ক্রিকেট
বৃষ্টিতে ডুবল পাকিস্তানের স্বপ্ন, শেষ আটে যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নিয়েই সুপার এইটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। এই স্বপপূরণে নিজেদের শেষ ম্যাচে আইরিশদের বধ করতে হতো তাদের। তবে বৃষ্টি এসে বিনা কষ্টেই যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নপূরণ করে দিয়েছে।
এতে কপাল পুড়েছে পাকিস্তানের। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে তাদের সুপার এইটে ওঠার সম্ভাবনা জটিল সমীকরণের মধ্যে পড়ে যায়।
শুক্রবার আয়ারল্যান্ড জিতলেই কেবল শেষ আটের স্বপ্ন বেঁচে থাকত পাকিস্তানের। এরপর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ভাগ্য নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তা পরিবর্তনের চেষ্টা করতে হতো বাবর আজমের দলের। তবে বৃষ্টিতে ম্যাচটি ভেসে যাওয়ায় তাদের সেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। চার ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সুপার এইটে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃষ্টির কারণে এ ম্যাচে টস হতে দেরি হয়। প্রাথমিকভাবে রাত আটটার পরিবর্তে সাড়ে ৮টায় টস হওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও ভেজা মাঠের কারণে কয়েক ঘণ্টায় বেশ কয়েকবার মাঠের অবস্থা পরীক্ষা করেন দুই আম্পায়ার। তবে শেষ পর্যন্ত খেলার সম্মতি দিতে ব্যর্থ হন তারা।
এর ফলে পাকিস্তানের পাশাপাশি কানাডা ও আয়ারল্যান্ডেরও সব সমীকরণ শেষ হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: সুপার এইটের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্র
৭৩৪ দিন আগে
পালাবদলের ম্যাচটি জিতে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ
টি-টোয়েন্টিতে ১৬০ রানের লক্ষ্য খুব বেশি বড় না হলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৫ রানের জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে শেষ আটে ওঠার দৌড়ে ডাচদের পেছনে ফেলে এক ধাপ এগিয়ে গেল টাইগাররা।
বৃহস্পতিবার কিংসটাউনের আরনোস ভেল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে পাঁচ উইকেটে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে আট উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানে থামে নেদারল্যান্ডসের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ হোসেন সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। এর মধ্যে পঞ্চদশ ওভারে তার জোড়া উইকেটই ম্যাচের মোড় বাংলাদেশের দিকে ঘুরিয়ে দেয়। এছাড়া তাসকিন দুটি এবং মুস্তাফিজ, তানজিম সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ পেয়েছেন একটি করে উইকেট।
ডাচদের হয়ে সাইব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখট ৩৩, বিক্রমজিত সিং ২৬ ও স্কট এডওয়ার্ডস ২৫ রান করেন।
অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংসটির জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন সাকিব আল হাসান।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে টিকিয়ে রেখে সুপার এইটে ভারত
এদিন দ্বিতীয় ইনিংসে বেশ কয়েকবার ম্যাচের মোড় ঘুরে যেতে দেখা যায়। শুরুতে ডাচদের পক্ষে তো কয়েক ওভার পর টাইগারদের দিকে। আবার মাঝে ডাচরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন তো স্লগ ওভারে বাংলাদেশি বোলাররা ঝলক দেখিয়েছেন।
