রাজনীতি
সংকট মোকাবিলায় অর্থনীতির দুর্বৃত্তায়ন বন্ধ করুন: জিএম কাদের
দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়ন বিস্তার করে চলমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের চিন্তা অবাস্তব বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
তিনি বলেন, অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সমাজের সবক্ষেত্রে জবাবদিহির ব্যবস্থা থাকা উচিত। 'তবেই দেশে সুশাসন আসবে।’
শনিবার (২৯ জুন ) সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জিএম কাদের বলেন, সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে অবাধ দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
সরকার অফশোর ব্যাংকিং চালু করে অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ বৈধ করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
জিএম কাদের আরও বলেন, সরকার শুধু ট্যাক্স দিয়ে কালো টাকা সাদা করার মাধ্যমে দুর্নীতি থেকে দায়মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।
দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি ও গোষ্ঠী, ব্যাংক খেলাপি, অর্থ পাচারকারীদের সমন্বয়ে একটি অভিজাত ও অতি ধনী শ্রেণি তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের অর্থনীতির মূলধারায় আনতে প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।’
জিএম কাদের বলেন, কোভিড মহামারি এবং ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশে বড় সমস্যা তৈরি করেনি। বরং আসল সমস্যা জবাবদিহির অভাব, যার ফলে সুশাসনের অভাব তৈরি হয়েছে।
জাতীয় পার্টি প্রধান বলেন,‘এর ফলে সমাজের প্রতিটি স্তরে দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়ন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সংশ্লিষ্ট নীতি ব্যক্তি স্বার্থ ও গোষ্ঠী স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত হয়।’আরও পড়ুন: সিন্দবাদের দৈত্যের মতো দেশ শাসন করছে আ.লীগ সরকার: জিএম কাদের
তিনি আরও বলেন, এক কথায় বলা যায়, অর্থনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন বন্ধে সুশাসনের অভাব কাটিয়ে ওঠা ছাড়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে না।
জিএম কাদের বলেন, বাজেটে মূল সমস্যার কোনো স্বীকৃতি নেই, এ সমস্যা সমাধানে কোনো দিকনির্দেশনাও নেই। ‘বরং সমস্যার কারণগুলোকে উৎসাহিত করার চেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। তাই বিদ্যমান অর্থনৈতিক সমস্যার টেকসই ও স্থায়ী সমাধান শিগগিরই আশা করা যায় না।’
ব্যাংকিং খাতের অব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে জিএম কাদের বলেন, ব্যাংকিং খাত নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে, আর এর কারণ খারাপ ঋণ।
কালো টাকা সাদা করার প্রস্তাবের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, অনেকে বলেছেন এটা সংবিধানসম্মত নয়।
আরও পড়ুন: ব্যাংক সংকট সমাধানে সরকার ব্যর্থ : জিএম কাদের
জিএম কাদের বলেন, 'এই সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশের পরিবর্তে ৫০-৬০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি।’
বিদ্যুৎ খাতের সমালোচনা করে জিএম কাদের বলেন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক সমস্যা তৈরি করেছে।
উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে এটা সত্য, কিন্তু অর্ধেক কাজে লাগানো যাচ্ছে না। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এর অর্ধেক অর্থাৎ প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট অব্যবহৃত উৎপাদন, বেসরকারি মালিকদের ভাড়া বা ক্যাপাসিটি চার্জের একটি বড় অংশ দিতে হয় বৈদেশিক মুদ্রায়।
অফশোর ব্যাংকিং আইনের সমালোচনা করে জিএম কাদের বলেন, অফশোর ব্যাংকিং আইনের মাধ্যমে বড় ধরনের ছাড় বা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।
দেশের রিজার্ভের সঠিক পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, গণমাধ্যমে যা শোনে মানুষ তা বিশ্বাস করে, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বক্তব্য জনগণ বিশ্বাস করে না।আরও পড়ুন: পুরান ঢাকায় হরিজন উচ্ছেদ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন চুন্নু
৭০৫ দিন আগে
খালেদার নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে পরিণতি ভোগ করতে হবে: মির্জা ফখরুল
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দ্রুত নিঃশর্ত মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এর ব্যতিক্রম হলে ভয়াবহ পরিণতি হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
ফখরুল বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, অবিলম্বে (কোনো শর্ত ছাড়াই) আমাদের নেত্রীকে মুক্তি দিন। অন্যথায়, যেকোনো পরিণতির জন্য আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
আরও পড়ুন: ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করাই আ. লীগের লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে শনিবার (২৯ জুন) রাজধানীর নয়া পল্টনের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, দেশের জনগণ খালেদা জিয়াকে আর কারাগারে থাকতে দেবে না।
