প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
রমজানে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, 'পবিত্র রমজান আসছে এবং এ মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাতে না বাড়ে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।’
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) গোপালগঞ্জে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মন্ত্রীদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
গত ৭ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী হওয়ার পর প্রথমবারের মতো রাজধানীর বাইরে সফরে সেখানে যান শেখ হাসিনা।
এই বিশাল ব্যবধানে এ জয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদ এবং সামগ্রিকভাবে পঞ্চম মেয়াদে ক্ষমতায় আসীন হয়েছেন তিনি।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
আরও পড়ুন: কে পেলেন কোন মন্ত্রণালয়
তিনি বলেন, এটি মন্ত্রিসভার অনানুষ্ঠানিক বৈঠক।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে রমজান মাসে পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি রোধ করতে বড় মজুদদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এ বিষয়ে মন্ত্রীদের নিয়মিত মজুদবিরোধী অভিযান পরিচালনারও নির্দেশ দেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখুন, যাতে সাধারণ মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রথমে তার মন্ত্রণালয় সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত জানার নির্দেশনা দেন।
সালাউদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রীদের কোনো প্রকল্প গ্রহণের সময় দেশ ও জনগণের কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেছেন।
আরও পড়ুন: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শ্রদ্ধা
৭৮৩ দিন আগে
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা টানা চতুর্থবার ও মোট পঞ্চমবার সরকার গঠন উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় তিন বাহিনী থেকে আগত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে।
নতুন মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সমাধিসৌধের বেদিতে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে তিনি কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে আরও একটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও ফাতেহা পাঠ করেন।
৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২২২টি আসনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর প্রতি নতুন মন্ত্রিসভার শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি নতুন মন্ত্রিসভার শ্রদ্ধা
৭৮৩ দিন আগে
কে পেলেন কোন মন্ত্রণালয়
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন ৩৬ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী এবং ১১ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রীরা হলেন-
আ ক ম মোজাম্মেল হক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়; ওবায়দুল কাদের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন শিল্প মন্ত্রণালয়; আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; ড. হাছান মাহমুদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; ডা. দীপু মনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; তাজুল ইসলাম স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; মো. ফারুক খান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; আবুল হাসান মাহমুদ আলী অর্থ মন্ত্রণালয়; অ্যাডভোকেট আনিসুল হক আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়; আব্দুস শহীদ কৃষি মন্ত্রণালয়; সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্য মন্ত্রণালয়; র আ ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; আব্দুর রহমান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
এ ছাড়াও আব্দুস সালাম পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল শিক্ষা মন্ত্রণালয়; ফরহাদ হোসেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; ফরিদুল হক খান ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়; জিল্লুল হাকিম রেলপথ মন্ত্রণালয়; সাবের হোসেন চৌধুরী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; জাহাঙ্গীর কবির নানক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; নাজমুল হাসান পাপন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়; ইয়াফেস ওসমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ড. সামন্ত লাল সেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
তাদের মধ্যে ইয়াফেস ওসমান ও ড. সামন্ত লাল সেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জন্য মোহাম্মদ এ আরাফাত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জুনাইদ আহমেদ পলক, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য নসরুল হামিদ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য সিমিন হোসেন রিমি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য রুমানা আলী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য আহসানুল ইসলাম টিটু, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জন্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য জাহিদ ফারুক, ত্রিপুরা পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য কুজেন্দ্র লাল এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জন্য মহিবুর রহমান।
৭৮৫ দিন আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন হাছান মাহমুদ
বিশ্বব্যাপী পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে সরকারের পররাষ্ট্রনীতি তদারকির জন্য একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে মোহাম্মদ হাছান মাহমুদকে বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গত মেয়াদে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা ড. হাছান মাহমুদকে বর্তমানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে এ দপ্তর বিতরণ করা হয়। এ কে আব্দুল মোমেনের স্থলাভিষিক্ত হন ড. হাছান মাহমুদ।
২০০৮ সালে চট্টগ্রাম-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও এবার তিনি চট্টগ্রাম-৭ আসন থেকে নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় তিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন, কিন্তু ৬ মাস পর তাকে পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১১ সালের নভেম্বরে তিনি পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে পদোন্নতি পান।
