প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
ট্রাম্পের ওপর বন্দুক হামলার নিন্দা প্রধানমন্ত্রীর
শনিবার নির্বাচনি জনসভায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা সত্যিই দুঃখজনক। তিনি রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী। আমরা অবশ্যই তার ওপর এ ধরনের হামলার নিন্দা জানাই।’
আরও পড়ুন: চীন সফর বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত: শেখ হাসিনা
সম্প্রতি চীন সফরের ফলাফল তুলে ধরতে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আমেরিকা সব সময় তাদের গণতন্ত্র নিয়ে গর্ববোধ করে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো জায়গায় কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল। প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন।
শেখ হাসিনা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, 'গণতন্ত্রের অগ্রপথিক যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি সভ্য দেশে কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটল তা আমাদের প্রশ্ন।’
রিপাবলিকান পার্টি এই হামলার জন্য সরকারকে দোষারোপ করেনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, 'বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সরকারকে দায়ী করা হতো।’
শনিবার পেনসিলভানিয়ায় এক নির্বাচনি সমাবেশে এ হামলা করা হয়। বুলেটের আঘাতে অল্পের জন্য বেঁচে যান ট্রাম্প। তবে তার কান সামান্য কেটে যায়, মুখমণ্ডল থেকে রক্ত ঝরতে থাকে। এরপরই তাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে আনা হয়। এ সময় হামলাকারী ও সমাবেশে অংশগ্রহণকারী এক ব্যক্তি নিহত হন।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
আদালতে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কিছু করার নেই: কোটা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী
৬০০ দিন আগে
চীন সফর বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত: শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত সাম্প্রতিক চীন সফর।
রবিবার (১৪ জুলাই) গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, 'আমার এই সফর বাংলাদেশের কূটনৈতিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে চিহ্নিত হবে।’
শেখ হাসিনা জোর দিয়ে বলেন, গবেষণা, শিক্ষা, আইসিটি, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে যোগাযোগ এবং সহযোগিতা বাড়ছে; যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে শক্তিশালী করবে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা ও একটি আধুনিক, স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
আগামী বছর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি 'সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়'-এর প্রতি বাংলাদেশের আনুগত্যের কথা তুলে ধরেন, যা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে পথ দেখিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি, জলবায়ু পরিবর্তন, ফিলিস্তিন সংকট, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন ও জাতিসংঘের মতো বৈশ্বিক বাস্তবতা বিবেচনা করে পারস্পরিক সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীন উন্নয়নের অগ্রযাত্রা চালিয়ে যাবে।’
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন, যা অর্থনৈতিক সহযোগিতার বাইরেও এশিয়ার দেশগুলোর মতো ঐতিহ্যগত সম্পর্কের সঙ্গে প্রসারিত।
মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ইস্যু তুলে ধরে এ সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন শেখ হাসিনা।
তিনি উল্লেখ করেন, চীনের প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।’
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ ও চীন একে অপরের সমর্থন চালিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারিত্বের পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত ১০ জুলাই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ, রেয়াতি ঋণ এবং বাণিজ্যিক ঋণে সহায়তার চারটি ক্ষেত্রের কথা উল্লেখ করেন শি জিনপিং।
এই চারটি প্যাকেজের আওতায় বাংলাদেশকে ২ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দিতে সম্মত হয়েছে চীন।
৬০০ দিন আগে
জাতীয় অগ্রগতিতে খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
ভবিষ্যতে দেশের ব্যাপক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টিতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে 'শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৪'-এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠাতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা চাই আগামী দিনগুলোতে খেলাধুলাসহ দেশ প্রতিটি স্তরে এগিয়ে যাক।’
প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে এবং আত্মোন্নয়নে খেলাধুলার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, খেলাধুলা প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি করতে সহায়তা করে এবং নিজেকে উন্নত করার চেতনা জাগায়।
তিনি আরও বলেন, ‘খেলাধুলা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রত্যেকে তাদের সৃজনশীলতার বিকাশ ও প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। এজন্য আমরা খেলাধুলাকে প্রাধান্য দিচ্ছি।’
শেখ হাসিনা উপজেলা পর্যায়ে বছরব্যাপী প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে সরকারের উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, 'আমরা মানুষকে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার প্রতি আরও মনোযোগী করে তুলতে চেষ্টা করছি।’
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
ফাইনাল খেলায় ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ২-০ গোলে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসিকে পরাজিত করে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ দেখেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
