প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
আমরা একসময় চাঁদে যাব, এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে: শিশুদের প্রধানমন্ত্রী
চাঁদ জয়ের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে দেশের শিশুদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘আমরা একসময় চাঁদেও যাব। তাই সবাইকেই এখন থেকেই সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।’
শনিবার (৬ জুলাই) গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে 'বঙ্গবন্ধু কর্নার' উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
একই আয়োজনে তিনি ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের আঁকা 'এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি' অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করেন।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করতে বলেছেন, কারণ তারাই একদিন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, বিজ্ঞানী ও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘মহৎ মানুষ হওয়ার জন্য মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা কর। আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব। তোমরাই একদিন রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। তোমরাই প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিজ্ঞানী হবে এবং বড় বড় জায়গায় যাবে ও গবেষণা করবে।’
আরও পড়ুন: টুঙ্গিপাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে 'বঙ্গবন্ধু কর্নার' উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার দোয়া ও আশীর্বাদ শিশুদের জন্য থাকবে। কারণ তারা তাদের চেষ্টায় সফলতা অর্জন করবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় মেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তার বাবা শিশুদের একটি সুন্দর জীবন দিতে চেয়েছিলেন।
বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের আঁকা দেশের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত ছবিগুলোর অ্যালবাম সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি তাদের দেশের ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, তার বাবা কখনোই তার জীবনের জন্য কোনো বিলাসিতা পছন্দ করতেন না, বরং তিনি জনগণকে উন্নত জীবন দেওয়ার জন্য কাজ করা বেছে নিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘তার (বঙ্গবন্ধুর) একটিই লক্ষ্য ছিল, তা হলো জনগণকে দারিদ্র্যমুক্ত করে উন্নত জীবন দেওয়া।’
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু দেশকে বিশ্বে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে: প্রধানমন্ত্রী
৬৯৮ দিন আগে
টুঙ্গিপাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে 'বঙ্গবন্ধু কর্নার' উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে 'বঙ্গবন্ধু কর্নার' উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার (৬ জুলাই) পরে সেখানে তিনি 'এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি' অ্যালবামের মোড়কও উন্মোচন করেন।
এর আগে তিনি ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত ওই বিদ্যালয়ে পৌঁছালে শিক্ষার্থীরা তাকে স্বাগত জানায়।
শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
জাতির পিতা সম্পর্কিত বিভিন্ন বইয়ে সজ্জিত কর্নারটিতে কিছু সময় কাটান তিনি।
পরে তিনি টুঙ্গিপাড়া বহুমুখী পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করেন।
আরও পড়ুন: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা
৬৯৮ দিন আগে
গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার (৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।
শুক্রবার রাজধানীতে চলমান জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪-এর ১২তম রাউন্ডের ম্যাচ খেলার সময় মারা যান জিয়াউর রহমান।
বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের হলরুমে তার মৃত্যু হয়।
১৯৭৪ সালের ১ মে জন্ম নেওয়া জিয়াউর ২০০২ সালে গ্র্যান্ড মাস্টার হন।
আরও পড়ুন: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা
৬৯৯ দিন আগে
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে গিয়ে জিয়ারত করেছেন।
তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সময় বঙ্গবন্ধু ও অন্য শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনাও করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকালে মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ দুপুরে পদ্মা সেতু দিয়ে সড়কপথে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার পৈতৃক বাড়িতে পৌঁছান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের সমাপনী উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে যোগ দেন।
২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী সেতু পার হয়ে বেশ কয়েকবার টুঙ্গিপাড়ায় তার পৈতৃক বাড়িতে যান।
প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল সকালে গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে 'বঙ্গবন্ধু কর্নার' উদ্বোধন করবেন এবং 'এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি' অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করবেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া বহুমুখী পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করবেন।
