সারাদেশ
গোপালগঞ্জে ট্রলিচাপায় নারী নিহত
গোপালগঞ্জে ট্রলিচাপায় সাজেদা বেগম (৫০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২১ মে) বেলা ১১টার দিকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সাজেদা নড়াইল জেলার নড়াগাতি উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের আনিস মিয়ার স্ত্রী।
এর আগে সকাল ৯টার দিকে শহরের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মূল গেটের সামেনে রাস্তা পারাপারের সময় একটি ট্রলি তাকে চাপা দিলে তিনি মারাত্মক আহত হয়।
পরে তাকে স্থানীয়রা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: মেলার আয়োজন নিয়ে কুষ্টিয়ায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১১
নিহত সাজেদা বেগম গোপালগঞ্জ শহরের শান্তিবাগ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং বিভিন্ন মানুষের বাসায় ঝিয়ের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির মো. সাজেদুর রহমান বলেন, ‘রাস্তা পারাপারের সময় ট্রলিচাপায় সাজেদা মাথায় আঘাত পান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
২৮৯ দিন আগে
মেলার আয়োজন নিয়ে কুষ্টিয়ায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১১
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রায় দেড়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী গাজীকালু-চম্পাবতী মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২০ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা চাপাইগাছি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপির আহতরা হলেন— খোকসা সরকারি কলেজের প্রভাষক সরাফাত সুলতান, বাঁখই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক টিপু সুলতান, গফুর শেখের ছেলে সুকুর শেখ, আজিজুলের ছেলে শরীফ, আসাকুর রহমান। তারা কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
জামায়াতের আহতরা হলেন— জগন্নাথপুর ইউনিয়ন উলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও মহেন্দ্রপুর আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান, জামায়াতের কর্মী কুদ্দুস প্রামাণিক (৭০), শহিদুলের ছেলে তুহিন হোসেন, আক্কাস আলীর ছেলে জিহাদ হোসেন, সুকচাঁদের ছেলে জামাত আলী, জালালের ছেলে ইউনুস আলী। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড়শ বছর ধরে হোগলা চাপাইগাছি বাজারে গাজীকালু-চম্পাবতী মেলার আয়োজন করে আসছেন স্থানীয়রা। ১৭ মে থেকে ঐতিহ্যবাহী গাজীকালু-চম্পাবতী মেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল। এরই মধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা মেলায় অংশ নিতে এসেছিলেন। তবে মেলায় অশ্লীলতা ও জুয়া খেলার অভিযোগ তুলে জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মেলা বন্ধের দাবি জানান। অন্যদিকে, প্রশাসনের অনুমতি না থাকলেও বিএনপি সমর্থকরা মেলা কমিটি আয়োজন অব্যাহত রাখেন। এ নিয়ে গতকাল (মঙ্গলবার) বিকাল থেকে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হলে পুলিশ কয়েক দফা টহল দিলেও সন্ধ্যার পর সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ সময় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় লাঠি, রামদা, হাঁসুয়া নিয়ে অন্তত ৩০টি দোকানে হামলা চালানো হয়। এ সময় দোকান ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জামায়াতের পক্ষে হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মেলায় অশ্লীল কর্মকাণ্ড ও জুয়ার আয়োজন ছিল। এজন্য প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। তবুও বিএনপির মেলা কমিটি আয়োজন চালিয়ে যায়। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের ওপর হামলা হয়।’
অন্যদিকে, বিএনপিপন্থী প্রভাষক সরাফাত সুলতান বলেন, ‘জামায়াতের শত শত কর্মী আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। আমরা থানায় মামলা করব।’
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে মোটরসাইকেল-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩
বাজারের কলা ব্যবসায়ী নাদের শেখ বলেন, ‘শত শত বছর ধরে মেলা হয়ে আসছে। আজ দেখলাম দুপক্ষের দাবড়া-দাবড়ি। জামায়াতের লোক বেশি ছিল। তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল।’
চাটমোহর থেকে আসা ব্যবসায়ী আরজ আলী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘সন্ধ্যার আগে টুপি পরা লোকেরা হুমকি দিতে আসে। পরে রামদা, হাঁসুয়া, লাঠিসোঁটা নিয়ে দোকানে হামলা চালায়। দোকানে থাকা প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল লুট হয়ে গেছে।’
জামায়াতের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আফজাল হোসাইন বলেন, ‘ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডে জামায়াতের নেতা-কর্মী ও স্থানীয়রা প্রতিবাদ করতে গেলে মেলা কমিটির লোকজন হামলা চালিয়েছে। এ বিষয়ে থানায় মামলা করা হবে।’
