প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
উপকূলীয় বনায়নে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম পথিকৃৎ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, উপকূলীয় বনায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম পথিকৃৎ।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বে বাংলাদেশ উপকূলীয় বনায়নের অন্যতম পথিকৃৎ। এখন পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৭০ হেক্টর জমিতে বনায়ন করা হয়েছে। আমরা ২০০৯ সাল থেকে ৮৯ হাজার ৮৫৩ হেক্টর জমির একটি সবুজ বেষ্টনী তৈরি করেছি।’
বুধবার (৫ জুন) নগরীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা-২০২৪’ এবং ‘পরিবেশ মেলা-২০২৪’এর উদ্বোধন করেন তিনি।
'ভূমি পুনরুদ্ধার, মরুকরণ বন্ধ করা ও খরা সহনশীলতা গড়ে তোলা' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৪ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত নীতি রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
আর্থিকভাবে লাভবান হতে, তাপমাত্রা থেকে মুক্তি পেতে এবং পরিবেশ রক্ষায় সম্ভাব্য সব স্থানে গাছ লাগানো এবং ছাদে বাগান করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রত্যেককে কমপক্ষে একটি ফলাদি গাছ, কাঠ গাছ ও ভেষজ গাছ লাগাতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফলের গাছ লাগালে ফল খেতে পারবেন আর কাঠের গাছ লাগালে কাঠ বিক্রি করে ভালো টাকা পাবেন।’
'বৃক্ষ দিয়ে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ করি বাংলাদেশ' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পলাশ ও বেলের দু'টি চারা রোপণ করে বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: সরকার শিশুদের মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করেছে : প্রধানমন্ত্রী
৬৩৯ দিন আগে
ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত নীতি রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
নিরীহ ফিলিস্তিনিদের প্রতি পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের ব্যাপারে পশ্চিমা দেশগুলো দ্বৈত নীতি প্রদর্শন করছে।’
মঙ্গলবার (৪ জুন) সরকারি বাসভবন গণভবনে ফিলিস্তিনি জনগণের সহায়তায় ৫ কোটি টাকার চেক হস্তান্তরকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ফিলিস্তিনের পক্ষ থেকে অনুদানের চেক গ্রহণ করেন রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো সবসময় সবার জন্য মানবাধিকার ও শিক্ষার কথা বলে। ‘কিন্তু ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার লঙ্ঘন, সেখানে নিরীহ মানুষকে হত্যা করা নিয়ে তারা মাথা ঘামায় না, এখানে তারা নীরব।’
আরও পড়ুন: আমাদের কিছুই নেই: হামলায় খাদ্যের সন্ধানে থাকা ফিলিস্তিনিরা
সম্প্রতি ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় ন্যাটোভুক্ত চারটি দেশের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের সফট কর্নার রয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ তাদের হৃদয় থেকে ফিলিস্তিনি জনগণের বেদনা ও যন্ত্রণা উপলব্ধি করতে পারে। যেভাবে ১৯৭১ সালে তারা একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘আমরা একই ধরনের নৃশংসতা ও নিরীহ মানুষকে হত্যা করা দেখেছি।’
১৯৭১ সালে নয় মাস বন্দি থাকার অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন তিনি।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর নিজের নির্বাসিত জীবনের কথাও বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: ফিলিস্তিন বিরোধিতার জন্য লন্ডনের ইউএএল থেকে ডক্টরেট ফেরত দিলেন শহিদুল আলম
তিনি বলেন, 'সুতরাং আমরা ফিলিস্তিনি জনগণের দুঃখ ও দুর্দশা উপলব্ধি করতে পেরেছি।’
তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের প্রতিটি আন্তর্জাতিক ফোরামে তিনি সবসময় ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য তার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, 'এটা করতে গিয়ে আমি কারও চোখ রাঙানি নিয়ে ভাবিনি।’
রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান চলমান ইসরায়েলি হামলার কারণে তার দেশের দুঃখজনক পরিস্থিতি সংক্ষেপে বর্ণনা করেন।
অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সরকার শিশুদের মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করেছে : প্রধানমন্ত্রী
৬৪০ দিন আগে
সরকার শিশুদের মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করেছে : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার দেশের শিশুদের শিক্ষা গ্রহণ এবং তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, 'আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছি যাতে তারা বিভিন্নভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ করতে পারে।’
মঙ্গলবার (৪ জুন) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম, ১০০তম, ১০১তম, ১০২তম, ১০৩তম ও ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ৩০৪ জন বিজয়ীর মধ্য থেকে সেরা পারফর্মারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
আওয়ামী লীগ সরকার দেশে বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার জেলা পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করছে।
তিনি বলেন, চিকিৎসা, কৃষি, ডিজাইন ও ফ্যাশন, অ্যারোস্পেস ও এভিয়েশন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বহুমাত্রিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার শিশুদের সুরক্ষায় অনেক আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন করেছে এবং শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করেছে।