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শনিবার বিকালে ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করবেন তিনি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-স্পেনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৬৯৯ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার ও ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) বিদায়ী রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২১-২২ জুন ভারতে দ্বিপাক্ষিক সফর করায় দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভারতের হাইকমিশনার।
আরও পড়ুন: দুই দেশের অর্থনীতিতেই অবদান রাখছেন ওমানে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকালে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকস এবং অন্যান্য ঘোষণা ও উদ্যোগ যথাসময়ে বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও ভারতের হাইকমিশনার একমত পোষণ করেন। এছাড়াও ভারতের লাইন অব ক্রেডিটের আওতাধীন প্রকল্পগুলো যথাসময়ে বাস্তবায়ন করার বিষয়ে উভয়েই বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
৭০০ দিন আগে
বাংলাদেশ-স্পেনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
পারস্পরিক সহযোগিতা ও সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ ও স্পেনের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশ ও স্পেনের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে চাই।’
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) গণভবনে স্পেনের রাষ্ট্রদূত গাব্রিয়েল মারিয়া সিস্তিয়াগা ওচোয়া দে চিনচেত্রুর সঙ্গে বৈঠককালে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম নাঈমুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।
প্রেস সচিব জানান, বর্তমানে স্পেন বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করে জানিয়ে সিমেন্ট খাতে স্প্যানিশ বিনিয়োগের কথাও উল্লেখ করেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত।
আরও পড়ুন: দুই দেশের অর্থনীতিতেই অবদান রাখছেন ওমানে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশে স্পেনের বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে রাষ্ট্রদূতকে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি সারা দেশে প্রায় ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য তার সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্পেনের বিনিয়োগকারীরাও এই অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগ করতে পারে। আমরা স্পেন থেকে আরও বিনিয়োগ দেখতে চাই।’
স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা থেকে উন্নীত হওয়ার পরও বাংলাদেশকে সহায়তা করার জন্য স্পেনের রাষ্ট্রদূতকে এসময় অনুরোধ করেন তিনি।
বৈঠকে জানা গেছে, সেপ্টেম্বরে দুই দেশের মধ্যে একটি অংশীদারত্ব চুক্তির জন্য আলোচনা শুরু হবে।
বর্তমানে ৬০ হাজার বাংলাদেশি স্পেনে বসবাস করছেন। প্রধানমন্ত্রী তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আরও বাংলাদেশিকে স্পেনে কর্মসংস্থানের জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশের বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা করেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত। তিনি শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সরকারের মনোযোগের কথাও উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: ২০৩৫ সালের মধ্যে হাইড্রোজেন থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায় বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রদূত গাব্রিয়েল বলেন, ‘এটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে আপনার আগ্রহ এবং বরাদ্দ আমাদের দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’
আসন্ন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে আমন্ত্রণের জন্য প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এসময় উপস্থিত ছিলেন।
৭০০ দিন আগে
দুই দেশের অর্থনীতিতেই অবদান রাখছেন ওমানে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওমানে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রশংসা করে বলেছেন, তারা দু'দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে।
তিনি বলেন, ‘আপনাদের অর্থনীতিতে যেমন বাংলাদেশি শ্রমিকদের অবদান রয়েছে, তেমনি বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও অবদান রয়েছে। উভয় অর্থনীতিই শ্রমশক্তির সুফল পাচ্ছে।’
বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমানের রাষ্ট্রদূত আবদুল গাফফার বিন আবদুল করিম আল-বুলুশি বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম নাঈমুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
পশ্চিম এশিয়ার দেশটিতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের পারফরম্যান্সের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একমত পোষণ করেন ওমানের রাষ্ট্রদূত।
তিনি বলেন, ‘এটা সত্য এবং তারা উভয় অর্থনীতির জন্য কাজ করছে।’
আরও পড়ুন: আমরা আমাদের দরজা বন্ধ রাখতে পারি না: ভারতকে ট্রানজিট দেওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, ওমান দীর্ঘদিন ধরে ৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে এবং বর্তমানে দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা করছে।
তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দ্বিগুণ হতে পারে।’
এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময় ওমানের সহায়তার বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
বাংলাদেশিদের ওপর ভিসা বিধিনিষেধের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত জানান, ওমানে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি কাজ করছেন।
তিনি বলেন, 'এটা (বিধিনিষেধ) সুনির্দিষ্ট করে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারণ করা হয়নি। চাহিদা নির্ধারণের জন্য আমরা পর্যায়ক্রমে শ্রমবাজার পর্যালোচনা করি। সেই পর্যালোচনার ভিত্তিতে আমরা অনেক সময় যেসব দেশে জনবল বেশি, সেসব দেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া স্থগিত করি। স্থগিতাদেশ শিথিল করার জন্য আপনাকে পরবর্তী পর্যালোচনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’
বাংলাদেশের ওপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে- বিষয়টি যে এমন নয় তা স্পষ্ট করেন তিনি।
'কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা এমন ছিল না। জনশক্তি ভিসা ছাড়া ফ্যামিলি ভিসা ও ট্যুরিস্ট ভিসাসহ অন্য সব ভিসা দেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশিদের জন্য বর্তমানে ১০টি ক্যাটাগরিতে ওমানের ভিসার দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তার সরকারের কাছে চিঠি পাঠানোর পরামর্শ দেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের পক্ষে আলোচনা করতে সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, 'আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছি, যাতে শিগগিরই ওয়ার্কিং ভিসা চালু করা যায়।’
সার আমদানি ইস্যুতে রাষ্ট্রদূত বলেন, তার সরকার এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সরকারের আলোচনা করার প্রস্তাব করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার প্রস্তাবটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং জানুয়ারিতে পুনঃনির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রদূত।
তিনি আরও বলেন, হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণ করলে ভালো হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আপনাকে নিয়ে গর্ব করতেন।’
রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে একটি ওমানি নৌকার রেপ্লিকা উপহার দেন।
সেখানে লেখা ছিল, 'দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর মশাল বহনকারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ওমানের রাষ্ট্রদূত আব্দুল গাফফার আলবুলুশির পিক্ষ থেকে অভিনন্দন।’
বৈঠকে অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ২০৩৫ সালের মধ্যে হাইড্রোজেন থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায় বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
৭০০ দিন আগে
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
রোগীদের প্রকৃত চাহিদা বিবেচনা করেই সরকারি হাসপাতালের জন্য চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’
চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বানও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
বুধবার (৩ জুলাই) গণভবনে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠায় স্বাস্থ্য খাতের রূপান্তরবিষয়ক একটি উপস্থাপনা দেখার সময় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম সাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের জানান, উপস্থাপনাটি দেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
স্বাধীনতার পর স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর যুগান্তকারী পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, গত দেড় দশকে দেশের অন্যান্য খাতগুলোর মতো স্বাস্থ্য খাতেও ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।
তার সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের অর্জনকে টেকসই করে স্বাস্থ্য খাতে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় আরও ছিলেন- স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. আ ফ ম রুহুল হক, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম নাঈমুল ইসলাম খান।
আরও পড়ুন: ব্লু ইকোনমি বাস্তবায়নে এডিবিকে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক অন্যদের জন্য মডেল: প্রধানমন্ত্রী
৭০১ দিন আগে
ব্লু ইকোনমি বাস্তবায়নে এডিবিকে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সুনীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) বাস্তবায়নে এবং দেশের সমুদ্রসীমা থেকে প্রতিটি সম্পদ আহরণে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সফররত এডিবি ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং মঙ্গলবার (২ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ ভবনে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে ভালো করছে এবং দেশে বিপুল সংখ্যক ভালো গবেষক থাকলেও কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা কামনা করেন শেখ হাসিনা।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে হবে।
আরও পড়ুন: ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক অন্যদের জন্য মডেল: প্রধানমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে বিশেষ করে আমাদের নিজস্ব পণ্যের বড় বাজার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’
