কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— রবিউল ইসলাম (৩৬), তার পিতা হাফেজ প্রামাণিক (৭০), সোহেল রানা (৪৫), তার স্ত্রী তমা খাতুন (২৬), কামরুল ইসলাম (৩৭), মুন্নি খাতুন (২৪), রুনা খাতুন (২৭), মিতা খাতুন (৩০), তৌহিদুল ইসলাম (৩০) ও তার স্ত্রী মেরিনন খাতুন (২৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১১টার দিকে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় মরিচা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম (৩৬) নিজ বাড়ির সামনে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল হঠাৎ তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় রবিউলের চিৎকারে তার বাবা-মা ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত নারী-পুরুষসহ তার পরিবারের সদস্যরা গুলিবিদ্ধ হন। পরে হামলাকারীরা এলাকা ত্যাগ করেন।
আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাসপাতাল থেকে আজ রবিউল ইসলামের মামা লিয়াকত মেম্বার জানান, হামলার কারণ সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। কারা এই হামলা চালিয়েছে, তাও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমার ভাগ্নের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। রাতে হঠাৎ করেই ১০-১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল এসে হামলা চালায়। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সবাইকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন।’
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, রাতে মরিচা ইউনিয়নে কয়েক রাউন্ড গুলির ঘটনা ঘটে। এতে ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলার কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।