১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করে নেদারল্যান্ডস। তবে পঞ্চম ওভারে দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন তাসকিন। ওভারের দ্বিতীয় বলটি বাউন্সার দেন তিনি। মাইকেল লেভিট বলটি সুইপ করতে গেলে উপরে উঠে যায়, আর পয়েন্ট অঞ্চল থেকে তা তালুবন্দি করেন তৌহিদ। এক ছক্কা ও দুটি চারে ১৬ বলে ১৮ রান করা লেভিট ফিরলে দলীয় ২২ রানে প্রথম উইকেট হারায় ডাচরা।
পরের ওভারের দ্বিতীয় বলে অপর ওপেনার ম্যাক্স ওডাউডকে কট অ্যান্ড বোল্ড করে দেন তানজিম সাকিব। এরপর ডাচদের রানের পালে হাওয়া দেন বিক্রমজিত সিং ও এঙ্গেলব্রেখট। কিন্তু দশম ওভারে বিক্রমজিত আউট হয়ে যান। ৩ ছক্কার সাহায্যে ১৬ বলে ২৬ করে তিনি যখন বিদায় নিচ্ছেন, তখন স্কোর ৯.৩ ওভারে ৬৯/৩।
এরপর অধিনায়ক এডওয়ার্ডস এসেও রানের চাকা সচল রাখেন।
বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ এবং বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচ নিউ ইয়র্কের স্লো উইকেটে খেলা বাংলাদেশি বোলারদের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে বেশ কষ্ট হচ্ছিল; মাঠের খেলা থেকেই তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে, সিঙ্গেলস, ডাবলস, বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারিতে রানরেট বাড়িয়েই চলেছিলেন এঙ্গেলব্রেখট ও এডওয়ার্ডস। কয়েক ওভারের মধ্যেই ম্যাচটি একপেশে করে ফেলার ইঙ্গিত দেন এই দুই ব্যাটার।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের হারে ‘আইসিসির আইনকে’ কাঠগড়ায় তুললেন বিশ্লেষকরা
তবে পঞ্চদশ ওভারে জোড়া উইকেট নিয়ে দলকে পথ দেখান রিশাদ। ওই ওভারের চতুর্থ বলে এঙ্গেলব্রেখটকে ক্যাচ নেন তানজিম সাকিব এবং শেষ বলে নতুন ব্যাটার বাস ডি লিডকে স্ট্যাম্পিং করে দেন লিটন দাস। লিটনের স্ট্যাম্পিংটি ছিল দর্শনীয়।
এর ফলে ১১১ রানে চতুর্থ ও পঞ্চম উইকেট হারিয়ে বেকায়দায় পড়ে যায় নেদারল্যান্ডস। কারণ পাঁচজন বোলার নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন স্কট এডওয়ার্ডস। অলরাউন্ডার না থাকায় বাংলাদেশি বোলারদের সামনে আর দাঁড়াতেই পারেননি পরবর্তী ব্যাটাররা।
ছয় রানের ব্যবধানে ১৭তম ওভারের প্রথম বলে স্কট এডওয়ার্ডসের উইকেটটিও তুলে নেন মুস্তাফিজুর। মূলত চাপে পড়েই মেরে খেলতে গিয়ে ক্যাচ হয়ে যান নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক। পরের ওভারের প্রথম বলে ভ্যান বিককে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন রিশাদ। ফলে ১১৭ রানে ষষ্ঠ ও সপ্তম উইকেট হারায় নেদারল্যান্ডস।
এরপর আরিয়ান দত্ত উইকেটে এসে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু শেষরক্ষা আর হয়নি। শেষ ওভারে নেদারল্যান্ডসের দরকার ছিল ৩৩ রান। আরিয়ানের এক চারে ওই ওভারে ৭ রান সংগ্রহ করে ডাচরা। শেষ বলে টিম প্রিঙ্গলকে বোল্ড করে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মাঠ ছাড়েন তাসকিন-শান্তরা।
এ জয়ের ফলে তিন ম্যাচের দুটি জিতে চার পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় অবস্থান পোক্ত করল বাংলাদেশ। তিনটি করে ম্যাচ খেলে নেদারল্যান্ডসের পয়েন্ট ২ এবং শ্রীলঙ্কার ১। অন্যদিকে, দুই ম্যাচ হেরে নেপাল এখনও কোনো পয়েন্ট অর্জন করতে পারেনি।
বাংলাদেশের জয়ে ‘ডি’ গ্রুপের প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছে শ্রীলঙ্কা।