বর্তমান লুটেরা সরকারের হাতে দেশ নিরাপদ নয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরাতে রাজপথে নামতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের দুঃশাসন থেকে দেশকে রক্ষা এবং মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে তার দল আন্দোলন জোরদার করবে।
ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে খালেদা জিয়াসহ বিএনপির অনেক নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছে সরকার।
বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের ভূমিকার কথা স্মরণ করে ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া ও দেশের গণতন্ত্রকে আলাদা করার কোনো সুযোগ নেই।
প্রকৃতপক্ষে গত বছরের ২৮ অক্টোবরের ঘটনাপ্রবাহের পর আট মাসের মধ্যে এটিই বিএনপি আয়োজিত প্রথম বড় সমাবেশ।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশ স্বাধীনতা হারাবে: মির্জা ফখরুল
তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের অনুপস্থিতিতে দেশ এখন চোর ও লুটেরাদের দ্বারা পরিপূর্ণ।
এ অবস্থায় খালেদা জিয়াকে বিনা শর্তে কারাগার থেকে মুক্ত করতে এবং দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দৃঢ় সংকল্প নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের রাজপথে নামার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে চাই। চোর-অপরাধীরা যখন মুক্তি পাচ্ছে, তখন তাকে মুক্ত করতে সমস্যা কোথায়?’
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে, কারণ তারা বিশ্বাস করেন তাকে ছাড়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে না।
সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন মির্জা ফখরুল
৭০৫ দিন আগে
‘যেমন নেত্রী তার তেমন সভাসদ’: বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘এ সময় কোনো চুক্তি সই হয়নি, অথচ বিএনপি নেতারা গলা ফাটিয়ে বলে যাচ্ছেন চুক্তি সই হয়েছে।’
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে কিছু সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, আর কিছু নবায়ন করা হয়েছে। কোনো চুক্তি সই হয়নি। আর সমস্ত সমঝোতা স্মারক দেশের স্বার্থেই করা হয়েছে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব নাকি ঢাকা কলেজে পড়াতেন, বিএনপির আরও কিছু নেতাসহ ড. মঈন খানও শিক্ষিত। চুক্তি আর সমঝোতা স্মারকের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারা বিএনপির শিক্ষিত নেতারা কেন অশিক্ষিতের মতো কথা বলছেন সেটি আমার বোধগম্য নয়।’
আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই ভারতের সঙ্গে সমঝোতা সই-নবায়ন করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. হাছান বলেন, ‘তাদের নেত্রী বলেছিলেন সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে বাংলাদেশ যুক্ত হলে দেশের সমস্ত গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাবে, তারা কানেক্টিভিটির মর্ম বোঝার কথা নয়। যেমন নেত্রী তেমন তার সভাসদ, সেজন্যই তারা এসমস্ত আবোল-তাবোল কথা বলছেন, বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।’
শনিবার (২৯ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে 'গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৫ বছর উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু' শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. হাছান বলেন, ‘কোনো কোনো পীর সাহেবও দেখছি লাফাচ্ছেন। অথচ গাজায় প্রায় ৩৮ হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মিছিল নিয়ে লাফাতে দেখি না। বিএনপি আর জামায়াতও এ নিয়ে একটি শব্দ বলেনি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের বুকের উপর দিয়ে নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি সই করেছি, ভুটানের সঙ্গেও আলাপ-আলোচনা চলছে। এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির স্বার্থেই সেই কানেক্টিভিটিকে আমরা আরও বাড়াতে চাই। নেপাল ও ভুটানকেও যুক্ত করতে চাই। কিন্তু বিএনপি সেটি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের সমস্ত অর্জন আওয়ামী লীগের হাত দিয়েই অর্জিত। ৭৫ বছরের কণ্টকাকীর্ণ পথচলায় আওয়ামী লীগ সবসময় অগণতান্ত্রিক ও অপশক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের চক্ষুশূল হয়েছে।
চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগ এই সেমিনারের আয়োজন করে।
আরও পড়ুন: আইইউটি সমাবর্তন: তরুণদের দেশ ও বিশ্বমানবতার সেবায় ব্রতী হতে আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
চট্টগ্রাম ৭ আসনের সংসদ সদস্য হাছান বলেন, পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খাঁন মার্শাল ল' জারির পর বঙ্গবন্ধুসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। স্বাধীনতাযুদ্ধে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে। স্বাধীনতার পরও জিয়াউর রহমান ও এরশাদ দুই সামরিক স্বৈরশাসকই আওয়ামী লীগের ওপর অত্যাচার নির্যাতন চালিয়েছে।
