সারাদেশ
লালমনিরহাটে মাদকের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের ৫ বছরের জেল
লালমনিরহাটে মাদকের মামলায় হুমায়ুন আহমেদ কবির নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে ৫ বছরের কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে লালমনিরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রওশন আলম এ আদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত হুমায়ুন আহমেদ কবির জেলার আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন আহমেদ কবির ২০১২ সালের ১৬ মে একটি পিকআপ ভ্যানে ভুট্টা বোঝাই করে লালমনিরহাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা শহরের পুরান বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ ওই পিকাপটি তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৩৪৪টি নিষিদ্ধ ফেনসিডিলের বোতল উদ্ধার করে।
এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন আহমেদ কবির এবং তার সহযোগী সেকেন্দার আলীকে (৪৫) আটক করে পুলিশ। পরে লালমনিরহাট সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে তাদের জেলহাজতে পাঠান।
ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ (বুধবার) আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট জিন্নাত আরা ফেরদৌসী রোজি জানান, আদালত ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন আহমেদ কবিরকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, আনাদায়ে আরও ১৫দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। বুধবার বিকেলেই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
৩৬ দিন আগে
কুড়িগ্রামে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে গাছপালা ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, বোরো ধানে ব্যাপক ক্ষতি
কুড়িগ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের বসতঘরগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১টার দিকে ঝড় শুরু হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরেই কুড়িগ্রামে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার গভীর রাতে হঠাৎ প্রচণ্ড দমকা হাওয়া ও ঝড় শুরু হয়। ঝড়ের তীব্রতায় জেলার ৯টি উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ও চরাঞ্চলে অনেক গাছপালা উপড়ে পড়ে। এছাড়া অনেক ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের শিবরাম রাঙ্গাতিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা খোকন আলী বলেন, ‘গত রাতের ঝড়ে গাছ ভেঙে আমার টিনের ঘরের ওপর পড়ে। আমি গরিব মানুষ, কী দিয়ে এখন টিন কিনে ঘর ঠিক করব?’
একইভাবে হলোখানা ইউনিয়নের চর সারোডোব এলাকার ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘রাতে হঠাৎ ঝড়ে আমার তিনটি ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। এখন হাতে টাকা-পয়সা নেই। পরিবার নিয়ে কীভাবে থাকব বুঝতে পারছি না।’
৩৬ দিন আগে
বরিশালে দুই বিদ্যালয়ে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ ১৬ জন আহত
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পৃথক দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় এক শিক্ষকসহ ১৬ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ক্লাস চলাকালে উপজেলার চর এককরিয়া ইউনিয়নের দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল (মঙ্গলবার) দুপুর সোয়া ২টার দিকে বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা ছোটাছুটি শুরু করে। এ সময় ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলামসহ ৮ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাদের কয়েকজন জ্ঞানও হারান।
আহতরা হলেন— ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলাম, সপ্তম শ্রেণির জান্নাত বেগম, অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা বেগম, সুমাইয়া বেগম, মীম আক্তার এবং নবম শ্রেণির আফরোজ আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার মৌ বলেন, ‘দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে বিদ্যালয়ের ওপর বজ্রপাত হয়। স্যারসহ আমরা কয়েকজন জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।’
পরে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষক ও স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুর সোয়া ২টায় ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বজ্রপাতে এ ঘটনা ঘটে। আমরা দ্রুত আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাই।’
একই সময়ে আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় আরও ৮ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানান বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বাহাদুর মৃধা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন ফকির বলেন, ‘বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে শিক্ষার্থীরা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ও অজ্ঞান হয়ে যায়। তাদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের বলেন, বজ্রপাতে আহত হয়ে দাদপুর স্কুলের ৮ জন হাসপাতালে এসেছে। তবে তাদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা অনেকটা সুস্থ। তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।