আগামী সোমবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে পাঁচটায় নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তার এক ঘণ্টা পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলতে নামবে নেদারল্যান্ডস। সোমবারের ম্যাচে জয় পেলেই টাইগারদের সুপার এইটে খেলা নিশ্চিত হয়ে যাবে।
৭৩৬ দিন আগে
ডাচদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল টাইগাররা
শেষ আটের দৌড়ে এগিয়ে যেতে নেদারল্যান্ডসকে ১৬০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার কিংসটাউনের আরনোস ভেল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানান ডাচ অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। শুরুতে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্র পর্বে প্রথম দুই ম্যাচে নিষ্প্রভ থাকলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে জ্বলে উঠেছে সাকিবের ব্যাট। তার অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংসটি টাইগারদের সর্বোচ্চ। ৯টি চারের সাহায্যে ৪৬ বলে এই রান করেন তিনি।
এছাড়া ওপেনার তানজিদ তামিম ৩৫ ও মাহমুদউল্লাহ ২৫ রান করেছেন।
ডাচদের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন আরিয়ান দত্ত ও ভ্যান মিকারেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের হারে ‘আইসিসির আইনকে’ কাঠগড়ায় তুললেন বিশ্লেষকরা
এদিন ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দ্বিতীয় ওভারেই আরিয়ান দত্তের বলে ১ রান করে আউট হন অধিনায়ক শান্ত। আরিয়ানের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে স্লিপে ধরা পড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
এরপর ভিভিয়ান কিংমাকে পিটিয়ে তৃতীয় ওভারে ১৮ রান তোলেন তানজিদ। কিন্তু পরের ওভারে আরিয়ানের প্রথম বলেই দারুণ এক ক্যাচে লিটন দাসকে সাজঘরে ফেরান এঙ্গেলব্রেখট। লিটনও ১ রান করে ফিরে গেলে ব্যাটিংয়ে আসেন সাকিব। তানজিদকে নিয়ে তিনি সাবলীল খেলতে থাকেন। তবে ৮.৩ ওভারে তানজিদ ২৬ বলে ৩৫ রান করে আউট হয়ে গেলে ভাঙে ৪৮ রানের জুটি।
এরপর তৌহিদ হৃদয় এসেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। পরে মাহমুদউল্লাহ ক্রিজে এসে সমানে ব্যাট চালাতে থাকেন। কিন্তু ২১ বলে ২৬ রান করে আজও সীমান্তে ধরা পড়েন তিনি। শেষের দিকে জাকের আলী আর সাকিব মিলে সংগ্রহ বাড়িয়ে নেন।
আরও পড়ুন: উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে হেরে গেল বাংলাদেশ
৭৩৬ দিন আগে
বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জয়ের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও জেগেছিল জয়ের আশা। তবে অল্পের জন্য ম্যাচটি হাত ফসকে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে, বৃষ্টিতে শ্রীলঙ্কার শেষ আটে ওঠার আশা প্রায় ভেসে যাওয়ায় বাংলাদেশের সুপার এইটে ওঠার সম্ভাবনা বেড়েছে।
এবার টাইগারদের সামনে নেদারল্যান্ডস। এই ম্যাচটি জিতলে সুপার এইটের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসের সামনেও একই সমীকরণ।
এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস। কিংসটাউনের আরনোস ভেল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ডাচ অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস।
আরও পড়ুন: প্রোটিয়া বোলিংয়ের সামনে ডাচদের অসহায় আত্মসমর্পণ
ম্যাচের আগে খানিক বৃষ্টি হওয়ায় টস হতে আধঘণ্টা দেরি হয়ে যায়। তবে ভালো খবর এই যে, বৃষ্টি চলে গিয়ে তাড়াতাড়ি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