তিনি কৃষিপণ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কৃষিকে অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য। এর সঙ্গে শিল্পায়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। কৃষিকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রেখে আমরা শিল্পায়নের পক্ষে।’
শেখ হাসিনা ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার সক্ষমতা শক্তিশালী করতে এডিবি’র কাছে লজিস্টিক সহায়তাও চেয়েছেন।
তিনি ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশে উন্নীত করতে সরকারের বিভিন্ন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি সংক্ষেপে তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সরকারের লক্ষ্য সম্পর্কে বলেন, হত দরিদ্রের অবসান ঘটানো, ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের মর্যাদায় উন্নীত করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার পথে দারিদ্র্য দূর করা।
নদীর সরবরাহ, ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং সহ সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সহায়তা করতে তিনি এডিবির প্রতি আহ্বান জানান।
এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, এডিবি নগর ও পানি নীতিতে তাদের সহায়তা মোট সহায়তার ১৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৬ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এডিবি বৃহত্তর ক্ষেত্রে কৃষি গবেষণায় সহযোগিতার পাশাপাশি স্বাস্থ্য প্রকল্প ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চায়।
তিনি বলেন, এডিবি তাদের নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চায়।
এডিবি ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, এডিবি বিদ্যমান সম্পদের আরও ভালো ব্যবহারে বাংলাদেশের জন্য একটি সিটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করতে চায়।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশের উপজেলাগুলো বিবেচনা করতে বলেন। কারণ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সব সম্প্রদায় সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে : প্রধানমন্ত্রী
৭০১ দিন আগে
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক অন্যদের জন্য মডেল: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে অন্যদের জন্য ‘মডেল’ ও ‘উদাহরণ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, কেননা উভয় দেশ আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান করেছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান করেছে। এই সম্পর্ক অন্যান্য অনেক প্রতিবেশী দেশের জন্য একটি মডেল ও উদাহরণ হতে পারে।’
সফররত ভারতের নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠি মঙ্গলবার (২ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সংসদ ভবন কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
আরও পড়ুন: বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার স্থলসীমানা ও সমুদ্রসীমা সমাধানের কথা উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘এগুলোর (সমাধান) সমন্বয়ে এই উদাহরণ তৈরি করা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় জনগণের সহায়তা ও অবদান সবসময় স্মরণ করি।’
ভারতের নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠি বলেন, তিনি বাংলাদেশে নিজের বাড়ির মতো অনুভব করছেন। কারণ, প্রকৃতিগত দিক থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।
উভয় দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা সম্পর্কে অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠি বলেন, ‘যদি বাংলাদেশ নৌবাহিনী কোনো সহযোগিতা চায়, তবে ভারতীয় নৌবাহিনীর কাছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে না বলার কোনো সুযোগ নেই।’
আরও পড়ুন: স্বচ্ছতার সঙ্গে বাজেট বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ভারতের নৌবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর (বিএমএম) পরিদর্শন করে এটিকে বিশ্বমানের বলে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, ‘এটি শিক্ষামূলক… তিনি কিছু ধারণা সঙ্গে করে দেশে নিয়ে যাচ্ছেন যা তিনি তাদের সংস্থাকে প্রদান করবেন যাতে তারা সেগুলো অনুকরণ করতে পারে।’
বাংলাদেশের অনেক নৌ কর্মকর্তা ভারতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে উল্লেখ করে অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠি বলেন, তিনি তার বাংলাদেশি সমকক্ষকে বলেছেন যে বাংলাদেশ চাইলে আরও অফিসার পাঠাতে পারে।
প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও ভারতীয় নৌপ্রধান অভিমত ব্যক্ত করেছেন- বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরকে ‘শান্তিপূর্ণ’ রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়েরই একই মানসিকতা রয়েছে এবং উভয় দেশই একসঙ্গে কাজ করবে, যেহেতু তারা এই অঞ্চলে কোনো ব্যাঘাত আশা করেন না।
বৈঠকে তিনি ধানমন্ডি-৩২ এ বঙ্গবন্ধু জাদুঘর পরিদর্শনের কথাও উল্লেখ করেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মত্যাগ ও অবদানের প্রতিফলন দেখে অভিভূত হন।
ভারতের নৌবাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসাও করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সব সম্প্রদায় সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে : প্রধানমন্ত্রী
৭০২ দিন আগে