ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৩টি পোস্টাল কেন্দ্র ও ৫১৫টি ভোটকেন্দ্রের ভোটের চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুন আরা সুলতানা।
ঘোষি ফলাফল অনুযায়ী, মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর-শিবালয়-দৌলতপুর) আসনে ১৮০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ৫৭ হাজার ২৮৪ ভোটের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক ভোট পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৮১৮। এ ছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আবু বকর সিদ্দিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭১ হাজার ৩১০ ভোট পেয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর-হরিরামপুর ও সদর উপজেলার আংশিক) আসনে ১৮৬টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৯৩ ভোটের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৩১ ভোট।
মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে ১৫২টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯১৮ ভোটের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস প্রার্থী মুহাম্মদ সাঈদ নূর রিকশা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২টি। এছাড়া বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা পেয়েছেন ২০ হাজার ৫৫১ ভোট।
এদিকে, মানিকগঞ্জ-১ আসনের ১৮০টি ভোট কেন্দ্রে সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে নেওয়া গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ২৫২ জন, আর ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৭৪ হাজার ৩৬৬ জন।
মানিকগঞ্জ-২ আসনের ১৮৬টি ভোটকেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬২৬টি আর ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৫৫ হাজার ৭৪০ জন।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনের ১৫২টি ভোটকেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯১ হাজার ৯০৮ জন, আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৫২ হাজার ৫৯৫টি।