সারাদেশ
মাধবদীতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেল ৭ দোকান
নরসিংদীর মাধবদীতে সোনার বাংলা সমবায় সমিতির মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ সময় আগুনে জুতা, ইলেকট্রনিক, মুদি দোকানসহ সাতটি দোকান পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দুই ঘণ্টারও বেশি সময় চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে মাধবদী বাজারের সোনার বাংলা সমবায় মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৭টার দিকে মাধবদী বাজারের সোনার বাংলা সমবায় মার্কেটে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টার পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের মাধবদী ও নরসিংদী ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জ হকার্স মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে গেছে ৩০ দোকান, আহত ৫
নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শিমুল মোহাম্মদ রফি বলেন, আজ (বুধবার) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে খবর পেয়ে মাধবদী ও নরসিংদীর পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এর মধ্যে মাত্র তিনটি ইউনিট দুই ঘণ্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে পরে বিস্তারিত বলা যাবে।
২১২ দিন আগে
নেত্রকোনায় দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ গেল যুবকের
নেত্রকোনার পূর্বধলায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কাকন আহমেদ (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
গতকাল (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত ১টার দিকে দাপুনিয়া বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। বুধবার (৬ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরুল আলম।
নিহত যুবক ওই উপজেলার নারন্দিয়া ইউনিয়নের দাপুনিয়া পশ্চিম পাড়া গ্রামের মো. আব্দুর রহমানের ছেলে।
আরও পড়ুন: ধারালো রাম দার সামনে স্বামীর ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন স্ত্রী
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে কাকন আহমেদ দাপুনিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বাজারসংলগ্ন এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে। কাকনের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তার মৃত্যু হয়।
ওসি জানান, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ মমেক হাসপাতাল রয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে।
২১২ দিন আগে
খুলনায় চরমপন্থী নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা
খুলনায় চরমপন্থী সংগঠনের আঞ্চলিক নেতা শেখ শাহাদাত হোসেনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে নগরীর সঙ্গীতা সিনেমা হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
শেখ শাহাদাত নিষিদ্ধঘোষিত পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির একজন আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। দেড় যুগ কারাভোগের পর চলতি বছর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তারপর থেকে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়েকে হত্যা, বাবাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
পুলিশ সূত্রো জানা গেছে, শাহাদাতের বিরুদ্ধে বোমা মেরে দুই পুলিশ খুনসহ একাধিক হত্যা মামলা ছিল।
নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘একদল দুর্বৃত্ত তাকে ধাওয়া করে সঙ্গীতা সিনেমা হলের নিচে শফি টায়ারের দোকানে কুপিয়ে ও গুলি করে জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
২১২ দিন আগে
সীমান্তে আটক বাবা ও তিন সন্তানকে ফেরত দিল বিএসএফ
অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে আটক এক ব্যক্তি ও তার তিন সন্তানকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করেছে।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বামনবাড়ি সীমান্তে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলারসংলগ্ন এলাকায় ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়ন ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
ওই ব্যক্তিরা হলেন— বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের কাশুয়া বাদামবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম (৫২) এবং তার তিন ছেলে সাদ্দাম হোসেন, মোহাম্মদ মিস্টার ও মোহাম্মদ আলফাস।
স্থানীয়রা জানান, কাজের সন্ধানে নজরুল ইসলাম তার তিন সন্তানকে নিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। গতকাল (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তারা বালিয়াডাঙ্গীর নাগরভিটা সীমান্ত দিয়ে ৩৭৩/১-এস নম্বর পিলারের কাছ দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করলে বামনবাড়ি বিএসএফ ক্যাম্পের একটি টহল দল তাদের আটক করে।
