বাংলাদেশ
তামাক-জর্দ্দা-বিড়িসহ ৩০ লাগেজ জব্দ, ৩ এজেন্সিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
চলতি বছরের হজ মৌসুমে ৩০টি লাগেজ ভর্তি করে অবৈধ তামাক পাতা জর্দ্দা, গুল ও বিড়ি সৌদি আরব নেওয়ার চেষ্টা করায় একটি লিড ও দুটি সমন্বয়কারী হজ এজেন্সির লাইসেন্স বাতিলসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে নোটিশ দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
রবিবার (১৪ জুলাই) লিড এজেন্সি খিদমাহ ওভারসিজ ও সমন্বয়কারী এজেন্সি জিলহজ্ব ট্রাভেলস এবং আত-তাবলীগ হজ সার্ভিসের স্বত্বাধিকারীকে চলতি মাসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ১৬-১৯ জুলাই ঢাকায় বিমসটেকের ৫ম বৈঠক
নোটিশে বলা হয়, ২০২৪ সালের হজ মৌসুমে হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী ২৫৯ টি এজেন্সি/লিড এজেন্সির মধ্যে ‘খিদমাহ ওভারসিজ’ একটি। এ এজেন্সির নিবন্ধিত হজযাত্রী ১৪১ জনের সঙ্গে সমন্বয়কারী এজেন্সি হিসেবে ৫৬ জন হজযাত্রী নিয়ে ‘জিলহজ্ব ট্রাভেলস’, ৫৪ জন হজযাত্রী নিয়ে ‘আত-তাবলীগ হজ সার্ভিস’এবং ৪০ জন হজযাত্রী নিয়ে ‘আল-তাকওয়া হজ কাফেলা ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস’ হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
গত ৯ মে থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হয়ে ১২ জুন পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার শেষ পর্যায়ে ১১ জুন ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটে ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে (ফ্লাইট নং এক্সওয়াই৮৩৯২) এ ঘটনা ঘটে।
এতে লিড এজেন্সি খিদমাহ ওভারসিজের মোট ১৯৫ জন হজযাত্রীর মধ্যে ঐ এজেন্সির ১১১ জন, সমন্বয়কারী এজেন্সি জিলহজ্ব ট্রাভেলসের ৩৪ জন এবং আত-তাবলীগ হজ সার্ভিসের ৩৭ জন নিবন্ধিত হজযাত্রী ছিলেন।
ফ্লাইনাসের ওই ফ্লাইটে লিড এজেন্সি খিদমাহ ওভারসিজের হজযাত্রীদের চেক ইন চলাকালে তামাক পাতা, জর্দা ও বিড়িসহ একটি লাগেজ শনাক্ত হয়। হজক্যাম্প ক্যাম্পের মূল ফটকে বাংলাদেশ স্কাউটের সদস্য ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী লাগেজগুলো জব্দ করে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবগামী ফ্লাইটে তামাক পাতা-জর্দ্দা ও বিড়ি পরিবহনে সৌদি সরকারের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। জেদ্দা বিমান বন্দরে ইতোপূর্বে হজযাত্রীর লাগেজে তামাক পাতা-জর্দ্দা ও গুল ধরা পড়লে রাজকীয় সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানায়।
হজের সময় তামাক ও তামাকজাত পণ্য বা মাদক বহন হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন ২০২১- এর পরিপন্থী।
তাই লিড এজেন্সিসহ সংশ্লিষ্ট দুইটি সমন্বয়কারী এজেন্সির হজ লাইসেন্স বাতিলসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থা কেন গ্রহণ করা হবে না- এর ব্যাখ্যা ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নোটিশে।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বিমানবন্দর থানায় ইতোমধ্যে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মানুষের উপকারে আসবে এমন হাসপাতাল তৈরির কাজই আমি করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইন্টারনেটের অভাবনীয় শক্তি কাজে লাগাতে হবে’
৫৯৯ দিন আগে
পোশাক শিল্পকে টেকসই করতে একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ ও ক্যাসকেল
পোশাক শিল্পকে টেকসই করতে একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ ও সাবেক সাসটেইনেবল অ্যাপারেল কোয়ালিশন (ক্যাসকেল)।
পোশাক শিল্পে পরিবেশগত ও সামাজিক সমন্বিত আচরণ বিধি প্রণয়ন ও অডিট করার জন্য প্রটোকলগুলোকে একত্রিত করতে একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে ক্যাসকেলের সিইও কলিন ব্রাউন ও বিজিএমইএ নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়।
সোমবার (১৫ জুলাই) উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এ বৈঠক আয়োজিত হয়।
আরও পড়ুন: ইউএসআইটিসির শুনানিতে তৈরি পোশাক শিল্পের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন বিজিএমইএ সভাপতি
বিজিএমইএ সভাপতি এস এম মান্নানের (কচি) সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন সহসভাপতি আব্দুল্লাহ হিল রাকিব, পরিচালক আশিকুর রহমান (তুহিন), পরিচালক শামস মাহমুদ, পরিচালক আবরার হোসেন সায়েম, পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল, পরিচালক শেহরিন সালাম ঐশী।
বৈঠকে সোশ্যাল ও টেকনিক্যাল অডিটের জন্য শিল্পে সর্বজনস্বীকৃত একটি সমন্বিত আচরণবিধি (ইউনিফাইড কোড অব কনডাক্ট) প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়।
বিশ্বব্যাপী ক্রেতা, প্রস্তুতকারক এবং শ্রমিকসহ সব স্টেকহোল্ডারের সুবিধার্থে এ ধরনের একটি সমন্বিত আচরণবিধি প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ক্যাসক্যালকে আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি।