ড. হাছান বলেন, কর্ণফুলী ভাঙনের কবল থেকে সব ইউনিয়নকে বাঁচাতে মরিয়মনগর বেড়িবাঁধ পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। রাঙ্গুনিয়াকে সন্ত্রাসীমুক্ত করার পাশাপাশি সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি।
ড. হাছান ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবং ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ আসন থেকে নির্বাচিত হন। একাদশ জাতীয় সংসদে শেখ হাসিনার চতুর্থ মন্ত্রিসভায় তিনি তথ্যমন্ত্রী হন।
আরও পড়ুন: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
হাছান মাহমুদ ১৯৮৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) থেকে রসায়নে বিএসসি অনার্স ও ১৯৮৯ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।
মন্ত্রী ১৯৯৬ সালে জেনেভা থেকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বছর তিনি বেলজিয়ামের ব্রাসেলসের ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশ বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ২০-২০০১ সালে লিমবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশ রসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি ১৯৮৬ সালে চবি শাখা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি এবং ১৯৮৯-৯০ সালে সভাপতি ছিলেন।
ড. হাছান ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সালে দেশে ফেরার আগ পর্যন্ত বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ২০০১ সালের নভেম্বর থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) ছিলেন।
একই সঙ্গে তিনি দলের বন ও পরিবেশবিষয়ক কেন্দ্রীয় সম্পাদকও ছিলেন।
১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস: স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী
৭৮৫ দিন আগে
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস: স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটা কার্ড অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ১০ টাকা মূল্যের ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খাম এবং ৫ টাকা মূল্যের ডাটা কার্ড প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন বলেন, এ উপলক্ষে একটি বিশেষ সিলমোহরও ব্যবহার করা হয়।
আরও পড়ুন: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটা কার্ড আজ ঢাকা জিপিও'র ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হবে। পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য জিপিও এবং প্রধান ডাকঘরেও এগুলো পাওয়া যাবে।
উদ্বোধনী খামের জন্য ৪টি জিপিওতে বিশেষ সিলমোহরের ব্যবস্থাও রয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কমনওয়েলথ মহাসচিব
৭৮৬ দিন আগে
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) তিনি ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা। উভয়ই ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন।
জ্যৈষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের পক্ষ থেকে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে সাড়ে ৯ মাসেরও বেশি সময় বন্দী থাকার পর স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
এরপর থেকে দিনটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে জয়ের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
৭৮৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের অভিনন্দন
জাপান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, ব্রুনাই দারুসসালাম, মালয়েশিয়া, মিশর, আলজেরিয়া, কুয়েত, লিবিয়া, ইরান, ইরাক, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হওয়ায় তারা নিজ নিজ দেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান।
রাষ্ট্রদূতরা নিজ নিজ দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের অভিনন্দন বার্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছে দেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূতরা বাংলাদেশের সঙ্গে নিজ নিজ দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে জয়ে শেখ হাসিনাকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন
এ সময় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে অব্যাহত সহযোগিতার জন্য বন্ধুপ্রতীম সব দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সহযোগিতা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।
এদিকে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য দেশগুলোও শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও সন্ত্রাসমুক্ত নির্বাচন আয়োজনের জন্য দেশগুলো তাদের রাষ্ট্রদূতদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে ওআইসির সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ আরো ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রী ওআইসি সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেন, ওআইসি সদস্য দেশগুলো আগামী দিনগুলোতেও বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় শেখ হাসিনাকে ইআরডিএফবির অভিনন্দন
৭৮৭ দিন আগে
নির্বাচনে জয়ের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
রবিবারের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা পৃথকভাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ ও শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে: প্রধানমন্ত্রী
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন শেখ হাসিনা।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তার ছোট বোন শেখ রেহানা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদকে সঙ্গে নিয়ে বনানী কবরস্থানে যান এবং ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। তারা সেখানে ফুলের পাপড়ি বিছিয়ে দেন।
শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ফাতেহা পাঠ করেন এবং ১৫ আগস্টের শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
এ সময় সায়মা ওয়াজেদ ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীনের অভিনন্দন
নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের অভিনন্দন
৭৮৭ দিন আগে
কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত ইউনূসের: নির্বাচন পরবর্তী সভায় প্রধানমন্ত্রী
শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমা করা তার কাজ নয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নির্বাচনে বিজয় উদযাপনের সময় ড. ইউনূসকে ক্ষমা করার বিষয়টি বিবেচনা করবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রম আদালত যে রায় দিয়েছেন তাতে এখানে তার কিছু করার নেই।
সোমবার (৮ জানুয়ারি) গণভবনে সফররত বিদেশি পর্যবেক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এক ভারতীয় সাংবাদিকের প্রশ্নে জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীনের অভিনন্দন
শেখ হাসিনা বলেন, ইউনূস শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছেন এবং নিজের কর্মচারীদের বঞ্চিত করেছেন। সেসব কর্মচারীরাই শ্রম আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। ‘এ বিষয়ে আমার কিছু করার নেই। তিনি যাদের বঞ্চিত করেছেন, তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।’
কোনো বিরোধী দল ছাড়াই বাংলাদেশকে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে তিনি বিশ্বাস করতে পারেন কি না- বিবিসির এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, প্রতিটি দলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে।
ওই সাংবাদিক আরও উল্লেখ করেন, রবিবারের নির্বাচনে ৬০ শতাংশ ভোটার ভোট দেয়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি কোনো নির্দিষ্ট দল নির্বাচনে অংশ না নেয়, তার মানে এই নয় যে গণতন্ত্র নেই। তিনি বলেন, 'জনগণ অংশ নিয়েছে কি না- তা বিবেচনা করতে হবে।’
তিনি বলেন, 'দলটি নির্বাচনে অংশ নেয়নি এবং তারা জনগণকে ভোট দিতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু জনগণ তাদের কথা শোনেনি।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে: প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, এখানে জনগণের অংশগ্রহণই মূল বিষয়। এটা ছাড়া গণতন্ত্রের অন্য কোনো সংজ্ঞা আছে কি না তা জানেন না।
সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের জন্য বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করেন, তিনি কীভাবে একটি গণতান্ত্রিক দলকে সংজ্ঞায়িত করেন। তিনি বলেন, 'তারা একটি সন্ত্রাসী দল।’
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইন্দিরা গান্ধী, গোল্ডা মেইর, মার্গারেট থ্যাচার ও শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের মতো মহান নারী নেতাদের সঙ্গে তার তুলনা হোক তা তিনি চান না।
তিনি বলেন, 'তারা মহান নারী ছিলেন। আমি একজন সহজ-সরল মানুষ।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করার সময় তিনি নিজেকে নারী বা পুরুষ মনে করেন না।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে আসা এক মার্কিন নাগরিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'প্রতিটি দেশের সঙ্গে, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও আমাদের সম্পর্ক চমৎকার। সুতরাং, আমাদের দিক থেকে কোনো সমস্যা নেই। আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক। এটা এখন আপনার এবং আপনার সরকারের ওপর নির্ভর করছে।’
পররাষ্ট্র নীতি সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র হচ্ছে 'সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো প্রতি বিদ্বেষ নয়’, তাই বাংলাদেশের সব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রয়েছে।
ভারতকে বাংলাদেশের মহান বন্ধু হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে বাংলাদেশের চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার পরবর্তী সরকারের লক্ষ্য হবে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ (২০২৬ সাল থেকে) হিসেবে উন্নীত করা, বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা, দারিদ্র্য বিমোচন, চরম দারিদ্র্য বিমোচন, দেশকে গৃহহীনমুক্ত করা। সর্বোপরি দেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখা এবং দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের অভিনন্দন
এক বিদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং জনগণের উন্নত জীবন নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।’
৭৮৮ দিন আগে
বাংলাদেশ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রবিবারের সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সফলতার সঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা এসে দেখেছেন এবং আমাদের দেশের মানুষ কীভাবে ভোট দেয় তার সাক্ষী হয়েছেন। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে পারে এমন দৃষ্টান্ত আমরা স্থাপন করেছি।’
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভুটানের অভিনন্দন
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার (৮ জানুয়ারি) গণভবনে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণ এই নির্বাচনে তার দলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। এ ছাড়া অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং অন্যান্য দলের কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচিত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের অভিনন্দন
তিনি বলেন, দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে তার দলকে নির্বাচিত করেছে। ‘আপনারা দেখেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি।’
রবিবারের নির্বাচনে তার দলের নিরঙ্কুশ বিজয় তিনি জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘এটা জয় আমার নয়। আমি মনে করি এটি জনগণের বিজয়।’
আরও পড়ুন: নির্বাচনের ঠিক আগে ট্রেনে আগুন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্তের চূড়ান্ত অভিপ্রায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।
বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, একটি দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি কারণ তারা সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ভয় পায়।
তিনি বলেন, ‘সামরিক স্বৈরশাসকদের হাতে জন্ম নেওয়া দলগুলো নিজেদের চালাতে পারে না। তাদের জনসমর্থন নেই। সুতরাং তারা সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পায়।’
আরও পড়ুন: নির্বাচন ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীনের অভিনন্দন
বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সায়মা ওয়াজেদ ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
৭৮৮ দিন আগে