তিনি বলেন, সরকার প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক, উপবৃত্তি ও বৃত্তির পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্যও বৃত্তি প্রদান করে।
তিনি বলেন, 'আমাদের পদক্ষেপের ফলে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৬ দশমিক ৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা ২০০৬ সালে ছিল মাত্র ৪৫ শতাংশ।’
আরও পড়ুন: উন্নত বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার দেশে স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব এবং কম্পিউটার ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করেছে। তিনি বলেন, 'আমরা আইটি শিক্ষা, ডিজিটাল সিস্টেম এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ করছি।’
তিনি বলেন, প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের সন্তানরা পিছিয়ে থাকবে না। ‘আমরা তাদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞানে সুসজ্জিত করে একটি আধুনিক জাতি হিসেবে গড়ে তুলব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের এখন ভিশন হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, ‘আজকের শিশু-কিশোররাই হবে ২০৪১ সালের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথপ্রদর্শক। আমরা তাদের যথাযথভাবে উন্নত করতে চাই, যাতে তারা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।’
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতি ও বরেণ্য চিত্রশিল্পী হাশেম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: বৈচিত্র্যময় স্বাদ ও গন্ধের চা উৎপাদনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৬৪০ দিন আগে
বৈচিত্র্যময় স্বাদ ও গন্ধের চা উৎপাদনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বিশ্ব বাজারের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বৈচিত্র্যময় স্বাদ ও গন্ধের চা উৎপাদনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘চাকে বহুমুখী করতে হবে এবং অ্যারোমা চা তৈরি করতে হবে। কারণ, বিদেশে এর চাহিদা অনেক বেশি।’
মঙ্গলবার (৪ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চতুর্থ জাতীয় চা দিবস ও জাতীয় চা পুরস্কার-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এখন মানুষের রুচির পরিবর্তন হয়েছে এবং তাই শুধু চা পাতা থেকে চা নয়, ভেষজ ও মশলাদার চায়ের মতো বিভিন্ন ধরনের ও ফ্লেভারের চা ইতোমধ্যে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: উন্নত বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
শেখ হাসিনা বলেন, ‘শুধু প্রচুর পরিমাণে চা পাতা বিক্রি করার পরিবর্তে, আমাদের সেগুলোর ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন করতে হবে এবং তা রপ্তানি করতে হবে। যদি তাই হয়, তাহলে আমরা (বাংলাদেশ) একদিকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি এবং অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।’
তিনি বলেন, এখন তুলসী পাতা, আদা, লেবু, তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ এবং দারুচিনির মতো বিভিন্ন উপাদান দিয়ে চা তৈরি করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী চা বাগানের মালিক ও চা ব্যবসায়ীদের এ ধরনের চা প্যাকেটজাত করে এক্ষেত্রে মূল্য সংযোজনের নির্দেশ দেন।
তিনি আরও বলেন, ‘চায়ে ভ্যালু অ্যাড করলে শুধু প্রচুর পরিমাণে চা পাতা বিক্রি নয়; বেশি দাম পাওয়া যাবে, ভালো টাকাও উপার্জন হবে। বিশ্বজুড়ে এর চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।’
তিনি পাট পাতা থেকে চা তৈরিতে আরও গবেষণার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এখন স্বল্প পরিসরে পাট পাতা থেকে চা উৎপাদন করা হচ্ছে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পাট চা ভালো হতে পারে।
আরও পড়ুন: যেসব দেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ তাদের সঙ্গে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী
৬৪০ দিন আগে
শফি আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক উপ-সম্পাদক এবং '৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক শফি আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (৩ জুন) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী এই শোক প্রকাশ করেন।
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক
৬৪১ দিন আগে
উন্নত বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আগামীর চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করতে এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণদের জ্ঞান, প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘এই যুগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও জ্ঞানের যুগ। জ্ঞান অর্জন ছাড়া একজন মানুষের পক্ষে ভবিষ্যৎ ও দেশের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে না।’
রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবনে 'আমার চোখে বঙ্গবন্ধু' শীর্ষক দেশব্যাপী ভিডিও প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
ভবিষ্যতের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে তরুণদের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
নতুন প্রজন্ম দেশকে সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন: যেসব দেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ তাদের সঙ্গে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘ইতিহাস থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। অন্যান্য দেশের সঙ্গে আগামীতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদেরও নিজেদের পথ খুঁজে বের করতে হবে।’