২০০৭ সালেও ভিন্ন খোলসে প্রকৃতপক্ষে সামরিক শাসন চলেছে বলে উল্লেখ করেন হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, ২০০৭ সালে সমাজে বুদ্ধিজীবী পরিচয় দেওয়া কিছু ব্যক্তিকে ভাড়া করে সামনে দিয়ে প্রকৃতপক্ষে সামরিক শাসনই চালু করা হয়েছিল। সেই সময় দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ বিএনপির দুর্নীতি আর দুঃশাসনের অভিযোগ তুলে যেই শাসক এসেছিল, তারা তো প্রথমেই বেগম খালেদা জিয়াকেই গ্রেপ্তার করার কথা। কিন্তু তারা সেটি না করে প্রথমে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করেছে। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতারা সবসময় অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী শক্তির চক্ষুশূল ছিল।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অধ্যাপক মো. মঈনুদ্দীন, আবুল কালাম আজাদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক দেবাশীষ পালিত বক্তব্য রাখেন।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়া স্বেচ্ছায় বেসরকারি হাসপাতালে গেছেন, এর দায় সরকারের নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৭০৫ দিন আগে
খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ চলছে
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে দলের সমাবেশ চলছে।
শনিবার দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সামবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সকাল থেকেই নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দলের নেতাকর্মীরা। নানা রকম ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও শীর্ষ নেতাদের ছবিসহ মিছিল নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন দলটির নেতাকর্মীরা।
বড় মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন সহযোগী সংগঠন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিএনপির ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বুধবার সারাদেশে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ করছে দলটি।
এ ছাড়া আগামী ১ জুলাই সব মহানগর এবং ৩ জুলাই সব জেলা সদরে সমাবেশ করবে বিএনপি।
গত ২২ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানের বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে খালেদা জিয়াকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরদিন অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল সফলভাবে তার বুকে পেসমেকার প্রতিস্থাপন করেন। তিনি এখন হাসপাতালের সিসিইউ সুবিধাসহ একটি কেবিনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
২০২২ সালের ১১ জুন খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে তিনটি ব্লকেজ ধরা পড়ে, যার মধ্যে একটি ৯৫ শতাংশ ব্লক হয়ে গিয়েছিল এবং সে সময় স্টেন্ট বসানোর মাধ্যমে তার চিকিৎসা করা হয়েছিল।
৭৯ বছর বয়সি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।
২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ডের অধীনে বেশ কয়েকবার চিকিৎসা নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। পরে ওই বছরই আরেকটি দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সরকার ২০২০ সালের ২৫ মার্চ এক নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তার গুলশানের বাসায় অবস্থান এবং দেশত্যাগ না করার শর্তে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এরপর তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে একাধিকবার।
২০২১ সালের নভেম্বরে খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিচ্ছেন।
গত বছরের ২৬ অক্টোবর খালেদা জিয়ার পেটে ও বুকে পানি জমে যাওয়া ও লিভারে রক্তক্ষরণ বন্ধে ট্রান্সজুগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিপস প্রসিডিউর) নামে পরিচিত হেপাটিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়াকে সিসিইউ সুবিধাসহ কেবিনে স্থানান্তর
৭০৫ দিন আগে
শিগগিরই আবার যুগপৎ আন্দোলন করবে বিএনপি: ফখরুল
'দখলদার' আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে বিএনপি শিগগিরই আরেক দফা যুগপৎ আন্দোলনে নামবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ ফ্যাসিবাদী, দানবীয় ও দখলদার সরকারকে অপসারণ করতে আমরা যারা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করছি তারা একসঙ্গে বসে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কর্মসূচি গ্রহণ করব যাতে শিগগিরই একটি গণমুখী ও গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা যায়। আশা করছি আমরা সফল হব।’
শুক্রবার (২৮ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ওয়ার্কার্স পার্টির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
গণতন্ত্রের স্বার্থে সব বিরোধী গণতান্ত্রিক দল একযোগে কাজ করতে সম্মত হয়েছে উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, ‘আমি মনে করি, বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।’