তিনি বলেন, এটি ছাড়া শিল্পকে দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই করা সম্ভব হবে না।
ক্যাসকেলের সিইও বলেন, বিজিএমইএ ও ক্যাসকেল একসঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে সম্মিলিত পদক্ষেপ নিয়ে পোশাক শিল্পকে টেকসই করতে সাপ্লাই চেইন জুড়ে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে অভিন্ন লক্ষ্য অর্জন করতে পারে, শিল্পের জন্য টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে পারে।
বৈঠকে শিল্পের আরও বিকাশের জন্য, ডিউ ডিলিজেন্স ডাইরেকটিভের মতো আসন্ন প্রবিধানগুলো অনুসরণ করা এবং কর্মীদের কল্যাণ বাড়াতে কারখানাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য শেযার, অনুশীলন ও উদ্ভাবনামূলক সমাধানের বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়েও আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে ক্যাসকেলের সিইও, সমন্বিত আচরণ বিধি প্রণয়নের বিষয়ে সদস্যদের প্রতি বিজিএমইএর প্রতিশ্রুতি প্রতিষ্ঠিত করতে ক্যাসকেলের সদস্যদের এগিয়ে আসার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান।
কারখানাগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে ক্যাসকেল কারখানা পর্যায়ে আচরণবিধি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিবে বলে জানিয়েছে উভয় পক্ষ।
আরও পড়ুন: পোশাক শিল্পের রপ্তানি-আমদানিতে কাস্টমস হাউজের সহযোগিতার আহ্বান বিজিএমইএর
পোশাক শিল্পখাত ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় অর্জনে দৃঢ়ভাবে প্রত্যয়ী: বিজিএমইএ সভাপতি
৫৯৯ দিন আগে
‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইন্টারনেটের অভাবনীয় শক্তি কাজে লাগাতে হবে’
ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘ডিজিটালাইজেশন বাংলাদেশের অগ্রগতির লাইফ লাইন। তাই স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইন্টারনেটের অভাবনীয় শক্তি কাজে লাগাতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রসারে মোবাইল অপারেটরসহ যেকোনো বেসরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকার সম্পূর্ণ সহযোগিতায় বদ্ধপরিকর।’
সোমবার (১৫ জুলাই) ঢাকায় একটি হোটেলে গ্রামীফোনের ব্রডব্যান্ড সেবা জিপিফাই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ইসরোর সঙ্গে যৌথভাবে ছোট স্যাটেলাইট তৈরি করবে বাংলাদেশ: পলক
তিনি বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট নাগরিক অপরিহার্য। সোনার বাংলার জন্য সোনার মানুষ চাই। তাই শিক্ষার্থীদের প্রতিভা কাজে লাগিয়ে তাদেরকে প্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট করে গড়ে তুলতে পারলে তাদের হাতেই গড়ে উঠবে স্মার্ট বাংলাদেশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আর্কিটেক্ট অব ডিজিটাল বাংলাদেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী গৃহীত ডিজিটাল বাংলদেশ কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ বিশ্বে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।’
সুলভ মূল্যে জনগণের দোরগোড়ায় নিরবচ্ছিন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত কর্মসূচি তুলে ধরে পলক বলেন, ‘দেশে ২০০৬ সালে প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেটের দাম ছিল ৮৫ হাজার টাকা ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৪০ লাখ। প্রধানমন্ত্রী সাধারণের জন্য ইন্টারনেট সহজ লভ্য করতে প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেটের দাম মাত্র ৬০ টাকায় নির্ধারণ করেছেন। দেশে বর্তমানে ১৩ কোটিরও বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।’
তিনি বলেন, ‘২০০৬ সালে দেশে মাত্র সাড়ে সাত জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যবহৃত হত। বর্তমানে পাঁচ হাজার ২০০ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া স্মার্ট বাংলাদেশে আমাদের সামনে অসীম সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই আধুনিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সাহসী সিদ্ধান্তের কারণে পঞ্চগড়ের দয়াল বর্মণ, কুষ্টিয়ার ইউটিউব গ্রাম, সাত লাখ ফ্রিল্যান্সার ঘরে বসে আয় করতে পারছে। সাফল্যের গল্প রচনা সম্ভব হয়েছে। সম্প্রতি অপারেটরদের ইউনিফাই লাইসেন্স গাইডলাইন করায় এখন মোবাইল অপারেটররাও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দিতে পারবে। ন্যূনতম ২০ এমবিপিএস থেকে ১৫০ জিবিপিএস পর্যন্ত তারহীন ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে জিপিফাইয়ের।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই গ্রামীণফোন গ্রাহকদের সেবা বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি করুক। কেননা আমরা চাই সুলভমূল্যে গুণগত ও মানসম্পন্ন সেবা।’
