রাজনীতি
উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় আরও ১৩ নেতাকে বহিষ্কার করল বিএনপি
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে অংশ নেওয়ায় তৃণমূলের আরও ১৩ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
নির্দেশনা উপেক্ষা করে উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় এ পর্যন্ত ২১৬ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে দলটি।
বুধবার(২২ মে) বিএনপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এসব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১৩ নেতাকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে বিএনপির শোক
বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এর আগে গত ৮ মে অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে অংশ নেওয়ায় ৭৯ জন তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কার করে দলটি। গত ২১ মে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ৬৯ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়।
আগামী ২৯ মে অনুষ্ঠেয় তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ৫৫ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
চার ধাপে ৪৯২টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, ৫ জুন চতুর্থ ধাপে ভোট হবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে উপজেলা নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে বিএনপি।
আরও পড়ুন: আজিজের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় খুশি হওয়ার কিছু নেই: দলীয় সহকর্মীদের উদ্দেশে ফখরুল
৬৫৩ দিন আগে
আজিজের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় খুশি হওয়ার কিছু নেই: দলীয় সহকর্মীদের উদ্দেশে ফখরুল
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার খবরে খুশি না হতে দলীয় সহকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (২১ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) প্রতিষ্ঠাতা শফিউল আলম প্রধানের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) একাংশ।
ফখরুল বলেন, অন্যের ওপর নির্ভর না করে নিজের শক্তি দিয়েই বর্তমান সরকারকে পরাজিত করতে হবে।
আরও পড়ুন: সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত ভিসা নীতির আওতায় নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি নিজের ঘর নিজে সামলাতে না পারি তবে অন্য কেউ আমার জন্য এটা করে দিবে না। আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞায় অনেকেই খুশি হতে পারেন। আমি মনে করি এটি বিভ্রান্তিকর এবং আমরা সবসময় বিভ্রান্ত হচ্ছি।’
আলোচনা সভায় বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, আমেরিকা এর আগেও র্যাব, এলিট ফোর্স ও পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল কিন্তু বর্তমান সরকারের ভয়াবহ যাত্রা থামাতে পারেনি।
ফখরুল আরও বলেন, ‘আমাদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে, নিজের শক্তি দিয়ে দাঁড়াতে হবে এবং নিজেদের শক্তি দিয়ে তাদের পরাজিত করতে হবে।’
উল্লেখ্য, 'উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে' জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
আরও পড়ুন: সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ ও তার পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযোগ্য
৬৫৪ দিন আগে
উপজেলা নির্বাচন: দ্বিতীয় ধাপে কয়েকটি জেলায় ভোট গ্রহণ চলছে
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে কয়েকটি জেলায় ভোট গ্রহণ আজ সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
খুলনার ৩টি উপজেলা- তেরখাদা, দিঘলিয়া ও ফুলতলা উপজেলায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে ১৩৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও ৪৩টিকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা এ টি এম শামীম মাহমুদ বলেন, তেরখাদা উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪ জন।
তিনি আরও বলেন, দিঘলিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩ জন। ফুলতলা উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ২ জন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানা গেছে, মোট ১৩৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে তেরখাদা উপজেলায় রয়েছে ৪৩টি, দিঘলিয়ায় ৫২টি ও ফুলতলায় ৪৩টি।
জেলা পুলিশ সূত্র বলছে, ৩ উপজেলায় তাদের আওতাধীন এলাকায় ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১১২টি। এর মধ্যে ৬৯টিকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ৪৫৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
খুলনা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, ৩ উপজেলার মধ্যে দিঘলিয়া ও ফুলতলার ২৬টি কেন্দ্র তাদের আওতাধীন। তারা সবগুলো কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করেছে। বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করে এই তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা, কোনো প্রার্থীর বাড়ির কাছে কেন্দ্র কি না, প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা এবং যাতায়াত ব্যবস্থা প্রভৃতি নেওয়া হয়েছে বিবেচনায়।
পুলিশ জানায়, প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ৩ জন পুলিশ ও ১৭ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবেন ৪ জন পুলিশ ও ১৭ জন করে আনসার সদস্য। এ ছাড়া পুলিশ ও র্যাবের টহল টিম দায়িত্ব পালন করবে।
খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান বলেন, সাধারণের তুলনায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ও নজরদারি থাকবে। তবে সাধারণ কেন্দ্রেও নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি থাকবে না।
এদিকে, বরিশালের হিজলা ও মুলাদী উপজেলায় চলছে ভোট। ২ উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নের ১২১ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
২ উপজেলার ১২১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৩ কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) চিহ্নিত করে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আরও পড়ুন: উপজেলা নির্বাচন: চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করল ইসি
বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, ২ উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সেখানে ১ হাজার ৪০০ পুলিশ সুষ্ঠু ভোটের লক্ষ্যে কাজ করছে। এছাড়া র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), নৌ পুলিশ, আনসার, কোস্ট গার্ডের পাশাপাশি অন্তত ৪০টি মোবাইল টিম রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এখানে কোনো অনিয়ম দেখলেই কঠোর হাতে দমন করা হবে। অপরদিকে, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে হিজলা ও মুলাদী উপজেলায় ৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
রবিবার থেকে তারা দায়িত্ব পালন শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন এই দুটি উপজেলার রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনদীপ ঘড়াই।
তিনি বলেন, হিজলা ও মুলাদী উপজেলায় ২ প্লাটুন করে মোট ৪ প্লাটুন বিজিবি ২৩ মে পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।
আরও পড়ুন: উপজেলা নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে ১৩০ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার
৬৫৪ দিন আগে
ভোটার উপস্থিতির যে কোনো সংখ্যাই গ্রহণযোগ্য: নির্বাচন কমিশনার আলমগীর
নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, জাতীয় বা স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভোট গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কত শতাংশ ভোট লাগবে সে বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ, প্রবিধান বা বাধ্যবাধকতা নেই।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না। ইসি যে কোনো শতাংশ ভোটে সন্তুষ্ট হবে।’
সোমবার(২০ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার আলমগীর ফসল কাটা, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর অনুপস্থিতির কারণকে অপ্রত্যাশিত ভোটার উপস্থিতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: পাবনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী সমর্থকদের ওপর হামলা, আহত ১০
তিনি আরও বলেন, ‘এটা নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা বা অনাস্থার বিষয় নয়। পছন্দের প্রার্থী না পাওয়া এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভোটার উপস্থিতি কমে গেছে। তবে কত শতাংশ ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক হবে, সে বিষয়ে ইসির কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।’
তিনি উল্লেখ করেন, দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও সহিংসতামুক্ত করতে নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। বিশ্বব্যাপী নির্বাচন নিয়ে মানুষের আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে এবং এটি আমাদের দেশের জন্য অনন্য কোনো সমস্যা নয়।’
তিনি আও বলেন, জনগণকে ভোটকেন্দ্রে না যেতে উদ্বুদ্ধ করতে লিফলেট বিতরণ করছে বিএনপি। এটা তাদের রাজনৈতিক অধিকার এবং তারা তা করতেই পারে। তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বরেও সতর্ক করেন ইসি।
আরও পড়ুন: উপজেলা নির্বাচন: চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করল ইসি
৬৫৫ দিন আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে বিএনপির শোক
হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ান ও তাদের সফরসঙ্গীদের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের মৃত্যু বাংলাদেশের জনগণকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে।
তিনি বলেন, ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যু মুসলিম বিশ্বের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি একজন অসাধারণ রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।
আরও পড়ুন: হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইরানি প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আশঙ্কা
তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, মহান আল্লাহ প্রেসিডেন্ট রাইসিসহ নিহতদের পরিবার ও ইরানের জনগণকে এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি দান করুন।
অপর এক শোকবার্তায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্টসহ অন্য কর্মকর্তাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য,রবিবার ঘন কুয়াশার মধ্যে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর সোমবার (২০ মে) ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
ইরান এখনও বিধ্বস্ত হওয়ার কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি বা হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার কারণে নাশকতার কোনও সন্দেহের ইঙ্গিত দেয়নি। তীব্র কুয়াশার মধ্যে পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয় বিমানটি।
আরও পড়ুন: অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা: রিজভী
৬৫৫ দিন আগে
অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা: রিজভী
ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা গরিব ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
আন্তর্জাতিক চা দিবস উপলক্ষে সোমবার (২০ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত এক মানববন্ধনে এই অভিযোগ তোলেন বিএনপির এই নেতা।
আরও পড়ুন: অপরিকল্পিত নগরায়নে গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়েছে দেশ: রিজভী
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল সীমিত করার সরকারি সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে রিজভী বলেন, এটি সমাজের নিম্নবিত্ত জনগোষ্ঠীকে তাদের বেঁচে থাকার উপায় থেকে বঞ্চিত করছে।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘এসব অটোরিকশা দীর্ঘদিন ধরে চলছে, প্রশাসনের কর্মকর্তা, এবং স্থানীয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের লোকজনদের কাছে চাঁদা পরিশোধ করে আসছে। তবুও সরকার এসব রিকশাচালকদের ওপর স্ট্রিমরোলার চালাচ্ছে।’
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার হতদরিদ্র চালকদের ওপর সরকারের অনৈতিক নির্যাতন ও অবিচারের নিন্দা জানান রিজভী।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিশ্চয়ই কোনো না কোনো দেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘এসব রিকশা আমদানির লাইসেন্স কে দিয়েছে এবং কে রাজধানী ও অন্যান্য শহরের সড়কে চলতে দিয়েছে? সরকার নিজেই এই অনুমতি দিয়েছে। যারা এসব রিকশা আমদানি করেছে তারা আওয়ামী লীগের। তাহলে যারা এগুলো যারা পরিচালনা করছে, তারা কি অপরাধী হয়েছে?’
রিজভী বলেন, বিভিন্ন মহলকে চাঁদা দেওয়ার পর যা থাকে তা দিয়ে অটোরিকশা চালকরা কোনোমতে সংসার চালান।
তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ওবায়দুল কাদের দামি ঘড়ি ও সানগ্লাস ব্যবহার করলে গরিবের দুর্দশা কীভাবে বুঝবেন। তিনি বলেন, ‘এদেশের মানুষ এখনো নির্যাতিত-নিপীড়িত। শুধু এক বেলার খাবার জোগাড় করার জন্য তাদের নানা কৌশল অবলম্বন করতে হয়।’
সরকার ব্যাপক লুটপাট চালিয়ে দেশের সব খাতকে ধ্বংস করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী।
গণআন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেতে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান রিজভী।
আরও পড়ুন: লুটপাট অর্থনীতিকে দুর্বল ও ভঙ্গুর করে: রিজভী
উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা আ. লীগের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ: রিজভী
৬৫৫ দিন আগে
বিএনপি নেতা ইশরাক কারাগারে
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার ইশরাক হোসেন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তা না মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন। ইশরাকের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ এ তথ্য জানান।
গত ২৯ অক্টোবর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টা দাবি করা মিঞা জাহিদুল ইসলাম আরেফি, ইশরাক ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দীর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার অভিযোগে পল্টন থানায় মামলা করেন মহিউদ্দিন শিকদার।
তৌহিদ বলেন, তার মক্কেল ইশরাক এই মামলায় ইতোমধ্যে একবার ছয় সপ্তাহের জন্য জামিন পেয়েছেন। সেই মেয়াদ প্রায় শেষ হওয়ার পথে তাই তিনি আবারও আদালতে জামিন আবেদন করেন।
তৌহিদ আরও জানান, পল্টন থানাসহ ১২টি মামলায় স্থায়ী জামিন আবেদন করেন বিএনপির এ নেতা। আদালত এই মামলা ছাড়া সব মামলায় জামিন মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আরেফি সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে সুপারিশ করেন এবং প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন।
বাদী আরও অভিযোগ করেন, ইশরাক ও সোহরাওয়ার্দী আরেফির বক্তব্যকে সমর্থন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের শান্তি বিঘ্ন করেন।
৬৫৫ দিন আগে
লুটপাট অর্থনীতিকে দুর্বল ও ভঙ্গুর করে: রিজভী
ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের ব্যাপক লুটপাট, দুর্নীতি ও অবৈধভাবে বিদেশে অর্থ পাচারের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন 'দুর্বল ও ভঙ্গুর' হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় ৫০ বিলিয়ন টাকা আত্মসাৎ হয়েছে, যে কারণে রিজার্ভ কমে গেছে। বর্তমানে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৩ বিলিয়ন ডলার। আসলে রিজার্ভ আছে মাত্র ৭ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলার।’
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রিজভী।
তিনি আরও বলেন, এই রিজার্ভও কমে যাবে কারণ বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া বিল মেটাতে সরকারকে ৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হবে।
রিজভী বলেন, ‘শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেখে মনে হচ্ছে একজন অপুষ্ট ও শ্যামবর্ণ নারীর ঠোঁটে লিপস্টিক লাগানো। একজন দুঃস্থ ও পীড়িত নারীকে প্রসাধনী দিয়ে সাজালে যেমন দেখাবে বাংলাদেশের অর্থনীতির চেহারাও তেমন হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি অসুস্থ।’
ভেঙে পড়া অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশের পরিস্থিতি এমন যেন একটি শূন্য অতল গহ্বরে বসবাস করছি, যেখানে পায়ের নিচে মাটি নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু ব্যাংক থেকেই ১২ হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। এটা আমার বক্তব্য নয়; এটা সিপিডির বক্তব্য। আমাদের জিডিপির প্রায় ১২ শতাংশ এভাবে হারিয়ে গেছে। এটা কি কল্পনা করা যায়?'
