড়ুন: পদত্যাগ করলেন মোদি, ভারতে নতুন সরকার গঠনের অপেক্ষা
৬৩৮ দিন আগে
নির্ধারিত সময়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে ব্যর্থতার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় অভিবাসী শ্রমিক পাঠাতে ব্যর্থতার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, 'এবার কী সমস্যা হয়েছে তা আমরা তদন্ত করে দেখছি। দায়ী হলে অবশ্যই তাদের বিচার হবে।’
বুধবার (৫ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এর আগে বিকাল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়।
আরও পড়ুন: উন্নত বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সম্পূরক প্রশ্নে জাপার সংসদ সদস্য বলেন, মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক অনেক বাংলাদেশি শ্রমিকের ভাগ্য অনিশ্চিত। অনুমতিসহ সবকিছু প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১৭ হাজার কর্মীকে ৩১ মের মধ্যে পাঠানো যায়নি।
মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মী পাঠাতে যোগসূত্র সৃষ্টির কথা তুলে ধরে মুজিবুল হক বলেন, মালয়েশিয়া ১৪টি দেশ থেকে জনশক্তি পায় এবং বাংলাদেশ ছাড়া সব দেশের ক্ষেত্রে লাইসেন্সধারী সব এজেন্সি জনশক্তি পাঠাতে পারে। শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই বেশ কয়েকটি নির্ধারিত এজেন্সি এই সুযোগ পায়।
যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চান মুজিবুল হক।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সরকার বিশেষ ফ্লাইট চালু করেছে।
তিনি আরও বলেন, 'সব কর্মীকে বিশেষ ফ্লাইট ও অন্যান্য নিয়মিত ফ্লাইটে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়েছে। কিন্তু বাদ পড়েছেন অনেকেই। কী কারণে (মালয়েশিয়া যেতে না পারার) তা তদন্ত করে দেখা হবে।’
আরও পড়ুন: সরকার শিশুদের মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করেছে : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যখনই আমরা আলোচনা করি এবং ঠিক করি কতজন লোক যাবে, তখন দেখা যায় আমাদের দেশে একদল লোক, যারা জনবল নিয়ে কাজ করে, তারা তাড়াহুড়ো করে লোক পাঠানোর চেষ্টা করে।’
বিদেশে কর্মী পাঠাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, কিছু লোক দালালের মাধ্যমে বিদেশে যেতে চায়। তখন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন তারা।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মাহফিজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ঢাকা শহরের যানজট এবং এর ফলে বছরে প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, টাইমবাউন্ড অ্যাকশন প্ল্যান ২০৩০-এর আওতায় মেট্রোরেল লাইন চালু করা হলে এই অর্থ সাশ্রয় হবে এবং অর্থনীতিতে পরিপূর্ণ বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক গবেষণায় দেখা গেছে, এমআরটি লাইন-৬ এর পুরো অংশের কাজ শেষ হলে মেট্রোরেল চলাকালীন দৈনিক ভ্রমণের সময় ব্যয় বাবদ প্রায় ৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং পরিচালনা ব্যয় বাবদ প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে।
আরও পড়ুন: ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত নীতি রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ফরিদুন নাহার লাইলীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের দুর্ভাগ্য যে, একটি চক্র বিশেষ করে সাম্প্রদায়িক ও যুদ্ধাপরাধী চক্র এবং বিএনপি-জামায়াত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অব্যাহতভাবে গুজব ছড়াচ্ছে।’
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘এর একটি বড় অংশ বিভিন্ন উন্নত দেশে বসবাস করছে। তারা মূলত ফেসবুক, এক্স (সাবেক টুইটার), ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিকৃত সংবাদ ছড়াচ্ছে।’
এসব ভুল তথ্য ও গুজব বন্ধে দেশে-বিদেশে আইনি, কারিগরি ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ সাইবার জগতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় তার সরকারের একটি পৃথক 'সাইবার পুলিশ ইউনিট' গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: উপকূলীয় বনায়নে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম পথিকৃৎ: প্রধানমন্ত্রী
৬৩৯ দিন আগে