এ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মহি উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনার পর থেকেই আমি আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজখবর রাখছি। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’
৩৬ দিন আগে
রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে বাবার মৃত্যু, কোল থেকে ছিটকে বাঁচল মেয়ে
রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুরে বাড়ির পাশে দোকানে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে সুমন মন্ডল (৩৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সুমনের কোলে থাকা সাড়ে ৩ বছরের মেয়ে কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বেঁচে যায়।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মজ্জৎকোল গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন ওই গ্রামের সিদ্দিক মন্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, আজ (বুধবার) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মেয়ে সাফিয়াকে কোলে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাচ্ছিলেন সুমন। বৈরী আবহাওয়াতে হঠাৎ বজ্রপাত হলে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এ সময় শিশুটি তার কোল থেকে ছিটকে দূরে পড়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন সুমনকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কোল থেকে ছিটকে পড়লেও শিশুটি আশঙ্কামুক্ত ও সুস্থ রয়েছে।
মিজানপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জনি খান বলেন, সুমন মন্ডলের এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।
৩৬ দিন আগে
ময়মনসিংহে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা দুর্বৃত্তদের
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় মোতালেব হোসেন (৫৫) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের রায়মনি বামনাখালী মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মোতালেব ওই এলাকার মৃত সাইফুল্লাহর ছেলে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, গতকাল (মঙ্গলবার) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় ধানক্ষেতে মোতালেবের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের ছেলে আলী হোসেন বলেন, আমার বাবা মাগরিবের নামাজের আগে বাড়ি থেকে ধানক্ষেত দেখতে বের হন। তিনি প্রায়ই জমি দেখতে যেতেন। এ সময় কে বা কারা আমার বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। হত্যার পর মরদেহের পাশে তার মোবাইল ফোন পড়ে ছিল এবং কোমরে বাঁধা কাপড়ের থলেতে থাকা ৩৮ হাজার ৬৪৫ টাকা অক্ষত ছিল। দুর্বৃত্তরা এসবের কিছুই নেয়নি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নিহতের ঘাড়, মাথা ও হাতের আঙুলে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রেখে গেছে। তবে সঙ্গে থাকা টাকা না নেওয়ায় হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
তিনি জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে ত্রিশাল থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ মাঠে কাজ করছে।
৩৬ দিন আগে
কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ: নিহত বেড়ে ৫
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে শিশুসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাগেশ্বরী পৌরসভার বাঁশের তল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের সবার বাড়ি কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
নিহতরা হলেন— ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর তিলাই গ্রামের আসাদমোড় এলাকার শামীম হোসেন (৩২) ও তার মেয়ে মোছা. সাদিয়া (৮), একই পরিবারের বাবু মিয়ার স্ত্রী তামান্না (২৮), জাহিদুল ইসলামের ছেলে নুরনবী (২৮) এবং সাইফুর রহমানের ছেলে লিমন (৩০)। লিমন পেশায় মাইক্রোবাসচালক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গসোনাহাট স্থলবন্দর থেকে পাথরবোঝাই একটি ট্রাক কুড়িগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। নাগেশ্বরীর বাঁশের তল এলাকা অতিক্রমকালে রংপুর থেকে ছেড়ে আসা ভূরুঙ্গামারীগামী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে ট্রাকটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে আরও একজনের মৃত্যু হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেওয়ার পথে আরও দুজন মারা যান।
দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। তাদের কুড়িগ্রাম ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আজ (বুধবার) সকালে নিহতদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোকের মাতম শুরু হয়। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। একসঙ্গে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শিলখুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, একটি পরিবারের এতজন সদস্য একসঙ্গে মারা যাওয়ায় পুরো ইউনিয়নে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই ক্ষতি কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমরা জেনেছি। তবে দুর্ঘটনাটি নাগেশ্বরী থানার এলাকায় হওয়ায় আইনগত বিষয়টি তারা দেখছে।
দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন। তবে কী কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
৩৬ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় অস্ত্রোপচারের সময় শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক হেফাজতে
কুষ্টিয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে অ্যানেসথেশিয়া প্রয়োগের পর অস্ত্রোপচারের সময় তাসনিয়া আফরিন (৬) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অস্ত্রোপচারের সময় উপস্থিত দু্ই চিকিৎসককে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে শহরতলীর মোল্লা তেঘরিয়া এলাকায় অবস্থিত একতা প্রাইভেট হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
তাসনিয়া আফরিন কুমারখালী উপজেলার সানপুকুরিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের মেয়ে ছিল।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতার চাপে অস্ত্রোপচারের সময় উপস্থিত দু্ই চিকিৎসককে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।
নিহতের স্বজনরা জানান, চার-পাঁচ দিন আগে বাড়ির সিঁড়ি থেকে পড়ে তাসনিয়ার বাঁ হাত ভেঙে যায়। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গতকাল (সোমবার) বিকেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে কুষ্টিয়া শহরের একতা প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর হাতে অস্ত্রোপচারের জন্য সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাসনিয়াকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। সেখানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক আবদুল হাদী এবং অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের জন্য তাহেরুল আল আমীন উপস্থিত ছিলেন।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাসনিয়ার মৃত্যু হয়।
এ খবর অপারেশন থিয়েটারের বাইরে থাকা স্বজনদের কাছে পৌঁছালে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। এ সময় স্থানীয় লোকজনও ভাঙচুরে অংশ নেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত ১১টা পর্যন্ত পুলিশ ও সেনা সদস্যরা সেখানে অবস্থান করেন। পরে অবরুদ্ধ দুই চিকিৎসককে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।
শিশুটির খালু আতিয়ার রহমান বলেন, অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগে চিকিৎসকদের অবহেলার কারণেই তাসনিয়ার মৃত্যু হয়েছে। আমি এর কঠিন বিচার চাই।
ঘটনার রাতে চিকিৎসক তাহেরুল আল আমীন সাংবাদিকদের বলেন, তাসনিয়ার শারীরিক পরীক্ষা–নিরীক্ষায় সব ঠিক ছিল। জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর সে মৃত্যুবরণ করে। হয়তো হার্ট অ্যাটাকের কারণে মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে।
কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম বলেন, এটাকে আমরা ‘হাইপার সেনসিটিভ কেস’ বলে থাকি, অর্থাৎ হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে হঠাৎ পাম্পিং বন্ধ হয়ে যাওয়া। অনেক সময় মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিম্নমানের অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
তিনি বলেন, নিহতের পরিবার সম্ভবত ময়নাতদন্ত করতে চাচ্ছে না। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।
একতা প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে অজ্ঞান (অচেতন করা) করানোর পরপরই তার মৃত্যু হয়। অ্যানেসথেসিস্ট বেশ কয়েক বছর ধরে সেখানে এসে কাজ করেন। অ্যানেসথেসিয়া কীভাবে প্রয়োগ হয়েছে বা কতটুকু প্রয়োগ হয়েছে, সেটা চিকিৎসকই ভালো বলতে পারবেন।
কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন এস এম কামাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। কোনো গাফিলতির প্রমাণ মিললে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমন অভিযোগে এর আগেও তিনটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
আজ (মঙ্গলবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, এখন পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দেওয়া হয়নি। রাতেই দুই চিকিৎসককে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা মরদেহের কাছে না থাকায় এখনও সুরতহাল প্রতিবেদন করা সম্ভব হয়নি।
৩৭ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় যৌতুকের টাকা না পেয়ে সুমাইয়া আক্তার জামিলা নামে এক গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুড়বাড়ির বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের সালামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের পর গত বছরের ৩০ অক্টোবর রিপন আলীর সঙ্গে বিয়ে হয় সুমাইয়া আক্তার জামিলার। বিয়ের পর থেকেই রিপন আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন। যৌতুকের টাকার জন্য সুমাইয়ার ওপর দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল (সোমবার) রাতে স্বামী রিপন আলী সুমাইয়াকে তার বাপের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। আজ (মঙ্গলবার) সকালে সুমাইয়ার অসুস্থতার খবর জানিয়ে তার পরিবারকে ডাকা হয়। খবর পেয়ে সুমাইয়ার মা সেখানে গিয়ে দেখেন, বিছানায় তার মেয়ের নিথর দেহ পড়ে আছে। পরে শিবগঞ্জ থানা থানায় খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর তা ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, মরদেহের গলায় ও বাঁ চোয়ালের নিচে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