নতুন মাঠ, আগে খেলার অভিজ্ঞতা নেই বলে সতর্কতামূলকভাবে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্কট এডওয়ার্ডস। দলে একটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে তার দল। তেজা নিদামানুরুর পরিবর্তে আরিয়ান দত্তকে একাদশে রেখেছে নেদারল্যান্ডস।
অপরদিকে, আগে ব্যাটিং করতে সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে সাবধানী ব্যাটিংয়ের কথা শুনিয়েছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলানো একাদশ অপরিবর্তিত রেখেই মাঠে নামছেন শান্ত।
আরও পড়ুন: প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিশ্বকাপে সেরাটা দেওয়ার লক্ষ্য বাংলাদেশের
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে এর আগে মোট সাত ম্যাচে ডাচদের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে চারটিতে জয় পায় বাংলাদেশ এবং ডাচরা জেতে তিনটি ম্যাচ।
সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের কাছে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে হারে বাংলাদেশ। তার আগে ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচটি টাইগাররা জেতে ৯ রানে। তারও আগের ম্যাচটি ছিল ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। সেবারও জয় পায় বাংলাদেশ। ওই ম্যাচটি ৮ রানে জিতে নেয় টাইগাররা।
টাইগার একাদশ: তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, তৌহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ, জাকের আলী, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব, মুস্তাফিজুর রহমান।
ডাচ একাদশ: মাইকেল লেভিট, ম্যাক্স ওডাউড, বিক্রমজিৎ সিং, সাইব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখ্ট, স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক), বাস ডি লিড, লোগান ভ্যান বিক, টিম প্রিঙ্গল, আরিয়ান দত্ত, পল ভ্যান মিকারেন, ভিভিয়ান কিংমা।
৭৩৬ দিন আগে
পাকিস্তানকে টিকিয়ে রেখে সুপার এইটে ভারত
কানাডার বিপক্ষে জিতে নিজেদের কাজ সেরে রাখে পাকিস্তান। এরপর যুক্তরাষ্ট্রকে যেন হারায়- সে আশায় ভারতের দিকে চাতকপ্রাণ হয়ে তাকিয়ে ছিল বাবর অ্যান্ড কোং। তাদের সে আশা পূরণ করে টানা তৃতীয় জয় পেয়েছে রোহিত শর্মার দল। এর ফলে পাকিস্তানের শেষ আটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রেখে সুপার এইট নিশ্চিত করেছেন রোহিত-কোহলিরা।
নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে ভারত।
বুধবার নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে যুক্তরাষ্ট্রকে শুরুতে ব্যাটিং করতে পাঠান রোহিত শর্মা। প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেটে ১১০ রান করে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১০ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ভারত।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৫০ রান করেন সূর্যকুমার যাদব। অপরপ্রান্তে ৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন শিবম দুবে। তাদের অপরাজিত ৭২ রানের জুটির কল্যাণেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ভারত।
যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে সৌরভ নেত্রাভালকার দুটি উইকেট নেন। বাকি উইকেটটি যায় আলী খানের ঝুলিতে।