অনুষ্ঠানে জিপিফাই এর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা সাজ্জাদ হাসিব, আবুল কাশেম মহিউদ্দি ও মইনুল মোমেন।
অনুষ্ঠানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশল মহিউদ্দিন আহমেদ, মহাপরিচলক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: আইটি-আইটিইএস খাতে যুব সমাজের কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হবে: পলক
কক্সবাজারের নারীদের আত্মকর্মসংস্থানে ল্যাপটপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পলকের
৫৯৯ দিন আগে
ঢাবি ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারে হল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ
চলমান কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য সংশ্লিষ্ট হল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল বশির জানান, সোমবার বিকালে উপাচার্যের বাসভবনে অনুষ্ঠিত প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ঢাবি ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী-ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হলের প্রভোস্টরা ছিলেন।
বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব শিক্ষককে রাত ৯টা থেকে হলে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বহিরাগতরা যাতে হলগুলোতে প্রবেশ ও অবস্থান করতে না পারে সেজন্য শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
কেউ ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি।
সভায় ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে তার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান অধ্যাপক বশির।
আরও পড়ুন: ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা, দাবি ছাত্রলীগ নেতাদের
ঢাবিতে 'ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের' হামলায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত
৫৯৯ দিন আগে
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ স্লোগানে এডিটরস গিল্ড ও বিএফইউজের নিন্দা
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের স্লোগান বিশেষ করে ‘রাজাকার’ শব্দ ব্যবহারে তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে এডিটরস গিল্ড, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)।
সোমবার এডিটরস গিল্ড, বাংলাদেশের সভাপতি মোজাম্মেল বাবু একটি বিবৃতিতে বলেন, ‘চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের একটি অংশ দেশে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করতে চায় বলে মনে হচ্ছে। শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে সাংবাদিক ফোরাম।’
এর আগে রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বিক্ষোভকারীরা নিজেদের 'রাজাকার' বলে স্লোগান দেয়; এটি একই সঙ্গে দুর্ভাগ্যজনক এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য চরম অপমানজনক।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সবাই সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার চায়। কিন্তু এডিটরস গিল্ড, বাংলাদেশ লক্ষ্য করেছে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল কোটা আন্দোলনকে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে।’
বিবৃতিতে এডিটরস গিল্ড, বাংলাদেশ সব পক্ষকে এ ধরনের বিভাজন সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
পৃথক এক বিবৃতিতে বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক ও মহাসচিব দীপ আজাদ কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি, স্বার্থান্বেষী একটি মহল কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে।’
বিবৃতিতে বিএফইউজে আরও জানায়, ‘শুধু তাই নয়, কেউ কেউ এমন আচরণ করছেন যা মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা এ ধরনের আচরণের নিন্দা জানাই।’
সাংবাদিক নেতারা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজাকারদের উল্লেখ করে স্লোগান দেওয়ার নিন্দা জানান। তারা বলেন, ‘এ ঘটনা আমাদের স্তম্ভিত করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
সাংবাদিক ফোরাম ছাড়াও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, অভিনয়শিল্পী ইক্যুইটি বাংলাদেশ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উচ্চারিত স্লোগানের নিন্দা জানায়।
কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
৫৯৯ দিন আগে
১৬-১৯ জুলাই ঢাকায় বিমসটেকের ৫ম বৈঠক
বিমসটেকের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনাবিষয়ক এমিনেন্ট পারসনস গ্রুপের (ইপিজি) পঞ্চম বৈঠক আগামী ১৬-১৯ জুলাই ঢাকায় বিমসটেক সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