এ ঘটনার পর বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির-৫০ ব্যাটালিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরবর্তীতে দুই বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠকের পর তাদের ফেরত আনা হয়।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ঠেলে পাঠানো দুই পরিবারের ৬ সদস্য আটক
বিজিবি জানায়, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি তাদের ভারতে প্রবেশের পেছনে জড়িত দালাল চক্রের সন্ধানও চালানো হবে।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (ইউপি) মোহাম্মদ আবু সালেহ বলেন, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে বিজিবি এবং বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের চারজনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।’
ঠাকুরগাঁও-৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজির আহমেদ বলেন, ‘বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তারা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক।’
২১২ দিন আগে
সিলেটে ছেলের মরদেহ নিয়ে মহাসড়কে মায়ের বিচার দাবি
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় ছেলের হত্যাকারীর বিচার ও মামলা গ্রহণের দাবিতে নিহত রবিউল ইসলাম নাঈমের মরদেহ নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন তার মা পারুল বেগম (৫৫)।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘণ্টা সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে রবিউলের হত্যার বিচার চান তার মা, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী।
এ সময় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। ওসমানীনগর থানার সামনের দুই দিকে মহাসড়কে শত শত যাত্রীবাহী যানবাহন আটকে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন দূরপাল্লার শত শত যাত্রী। পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে প্রশাসন ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে সন্ধ্যা ৭টার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
নিহত রবিউল ওসমানীনগর উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের গদিয়াচর গ্রামের কনাই মিয়া ও পারুল বেগমের দ্বিতীয় ছেলে। উপজেলার সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ব্রাহ্মণগ্রাম সুপ্রিম ফিলিং স্টেশন মার্কেটের বগুড়া রেস্টুরেন্টে নাইট শিফটে কাজ করতেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, গত ২৬ জুলাই রেস্তোরাঁ থেকে নিখোঁজ হন রবিউল। এরপর রবিবার (৩ আগস্ট) মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল এলাকার রেলস্টেশনের পার্শ্ববর্তী একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত রেস্তোরাঁর মালিক বুলবুলকে ওসমানীনগর থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া।
আরও পড়ুন: ওমানফেরত প্রবাসীকে আনতে গিয়েই লাশ হলেন ৪ নারী ও ৩ শিশু
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২৬ জুলাই স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে ওসমানীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর ৩ আগস্ট কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল রেলস্টেশনের পাশের একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে কুলাউড়া থানা পুলিশ। খবর পেয়ে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ রবিউলের বলে শনাক্ত করেন তার স্বজনরা।
রবিউলের পরিবারের অভিযোগ, রেস্তোরাঁর মালিক বুলবুল রবিউলকে হত্যা করে কুলাউড়ায় মরদেহ ফেলে দিয়েছেন।
নিহত রবিউলের বড় ভাই কাইয়ুম বলেন, ‘আমার ভাইকে বুলবুল খুন করেছে। আমরা বুলবুলের ফাঁসি চাই।’
ওসি মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, বুলবুলকে আসামি করে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত রেস্টুরেন্ট মালিক বুলবুল বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
২১২ দিন আগে
গাংনী থানার অদূরে ককটেল ফাটিয়ে ফের গণডাকাতি
এক মাসের ব্যবধানে গাংনী থানা থেকে মাত্র তিনশ গজ দূরে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আবারও গণডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন পথচারীর কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে গেছে ডাকাতদল।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাত পৌনে ৯টার দিকে মেহেরপুরের গাংনী-ধানখোলা সড়কের বিল্লাল নার্সারির কাছে হারেজ মোড়ে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকাতদের কাছে হাতবোমা ও দেশীয় তৈরি ধারালো অস্ত্র ছিল বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
২০ জন পথচারীর কাছ থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা লুট করেছে ডাকাতদল। ভুক্তভোগীদের বাড়ি গাংনী উপজেলার ধানখোলা, মহিষাখোলা ও আড়পাড়া এলাকায়।