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান শেখ বলেন, ‘মেলায় প্রশাসনিক অনুমতি ছিল না। সংঘর্ষে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২৮৯ দিন আগে
গাজীপুরে স্ত্রীকে ‘হত্যা করে’ পালিয়েছে স্বামী
গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি বাসা থেকে আকলিমা আক্তার নামে এক পোশাক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী পালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের।
বুধবার (২১ মে) সকালে উপজেলার আবদার এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আকলিমা আক্তার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার ইমুরিয়া গ্রামের আদনান ইসলামের স্ত্রী। আদনান ইসলাম মুক্তাগাছার মন্ডলসেন গ্রামের এশার আলীর ছেলে। দম্পতি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার আবদার এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বুধবার সকালে আকলিমার ঘর থেকে তার শিশুসন্তানের কান্নার শব্দ শুনে সন্দেহ হয় পাশের ভাড়াটিয়াদের। তারা দরজা খোলা দেখে ডাকাডাকি করেন। দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়া না পেয়ে বিষয়টি বাড়ির মালিক জয়নাল আবেদীনকে জানানো হয়। তিনি এসে ঘরে ঢুকে মেঝেতে আকলিমার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
আরও পড়ুন: টঙ্গীতে হাত-পা বাঁধা প্রতিবন্ধী সরকারি কর্মচারীর লাশ উদ্ধার
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল বারিক বলেন, ‘নিহতের কপাল ও মুখমণ্ডলে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী আদনান ইসলাম স্ত্রীকে হত্যা করেছে। ঘটনার পর স্বামী আদনান ইসলাম পলাতক রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আদনান ইসলামকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’
২৮৯ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে ৩ জন নিহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরমোহনপুর, বহরমপুর ও বারোঘরিয়া এলাকায় বজ্রপাতে তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ মে) বিকালে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— চর মোহনপুর গ্রামের খাইরুল ইসলাম, রাণীহাটি ইউনিয়নের হঠাৎপাড়া গ্রামের জালাল আলী ও শিবগঞ্জ নয়ালাভাঙা ইউনিয়নের উপর সুন্দরপুর গ্রামের তাসবুর আলী।
আরও পড়ুন: মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে নারী নিহত
স্থানীয়রা জানান, চরমোহনপুর এলাকার ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন খাইরুল। একই সময় বহরমপুর ও বারোঘরিয়ায় গরু নিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন জালাল আলী ও তাসবুর আলী।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাছমিনা খাতুন বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।’
২৮৯ দিন আগে
মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে নারী নিহত
পাবনায় মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে ছুম্মা খাতুন নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। নিহত ছুম্মা খাতুন (৫০) খাজা প্রামাণিকের স্ত্রী।
মঙ্গলবার (২০ মে) বিকালে গয়েশপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাছিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টি নামার পর মাঠে থাকা ছাগল আনতে যান ছুম্মা খাতুন। তার সঙ্গে স্বামী খাজাও ছিলেন। এ সময় হঠাৎ তার ওপর বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
আরও পড়ুন: সিলেটের গাছের সঙ্গে ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গয়েশপুর ইউপি সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, ‘বজ্রপাত সরাসরি বুকে আঘাত করলে বুকের একপাশ ছিদ্র হয়ে যায়। এ বিষয়ে পুলিশকে জানালেও আপত্তি না থাকায় লাশ দাফন করা হয়েছে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, ‘সব প্রক্রিয়া শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে।’
২৮৯ দিন আগে
সিলেটে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
সিলেটের বালাগঞ্জে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে শিফাউল ইসলাম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ইলাশপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন বালাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ভূইয়া।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
নিহত শিফাউল (৩২) বালাগঞ্জের দক্ষিণ গহরপুর গ্রামের মৃত সিদ্দিক আলীর ছেলে।
ওসি মো. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ভূইয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২৮৯ দিন আগে
রাজধানীর যেসব এলাকায় ৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
রাজধানীর কিছু স্থানে আজ (বুধবার) দুপুর থেকে ৫ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ এবং বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে।
বুধবার (২১ মে) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