চার দিনব্যাপী এই বৈঠকে বিমসটেক ব্যাংকক ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়ন এবং ইপিজির খসড়া প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা করা হবে।
ইপিজি তাদের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে বিমসটেক নেতাদের কাছে তার প্রতিবেদন জমা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সভায় সভাপতিত্ব করবেন বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান থাইল্যান্ডের ইপিজির সদস্য ড. সুনথর্ন চাইনদিপম।
বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর ইপিজির সদস্যরা এ সম্মেলনে যোগ দেবেন।
বিমসটেক সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহাসচিব ইন্দ্র মণি পান্ডের নেতৃত্বে বিমসটেক সচিবালয় এই বৈঠকের আয়োজন করছে এবং ইপিজিকে আলোচনায় সহায়তা করবে।
একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক ও উন্নত বিমসটেক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিমসটেকের সংস্কার, পুনরুজ্জীবন ও পুনর্গঠনের জন্য সুপারিশ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইপিজিকে।
একটি সুরক্ষিত, উন্নত ও সমৃদ্ধ বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের লক্ষ্য অর্জনে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার ও গভীর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিশ্রুতির পরিচায়ক এই ইপিজি।
বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশ বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড নিয়ে বিমসটেক গঠিত।
বিমসটেক ৭টি খাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা দিয়ে থাকে সেগুলো হলো- কৃষি ও খাদ্য সুরক্ষা; কানেক্টিভিটি; পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন; মানুষে মানুষে যোগাযোগ; বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন; নিরাপত্তা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন।
ব্লু ইকোনমি, মাউন্টেন ইকোনমি, জ্বালানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ ৮টি উপখাতে সহযোগিতা করে থাকে বিমসটেক।
৫৯৯ দিন আগে
মানুষের উপকারে আসবে এমন হাসপাতাল তৈরির কাজই আমি করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, মানুষের উপকারে আসবে এমন প্রকল্প বা হাসপাতাল তৈরির কাজই আমি করব।
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটা বিভাগীয় শহরে বার্ন ইউনিট, ক্যান্সার, কার্ডিয়াক, নেফ্রোলজির যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করাটা আমার লক্ষ্য। একজন দরিদ্র মানুষ রংপুর থেকে ডায়ালাইসিসের জন্য ঢাকা আসবেন, সেটা তো হয় না।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এমন প্রকল্প নিয়েই কাজ করব, যেটা শেষ করতে পারব। সেটা এখন থেকেই করতে হবে। স্বাস্থ্যখাতে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, সেটার সদ্ব্যবহার করতে পারলে অনেক কিছুই করা সম্ভব।’
সোমবার (১৫ জুলাই) ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) কর্তৃক আয়োজিত বিপর্যয়কর স্বাস্থ্য অভিঘাতের ফলে বাংলাদেশে দারিদ্র্য শীর্ষক সেমিনারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী একথা বলেন।
আরও পড়ুন: সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা কমিয়ে আনার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি বিগত ৪৮ ঘণ্টা উত্তরবঙ্গের স্বাস্থ্যসেবা বিশদভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। পঞ্চগড়, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক সব জায়গা সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। আমি বিশ্বাস করি, প্রান্তিক পর্যায়ে জনগণের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা যদি নিশ্চিত করতে না পারি, আমি ঢাকায় বসে যতই লেকচার দিই না কেন কোনও লাভ হবে না। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে ও প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করাটাকে আমি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি।’
ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘আমি নিজে প্রত্যেক জায়গায় গিয়ে চেকআপ করি, স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেখি মেশিন ঠিক আছে কিনা। আমি ওখানে গিয়ে দেখলাম হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিসের রোগী অনেক বেশি। আমি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি, সব জায়গায় রোগীদের ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। আমরা যদি ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিসের যথাযথ চিকিৎসা ও ওষুধ দিতে পারি তাহলে ঢাকা শহরে এত বড় বড় বিশেষায়িত হাসপাতালের দরকার হবে না।’
এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রেসক্রিপশন ছাড়া সামান্য সর্দি জ্বর হলেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হচ্ছে। এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেসিস্টেন্ট ভয়ানক একটা জিনিস। এ প্রসঙ্গে আমি বলব ডিজি ড্রাগকে আরও শক্ত হতে হবে। ফার্মেসিতে গিয়ে কঠোরভাবে মনিটরিং করতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এন্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে আমরা ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন সিস্টেম চালু করার চেষ্টা করছি। ইলেকট্রনিক প্রেসক্রিপশন সিস্টেম যদি চালু করা যায় তাহলে যথাযথ মনিটরিং করা সম্ভব হবে, ওষুধের যথেচ্ছ ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।’
স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মন্ত্রী হবার মেয়াদ ছয় মাস। স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন নিয়ে আমি অন্তত সাতটি সভা করেছি। রোগী ও চিকিৎসক উভয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করাটা আমার দ্বায়িত্ব।’
স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা মোকাবিলায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা নিরসনে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এ ব্যাপার জনমত তৈরি করতে হবে। সাংবাদিকদের সহযোগিতায় ও সৃষ্ট জনমতের কারণে পাঁচ বেড থেকে ৫০০ বেডের বার্ন হাসপাতাল তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ বর্তমানে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বার্ন হসপিটাল। একটা রোগীও বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে না। রোগীরা আইসিইউতেও পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাচ্ছেন।’
বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গবেষক ড. আব্দুর রাজ্জাক বাংলাদেশ পারিবারিক আয় ব্যয় জরিপের ২০২২ (এইচআইইএস) ভিত্তিতে তার গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডিএসের গবেষক, শিক্ষক শিক্ষার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
আরও পড়ুন: মেডিকেল কলেজগুলোতে উন্নত শিক্ষা দিলে সুদক্ষ চিকিৎসক তৈরি হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য বিভাগের সব সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৫৯৯ দিন আগে
এপিএ কার্যকরে কাজ করতে হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে (এপিএ) আগামী বছরের জন্য কর্মপরিকল্পনা থাকা উচিত।’
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণে এপিএ কার্যকরে কাজ করতে হবে। এছাড়া আমাদের ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ভালো করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও উদ্ভাবনী সেবাকে বাড়িয়ে তুলতে হবে।’
সোমবার (১৫ জুলাই) মন্ত্রণালয়ে এপিএ, ইনোভেশন শোকেসিং-২০২৪ ও শুদ্ধাচার পুরষ্কার (২০২৩-২৪) প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: শহরের নির্ধারিত আয়ের মানুষ খুব বেশি চাপে আছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের উদ্যোগে সাপ্লাই চেইন মনিটরিং সিস্টেম সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হবে।’
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশের চা শিল্পের উন্নয়নে ইনোভেশন দরকার হবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ও অর্থনৈতিক কূটনীতি সফল করতে নিজেদের কাজ করতে হবে।’
প্রসঙ্গত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এবছরের ইনোভেশনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে সাপ্লাই চেইন মনিটরিং সিস্টেম প্রথম স্থান ও টিসিবির স্মার্ট বিপণন ব্যবস্থাপনা দ্বিতীয় স্থান এবং যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্ম পরিদপ্তরের অটোমেটিক পদ্ধতিতে রেকর্ডভুক্ত ব্যবস্থা তৃতীয় স্থান লাভ করে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব নাভিদ শফিউল্লাহ, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের দপ্তরগুলোর প্রধানরা ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: রপ্তানি উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে ইপিবি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিয়ে করেছেন প্রধানমন্ত্রী: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
৫৯৯ দিন আগে
দেশে ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১১২
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১২ জন।
এর মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৫ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আরও ৫৭ জন রোগী।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে আরও ২৫ জন আক্রান্ত
চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। এদের মধ্যে পুরুষ ৪৬ দশমিক শূন্য শতাংশ ও নারী ৫৪ দশমিক শূন্য শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৪ হাজার ৬৭৮ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৬০ দশমিক ৭ শতাংশ ও নারী ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে আরও ১৫৫ জন আক্রান্ত
দেশে ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৭৫
৫৯৯ দিন আগে
চবি-ষোলশহরে কোটাবিরোধী ছাত্রদের উপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ, আহত ১০
চট্টগ্রাম মহানগরীর ষোলশহর রেল স্টেশনে কোটাবিরোধী অন্দোলনরত শিক্ষাথীদের উপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসময় উভয় পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৫ জুলাই) বিকাল ৪টা থেকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। এর আগে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীরা ঝড়ো হয় ষোলশহর রেল ষ্টেশনে।
সংঘর্ষ শুরু পরপরই যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত যানবাহন বন্ধ ছিল।
এর আগে দুপুরে চবি স্টেশনে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঠেকাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের চাবি কেড়ে নেয় ছাত্রলীগের কর্মীরা।
আজ ৩টা থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের নগরীর ষোলশহর স্টেশনে বিক্ষোভের ঘোষণা দেয়।
এর আগ দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেছে। হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।
এদিকে, ছাত্রলীগের নেতারা ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে যাওয়া শাটল ট্রেন আটকে আন্দোলনের এক সমন্বয়কারীকে ধরে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কোটা আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দুপুর আড়াইটায় শাটল ট্রেনে করে শিক্ষার্থীরা ষোলশহর স্টেশনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় চবি ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. ইলিয়াসের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী তাদের লাঠি ও বাঁশ নিয়ে ধাওয়া দেন। অনেকেই ছাত্রলীগের নেতাদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন। কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: ঢাবি ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী-ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ
এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফিকে ধরে নিয়ে প্রক্টরের কাছে গিয়ে তার ভর্তি বাতিলের দাবি জানান। ছাত্রলীগের নেতারা শাটল ট্রেনের চালককে জিম্মি করে চাবি ছিনিয়ে নেয়।
শিক্ষার্থীরা জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা আজ সকালে কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন যে দুপুর আড়াইটার সময় শাটল ট্রেনে করে চট্টগ্রাম শহরের ষোলশহর রেলস্টেশনে সমবেত হবেন। সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশের পর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক শিক্ষার্থী জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা যাতে শাটল ট্রেনে উঠতে না পারেন, এজন্য ট্রেনের প্রতিটি বগির সামনে ছাত্রলীগ কর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা ট্রেনে উঠতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ঢাবিতে 'ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের' হামলায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত
বিষয়টি নিশ্চিত করে নগরীর ষোলশহর স্টেশন মাস্টার জয়নাল আবেদিন বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের ছেলেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপেক্ষমান শাটল ট্রেনের চালকের কাছ থেকে জোরপূর্বক ট্রেনের চাবি ছিনিয়ে নিয়েছে। এ কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে।’
এদিকে, শাটল ট্রেন থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সমাজের সহ-সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
জানতে চাইলে চবি ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. ইলিয়াস বলেন, ‘কোটা সংস্কারের পক্ষে যারা আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলতে গিয়েছিলাম। তারা আন্দোলন করুক সেটাতে আমরা একাত্মতা পোষণ করেছি। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কেউ কটুক্তি করবে সেটা আমরা মেনে নেব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ট্রেন আমরা বন্ধ করিনি। তাছাড়া আমরা কোনো হামলাও করিনি। রাফি নিজেই স্বীকার করেছে সে নিজেই মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে।’
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াতের ভূমিকা উন্মোচিত হয়েছে: ওবায়দুল কাদের
৫৯৯ দিন আগে