বাংলাদেশ
ফাঁস হওয়া প্রশ্নে নিয়োগ প্রমাণিত হলে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: জনপ্রশাসনমন্ত্রী
সরকারি কর্মকমিশন থেকে ফাঁস হওয়ার প্রশ্নে কর্মকর্তাদের নিয়োগ পাওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
গাড়িচালক আবেদ আলীর ফাঁস করা প্রশ্ন নিয়ে নিয়োগপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে সরকার কী ব্যবস্থা নেবে- জানতে চাইলে জনপ্রশাসনমন্ত্রী বলেন, 'পিএসসি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তারা তাদের নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা থেকে করবে। সংসদে তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় হচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে তারা ব্যবস্থা নেবেন বলে চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। বিষয়গুলো প্রমাণ হতে হবে এবং সেটার জন্য প্রচেষ্টা চলছে।'
সরকার এ বিষয়ে কঠোরভাবে নজরদারি করছে জানিয়ে তিনি বলেন, 'এটি খুবই শক্তভাবে সরকার দেখছে। সিআইডি এটার ওপর স্পেশাল ফোকাস করছে।’
ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমাদের চাকরিবিধি অনুযায়ী কেউ যদি শঠতা বা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই কিন্তু চাকরিতে আসতে হবে। পিএসসি ও কিছু নিয়মকানুন রয়েছে সেগুলোর ব্যাপার আছে। বিষয়টি কিন্তু সবার মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। গভীর মনোযোগের সঙ্গে আমরা বিষয়টি দেখছি।'
বিষয়টি আগে প্রমাণিত হতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে বিষয়টি প্রমাণিত হতে হবে, যে এটি আদৌ সঠিক কি না। যতক্ষণ পর্যন্ত না প্রমাণিত হবে- যে ড্রাইভার এ কথা বলছে, সে সত্য বলছে নাকি মিথ্যা বলছে। ততক্ষণ কিছু প্রমাণিত নয়।’
ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, 'যে ড্রাইভার এ কথা বলছেন, সেই ড্রাইভারকে দেখলাম অন্য একটা দলের স্লোগান দিচ্ছেন। সে একটি দলের ষড়যন্ত্রের ইন্সট্রুমেন্ট হিসেবে কাজ করছে কি না। সে তো একটা দলের হয়ে কাজ করছে, সরকারের ইমেজ নষ্ট করার জন্য। অনেকগুলো বিষয় কিন্তু এখানে আছে। অনেকদিন আগে সে কাজের কারণে চাকরিচ্যুত হয়েছে।'
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যারা মাঠে সরকার পতনের আন্দোলন করে তেমন একটা দলের হয়ে, সে সরকারের উন্নয়নের কাজে বাধা দিতে চায়, তাদের হয়ে স্লোগান দিচ্ছে। আসলে সে কোন এজেন্ডা নিয়ে কথা বলছে, সেটি একটি বিষয়। তবে সত্য না মিথ্যা সেটি সরকারের পক্ষ থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে অনুসন্ধান চলছে।'
৬০৩ দিন আগে
এয়ার অ্যাস্ট্রার ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম ‘অরবিট’ উদ্বোধন
বেসরকারি এয়ারলাইন্স এয়ার অ্যাস্ট্রা এয়ারলাইনের ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম ‘অরবিট’ যাত্রা শুরু করেছে।
বুধবার ( ১১ জুলাই) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এয়ার অ্যাস্ট্রা’র ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম ‘অরবিট’ উদ্বোধন করা হয়।
অরবিটের উদ্বোধন করেন ওরাকল বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন এয়ার অ্যাস্ট্রা’র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইমরান আসিফ এবং চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সোহেল মজিদ।
যাত্রীদের সুবিধার্থে অরবিট প্রোগ্রামে ইকো, ইভো ও প্রো এই তিনটি ক্যাটাগরি রাখা হয়েছে। যাত্রীরা এয়ার অ্যাস্ট্রায় নিয়মিত ভ্রমণ করে তাদের ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রামে মাইলেজ যোগ করতে পারবেন এবং নির্দিষ্ট মাইলেজ খরচ করে এয়ার অ্যাস্ট্রায় ফ্রি ভ্রমণ করতে পারবেন। এতে প্রায়োরিটি চেক-ইন, র্যাম্প কার, সিট সিলেকশন অপশন ও অতিরিক্ত ব্যাগেজ সুবিধাও রয়ছে।আরও পড়ুন: সিলেট-ঢাকা ফ্লাইট চালু করলো এয়ার অ্যাস্ট্রা
‘অরবিট’ উদ্বোধন উপলক্ষে, এই প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি ওয়েলকাম কিট পাবেন যাত্রীরা। এতে থাকবে দেশের ১০টি ব্র্যান্ড শেয়ারট্রিপ, গোযায়ান, টুয়েলভ ক্লোথিং, শাহরুখ আমিন, এপেক্স, মানা বে, সি পার্ল ওয়াটার পার্ক, সিক্রেট রেসিপি, রেড বাই আফরোজা পারভিন, ফয়েজ লেক রিসোর্টের ডিসকাউন্ট ভাউচার। যাত্রীরা এয়ার অ্যাস্ট্রা’র ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপস, সেলস অফিস, এয়ারপোর্ট চেক-ইন কাউন্টার এবং ইন-ফ্লাইটে ‘অরবিট’ এর রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।
বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা, ঢাকা-চট্রগ্রাম-ঢাকা, ঢাকা-সিলেট-ঢাকা এবং ঢাকা-সৈয়দপুর-ঢাকা রুটে প্রতিদিন ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে এয়ার অ্যাস্ট্রা।
এয়ার অ্যাস্ট্রা’র বহরে বর্তমানে চারটি এটিআর ৭২-৬০০ এয়ারক্রাফট রয়েছে। এগেুলো ফ্রান্সে নির্মিত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নিরাপদ টার্বোপ্রপ এয়ারক্রাফট। খুব শিগগিরই আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট শুরু করবে বলে জানায় এয়ার অ্যাস্ট্রা।
আরও পড়ুন: সিলেট-ঢাকা রুটে ফ্লাইট চালু করেছে এয়ার অ্যাস্ট্রা
৬০৩ দিন আগে
কোটা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সীমা লঙ্ঘন করছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের সীমা লঙ্ঘন করছেন বলে মনে করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সচিবালয়ে মাদকের অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা নিয়ে শিক্ষার্থীরা ভাবছেন তাদের চিন্তা-ভাবনা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেজন্য তারা রাস্তায় চলে এসেছিলেন। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী বিশেষ করে পুলিশকে বলেছি, এদের কথা আমরা শুনব। কিন্তু শোনারও একটা সীমা বোধ হয় থাকে। তারা বোধ হয় এগুলো অতিক্রম করে যাচ্ছে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, 'প্রধান বিচারপতি একটা নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা স্থগিত করা হয়েছে। চলমান মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। তাই হাইকোর্টের নির্দেশনা (কোটা বহাল করে) এখন অচল, সেটি এখন নেই।'
রায় না থাকায় আন্দোলনের কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ছাত্ররা আদালতে নিজেদের বক্তব্য জানাতে পারে। রাস্তায় থেকে তাদের কষ্ট করার কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। তারা যেটা চেয়েছিলেন সেই দিকেই তো যাচ্ছে।'
জনদুর্ভোগ না করতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান আরও বলেন, 'তাদের দাবির প্রতি সরকার সব সময় খেয়াল রাখছে। যেহেতু বিষয়টি কোর্টে আছে এজন্য কোর্টের মাধ্যমে এটি নিষ্পত্তি হবে।'
৬০৩ দিন আগে
বিআরটিসির চালক নিয়োগে মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা নেওয়ার সুপারিশ সংসদীয় স্থায়ী কমিটির
বিআরটিসির চালক নিয়োগের ক্ষেত্রে মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
এছাড়াও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনকে (বিআরটিসি) লাভজনক রাখতে লাইসেন্সিং ব্যবস্থায় নজরদারি বাড়ানো এবং যানবাহনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতের ওপর জোর দেওয়া হয়।
কমিটির সভাপতি রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিকের সভাপতিত্বে সভায় বিআরটিসির বর্তমান রুটসহ যানবাহনের সংখ্যা, বার্ষিক আয়-ব্যয় বিবরণী, প্রতিষ্ঠান ও বিদ্যমান জনবলের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এছাড়াও করিমগঞ্জ উপজেলার মরিখালী থেকে কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলা পর্যন্ত এলিভেটেড সড়ক নির্মাণের বর্তমান অগ্রগতি এবং কিশোরগঞ্জ জেলার সব সড়কের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এসময় নির্মাণাধীন এলিভেটেড সড়ক ও কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত সব সংযোগ সড়কের কাজ শিগগিরই শেষ করার জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে কমিটি।
বৈঠকে অংশ নেন- কমিটির সদস্য মো. আবু জাহির, শেখ সালাহউদ্দিন, মো. মুজিবুল হক, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল্লাহ-আল-কায়সার, মোহাম্মদ গোলাম ফারুক ও মোছা. নাছিমা জামান ববি।
এছাড়াও বৈঠকে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব, সেতু বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান প্রকৌশলী, বিআরটিএ ও বিআরটিসির চেয়ারম্যানরা, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির কমিটি সচিব, বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থা প্রধানসহ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
৬০৩ দিন আগে
যুবসমাজ রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
যুবসমাজ রক্ষা করতে চাইলে মাদক নিয়ন্ত্রণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান তিনি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে ঢেলে সাজানোর কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে ঠুঁটো জগন্নাথের মতো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কাজ করত। আমরা এখন দেশজুড়ে এটির ব্যাপ্তি ঘটিয়েছি। সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। মাদক নিয়ন্ত্রণে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে আমাদের যুবসমাজ রক্ষা করা সহজ হবে।’
দেশের মাদকের মূল সরবরাহকারী প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে থেকেও সরকার কক্সবাজার, টেকনাফ ও সাভারের বেদেপল্লিতে মাদকের অবাধ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না কেন জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রী বলেন, ‘টেকনাফের পাশেই মিয়ানমারের অবস্থান। ইয়াবার মূল সরবরাহকারী এই দেশ।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘মিয়ানমারের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছি। এখন ওই দেশের বর্তমান অবস্থা তো আপনারা জানেন, ওখানে যুদ্ধ চলছে। শুধু আরাকান আর্মি নয়, সেখানে আরও কয়েকটা গ্রুপ যুদ্ধ করছে। কাজেই তাদের সঙ্গে এই মুহূর্তে আমাদের যোগাযোগটা তেমন নেই।’
মাদক সরবরাহ বন্ধে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদক সরবরাহ বন্ধ করতে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নজরদারি রয়েছে। জায়গাটি মাদকমুক্ত করতে এপিবিএন, কোস্টগার্ড, বিজিবি ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন কাজ করছে।
এছাড়া শিগগিরই সাভার বেদেপল্লিতেও মাদক সরবরাহ বন্ধ করা হবে বলে আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠীর হাব তৈরি হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৬০৩ দিন আগে
কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে সড়ক অবরোধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি ডিএমপির
‘বাংলা ব্লকেড’র নামে যারা সড়ক অবরোধ করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. মহিদ উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
মহিদ উদ্দিন আরও বলেন, সড়ক অবরোধের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা বিদ্যমান আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের ওপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ স্থিতাবস্থা জারি করলেও কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা সারাদেশে 'বাংলা ব্লকেড' চালিয়ে যাচ্ছে। তারা কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবি জানায়।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান ছাত্রলীগের
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় ফের রাস্তায় নামার কর্মসূচি রয়েছে তাদের।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, 'গতকাল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দিয়ে ২০১৮ সালের সার্কুলার বহাল রেখেছেন। ফলে সার্কুলারটি এই সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তাই বিক্ষোভের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির কোনো যৌক্তিকতা নেই।’
শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও সহানুভূতি আছে, কিন্তু বিদ্যমান আইন ও সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। শিক্ষিত ব্যক্তি হিসেবে আমি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করবেন না। ২০১৮ সালের সার্কুলার এখনও বলবৎ।’
ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, 'গতকাল আন্দোলনকারীরা ২১ জায়গায় অবরোধ দিয়েছে। ঢাকাবাসীর অবাধ চলাচল নিশ্চিত করে আমরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছি। যেহেতু আদালত বিষয়টি নিষ্পত্তি করেছেন, আমরা আশা করছি আর জনগণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটবে না।’
মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘আন্দোলনের একটি যৌক্তিক ভিত্তি থাকা উচিত। বর্তমানে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ আন্দোলনকারীদের পক্ষেই। আন্দোলনে যুক্তি না থাকলে তা চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়। আমরা শিক্ষার্থীদের এসব কর্মসূচি বন্ধ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে ঢাকাবাসীসহ সবার উপকার হবে এবং আমাদের বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।’
আরও পড়ুন: সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে সরকারের পরিপত্র বলবৎ: কোটা প্রসঙ্গে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘সড়ক বন্ধ থাকলে আমাদের সংবিধান অনুযায়ী চলাচলের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। আন্দোলনকারীরা এই অপরাধ করবে না আশা করছি। গত ১০ দিনে শিক্ষার্থীদের প্রতি সম্মান বজায় রেখে পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীরা আইন, নগরবাসী ও পুলিশের প্রতি এই শ্রদ্ধাবোধের প্রতিদান দেবে।’
বিক্ষোভ চলতে থাকলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শান্তভাবে এই পরিস্থিতিগুলো সামলে নেওয়া আমাদের কাজের ধরন এবং এভাবেই কাজ করব। আমরা আশা করি, বিক্ষোভকারীরা তাদের অবস্থান বুঝতে পারবেন, বিশেষ করে আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে। যেহেতু ২০১৮ সালের সার্কুলার এখনও কার্যকর আছে, সেহেতু আন্দোলনের কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই।’
আরও পড়ুন: কোটা সংস্কারে ‘বাংলা ব্লকেড’, সারাদেশে পরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত
৬০৩ দিন আগে
সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা কমিয়ে আনার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন সারা দেশে সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা কমাতে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা বলেছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৪ পালন উপলক্ষে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে আয়োজিত উদ্বোধনী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা গ্রাম পর্যায়ে কাজ করেন তাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ আপনারা মানুষদের, গর্ভবতী মায়েদের বোঝান, তারা যাতে ঠিকমতো চেক আপ করেন।’
ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘নিয়মিত ও সময়মতো কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গর্ভবতী মায়েরা যাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করায়। আমরা সিজারের সংখ্যা কমিয়ে আনতে চাই। সিজারের সংখ্যা যত কমিয়ে নিয়ে আসতে পারব ততই মঙ্গল।’
আরও পড়ুন: হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলা সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তিনি বলেন, প্রত্যেকটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে সবার আগে আমি যেটা দেখি সেটা হচ্ছে এএনসি কর্ণার। আমি খোঁজ নিয়ে দেখি গর্ভবতী মায়েরা কয়জন চেকআপ করছেন, কোথায় ইনস্টিটিউশনাল ডেলিভারি হচ্ছে, কোথায় সিজারিয়ান বেশি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, অনেক জায়গায় অনেকে বলেন যে আগে সিজার হয়েছে তাই সিজার করতে হবে। সেটা কোনো উত্তর হতে পারে না। আগে কেন হলো সেটার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা যদি একেবারে মূল কারণ খুঁজে বের করে গোড়া থেকে কাজ করি তাহলে সিজারের সংখ্যা অবশ্যই কমিয়ে আনতে পারব।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আজিজুর রহমান, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিভাবেন্দ্র সিং রঘুবংশী, পরিবার কল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আ ন ম আল ফিরোজ প্রমুখ।
আরও পড়ুন: ব্রেস্ট ক্যান্সার যত দ্রুত সম্ভব শনাক্তকরণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৬০৩ দিন আগে
কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান ছাত্রলীগের
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে এবং ক্লাস ও পরীক্ষায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানায় ছাত্রলীগ।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন আদালতের পর্যবেক্ষণ বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘শুধু নির্বাহী বিভাগ থেকে আদেশ চাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগে।’
আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস 'বাংলা ব্লকেড' পালন করবে কোটা আন্দোলনকারীরা
কোটা পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘কোটা ব্যবস্থা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো যা অংশগ্রহণ এবং লিঙ্গ ভারসাম্য নিশ্চিত করে। সরকার ও হাইকোর্ট এ সমস্যা সমাধানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরতে হবে।’
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটা কোনো বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নয়। পরিসংখ্যান দেখায় যে লিঙ্গ ভারসাম্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসন নিশ্চিত করার জন্য কোটা অপরিহার্য।’
চলমান আন্দোলনের প্রভাব সম্পর্কে ছাত্রলীগ সভাপতি সড়ক ও রেল অবরোধের কারণে সৃষ্ট অচলাবস্থার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সংকট সৃষ্টি করছে, জনদুর্ভোগ ডেকে আনছে। নীতিগত আলোচনা ও কৌশলগত পদক্ষেপের মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান করতে হবে। আমরা শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে সরকারের পরিপত্র বলবৎ: কোটা প্রসঙ্গে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
৬০৩ দিন আগে
এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশকে জিরো ট্যারিফ সুবিধা দেবে চীন
২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণের পরেও একটি অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য চীনের কাছ থেকে করযোগ্য ৯৮ শতাংশ পণ্যের শূন্য-শুল্ক (জিরো ট্যারিফ) সুবিধা পাবে।
২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে পেয়ে আসা এ সুবিধার জন্য চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
চীনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তিন দিনের সরকারি সফর শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থায়ন খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানো, বাংলাদেশ-চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান: একমত ঢাকা-বেইজিং
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার ভোরে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশ থেকে চীনে আম রপ্তানির প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও পাট, চামড়া, জলজ পণ্য এবং অন্যান্য উচ্চমানের বিশেষ পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে স্বাগত জানিয়েছে চীন।
এছাড়াও উচ্চমানের বাংলাদেশি কৃষিপণ্য চীনে রপ্তানির বিষয়ে যোগাযোগ আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।
পাশাপাশি বাণিজ্য সহজীকরণ, সহায়তা ও প্রকল্প বা কর্মসূচির জন্য অর্থায়ন বিষয়ে ভবিষ্যত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছে চীন ও বাংলাদেশ।
দুই দেশই যত দ্রুত সম্ভব চীন-বাংলাদেশ বিনিয়োগ চুক্তির আধুনিকায়নের বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে সম্মতি দিয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও শিল্প পার্ক, তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান, নতুন জ্বালানি, পানিসম্পদ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা, পোশাক ও অন্যান্য উৎপাদন খাতের মতো খাতে চীনা উদ্যোক্তাদের আরও বিনিয়োগকে স্বাগত জানানো হয়। পাশাপাশি চীনা প্রকল্প ও কর্মীসহ সব বিদেশি বিনিয়োগের নিরাপত্তা, বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
উভয় পক্ষ পিপিপি মডেলের মাধ্যমে অবকাঠামো ও নির্মাণ প্রকল্পগুলোতে সহযোগিতা গভীর করার বিষয়ে একমত প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়াতে সম্মত বাংলাদেশ-চীন
এছাড়াও 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বিনির্মাণে সমর্থন ও অংশগ্রহণ, দুই দেশের ডিজিটাল ও আইসিটি থিংক ট্যাংকগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়াতে যৌথভাবে একটি ডিজিটাল ইনোভেশন ল্যাব প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে চীন।
ডিজিটাল অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদার করতে দুই দেশই সম্মতি জানিয়েছে।
ডিজিটাল অর্থনীতি শিল্পে দ্বিপক্ষীয় বিনিময়ে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে চীন। বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল ও আইসিটি শিল্পের উন্নয়নে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে চীন-বাংলাদেশ উদ্ভাবন সহযোগিতা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা দেখবে।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ডিজিটাইজেশনের প্রচারের জন্য “তথ্য শিল্প এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের আন্তর্জাতিক বন্দর” এ সহযোগিতা চালাতে প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছে চীন।
এসব উদ্যোগের প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের সামুদ্রিক টেকসই উন্নয়ন ও স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ, দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন, ওশান টু ক্লাইমেট সিমলেস ফোরকাস্টিং সিস্টেম (ওএসএফ) এবং মেরিন হ্যাজার্ডস আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড মিটিগেশন সিস্টেমের ক্ষেত্রে মেরিটাইম এবং ব্লু ইকোনমি সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে দুই দেশই।
এছাড়াও সামুদ্রিক বিষয়ে আরও এগিয়ে যেতে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন।
শিগগিরই দ্বিতীয় দফায় সামুদ্রিক সহযোগিতা সংলাপ আয়োজনে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।
প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে, সব পর্যায়ে এবং বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনী ও বিভাগের মধ্যে বিনিময় আরও জোরদার করতে এবং ব্যবহারিক সহযোগিতাও বাড়াতে রাজি হয়েছে চীন-বাংলাদেশ।
পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ও শান্তি বিনির্মাণের বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পৃক্ততা ধরে রাখতে একমত হয়েছে দুই দেশ।
মানবতার তাগিদে মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষা করতে হবে এবং জীবিকা নির্বাহ ও উন্নয়নের অধিকারগুলো সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক মানবাধিকার এ বিষয়ে দুই দেশই একমত হয়েছে।
সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সব দেশের মধ্যে মানবাধিকার বিষয়ে বিনিময় ও সহযোগিতা সমর্থন করে চীন ও বাংলাদেশ। এছাড়াও দুই দেশই মানবতার সাধারণ মূল্যবোধকে সমর্থন করে, মানবাধিকারের রাজনীতিকরণের বিরোধিতা করে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এজেন্ডার সব ক্ষেত্রে যৌথভাবে সুষ্ঠু অগ্রগতি প্রচারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আরও পড়ুন: শি-হাসিনার বৈঠক: বাংলাদেশকে অনুদান ও ঋণ সহায়তা দেবে চীন
৬০৩ দিন আগে
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান: একমত ঢাকা-বেইজিং
বাস্তুচ্যুতদের মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে সংলাপের প্ল্যাটফর্ম প্রদানসহ 'সর্বোত্তম সমর্থন অব্যাহত রাখার' প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুতদের সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় যে প্রত্যাবাসন, সে বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত প্রকাশ করেছে।
৮-১০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেইজিং সফর শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে এসব বিষয় জানানো হয়েছে।
উভয় পক্ষ সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করার জন্য মিয়ানমারের সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাখাইন রাজ্যে শত্রুতা বন্ধের ওপর জোর দিয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চীনের প্রশংসা করা হয় এবং রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত মানুষদের বিষয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য সংলাপের পথ প্রসারে গঠনমূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখতে চীনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
আরও পড়ুন: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়াতে সম্মত বাংলাদেশ-চীন
চীন বাস্তুচ্যুতদের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদানে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা ও দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যাবাসন ব্যবস্থা অনুসরণ করে পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করার জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে।
বাংলাদেশ কক্সবাজার ও ভাসানচরে ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে এবং ২০১৭ সালের ঘটনার পর থেকে একজন রোহিঙ্গাকেও প্রত্যাবাসন করা হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ থেকে ১০ জুলাই সরকারি সফর করেন।
সফরকালে শেখ হাসিনা শি'র সঙ্গে বৈঠক করেন এবং চীনা পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াং হুনিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতে গভীর মতবিনিময় করেছে ও বিস্তৃত ঐকমত্যে পৌঁছেছে।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘে প্রস্তাব গৃহীত
৬০৩ দিন আগে