প্রথম ইনিংসের অসাধারণ বোলিং পারফর্ম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়েছেন আর্শদীপ সিং।
আরও পড়ুন: আইসিসিটি-২০বিশ্বকাপ২০২৪: ভয়ডরহীন ক্রিকেটে যুক্তরাষ্ট্রের লড়াকু পুঁজি
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে হতাশা জাগানিয়া শুরু হয় ভারতের। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ডাক মেরে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন কোহলি। সৌরভ নেত্রাভালকারের বলে উইকেটের পেছনে তিনি ক্যাচ দিয়ে ফিরলে সৌরভের দ্বিতীয় ও ইনিংসের তৃতীয় ওভারে আউট হন রোহিতও। ১০ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় ভারত। এখান থেকে দলকে টেনে তোলেন ঋষভ পান্ত ও সূর্যকুমার যাদব।
উইকেটে স্থিতিশীলতা এনে ৩৯ রানের মাথায় আউট হয়ে যান ঋষভ। ৭.৩ ওভারে আলী খানের দর্শনীয় এক ইয়র্কারে পরাস্ত হন তিনি। ফলে উইকেট গুঁড়িয়ে দিয়ে চলে যায় বল। ২০ বলে ১৮ রান করে ঋষভ ফিরে গেলে ক্রিজে আসেন শিবম দুবে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ভারতের।
মাঝে একবার সূর্যকুমার জীবন পাওয়ার পর আর ভুল করেননি তিনি। ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়েন এই ব্যাটার।
আরও পড়ুন: শেষ আটে যেতে পাকিস্তানের সামনে যে সমীকরণ
এ ম্যাচে হারলেও সুপার এইটের আশা শেষ হয়ে যায়নি যুক্তরাষ্ট্রের। আগামী শুক্রবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। শেষ আটে খেলতে ওই ম্যাচে জয় পেতেই হবে স্বাগতিকদের।
অন্যদিকে, শেষ আটের টিকিট পেতে যুক্তরাষ্ট্র-আয়ারল্যান্ড ম্যাচে আইরিশদের সমর্থন করবে পাকিস্তান। ম্যাচটি স্বাগতিকরা হারলে আর আগামী ১৬ তারিখে নিজেদের ম্যাচে আইরিশদের পরাজিত করলেই প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারবে বাবর আজমের পাকিস্তান।
৭৩৭ দিন আগে
ভয়ডরহীন ক্রিকেটে যুক্তরাষ্ট্রের লড়াকু পুঁজি
জিতলেই শেষ আট নিশ্চিত- এমন সমীকরণ নিয়ে মাঠে নেমেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে ৮ উইকেট হারিয়ে ভারতকে ১১১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিকরা।
এদিন শুরুতেই জোড়া উইকেট শিকার করা আর্শদীপ অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। চার ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে চারটি উইকেট সংগ্রহ করেছেন তিনি। তবে বল হাতে নিষ্প্রভ ছিলেন বুমরাহ।
অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন নীতীশ কুমার। স্টিভেন টেইলর ২৪ ও কোরি অ্যান্ডারসন করেন ১৪ রান।
ইনিংস শুরু করা আর্শদীপ সিং প্রথম ওভারেই জোড়া উইকেট শিকার করেন। প্রথম বলে শায়ান জাহাঙ্গীরকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলার পর ওভারের শেষ বলে অ্যান্ড্রিস গাউসকে ক্যাচ আউট করে সাজঘরে পাঠান তিনি। তার বাউন্সারে বিভ্রান্ত হয়ে বোলিং-এন্ডে ক্যাচ দিয়ে ফেলেন গাউস, দৌড়ে এসে তা ধরতে ভুল হয় না হার্দিকের।
আরও পড়ুন: পাঁচ শর্তের প্রথমটি উতরে গেল পাকিস্তান
দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র, যার প্রভাব পড়ে স্কোরবোর্ডে। পাওয়ার প্লেতে আর উইকেট না খোয়ালেও মাত্র ১৮ রান করে তারা।
এরপর অষ্টম ওভারে দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন হার্দিক নিজেই। তার ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে ডিপ অঞ্চলে সিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় অধিনায়ক অ্যারন জোন্সকে। ২২ বলে একটি ছক্কা মেরে ১১ রান করে যান তিনি।
এরপর রান বাড়াতে মনোযোগী হন স্টিভেন টেইলর ও নিতীশ কুমার। তবে ১২.৩ ওভারে অক্ষর প্যাটেলকে ছক্কা হাঁকিয়ে পরের বলে বোল্ড হয়ে যান ৩০ বলে ২৪ রান করা টেইলর। দলীয় ৮১ রানের মাথায় নীতীশ কুমারকে (২৭) ফেরান আর্শদীপ।
এসময় উইকেট পড়লেও বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারি বের করতে সচেষ্ট হতে দেখা যায় ব্যাটারদের, যা ম্যাচের শেষ পর্যন্ত চলে।
৮১ রানে ৫ উইকেট পড়ে গেলে দেখেশুনে মেরে খেলতে শুরু করেন কোরি অ্যান্ডারসন ও হারমিত সিং। তবে ১৬.৫ ওভারে কোরিকে (১৪) হার্দিক ও ১৭.৩ ওভারে হারমিতকে (১০) ফেরান আর্শদীপ।
শেষের দিকে শ্যাডলি ভ্যান শাল্কউইক ও জসদীপ সিং যুক্তরাষ্ট্রের সংগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা চালান। শেষ বলে জসদীপ রান আউট হলে ১১০-এ থামে যুক্তরাষ্ট্র।আরও পড়ুন: সুপার এইটের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্র
৭৩৭ দিন আগে
সুপার এইটের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্র
কানাডাকে হারিয়ে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর্দা উন্মোচন করা স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় ম্যাচেই ঘটায় অঘটন। শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে দুইয়ে দুই হয়ে যায় তাদের। এবার ক্রিকেটে নবাগত দেশটির সামনে ভারত।
আরও পড়ুন: আয়ারল্যান্ডকে সুযোগই দিল না ভারত
আর এক ম্যাচ জিতলেই প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই সুপার এইট নিশ্চিত হয়ে যাবে- এমন সমীকরণ নিয়ে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ভারতের সামনেও একই সমীকরণ।
বুধবার নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা।
এই ম্যাচে ভারতের জয় দেখতে উদগ্রীব হয়ে থাকবে পাকিস্তান ও দলটির ভক্তরা। কারণ যুক্তরাষ্ট্র জিতলেই পাকিস্তানের সুপার এইট খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে। তবে ভারত হারলেও শেষ ম্যাচে কানাডাকে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করার সুযোগ থাকবে।
এই ম্যাচে ভারতের একাদশ অপরিবর্তিত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র দুটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে। মোনাঙ্কের পরিবর্তে শায়ান জাহাঙ্গীর এবং নস্টুশের পরিবর্তে শ্যাডলি ভ্যান শাল্কউইককে নিয়ে মাঠে নামছেন অ্যারন জোন্স।
ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পান্ত, সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, জাসপ্রীত বুমরাহ, আরশদীপ সিং, মোহাম্মদ সিরাজ।
যুক্তরাষ্ট্র একাদশ: স্টিভেন টেলর, শায়ান জাহাঙ্গীর, অ্যান্ড্রিস গাউস, অ্যারন জোন্স (অধিনায়ক), নীতীশ কুমার, কোরি অ্যান্ডারসন, হারমিত সিং, শ্যাডলি ভ্যান শাল্কউইক, জসদীপ সিং, সৌরভ নেত্রাভালকার, আলী খান।
৭৩৭ দিন আগে
পাঁচ শর্তের প্রথমটি উতরে গেল পাকিস্তান
প্রথম দুই ম্যাচ হেরে পাকিস্তানের শেষ আট স্বপ্ন ভীষণ জটিল ও কঠিন সমীকরণের মধ্যে পড়ে গেছে। পাঁচটি শর্ত যদি পাকিস্তানের পক্ষে যায়, তবেই কেবল সুপার এইট খেলার সুযোগ পাবেন বাবর আজমরা। এমন পরিস্থিতিতে কানাডার বিপক্ষে প্রত্যাশিত জয় পেয়ে প্রথম শর্ত পূরণ করেছে পাকিস্তান।
তৃতীয় ম্যাচে এসে অবশেষে পেয়েছে জয়ের দেখা। কানাডার বিপক্ষে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে তারা।
মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে টস জিতে কানাডাকে শুরুতে ব্যাট করতে পাঠান বাবর আজম। প্রথম ইনিংসে সাত উইকেটে ১০৬ রান করে সাদ বিন জাফরের দল। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬ বল হাতে রেখেই দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় পাকিস্তান।
দলের হয়ে মোহাম্মদ রিজওয়ান অপরাজিত সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন। আর বাবর আজম করেন ৩৩ রান।
কানাডার হয়ে দুটি উইকেট নেন ডিলন হেইলিগার। বাকি উইকেটটি নেন জেরেমি গর্ডন।
৫৩ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলায় ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে রিজওয়ানের হাতে।
আরও পড়ুন: শেষ আটে যেতে পাকিস্তানের সামনে যে সমীকরণ
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে পঞ্চম ওভারে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। ২০ রানের মাথায় সিয়াম আইয়ুব ফিরে গেলে বাবরকে নিয়ে ৬৩ রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান। দলীয় ৮৩ রানের মাথায় বাবর আউট হন। একটি করে ছক্কা ও চারে ৩৩ বলে ৩৩ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। ফখর জামান ক্রিজে এলেও তার ভূমিকা ছিল নগণ্য। জয়ের বন্দর থেকে তিন রান পেছনে থাকাকালে আউট হন ফখর। পুরো সময়টা একাই সামলান রিজওয়ান।
শেষ পর্যন্ত ১৭.৩ ওভারে লক্ষ্য ছুঁতে সমর্থ হয় পাকিস্তান।
বুধবার রাত সাড়ে আটটায় স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে ভারত। পরবর্তী ধাপের এই ম্যাচে মনেপ্রাণে ভারতের সমর্থন করবে পাকিস্তনের ভক্তরা। এই মিশন সফল হলে পরের আরও তিনটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে তাদের, যেখানে তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কেবল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষের ম্যাচটি। আগামী ১৬ জুন ওই ম্যাচ খেলতে নামবে পাকিস্তান।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের হারে ‘আইসিসির আইনকে’ কাঠগড়ায় তুললেন বিশ্লেষকরা
৭৩৮ দিন আগে
পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল কানাডা
বড় ব্যবধানে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমে কানাডাকে অল্পে গুটিয়ে ফেলতে ব্যর্থ হয়েছেন পাকিস্তানি বোলাররা। ফলে ব্যাট হাতে দারুণ কিছু করে দেখাতে হবে দলটির ব্যাটারদের।
নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে টস জিতে কানাডাকে শুরুতে ব্যাট করতে পাঠান বাবর আজম। প্রথম ইনিংসে সাত উইকেটে ১০৬ রান করেছে সাদ বিন জাফরের দল। ফলে জিততে হলে এই লক্ষ্য অতিক্রম করতে হবে পাকিস্তানকে।
টি-টোয়েন্টিতে ১০৬ একেবারেই মামুলি লক্ষ্য হলেও নাসাউ কাউন্টির উইকেটে এ রান অনেক। এখন পর্যন্ত এই উইকেটে ব্যাটারদের ভুগতেই দেখা গেছে। এ মাঠে অনুষ্ঠিত ছয় ম্যাচের মাত্র দুটিতে লক্ষ্য তাড়ায় জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাকি সব ম্যাচেই রান তাড়ায় ব্যর্থ বাকি দলগুলো।
তাই কানাডার দেওয়া এই চ্যালেঞ্জিং স্কোর ভালো রান রেটের সঙ্গে অতিক্রম করা পাকিস্তানি ব্যাটারদের জন্য কঠিন হবে বলেই ধারণা করা যায়।
কানাডার পক্ষে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন অ্যারন জনসন। অপরদিকে, পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ আমির ও হারিস রউফ।