এতে বলা হয়, বুধবার দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোট ৫ ঘণ্টা ধোলাইপাড় থেকে দনিয়া-শনির আখড়া সড়কের উভয় পাশে সকল শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া এর আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে।
আরও পড়ুন: মঙ্গলবার ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
২৯০ দিন আগে
শেরপুরে বন্য হাতির আক্রমণে নিহত ২
শেরপুরে ঝিনাইগাতীর গজনী বীট এলাকায় বন্য হাতির আক্রমণে দেড়ঘণ্টার ব্যবধানে দুইজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দরবেশচালা ও গজনী চৌরাস্তার মোড় নামক স্থানে পৃথক এ দুটি ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলেন— দরবেশচালা এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে কৃষক আজিজুর রহমান আকাশ (৪৫) এবং গজনী এলাকার গারো শ্রমিক ফিলিস মারাক (৪২)।
ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল-আমিন বন্যহাতির আক্রমণে দুইজনের নিহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে গৃহবধূকে হত্যা করে সন্তান নিয়ে স্বামীর পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
তিনি জানান, খাদ্যের সন্ধানে পাহাড় থেকে লোকালয়ে নেমে আসা বন্য হাতির তান্ডব থেকে পাকা বোরো ধানক্ষেত রক্ষা করতে গিয়ে নিহত দুই ব্যক্তি হাতির আক্রমণের শিকার হন। হাতির পায়ে পিষ্ট করে তাদের নাড়ি -ভুড়ি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে হাতির আক্রমণে দুই জনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
২৯০ দিন আগে
মেহেরপুরে সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু
মেহেরপুরের গাংনীতে বিষাক্ত সাপের কামড়ে আবুল কাশেম (৬০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ মে) সন্ধ্যায় মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আবুল কাশেম ধানখোলা ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে সাপের কামড়ে নারীর মৃত্যু
স্থানীয় ইউপি সদস্য হাবিবুল বাশার জানান, ‘দুপুরে আবুল কাশেম বাড়ির পাশে একটি মাঠে মহিষ চড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানে তাকে সাপে কামড় দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।’
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাণী ইসরাইল এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
২৯০ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে গৃহবধূকে হত্যা করে সন্তান নিয়ে স্বামীর পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
ফতুল্লায় লাকি আক্তার (২৬) নামের এক গৃহবধূকে হত্যা করে তাদের দুই সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।
সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় ফতুল্লা রেল স্টেশন এলাকার ফজলু মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত লাকি আক্তার (২৬) পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার শ্বানেস্বর গ্রামের সাত্তার হাওলাদারের মেয়ে ও কসাই শিপনের স্ত্রী।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ফতুল্লা বাজারের কসাই শিপনকে (৪০) ভালোবেসে বিয়ে করেন লাকি আক্তার। তাদের সংসারে ১০ বছর বয়সের এক ছেলে ও ৬ বছর বয়সের এক মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পর থেকে তারা ফতুল্লা রেল স্টেশন এলাকায় ফজলু মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
সোমবার রাতে শিপন তার শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে জানান, লাকি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এ খবর পেয়ে লাকির বাবা-মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা গিয়ে দেখেন ঘরের বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগানো। পরে দরজার তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তারা লাকির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। সে সময় তার মুখে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। চাদর দিয়ে তার শরীরের অর্ধেক ঢাকা ছিল। এ অবস্থায় লাকিকে দ্রুত স্থানীয় খানপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
নিহতের ভাগ্নে ইমাম হোসেন বলেন, স্ত্রীকে হত্যা করে কসাই শিপন আত্মহত্যার কথা প্রচার করেছেন। পরে তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এছাড়া নিহত লাকি আক্তারের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এই হত্যার বিচার চাই আমরা।
নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাসিনুজ্জামান বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি আত্মহত্যা, তা এখনো নিশ্চিত নই। নিহতের গলায় ফাঁসের দাগ রয়েছে। শরীরের আঘাতের চিহ্নও রয়েছে, তবে এগুলো মৃত্যুর কারণ হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী তার দুই সন্তানকে নিয়ে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
২৯০ দিন আগে