আরও পড়ুন: চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রবিবার
৬০১ দিন আগে
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রবিবার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সাম্প্রতিক চীন সফরের ফলাফল নিয়ে আলোচনা করতে রবিবার সংবাদ সম্মেলন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে ৮ থেকে ১০ জুলাই বেইজিং সফর করেন এবং বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে ফিরেছেন।
সফরকালে তিনি গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। উচ্চ পর্যায়ের এসব বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে আলোকপাত করা হয়।
বাংলাদেশ ও চীন তাদের অংশীদারিত্ব জোরদারের লক্ষ্যে ২১টি সহযোগিতা নথি সই ও নবায়ন করেছে।
এছাড়া বাংলাদেশ-চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বিষয়ে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষসহ ৭টি ফলাফল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ও চীন।
আরও পড়ুন: চীন সফর শেষে দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ প্রধানমন্ত্রীর
৬০১ দিন আগে
চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
চীনে ৩ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট বুধবার দিবাগত রাত ১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
চীনে ৮ থেকে ১০ জুলাই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পৃথক বৈঠক করেন।
বুধবার সকালে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও চীন ২১টি সহযোগিতা নথিতে সই করেছে, যার বেশিরভাগই সমঝোতা স্মারক। এসব নথিতে এশিয়ার এই ২ দেশের মধ্যে শক্তিশালী উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, বাংলাদেশ-চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পর্কিত যৌথ সম্ভাব্যতা যাচাই শেষসহ ৭টি ফলাফল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ও চীন।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি'র আমন্ত্রণে সরকারি সফরে সোমবার সকালে বেইজিং যান শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন: বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২১টি সহযোগিতা নথি সই
৬০৩ দিন আগে
চীন সফর শেষে দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ প্রধানমন্ত্রীর
চীনে তিন দিনের সরকারি সফর শেষে দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫ মিনিটে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট।
ফ্লাইটটি বাংলাদেশ সময় বুধবার(১০ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বুধবার গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি।
আরও পড়ুন: শি-হাসিনার বৈঠক: বাংলাদেশকে অনুদান ও ঋণ সহায়তা দেবে চীন
এদিন সকালে প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এশিয়ার দুই দেশ বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে শক্তিশালী উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রায় ২১টি সহযোগিতা নথি সই ও নবায়ন করা হয়। এর বেশিরভাগই সমঝোতা স্মারক।
এছাড়া দেশ দুটির মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) ওপর যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পাদনসহ সাতটি ফলাফল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ও চীন।
প্রধানমন্ত্রী একই স্থানে চীনের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া স্বাগত ভোজে অংশ নেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী সকালে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং তাকে স্বাগত জানান এবং উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
মঙ্গলবার চীনের বেইজিংয়ের শাংগ্রি-লা সার্কেলে চায়না ওয়ার্ল্ড সামিট উইংয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুযোগবিষয়ক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা একই দিনে চাইনিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) ১৪তম জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াং হুনিং এবং এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) প্রেসিডেন্ট জিন লিকুনের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।
প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনা বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সোমবার বিকালে সরকারি সফরে বেইজিং পৌঁছান শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ ২০১৯ সালের জুলাই মাসে বেইজিং সফর করেছিলেন। এর আগেও তিনি একাধিকবার চীন সফর করেছেন।
২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশ সফর করেন। তার ওই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে পৌঁছায়।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা চীনা প্রধানমন্ত্রীর: হাছান মাহমুদ
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর সংক্ষিপ্ত হয়নি, কর্মসূচি অপরিবর্তিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৬০৪ দিন আগে
ঢাকা-বেইজিং দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বেলা ১১টা ১০ মিনিটে (স্থানীয় সময়) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে শুরু হয়েছে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং চীনা প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের উপস্থিতিতে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে প্রায় ২০টি সমঝোতা স্মারক সই ও নবায়ন করা হবে।
এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একই ভেন্যুতে চীনা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আয়োজিত স্বাগত ভোজসভায় যোগ দেবেন।
এর আগে শেখ হাসিনা গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং তাকে স্বাগত ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