আরও পড়ুন: আজিজ-বেনজীরের মতো অনেক দুর্নীতিবাজকে আশ্রয় দিয়েছে আ. লীগ সরকার: ফারুক
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টিসহ অধিকাংশ বিরোধী দল গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য যুগপৎ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এ লক্ষ্য অর্জনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের আন্দোলন কখনো ব্যর্থ হবে না। আমরা অবশ্যই বিজয়ী হব।’
গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে এই যাত্রা বাধাগ্রস্ত হওয়াটা দুর্ভাগ্যজনক।’
ফখরুল বলেন, গণদাবি মেনে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সেই ব্যবস্থা বাতিল করে দেশকে অস্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়ে আওয়ামী লীগ আবারও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে বলে দুঃখ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘সেই প্রক্রিয়া এখনও চলছে। সরকার এখন এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছে।’
আরও পড়ুন: ছয় মাস পরপর খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো সরকারের একটা খেলা: ফখরুল
গণতন্ত্রের অভাবে সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে রেখে বাংলাদেশ সবচেয়ে সংকটময় সময় পার করছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।
এই অবস্থায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনকে নিঃশর্তে কারাগার থেকে মুক্ত করতে এখন জোর আন্দোলন অপরিহার্য বলে মনে করেন ফখরুল। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়। এই দুটো বিষয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’
খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ উল্লেখ করে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান ফখরুল।
খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এরইমধ্যে রাজধানীতে সমাবেশসহ তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ফখরুল আরও বলেন, 'আমরা তার মুক্তির জন্য বিশেষভাবে এসব কর্মসূচি দিয়েছি। কারণ, খালেদা জিয়া ও গণতন্ত্র সমার্থক। আমরা গণতন্ত্র রক্ষা ও খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলন শুরু করেছি।’
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিএনপির ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
৭০৬ দিন আগে
আজিজ-বেনজীরের মতো অনেক দুর্নীতিবাজকে আশ্রয় দিয়েছে আ. লীগ সরকার: ফারুক
আওয়ামী লীগ সরকার আজিজ আহমেদ ও বেনজীর আহমেদের মতো অসংখ্য দুর্নীতিবাজকে আশ্রয় দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক।
শুক্রবার (২৮ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এ অভিযোগ করেন তিনি।
ভারতের সঙ্গে 'অবৈধ সরকারের অবৈধ চুক্তির' প্রতিবাদে এ বিক্ষোভের আয়োজন করে বিরোধীদলীয় মঞ্চ প্রজন্ম বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: বারবার একতরফা নির্বাচন করে নিজেদের অস্তিত্ব বিপন্ন করছে আওয়ামী লীগ: ফারুক
বিক্ষোভে ফারুক প্রশ্ন করেন, ‘এখন কোথায় বেনজির (সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ), আজিজ (সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ), মতিউর (রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান)?’
তিনি আরও বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব (ট্যাক্স, লিগ্যাল অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের মতো নতুন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তির আবির্ভাব হয়েছে।
ফারুক বলেন, ‘বাংলাদেশে সরকারের আশ্রয়ে অসংখ্য ব্যক্তি লুটপাট করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন, বিদেশে ঘরবাড়ি বানিয়েছেন। তারা রাতে সাঁতার কাটার জন্য সুইমিং পুলসহ প্রাসাদও তৈরি করেছিল। এই মানুষগুলোর মুখোশ উন্মোচন করে দিতে হবে, তা না হলে বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের কখনো ক্ষমা করবে না।’
সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে সরকারকে সমর্থন করায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সমালোচনা করেন সংসদের সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ফারুক।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ খুবই সচেতন। গুটিকয়েক আমলার সমর্থন নিয়ে আপনি ক্ষমতায় আছেন। আপনারা একদিনের জন্যও বাংলাদেশের মানুষের মন জয় করতে পারেননি।’
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী দিল্লি থেকে এবার কী নিয়ে আসেন তা দেখার অপেক্ষায় মানুষ: ফারুক
ফারুক বলেন, দেশের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে প্রহসন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নেতাদের আত্মীয়দের যুক্ত করে উপজেলা নির্বাচনেও একই প্রক্রিয়া চালিয়েছে।
তিনি বলেন, যে আওয়ামী লীগ পাঁচ মিনিট সংসদে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে এবং হেলিকপ্টারে ব্যালট বাক্স এনে এমপি বানিয়েছে, তারা আবারও ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছে।
বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করতে রেললাইন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ভারত সরকারের পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে এই অসম চুক্তি আমরা মেনে নেব না। দেশের মানুষ তাদের মেনে নিতে পারছে না। এসব অন্যায্য চুক্তি প্রত্যাহার করুন।’
ভারতের সঙ্গে এসব অসম চুক্তির বিরুদ্ধে জনগণকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে বিএনপিকে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার আহ্বান জানান ফারুক।
আরও পড়ুন: সরকারের সহায়তায় দেশ ছেড়েছেন বেনজীর: ফারুক
৭০৬ দিন আগে
অপশক্তিকে রুখে দিতে দেশের তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান কাদেরের
সব অপশক্তিকে রুখে দিতে দেশের তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
শুক্রবার (২৮ জুন) সকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের উদ্যোগে প্রায় ১ হাজার ৫০০ সাইক্লিস্ট নিয়ে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ‘সুস্থতার জন্য সাইক্লিং’ উপলক্ষ্যে এই শোভাযাত্রা কাদের এ আহ্বান জানান।
শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তারা।
এর আগে ওবায়দুল কাদের শোভাযাত্রাটির উদ্বোধন করবেন।
আরও পড়ুন: বিশ্বজুড়েই দুর্নীতি একটি বাস্তবতা: ওবায়দুল কাদের
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র আতিকুল বলেন, সুস্থ থাকতে হলে আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে হবে। এ জন্য সাইক্লিংয়ের কোনো বিকল্প নাই।
ভবিষ্যতে ডিএনসিসি এলাকায় আলাদা সাইকেন লেন ও নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক সাইক্লিং ইভেন্ট আয়োজনের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
শোভাযাত্রায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক; ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম; দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া; উপদপ্তর সম্পাক সায়েম খান; মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলুর রহমান, ডিএনসিসির কাউন্সিলরসহ অনেকে।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার আমলেই বাংলাদেশের সেরা সড়ক নির্মিত হয়েছে: কাদের
৭০৬ দিন আগে
ছয় মাস পরপর খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো সরকারের একটা খেলা: ফখরুল
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা ছয় মাস পরপর স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি তার কারাবাস দীর্ঘায়িত করতে এবং তার ভাগ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সরকারের একটি সুপরিকল্পিত খেলা বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া দুই বছরের বেশি সময় একটি জরাজীর্ণ ও নির্জন কারাগারে কাটিয়েছেন। এরপর তাকে পিজি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে তিনি কোনো চিকিৎসা পাননি... অবশেষে সাজা স্থগিত করে তাকে বাসায় পাঠানো হয়। এখানে আরও একটি কৌশল রয়েছে।’
এর ব্যাখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, সরকার ছয় মাস পর পর সাজা স্থগিত করায় বিএনপি চেয়ারপারসনের সাজা কমছে না।
তিনি বলেন, 'যখন তারা প্রয়োজন মনে করবে তখন সাজা পুনর্বহাল করা হবে। এটা আরেকটা কূটকৌশল। এর অর্থ কারাদণ্ড আরও দীর্ঘায়িত করা।’
বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে বক্তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে এবং জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করতে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ফখরুল।
রাজনৈতিক কারণে, আইনের অপব্যবহার করে বিএনপি চেয়ারপারসনকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন মৃত্যুর বিরুদ্ধে বেঁচে থাকার লড়াই করতে হয় তাকে।’
সামগ্রিক গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির আন্দোলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়া অভিন্ন ও অবিচ্ছেদ্য। আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে পারলে গণতন্ত্রও পুনরুদ্ধার করতে পারব।’
তিনি খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ এবং তার অনৈতিক কারাবাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য সর্বস্তরের জনগণকে আহ্বান জানান।
গত ২২ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানের বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে খালেদা জিয়াকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
পরদিন অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল সফলভাবে তার বুকে পেসমেকার বসান। তিনি এখন হাসপাতালের সিসিইউ সুবিধাসহ একটি কেবিনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
২০২২ সালের ১১ জুন খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর মধ্যে একটি ৯৫ শতাংশ ব্লক ছিল। সে সময় স্টেন্ট বসানোর মাধ্যমে তার চিকিৎসা করা হয়।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।