শুধু ব্যাংক হিসাব থেকেই ৯২ হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে গেছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘লুটেরা কারা? কারা এই অলিগার্ক? এরা সবাই ক্ষমতার ঘনিষ্ঠ মানুষ। তারা হয় আওয়ামী লীগের লোক নয়তো আওয়ামী লীগের অর্থের জোগানদাতা। তারা প্রচুর ধন-সম্পদ ও অর্থের মালিক।’
এ সময় রিজভী জানান, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯ কোটি টাকা।
'সাংবাদিকদের বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকতে হবে না'- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'বাংলাদেশ ব্যাংক কি নিষিদ্ধ স্থান নাকি সেনানিবাস?
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক জনগণের আমানত রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি প্রতিষ্ঠান। এটি সর্বদা জবাবদিহির ক্ষেত্রের মধ্যে থাকা উচিত ... সাংবাদিকরা সেখানে যেতে পারেন।’
রিজভী বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতারা কীভাবে জনগণের অর্থ লুটপাট করছে সে সম্পর্কে দেশের জনগণ বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যাতে জানতে না পারে সেজন্য সাংবাদিকদের বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
মঙ্গলবার দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা জনগণের কাছে যাচ্ছেন, ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়ে লিফলেট বিতরণ করছেন।
রিজভী বলেন, ‘জনগণ মনে করে, এই ডামি সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেওয়া মানে গণতন্ত্র, সত্য ও ন্যায়বিচারের বিরুদ্ধে যাওয়া। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণ প্রথম দফায় যেভাবে নির্বাচন বর্জন করে আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছিল, সেভাবেই তারা সাড়া দেবে।’
মঙ্গলবার ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে দেশের জনগণ আবারও আওয়ামী লীগ সরকারকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
৬৫৬ দিন আগে
বাংলাদেশের আর্থিক খাত রেড জোনে: অলি আহমেদ
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশের আর্থিক খাত এখন রেড জোনে প্রবেশ করেছে।
শনিবার (১৮ মে) বিকালে রাজধানীর মগবাজারে নিজ দলের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে কর্নেল অলি বলেন, বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এটি দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং জাতির সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় মুদ্রার তারল্য সংকটের মধ্যে বাংলাদেশের ব্যাংকের রিজার্ভ এখন আশঙ্কাজনকভাবে কমছে। মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় ব্যবসায় স্থবিরতা বিরাজ করছে। গত দুই বছরে স্থানীয় মুদ্রার ৩৮-৫১ শতাংশ অবমূল্যায়ন হয়েয়েছে। ব্যাংকগুলোর মধ্যে নগদ প্রবাহও কমেছে। বাংলাদেশের আর্থিক খাত রেড জোনে প্রবেশ করেছে- যা উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়।’
প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দেশের অর্থনীতি এখন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাওয়ায় যেকোনো সময় মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়তে পারে। ‘আমরা মনে করি, এ অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে দেশ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা অনিবার্য বিশৃঙ্খলার দিকে ধাবিত হবে। এমনকি এটি নিয়ন্ত্রণের বাইরেও চলে যেতে পারে।’
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ছাত্রলীগ ও এলডিপির সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ২, এলডিপি মহাসচিব আটক
দেশ পরিচালনায় সরকারের ব্যর্থতার জন্যও দেশের বর্তমান অবস্থাকে দায়ী করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার গত ১৫ বছর ধরে বাকশালী নীতিতে দেশ শাসন করছে। আমি তাদের বলব, আল্লাহর ওয়াস্তে, এটা বন্ধ করুন এবং জনগণকে তাদের ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠনের সুযোগ দিন।’
তাকে ছাড়া দেশ চলবে না- এমন ভুল ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানান এলডিপি নেতা।