বিকালে প্রধানমন্ত্রী একই স্থানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে সোমবার রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিং পৌঁছান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা আজ রাত ১০টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ করবেন এবং মধ্যরাতের পর তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন: গ্রেট হল অব পিপলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা
৬০৪ দিন আগে
গ্রেট হল অব পিপলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা
বুধবার সকালে বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের জন্য গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী গ্রেট হল অব দ্য পিপল প্রাঙ্গণে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং তাকে স্বাগত জানান।
পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে সুসজ্জিত মঞ্চে যান এবং চীনা সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অতিথিকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।
এ সময় ২ দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। শেখ হাসিনা সালাম গ্রহণ করেন এবং গার্ড পরিদর্শন করেন।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে চীনকে সহায়তা করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রীর
সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে গান স্যালুটের আয়োজন করা হয়।
উভয় প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন।
এদিকে স্বাগত অনুষ্ঠানের পর গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং চীনা প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
গ্রেট হল অব পিপল রাষ্ট্রীয় ভবন যা চীন সরকার ও চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি কর্তৃক আইনসভা ও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়।
আরও পড়ুন: বুধবার রাতে ঢাকার উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী
৬০৪ দিন আগে
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে চীনকে সহায়তা করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা কামনা করেছেন।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) চীনে সফরকালে দেশটির নেতার সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান ওয়াং হানিংয়ের নেতৃত্বাধীন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা ন্যাশনাল কমিটি অব দ্য পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীকে উদ্বৃত করে বলেন 'রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে আমাদের সহায়তা করুন।’
গত জানুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠনের পর চীনে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ব্যবধান কমানো, আগামী বছর দু'দেশের মধ্যে অর্থবহ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের পদক্ষেপ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে যোগাযোগের বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনা প্রতিনিধিদলকে বলেছেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গারা সাড়ে ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে এবং তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য এখনও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: বুধবার রাতে ঢাকার উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী
হাছান মাহমুদ বলেন, 'এই বিষয়টি বৈঠকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
সিপিপিসিসি চেয়ারম্যান বলেন, তারা বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং এ বিষয়ে সহায়তাকারীর ভূমিকা পালন করবেন।
তিনি বলেন, 'আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাব।’
মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা চীন রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম নাঈমুল ইসলাম খান এবং বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ঋণের সুদের হার কমাতে এআইআইবির প্রতি শেখ হাসিনার আহ্বান
৬০৫ দিন আগে
ঋণের সুদের হার কমাতে এআইআইবির প্রতি শেখ হাসিনার আহ্বান
এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) প্রতি বাংলাদেশের ঋণের সুদের হার আরও কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বেইজিংভিত্তিক এআইআইবির প্রেসিডেন্ট জিন লিকুন এবং প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার অবস্থানকালীন আবাসস্থলে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশের অবকাঠামো নির্মাণ, নদী খনন ও জলবায়ু খাতে অর্থায়ন বিশেষ করে দেশের উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু সহিষ্ণু আবাসন নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন: চলতি মাসেই স্পেন-ব্রাজিল সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের দ্বিতীয় দিনে বৈঠকের ফলাফল সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে এআইআইবি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি বলেন, বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও ঋণদাতা এআইআইবি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তারা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ঋণের সুদ আরও কমানোর জন্য এআইআইবিকে অনুরোধ করেছেন।’
জবাবে এআইআইবির কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশ এআইআইবির সবচেয়ে বড় ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে অন্যতম। সুদের হারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে বিশেষ ছাড় দিয়েছে ব্যাংকটি।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম নাঈমুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বুধবার রাতে ঢাকার উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী
৬০৫ দিন আগে