ভুক্তভোগী ইয়াসির আরাফাত আলীর কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা, আব্দুল হালিমের কাছ থেকে ৬০০ টাকা, শাহজামাল আলীর কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা, রেজিয়া খাতুনের কাছ থেকে ৭০০ টাকা, মিন্টু হোসেনের কাছ থেকে আড়াই হাজার টাকা, মহব্বত আলীর কাছ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা, মিন্টু আলীর কাছ থেকে পৌনে ১০ হাজার টাকা, কুরসিয়া খাতুনের কাছ থেকে আড়াই হাজার টাকাসহ অন্যান্যদের কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা জানান, সাত/আটজনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হঠাৎ রাস্তা অবরোধ করে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তারা পথচারী অন্তত ২০ থেকে ২৫ জনের কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়। ডাকাতরা প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে পুরো ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
খবর পেয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত ডাকাতি। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।’
এদিকে এমন ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত পুলিশি টহল জোরদার ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে জোর দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
আরও পড়ুন: মেহেরপুরে হাতবোমা ফাটিয়ে গণডাকাতি
প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগে একই স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ডাকাতি হয়। কয়েকদিন পর পাশের পুড়াপাড়া-জুগিন্দা সড়কেও একই ঘটনা ঘটে। এভাবে একের পর এক ডাকাতির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গাংনী থানা পুলিশের ডিএসবি শাখার অধিকাংশ সহকারী উপ-পরিদর্শক ও কনস্টেবল তাদের মূল কাজ ফেলে পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে দেনদরবার ও দোসরদের সঙ্গে চামচামি করে সময় কাটিয়ে থাকেন।
বিষয়টি নিয়ে মেহেরপুরের পুলিশ সুপার এবং জেলা বিশেষ শাখায় দায়িত্বরত অফিসারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।
২১২ দিন আগে
নেত্রকোণায় ফুটবল মাঠে শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ হামলা, কুপিয়ে জখম
নেত্রকোণায় ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে সংঘবদ্ধ হামলার শিকার হয়েছেন এক স্কুলশিক্ষার্থী। কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে তাকে। ঘটনাটি ঘটেছে কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের পাচপীর কান্দাপাড়া গ্রামে।
আহত আরমান (১৫) কেন্দুয়ার সায়মা শাহজাহান একাডেমির সপ্তম শ্রেণির ছাত্র এবং স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হকের ছেলে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) কেন্দুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এরআগে গত শুক্রবার(১ আগস্ট) বিকাল আনুমানিক ৫টার দিকে পাচপীর কান্দার ফুটবল মাঠে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী আরমান বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে একটি খুনের মামলায় জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন আরমানের বাবা আব্দুল হক। সেই মামলাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তদের সঙ্গে বাদীর পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন বিকালে আব্দুল হক, তার দুই ছেলে আরমান ও কবীর ফুটবল খেলা দেখতে যান। খেলায় কবীর অংশ নিলেও আরমান দর্শক সারিতে বসে খেলা দেখছিল।
অভিযোগে বলা হয়, গত শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে সানোয়ার হোসেন, আবুল মিয়া, রুমান, খোকা মিয়া, রইছ উদ্দিন ও রবিন মিয়াসহ আরও কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাঠে হাজির হন। তারা প্রথমে আব্দুল হককে ঘেরাও করে হামলার চেষ্টা করে। তিনি দৌড়ে পালিয়ে বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে তার দুই ছেলেকে লক্ষ্য করে মাঠে ঢুকে পড়ে হামলাকারীরা।
আরও পড়ুন: খুলনায় ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা
সাক্ষীদের ভাষ্যমতে, হামলাকারীরা প্রথমে কবীরকে ঘিরে ধরলেও সে পালিয়ে যায়। পরে তারা আরমানকে ঘিরে ধরে। এসময় রইছ উদ্দিন ‘হক্যার পোলারে খুন কর’ বলে হুকুম দিলে সানোয়ার রামদা দিয়ে আরমানের মাথায় কোপ মারতে যায়। আরমান সামান্য কাত হয়ে পড়ায় কোপ তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে পড়ে এবং হাড়ভাঙা জখম হয়। এরপর রুমান বাম পায়ে কোপ দেন এবং খোকা মিয়া ও রবিন লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে দুই পায়ের হাঁটুর নিচে হাড়চূর্ণ করে দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। আত্মরক্ষায় হাত তুললে আরমানের আঙুলেও মারাত্মক জখম হয়।
স্থানীয়রা ও স্বজনরা রক্তাক্ত অবস্থায় আরমানকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন এবং ইতোমধ্যে তার শরীরে দুই ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে।
২১৩ দিন আগে