জোড়া চারে ইনিংস শুরু করা কানাডা প্রথম তিন ওভারই চার মেরে শুরু করেন। এতে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেন দুই ওপেনার অ্যারন জনসন ও নবনীত ধালিওয়াল। তবে তৃতীয় ওভারে মোহাম্মদ আমিরের শেষ বলে বোল্ড হয়ে যান নবনীত। এর ফলে তিন ওভার শেষে ২০ রানে প্রথম উইকেট হারায় কানাডা। ফেরার আগে ৭ বলে ৪ রান করেন নবনীত।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের হারে ‘আইসিসির আইনকে’ কাঠগড়ায় তুললেন বিশ্লেষকরা
এরপর ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে তৃতীয় ব্যাটার পারগাত সিংকে ফেরান শাহীন আফ্রিদি। তার শর্ট অফ লেংথের লাফিয়ে ওঠা বলটি খেলার চেষ্টা করেই বিপদ ডেকে আনেন পারগাত। বলটি তার গ্লাভস ছুঁয়ে স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা ফখরের তালুতে আটকে যায়। ফলে ২৯ রানে দুই উইকেট হারায় কানাডা।
সপ্তম ওভারের শেষ বলে ফের উইকেট পাওয়ার উল্লাসে মাতে পাকিস্তান। নিকোলাস কিরটনকে রানআউট করে দেন ইমাদ ওয়াসিম। এরপর দশম ওভারে জোড়া উইটকেট নেন হারিস রউফ। ওভারের তৃতীয় বলে হারিস রউফের ডেলিভারিতে কট বিহাইন্ড হয়ে ফেরেন শ্রেয়াস মোভা। পঞ্চম বলে স্লিপে ক্যাচ দেন নতুন ব্যাটার রবিন্দরপাল সিং। এর ফলে দশ ওভার শেষে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৫৫ রান করে কানাডা।
ব্যাটাররা যখন একের পর এক যাওয়া-আসার মিছিলে যোগ দিয়েছেন, তখন এক প্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন অ্যারন জনসন। ত্রয়োদশ ওভারে ছক্কা মেরে নিজের ফিফটিও তুলে নেন তিনি। তবে ঠিক ছয় বল পর ১৩.৩ ওভারে নাসিম শাহ তাকে বোল্ড করে ফেরান। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৪ বলে চারটি করে ছক্কা ও চারের সাহায্যে ৫২ রান করেন তিনি।
এরপর ১৭.৫ ওভারে মোহাম্মদ আমিরের শিকার হন কানাডা অধিনায়ক সাদ বিন জাফর। ইনিংসের তৃতীয় দুই অঙ্ক ছোঁয়া ১০ রান করেন তিনি।
শেষের দিকে কলিম সানার ১৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান করে কানাডা।
আরও পড়ুন: এক পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তান
৭৩৮ দিন আগে
এক পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তান
শেষ আটে ওঠার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে পরবর্তী দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয়ের বিকল্প নেই পাকিস্তানের। এমন সমীকরণ নিয়ে কানাডার বিপক্ষে মাঠে নেমেছে পাকিস্তান।
মঙ্গলবার নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে কানাডাকে শুরুতে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম।
প্রথম ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে জিতে চনমনে রয়েছেন কানাডার খেলোয়াড়রা। ম্যাচের আগেও পাকিস্তানকে ‘ভয় পাচ্ছি না’ বলে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন দলটির অধিনায়ক সাদ বিন জাফর।
এদিকে, একাদশে একটি পরিবর্তন এনে মাঠে নামছেন বলে জানিয়েছেন বাবর আজম। ইফতেখার আহমেদের পরিবর্তে সিয়াম আইয়ুবকে খেলাচ্ছেন তিনি।
আরও পড়ুন: শেষ আটে যেতে পাকিস্তানের সামনে যে সমীকরণ
পাকিস্তান একাদশ: মোহাম্মদ রিজওয়ান, সাইম আইয়ুব, বাবর আজম (অধিনায়ক), ফখর জামান, উসমান খান, শাদাব খান, ইমাদ ওয়াসিম, শাহীন আফ্রিদি, নাসিম শাহ, হারিস রউফ, মোহাম্মদ আমির।
কানাডা একাদশ: অ্যারন জনসন, নবনীত ধালিওয়াল, পরগাট সিং, নিকোলাস কিরটন, শ্রেয়াস মোভা, রবিন্দরপাল সিং, সাদ বিন জাফর (অধিনায়ক), ডিলন হেইলিগার, কলিম সানা, জুনায়েদ সিদ্দিকী, জেরেমি গর্ডন।
৭৩৮ দিন আগে