খাগড়াছড়িতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বৈরি আবহাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। চেঙ্গী নদীর পানি কিছুটা কমায় আশপাশের কয়েকটি এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও মাইনী নদীর পানি বেড়ে গিয়ে আশপাশের এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় জেলার চেঙ্গী নদী ও আশপাশের ছড়া-খালের পানি কিছুটা কমে এসেছে। তবে মহালছড়ির নিম্নাঞ্চল এবং জেলা সদরের লার্মাপাড়া, পেরাছড়া, দ্রোণাচার্যপাড়া ও ভাইবোনছড়ার কিছু এলাকায় এখনও জলাবদ্ধতা আছে।
অন্যদিকে, দীঘিনালা উপজেলার মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সাজেকের কবাখালী ও লংগদু সড়ক এবং বড় মেরুং এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সাজেক ও লংগদু সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এছাড়া খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের বাঘাইহাট এলাকা নিচু হওয়ায় সেখানে পানি উঠেছে। ফলে এ রুটে আপাতত যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে।
নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় অর্ধশতাধিক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্র ও আশপাশের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।
এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত জানান, পাহাড়ধস ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত এলাকার মানুষের কথা বিবেচনায় রেখে ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পাশাপাশি শুকনো খাবারসহ যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।