১৬ বছর জুলুমের পুঞ্জীভুত ক্ষোভের বহির্প্রকাশ ৫ আগস্ট: মঈন খান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, ‘দীর্ঘ ১৬ বছর আওয়ামী দুঃশাসন ও স্বৈরশাসন বাংলাদেশের জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। দীর্ঘ সময় ধরে তাদের এই জুলুম-অত্যাচারে মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল, সেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহির্প্রকাশ ঘটে গত বছরের ৫ আগস্ট। তাই এ দিন ছাত্রজনতাসহ সারা দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঢাকার রাজপথে নেমে আসে।’
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে গণঅভ্যুত্থানের একবছর পূর্তি উপলক্ষে নরসিংদী পলাশে বিএনপির ও এর অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে বিজয় র্যালিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় মঈন খান বলেন, আওয়ামী দুঃশাসনের সময় বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ মামলা দেওয়া হয়। এসব মামলা থেকে রক্ষা পায়নি তৎকালিক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তৃণমূলের হাজার হাজার নেতাকর্মী।’
আরও পড়ুন: গণতান্ত্রিক উত্তরণ বিলম্বিত হলে জনগণ আবার ফুঁসে উঠতে পারে: ড. মঈন খান
তিনি বলেন, ‘বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, তারা প্রতিহিংসায় বিশ্বাস করে না। গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যাতীত কোনো সভ্য দেশ সৃষ্টি হতে পারে না। তাই অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সেই গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করবে।’
ঘোড়াশাল বাইপাস সড়ক থেকে শুরু করে বিজয় র্যালিটি নরসিংদী-২ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে অংশ নেয় উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বাহাউদ্দীন ভুঁইয়া মিল্টন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুবকর, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট কানিজ ফাতেমা ও আওলাদ হোসেন জনি প্রমুখ।
২১৩ দিন আগে
কোচ পছন্দ না হওয়ায় বিক্ষোভ, রাজশাহী থেকে ১ ঘণ্টা পর ছাড়ল বিশেষ ট্রেন
জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বরাদ্দ দেওয়া বিশেষ ট্রেনের কোচ পছন্দ না হওয়ায় রাজশাহী রেল স্টেশনে বিক্ষোভ করেছেন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগ্রহীরা। তার প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বের পর ঢাকার উদ্দেশে স্টেশন ছাড়ে ওই বিশেষ ট্রেনটি।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকাল সোয়া ৭টার দিকে বিশেষ ট্রেন যাত্রা উপযোগী নয় দাবি করে স্টেশনের এক নম্বর প্লাটফর্মের রেলপথে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগ্রহীরা। বিশেষ ট্রেন পছন্দ না হওয়ায় তারা রাজশাহী রেল স্টেশনে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সিল্কসিটি ট্রেনটি আটকে দেন।
আন্দোলনের মুখে জুলাই যোদ্ধাদের ঢাকাগামী বিশেষ ট্রেন ৭টা ২০ মিনিটের পরিবর্তে ৮টা ১৩ মিনিটে ছেড়ে যায়। সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন ৭টা ৪০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও আন্দোলনের মুখে ছেড়ে যায় ৮টা ২৫ মিনিটে।
রাজশাহী, পাবনা, ঈশ্বরদী, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ স্টেশন থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে ওই বিশেষ ট্রেনটির।
আরও পড়ুন: অধিকাংশ খালি আসন নিয়েই ফরিদপুর ছাড়ল স্পেশাল ট্রেন
আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, বিশেষ ট্রেন হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া কোচ ও ইঞ্জিন অনেক পুরনো ও লোকাল মানের। এতে গাদাগাদি করে বসার মতো পরিবেশ তৈরি হয়। দ্রুতগতিতে ঢাকায় পৌঁছানো সম্ভব নয় বুঝতে পেরে তারা ভালো মানের ট্রেনের দাবিতে রেলপথে অবস্থান নেন।
এরপর একপক্ষ রেল বিভাগের বরাদ্দ দেওয়া বিশেষ ট্রেনে চড়ে ঢাকা রওনা দেন। অন্যপক্ষ সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা রওনা হন।
এ বিষয়ে রাজশাহী স্টেশন ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। যে ট্রেন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সেগুলো যথেষ্ট মানসম্মত। বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি ছিল।’
২১৩ দিন আগে
অধিকাংশ খালি আসন নিয়েই ফরিদপুর ছাড়ল স্পেশাল ট্রেন
ফরিদপুর থেকে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকাগামী একটি বিশেষ ট্রেন ভাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে যাত্রা করে।
আজ (মঙ্গলবার) বেলা ১১টা ২৩ মিনিটে ট্রেনটি ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করে। তবে জেলাজুড়ে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে জুলাইযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দ এই বিশেষ ট্রেনটির অধিকাংশ বগিই ছিল ফাঁকা। ৬৭৬ আসনবিশিষ্ট এই ট্রেনটি মাত্র ১৭ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।
ভাঙ্গার স্টেশন মাস্টার জিল্লুর রহমান জানান, ‘ঢাকাগামী এই স্পেশাল ট্রেনটি ১১টা ২৩ মিনিটে ভাঙ্গা থেকে রওনা দেয় ঢাকার উদ্দেশ্যে। ট্রেনটিতে আসন সংখ্যা ছিল ৬৭৬। তবে অধিকাংশ বগি ফাঁকা ছিল।
২১৩ দিন আগে