তিনি জাতি গঠন ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘আর শিক্ষা ছাড়া তা আদৌ সম্ভব নয়। শিক্ষা ছাড়া দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব নয়। শিক্ষা একজন মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন।’
প্রধানমন্ত্রী তরুণদের দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তোমাদের প্রস্তুত হতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে হবে। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত এবং সমৃদ্ধির বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে।’
আরও পড়ুন: অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দারিদ্র্য বিমোচন ও শিশুদের স্বাস্থ্য-শিক্ষায় অর্থ সরবরাহের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৬৪২ দিন আগে
যেসব দেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ তাদের সঙ্গে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কে কার সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত তা বিবেচনা না করে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে যে দেশগুলো বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে তাদের সঙ্গেই কাজ করবে।
তিনি বলেন, ‘কে কার সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত তা আমার দেখার দরকার নেই। আমার নিজের দেশের উন্নয়নটা আমার আগে দরকার। আমার দেশের উন্নয়নে যারা সহযোগিতা করবে আমি তাদেরকে নিয়ে চলব। সেভাবেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: জাপান সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছে: জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা
রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবনে 'আমার চোখে বঙ্গবন্ধু' শীর্ষক দেশব্যাপী ভিডিও প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণকালে এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সবার সঙ্গে শান্তি ও বন্ধুত্ব চায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, যুদ্ধ চাই না। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই, সেই বন্ধুত্ব বজায় রেখেই এগিয়ে যাচ্ছি।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ীদের মাঝে সনদ, ক্রেস্ট ও পুরস্কারের অর্থ বিতরণ করেন।
আরও পড়ুন: আপনাদের যতদিন প্রয়োজন ততদিন পাশে থাকব: পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
৬৪২ দিন আগে
এসআইডিএস ও আফ্রিকান এলডিসি থেকে ১০ ক্যাডেটকে বঙ্গবন্ধু বৃত্তি প্রদান
ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) মাধ্যমে বিদেশিদের জন্য দেশের ৫টি সরকারি মেরিন একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ক্যাডেট প্রশিক্ষণ বৃত্তি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।
উন্নয়নশীল ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র (এসআইডিএস) এবং আফ্রিকার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) ১০ জন ক্যাডেটকে এই বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএমওর মহাসচিব আর্সেনিও অ্যান্তোনিও ডমিনগুয়েজ। এ সময় এই প্রস্তাবের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জানান, এই প্রস্তাব সানন্দে গ্রহণ করেছে জাতিসংঘের মেরিন এজেন্সি আইএমও।
আরও পড়ুন: আইএমও'র প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অব্যাহত সম্পৃক্ততা ও নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছি: সংস্থাটির প্রধান
বৈঠকে জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ পুনর্ব্যবহার, সমুদ্রে সংঘটিত অপরাধ ও জলবায়ু ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আইএমওর আনুষ্ঠানিক নথিতে বাংলাদেশের মেরিন একাডেমিতে লিঙ্গ ভারসাম্য উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে মেরিন একাডেমিতে কোনো নারী ক্যাডেট ছিল না। তবে তার সরকার মেরিন একাডেমিতে মেয়েদের সুযোগ তৈরি করেছে এবং অনেক মেয়ে একাডেমিতে ভর্তি হচ্ছে।
জাহাজ রিসাইক্লিং শিল্প সম্পর্কে আইএমও মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় জাহাজ রিসাইক্লিং দেশ। গত জুনে হংকং কনভেনশনে সম্মতি দিয়ে পরিবেশগতভাবে নিরাপদ জাহাজ রিসাইক্লিংয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতির সর্বোচ্চ রক্ষা করেছে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘের শিপিং এজেন্সি ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) হংকং কনভেনশনের লক্ষ্য হচ্ছে জাহাজগুলো তাদের কর্মক্ষমতার সময় পার হলে পুনর্ব্যবহার করা হয়, তখন তা মানব স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও পরিবেশের জন্য কোনো অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি তৈরি করে না তা নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশে নিরাপদ জাহাজ রিসাইক্লিং জোরদার করতে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা আইএমওর সহায়তা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, 'আমরা জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ রিসাইক্লিংয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়াচ্ছি এবং আমরা আইএমওর সহায়তা চাই।’
আরও পড়ুন: আইএমও'র কাউন্সিল সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাহাজ নির্মাণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে কারণ সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও এখানে জাহাজ নির্মাণ করছে এবং ইউরোপের দেশগুলোতেও বাংলাদেশি জাহাজ রপ্তানি হচ্ছে।
সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থা বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় সম্প্রতি সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে অপহৃত বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর দ্রুত মুক্তিতে আইএমওর ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
বঙ্গোপসাগরে নিরাপত্তার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা সবাই মিলে এখানে জলদস্যুদের নিয়ন্ত্রণ করি এবং অন্যান্য স্থানেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়িয়েছে এবং সফলভাবে হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করেছে।
সরকার ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার চেষ্টা করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় আইএমও মহাসচিব জানান, আইএমও মানব ও মাদক পাচারসহ সামুদ্রিক অপরাধ নিয়ে কাজ করছে।
বৈঠকে আরও ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, আইএমওর সহসভাপতি সাঈদা মুনা তাসনিম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট) রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশীদ আলম।
আরও পড়ুন: মেরিন সেক্টরে বিশাল সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
৬৪৫ দিন আগে
বাংলাদেশের জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ফিনল্যান্ড
বাংলাদেশের জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাত বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বৈদ্যুতিক গ্রিড ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগে আগ্রহী ফিনল্যান্ড।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিনল্যান্ডের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত কিমো লাহডিভিরতা।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
বৈঠকে ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈদ্যুতিক গ্রিড ব্যবস্থাপনায় তার দেশের অধিক দক্ষতা রয়েছে এবং তাই তারা এ খাতে বিনিয়োগ করতে চায়।
বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান করতে ফিনল্যান্ড থেকে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল শিগগিরই ঢাকায় আসবে বলে জানান তিনি।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সালে অবশেষে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণ করতে যাচ্ছে।
এলডিসি থেকে উত্তরণের পর সমৃদ্ধির পথে যাত্রা মসৃণ করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে জিএসপি+ সুবিধা আরও কয়েক বছর (বৃহত্তর সময়) পেতে ফিনল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
আরও পড়ুন: দেশে ফিনল্যান্ড-গুয়াতেমালা ও আয়ারল্যান্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে চমৎকার সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় তার ফিনল্যান্ড সফর এবং ২০০৮ ও ২০১৯ সালে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের কথা স্মরণ করেন তিনি।
রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা ও কোভিড-১৯ মহামারির পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আর্থিক সহায়তা ক্রমান্বয়ে কমে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত ভারতের নির্বাচন সম্পর্কে বাংলাদেশের অবস্থান জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়' শীর্ষক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে 'গুড নেইবারহুড’ সম্পর্ক অনুসরণ করছে।
বৈঠকে আরও ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
আরও পড়ুন: আপনাদের যতদিন প্রয়োজন ততদিন পাশে থাকব: পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
৬৪৫ দিন আগে
আপনাদের যতদিন প্রয়োজন ততদিন পাশে থাকব: পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাদের স্বাভাবিক জীবনে যতদিন সহযোগিতার প্রয়োজন হবে ততদিন তার সরকার ও আওয়ামী লীগ তাদের পাশে থাকবে।
সমবেত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা আপনাদের পাশে আছি, থাকব ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেব।’
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সকালে কলাপাড়ায় সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বলেই দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের আগে অনেকেই ক্ষমতায় এসেছেন, কিন্তু তারা এই অঞ্চলের জন্য কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হাতে নেয়নি।’
জনগণের জীবনমান উন্নয়নই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, 'প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবে, কিন্তু জনগণের জীবনমান স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমাদের সেসব মোকাবিলা করতে হবে। আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আগের ঘূর্ণিঝড়ের তুলনায় এবার জলোচ্ছ্বাস অনেক বেশি ছিল। সরকারের গড়ে তোলা ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে আসায় জনগণকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে যা যা করা দরকার আওয়ামী লীগ সরকার তাই করছে বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, সরকার এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে কারণ দেশে গণতন্ত্র রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নিরবচ্ছিন্ন গণতন্ত্র বিরাজ করায় দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে।’
কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নির্মল নন্দীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মুহিবুর রহমান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
আরও পড়ুন: পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসযজ্ঞ হেলিকপ্টার থেকে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
৬৪৫ দিন আগে