লালমনিরহাটে জেঁকে বসেছে শীত, বৃষ্টির মতো পড়ছে শিশির। শীত ও ঘন কুয়াশায় যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন।
আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৪ জানুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমে শীতের তীব্রতা বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
শীতের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, রিকশাচালক ও কৃষিশ্রমিকরা। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই ভোরে কাজে বের হতে পারছেন না।
স্থানীয় হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঠান্ডাজনিত সর্দিকাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি।
এদিকে, ঘন কুয়াশার কারণে সকালবেলায় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়েছে। এতে স্কুলগামী শিশু ও কর্মজীবী মানুষদের পড়তে হচ্ছে বাড়তি দুর্ভোগে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, লালমনিরহাটে আজ (রবিবার) সকালে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। প্রতিদিনই শীতের সঙ্গে কুয়াশা বাড়ছে। এখন ঠান্ডা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চলে শীতের এই প্রবণতা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি রাতের তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে।