বাংলাদেশ
দেশে আরও ৫ জনের করোনা শনাক্ত
শুক্রবার (২ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি। এসময় নতুন করে ৫ জনের শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
এ নিয়ে দেশে করোভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৩৪১ জনে। এছাড়া ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৯৯ জনের।
আরও পড়ুন: দেশে আরও ৬ জনের করোনা শনাক্ত
শনিবার (৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই সময় শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৪২ শতাংশ।
মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ জন। এ নিয়ে মোট করোনা থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৮ হাজার ৯৮৬ জনে।
আরও পড়ুন: দেশে আরও ৫ জনের করোনা শনাক্ত
দেশে আরও ৫ জনের করোনা শনাক্ত
৬৭০ দিন আগে
শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের সমাগম
ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছে।
শনিবার বিকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার নানা পেশাজীবীরা আসতে শুরু করেন শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে সংহতি জানাতে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ-আ. লীগ কর্মীর সঙ্গে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৬
এতে শিল্পী, শিক্ষার্থী, রিকশাচালকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন বলে ঘটনাস্থল থেকে ইউএনবির এই ফটো সাংবাদিক জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের পদত্যাগ চেয়ে শহীদ মিনার থেকে এক দফা দাবি জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এ ঘোষণা দেন।
আরও পড়ুন: বৈষম্যবিরোধী শিক্ষা আন্দোলনে ‘এক দফা’ দাবি ঘোষণা
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে 'অসহযোগ আন্দোলনের' জরুরি নির্দেশনা
৬৭০ দিন আগে
বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনে ‘এক দফা’ দাবি ঘোষণা
আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের পদত্যাগ চেয়ে এক দফা দাবি ঘোষণা করেছেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। এই দাবিকে তারা ‘শিক্ষার্থীদের দাবি’ বলে অভিহিত করেছেন।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে 'অসহযোগ আন্দোলনের' জরুরি নির্দেশনা
শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিশাল সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলমসহ কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়করা।
অসহযোগ আন্দোলনের পয়েন্ট ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, রবিবার থেকে তারা আন্দোলন বাস্তবায়ন করবেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করলেন শিক্ষার্থীরা
কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ-আ. লীগ কর্মীর সঙ্গে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৬
৬৭০ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করলেন শিক্ষার্থীরা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনের নেতারা।
প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, 'এ বিষয়ে অনেকে প্রশ্ন করছেন, বিশেষ করে সাংবাদিক বন্ধুরা। আমরা এই খুনি সরকারের সঙ্গে কোনো সংলাপে বসতে রাজি নই; আর রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না।’
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানাতে শহীদ মিনারে রিকশাচালকদের ভিড়
আসিফ তার পোস্টে বলেন, ‘তাদের সঙ্গে কথা বলার কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের দাবি খুব স্পষ্ট; তাদের কোনো বক্তব্য থাকলে তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতে পারে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও জনগণের সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। বুলেট ও সন্ত্রাসের সঙ্গে কোনো সংলাপ নেই।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চলমান পরিস্থিতি সমাধানে শিক্ষার্থীদের সংলাপের জন্য গণভবনের দরজা সব সময় খোলা।
তিনি বলেন, 'গণভবনের দরজা খোলা, যখনই আন্দোলনকারীরা এই সমস্যা সমাধানের জন্য আলোচনায় বসতে চায়, আমি তাদের সঙ্গে বসতে প্রস্তুত।’
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে 'অসহযোগ আন্দোলনের' জরুরি নির্দেশনা
কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ-আ. লীগ কর্মীর সঙ্গে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৬
৬৭০ দিন আগে
বিক্ষোভে ৩২ শিশু নিহতের বিষয়ে ইউনিসেফের বিবৃতির জবাব দিল সরকার
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে চলমান সহিংসতায় জুলাই মাসে ৩২ শিশু নিহত হয়েছে বলে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা- ইউনিসেফ যে বিবৃতি দিয়েছে, তার জবাব দিয়েছে সরকার।
শুক্রবার (২ আগস্ট) ইউনিসেফের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক সঞ্জয় উইজেসেকেরার এক বিবৃতিতে ওই পরিসংখ্যান তুলে ধরার একদিন পর শনিবার (৩ আগস্ট) তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে জবাব দিয়ে এক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেনের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন থেকে ইউনিসেফের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক সঞ্জয় উইজেসেকেরার দেওয়া বিবৃতি বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিবৃতিতে সঞ্জয় উইজেসেকেরার বলেছেন, ‘জুলাই মাসে বিক্ষোভের সময় অন্তত ৩২ শিশু নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে ইউনিসেফ। এছাড়া অনেক শিশু আহত এবং অনেককে আটক করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করলেন শিক্ষার্থীরা
বাংলাদেশ সরকারের কাছে ৩২ শিশু নিহত হওয়ার এ মুহূর্তে কোনো তথ্য নেই জানিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তাছাড়া ইউনিসেফের এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের এ বিবৃতিতে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই এবং নিহতদের নাম, পরিচয়, প্রোফাইল বা তালিকা উল্লেখ নেই। তবে ইউনিসেফের পক্ষ থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য সূত্রের উল্লেখসহ ৩২ জন শিশু মৃত্যুর তালিকা সরবরাহ করা হলে বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
শিশুসহ বাংলাদেশের মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত একটি মৃত্যুও কোনভাবেই সরকারের কাম্য নয় এবং কোটা আন্দোলনকে ঘিরে এই সহিংসতায় প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনা স্বাধীন বিচার বিভাগীয় কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত করে সরকারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বেআইনিভাবে শিশু আটকের বিষয়ে ইউনিসেফের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জ্ঞাতসারে কোনো শিশুকে বেআইনিভাবে আটক করেনি। তদুপরি কোথাও এ-সংক্রান্ত ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে তা জানা মাত্রই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে 'অসহযোগ আন্দোলনের' জরুরি নির্দেশনা
উল্লেখ্য, কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ সদস্য গিয়াস উদ্দিন হত্যা মামলায় ১৭ বছর তিন মাস আট দিন বয়সী এক কিশোরকে আইনের আওতায় নেয়ার যে বিষয়টি আলোচিত হয়েছে, সেক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য হলো, এই কিশোর সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় মাতুয়াইল হাসপাতালের বিপরীত পাশে এক পুলিশ সদস্যকে মেরে ঝুলিয়ে রাখার মামলায় ১৭ জন আসামির মধ্যে ১৬ নম্বর আসামি। সর্বশেষ তার রিমান্ডের আবেদন বাতিল করে শিশু আইন অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে তাকে গাজীপুরে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার সব সময় শিশুদের ব্যাপারে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং তাদের অধিকার সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর। শিশুদের নিয়ে যেকোনো আন্তর্জাতিক আইন, সনদ বা ঘোষণা মেনে চলতেও বাংলাদেশ সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। সাম্প্রতিক কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কয়েকজন শিশু নিহত হওয়ায় ঘটনায় সরকার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি শিশুদের হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। একইসঙ্গে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে যেকোনো অপপ্রচার বা গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে সরকার আহ্বান জানাচ্ছে।
৬৭০ দিন আগে
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে 'অসহযোগ আন্দোলনের' জরুরি নির্দেশনা
'অসহযোগ আন্দোলন' সফল করার লক্ষ্যে জনগণকে বেশ কিছু জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলন।
নির্দেশনায় সারাদেশে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করতে ব্যাপক পদক্ষেপের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ এক ফেসবুক পোস্টে এসব নির্দেশনা দেন।
আরও পড়ুন: ঢাকায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ: গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো অবরোধ
মূল নির্দেশাবলীর মধ্যে রয়েছে:
১. কোনো ট্যাক্স পেমেন্ট নয়: নাগরিকদের সব ধরনের ট্যাক্স বা লেভি পেমেন্ট আটকে রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।
২. বিল পরিশোধ স্থগিত: বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ, গ্যাস বা পানির বিল পরিশোধ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
৩. প্রতিষ্ঠান বন্ধ: অফিস-আদালত ও কলকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে কর্মচারীদের কাজে যোগ না দিয়ে মাস শেষে বেতন আদায়ে উৎসাহিত করা হয়েছে।
৪. শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত রাখা: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।
৫. রেমিট্যান্স সীমাবদ্ধতা: ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স না পাঠাতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
৬. সরকারি অনুষ্ঠান বর্জন: নাগরিকদের সমস্ত সরকারি সভা, সেমিনার ও ইভেন্ট বর্জনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
৭. বন্দর শ্রমিকদের ধর্মঘট: বন্দর শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে বা কোনো পণ্য খালাস না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ-আ. লীগ কর্মীর সঙ্গে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৬
৮. কারখানা বন্ধ: পোশাক কারখানাসহ কোনো কারখানা চালু থাকবে না। শ্রমিকদের ঘরে থাকতে বলা হয়েছে।
৯. গণপরিবহন স্থগিত: গণপরিবহন বন্ধ থাকবে, শ্রমিকরা যেন কর্মস্থলে না যায়।
১০. সীমিত সময় ব্যাংক চালু: জরুরি ব্যক্তিগত লেনদেনের জন্য প্রতি রবিবার ব্যাংক খোলা থাকবে।
১১. পুলিশ কর্তব্যের সীমাবদ্ধতা: পুলিশ অফিসারদের প্রোটোকল, দাঙ্গা বা প্রতিবাদের দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়, কেবলমাত্র রুটিন স্টেশনের কাজ সম্পাদন করতে বলা হয়েছে।
১২. অফশোর লেনদেন নিষিদ্ধ: মানি লন্ডারিং রোধে অফশোর ট্রানজেকশন বন্ধ থাকবে।
১৩. সামরিক বিধিনিষেধ: বিজিবি ও নৌবাহিনী ব্যতীত সেনাবাহিনী সেনানিবাসের বাইরে দায়িত্ব পালন করবে না। বিজিবি ও নৌবাহিনী ব্যারাক ও উপকূলীয় এলাকায় অবস্থান করবে।
১৪. আমলাতান্ত্রিক অনুপস্থিতি: আমলাদের সচিবালয়ে উপস্থিত না হতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসক বা উপজেলা কর্মকর্তাদের অফিসের বাইরে থাকতে বলা হয়েছে।
১৫. বিলাসবহুল পণ্যের দোকান বন্ধ: বিলাসবহুল পণ্য, শো-রুম, মল, হোটেল, মোটেল ও রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকবে।
হাসপাতাল, ফার্মেসি, জরুরি পরিবহন পরিষেবা, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা, ফায়ার সার্ভিস, মিডিয়া, প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন, জরুরি ইন্টারনেট পরিষেবা এবং জরুরি ত্রাণ সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলো অব্যাহত থাকবে। অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দোকানগুলো বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানাতে শহীদ মিনারে রিকশাচালকদের ভিড়
৬৭০ দিন আগে
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ
সারাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার কথা ছিল রবিবার (৪ আগস্ট)। তবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার কারণে গত ১৬ জুলাই সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ করে দেয় মন্ত্রণালয়।
৬৭০ দিন আগে
ফের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ বিক্ষোভকারীদের
সারা দেশে সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ীর সাইনবোর্ড এলাকা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা।
শনিবার (৩ আগস্ট) বিকালে আন্দোলনকারীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।
আরও পড়ুন: চলমান অস্থিরতার মধ্যে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দিয়েছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।
আরও পড়ুন: ৯ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে রাজশাহীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
৬৭০ দিন আগে
সংলাপের জন্য গণভবনের দরজা খোলা আছে: কোটা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গণভবনের দরজা খোলা। তাদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না।’
শনিবার (৩ আগস্ট) গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
এসময় তিনি বলেন, ‘আমি আবারও বলছি, আন্দোলনকারীরা চাইলে আমি এখনো আলোচনায় রাজি। তারা যেকোনো সময় (গণভবনে) আসতে পারে। দরকার হলে তারা তাদের অভিভাবকদের নিয়েও আসতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই। আমি তাদের কথা শুনতে চাই; শুনতে চাই- তাদের কী কী দাবি অপূর্ণ রয়ে গেছে।’
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হওয়ার প্রায় এক মাস পর এই প্রথম তিনি এ ধরনের ইঙ্গিত দিলেন।
বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কারো দাবির অপেক্ষায় থাকিনি।’
আরও পড়ুন: কোটা সহিংসতার প্রতিটি ঘটনা তদন্তে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি চাই এর সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন, পুলিশ হোক বা অন্য কেউ, তার বিচার হোক। যাদের কাছে অস্ত্র ছিল এবং যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের সবার বিচার ও তদন্ত হওয়া উচিত।’
শুধু ঢাকায় নয়, দেশের অন্যত্রও যেসব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড ঘটেছে, তার তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।
হাসিনা বলেন, ‘এজন্য আমি বিচার বিভাগীয় কমিশনে আরও দুজন বিচারক এবং তিনজন সদস্য নিয়োগ দিয়েছি।’
তদন্ত যাতে সুষ্ঠু হয়, সে কারণে তিনি কমিশনের কাজের পরিধি ও সময়ও বাড়িয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
যারা ‘হত্যাকাণ্ড’ ঘটিয়েছে তাদের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনতে চান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সেটাই চাই। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন, তাকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে; তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করা হবে।’
রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে পুলিশ সদস্য এ ঘটনার জন্য অভিযুক্ত হয়েছেন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার ব্যাপারে অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকেও বিচারের আওতায় আনা হবে।’
সহিংসতা ঘিরে গ্রেপ্তারদের মধ্যে থেকে শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একইসঙ্গে আটক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে যারা একেবারেই জড়িত নন, তাদের মুক্তি দেওয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছি; এটি শুরু হচ্ছে।’
যারা দোষী সাব্যস্ত হবে, তারাই কেবল কারাগারে থাকবে এবং বাকিরা মুক্তি পাবে উল্লেখ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে জামায়াত, শিবির ও বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী এসময় বিশ্ববিদ্যালয়, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রস্তাবিত সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয় স্কিম’ বাতিল করার ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা এটি পুরোপুরি বাতিল করছি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে এটি আওয়ামী লীগের অঙ্গীকার ছিল। এরপর সার্বিক বিষয়গুলো মাথায় রেখেই আমরা এই প্রকল্প চালু করি। আমরা সেখানে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রেখেছিলাম।’
প্রসঙ্গত, প্রত্যয় স্কিমকে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে এটি বাতিল করতে গত ১ জুলাই থেকে আন্দোলন করে আসছেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা।
৬৭০ দিন আগে
‘টেন মিনিট স্কুল’র ক্লাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্লাটফর্ম ‘টেন মিনিট স্কুল’ তাদের সব ধরনের অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।
শুক্রবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাতে অফিসিয়াল ফেসবুক থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, শনিবার থেকে টেন মিনিট স্কুলের ইংলিশ সেন্টারের সব লাইভ ক্লাস, রিভিশন ক্লাস ও অফলাইন ক্লাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
টেন মিনিট স্কুল ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করে। বিভিন্ন একাডেমিক, দক্ষতা উন্নয়ন এবং চাকরির প্রস্তুতি কোর্সের মাধ্যমে দেশের লক্ষাধিক শিক্ষার্থীকে পাঠদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
৬৭০ দিন আগে