সাবেক মন্ত্রী কর্নেল অলি ক্রমবর্ধমান বেকারত্বের হার, বৈদেশিক ঋণ, খেলাপি ঋণ, দুর্নীতি, অনিয়ন্ত্রিত দ্রব্যমূল্য, মাদকের বিস্তার, রাস্তাঘাটের অব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা, বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতনসহ বিভিন্ন মামলায় জড়ানো ও মিথ্যা মামলায় জেলে ঢোকানোর মতো বিষয়গুলো উল্লেখ করে দেশের করুণ অবস্থার চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকার প্রতিপক্ষ ও সাধারণ মানুষকে নির্যাতন ও দমন করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার ইচ্ছামতো নতুন আইন প্রণয়ন করছে। ‘দেশে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে দেশে আর কখনো শান্তি ফিরে আসবে না, অস্বস্তিকর পরিস্থিতি কখনো শেষ হবে না।’
আরও পড়ুন: গুলির ঘটনায় এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ানের জামিন নামঞ্জুর
এমতাবস্থায় তিনি কৃষক, শ্রমিক, যুবক, ছাত্রসহ সর্বস্তরের জনগণকে দেশে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নতুন উদ্যমে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
কর্নেল অলি বলেন, বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে তাদের দল শিগগিরই বর্তমান সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবে। ‘সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এই বাকশাল সরকারকে উৎখাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
তিনি ভারত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ধ্বংস এবং দেশে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য ভারত সরকার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দায়ী।
অলি বলেন, ‘ভারতের জনগণের প্রতি আমাদের কোনো নেতিবাচক মনোভাব নেই। আমরা আশা করি, বাংলাদেশের জনগণ ও ভারতের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেবে। ভারত সরকার কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা দলের সঙ্গে মেলামেশা করা থেকে বিরত থাকবে।’
আরও পড়ুন: কর্নেল অলি আহমদের গাড়িতে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা ?
৬৫৭ দিন আগে
সাংবাদিকদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশের প্রয়োজন নেই, সব তথ্য ওয়েবসাইটে আছে: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশের কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ তাদের প্রয়োজনীয় সব তথ্য ব্যাংকের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘কোন দেশে অবাধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ঢোকা যায়? যে কেউ কি ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশ করতে পারে? সবকিছুই ওয়েবসাইটে আছে। কেন আপনার প্রবেশ করা দরকার?’
আরও পড়ুন: সন্তোষজনক ভোটার উপস্থিতিতে স্থানীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে: হাছান মাহমুদ
শনিবার(১৮ মে) রাজধানীর ঢাকার ধানমন্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তাদের প্রবেশাধিকার নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
র্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'নৈশভোজের পর সাংবাদিকদের সামনে তার বক্তব্য যথাযথভাবে প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে একবার কথা বললেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তিনি (প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা) হয়তো মার্কিন আসিসট্যান্ট সেক্রেটারিকে এটি (নিষেধাজ্ঞা) প্রত্যাহার করতে বলেছেন।’
বিএনপির ভারতবিরোধী অবস্থান প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, তিনি গণমাধ্যমে দেখেছেন বিএনপি তাদের ভারতবিরোধী অবস্থান পুনর্বিবেচনা করবে। ‘বিরোধিতা না করে তারা কি মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে পারে? তাদের হাতে কোনো বিষয় নেই, তারা তাদের অস্তিত্বের জানান দিতেই কিছু নিয়ে আসে। শেষ পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থান থেকে সরে এসে তাদের লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে আশ্রয় নিতে হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বিএনপির সমাবেশ মানেই অগ্নিসংযোগ-ধ্বংসযজ্ঞ-রক্তপাত: ওবায়দুল কাদের
৬৫৭ দিন আগে