৩৭ দিন আগে
পদ্মার এক পাঙাশ এবার বিক্রি হলো ৭১ হাজার টাকায়
এবার রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীর এক পাঙাশ মাছ বিক্রি হয়েছে ৭১ হাজার টাকায়। আজ মঙ্গলবার ভোরে পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ২৫ কেজি ওজনের এই পাঙাশ মাছটি ধরা পড়ে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া বাজারে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বাজার থেকে নিলামে ৭০ হাজার টাকায় মাছটি কিনে কুষ্টিয়ার এক ব্যবসায়ীর কাছে ৭১ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আজ ভোরে গোয়ালন্দ উপজেলার বাহিরচরের ছাত্তার মেম্বার পাড়ার এরশাদ শেখ জাল নিয়ে নদীতে যান। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথের মাঝামাঝি পদ্মা নদীর মোহনায় জাল ফেললে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে জাল টেনে নৌকায় তুলেই দেখেন বড় আকারের একটি পাঙাশ। পরে সেটি বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া ঘাট বাজারের রেজাউল মন্ডলের আড়তে গিয়ে মাছটি ওজন দিয়ে দেখেন প্রায় ২৫ কেজি হয়েছে। এরপর নিলামে তোলা হলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ফেরিঘাট এলাকার ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা পাঙাশ মাছটি কিনেন।
মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা জানান, এ বছরের সবচেয়ে বড় পাঙাশটি বিক্রির জন্য নিলামে তোলা হলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে ২৫ কেজি ওজনের পাঙাশটি ৭০ হাজার টাকায় কিনি। পরে কুষ্টিয়ার এক বড় ব্যবসায়ী মাছটি কেজি প্রতি ৫০ টাকা করে লাভ দিয়ে ৭১ হাজার টাকায় কিনেন।
তিনি আরও বলেন, এই মৌসুমে এটিই সবচেয়ে বড় বড় পাঙাশ মাছ। এর আগে, ১৮ কেজি ওজনের একটি পাঙাশ মাছ বাজারে উঠেছিল।
২৫ কেজি ওজনের পাঙাশ মাছটি আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মোটরসাইকেল যোগে কুষ্টিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
রাজবাড়ী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহাবুব উল হক বলেন, সাধারণত এই শুস্ক মৌসুমে বড় বড় মাছ ধরা পড়ে। নদীর গভীরতা বেড়ে গেলে এ ধরনের মাছ সহসা ধরা পড়বে না। এ ধরনের বড় মাছ ধরা পড়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্যও সুখবর।
৩৭ দিন আগে
পদোন্নতির দাবিতে ববি শিক্ষকদের একাংশের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) পদোন্নতির দাবিতে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। তাদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে শিক্ষকদের পদোন্নতি দিচ্ছেন না। এদিন শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন।
শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায়। তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন। ইউজিসির একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট রয়েছে এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ‘প্রশাসনিক অদক্ষতা’ ও ‘অধিকার হরণের’ প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
অন্যদিকে, শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলনের পর পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম শিক্ষকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানান। কাজে না ফিরলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষায় যা যা করণীয়, তা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এ সময় শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে ‘উন্নয়নবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন উপাচার্য।
তিনি শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি, কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য আরও দাবি করেন, অনেক শিক্ষক চার বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত (বিশেষ সুবিধা) নিয়ে পদোন্নতির আবেদন করেছেন, কেউ কেউ দুই বছরেই আবেদন করেছেন।
শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করব।
এর আগে, গত ২০ এপ্রিল সন্ধ্যায় ১০২ জন শিক্ষকের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির অঙ্গীকার অনুযায়ী আজ (মঙ্গলবার) থেকে কর্মবিরতিতে নামেন শিক্ষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ২১০ জন শিক্ষক রয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০১৫ সালের বিধিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির জন্য বোর্ড বসানো হয়েছিল। তবে ইউজিসি ২০২১ সালের অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণ করে পদোন্নতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেই নীতিমালা চূড়ান্ত করে সিন্ডিকেটে পাসের পর অনুমোদনের জন্য ইউজিসিতে পাঠানো হবে এবং এরপর পদোন্নতি দেওয়া হবে।
৩৭ দিন আগে