দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সায়েলা পারভীন (৩৩) নামের এক নারীর এবং খানসামায় শফিকুল ইসলাম নামের এক রিকশাচালকের গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। তবে দুজনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে কালাইচড়া গ্রাম থেকে পারভীনের এবং দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মুন্সিপাড়া মহল্লায় শফিকুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ পৃথকভাবে উদ্ধার করে পুলিশ।
খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাছেদ জানান, মুন্সিপাড়া মহল্লায় শয়নকক্ষের বাঁশের আড়ায় রিকশাচালক শফিকুল ইসলামকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার স্বজনরা। তিনি ঢাকায় রিকশা চালাতেন। দুই সন্তানের জনক ছিলেন তিনি।
পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও জানান, বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের ভার ছিল তার কাঁধে। এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা তার পরিবারের।
অন্যদিকে, নবাবগঞ্জের কালাইচড়া গ্রামের বাবার বাড়ির বসতঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় সায়েলা পারভীন মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান জানান, স্বামী পরিত্যক্ত সায়লা পারভীন ৬-৭ বছর ধরে বাবার বাড়ীতে আশ্রিত ছিল। আজ (বুধবার) সকালে তার গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।