২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ডের অধীনে নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। পরে ওই বছরই আরেকটি দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সরকার ২০২০ সালের ২৫ মার্চ এক নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তার গুলশানের বাসায় অবস্থান এবং দেশত্যাগ না করার শর্তে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এরপর থেকে তাকে কারাগারের বাইরে থাকার মেয়াদ একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে।
২০২১ সালের নভেম্বরে খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
গত বছরের ২৬ অক্টোবর খালেদা জিয়ার পেটে ও বুকে পানি জমে যাওয়া ও লিভারে রক্তক্ষরণ বন্ধে ট্রান্সজুগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিপস প্রসিডিউর) নামে পরিচিত হেপাটিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
৭০৭ দিন আগে
খালেদা জিয়া স্বেচ্ছায় বেসরকারি হাসপাতালে গেছেন, এর দায় সরকারের নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপিনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বেচ্ছায় বেসরকারি হাসপাতালে গেছেন, সেখানে চিকিৎসা সেবার বিষয়ে দায় সরকারের নয়।
'সম্প্রতি এভারকেয়ার হাসপাতালে বেগম জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর সরকারের ওপর বিষোদগার' বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনার্য প্রকাশনী প্রকাশিত ড. সুবল রোজারিও প্রণীত গবেষণাগ্রন্থ 'হায়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ' এবং নাট্যব্যক্তিত্ব জুয়েল কবির রচিত 'আমি প্রীতিলতা' নাট্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন মন্ত্রী।
আরও পড়ুন: জ্বালানি-তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে সুইডেনকে বিনিয়োগের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
প্রকাশক সফিক রহমান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।
'বেগম জিয়ার অসুস্থতায় রিজভীও ফখরুলের মতো কেঁদেছেন কি না' প্রশ্ন রেখে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এভারকেয়ার হাসপাতাল সরকারি নয়, বেসরকারি। সেখানে চিকিৎসার বিষয়ে সরকারের কোনো দায় নেই। তারা যদি অ্যাম্বুলেন্স, ইনজেকশন না দিয়ে থাকে সে বিষয়ে তারাই বলতে পারবে।
এ সময় বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-কলকাতা, খুলনা-কলকাতা রেল যোগাযোগ তো রয়েছেই। শুধু ভারত নয়, নেপাল, ভুটানসহ আঞ্চলিক 'কানেক্টিভিটি'র জন্য কাজ চলছে। আর আমাদের সঙ্গে ভারতের নানা অঞ্চলের যোগাযোগ বহুদিন ধরে। ১৯৬৫ সালের পরে অনেক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সেগুলো আবার চালু করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই ভারতের সঙ্গে সমঝোতা সই-নবায়ন করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এ সময় ভারতের মধ্য দিয়ে নেপাল ও ভুটানে চলাচল সম্ভব হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়ে বলেন, ভারতের ওপর দিয়ে আমরা ইতোমধ্যেই নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি করেছি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সদ্যসমাপ্ত ভারত সফরে সে দেশের ওপর দিয়ে নেপাল ও ভুটানে মালামাল পরিবহন বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে লন্ডন থেকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য নিয়ে প্রশ্নে ড. হাছান বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি নেই, সেটি একটি প্রতিবন্ধকতা। কিন্তু সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের সময় দেশে উচ্চশিক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিশেষত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও যাচাই-বাছাই প্রয়োজন। দেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
এ সময় 'আমি প্রীতিলতা' নাট্যগ্রন্থ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান বলেন, বৃটিশবিরোধী আন্দোলনে প্রথম নারী আত্মোৎসর্গকারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার দেশমাতৃকার জন্য আত্মত্যাগের চিরোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গ্রন্থ দুটি প্রকাশের জন্য প্রকাশককে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।
আরও পড়ুন: এমপি আনার হত্যা: দুই আসামি ৬ দিনের রিমান্ডে
৭০৭ দিন আগে
তিস্তার পানি বণ্টন-সীমান্ত হত্যা সমাধানে ব্যর্থ শেখ হাসিনা: ফখরুল
প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে রাষ্ট্রবিরোধী চুক্তি করে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা না করতে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের কাছে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে জিম্মি করে ফেলেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) এক সমাবেশের বক্তব্যে তিনি তিস্তা নদীর পানি বণ্টন ও সীমান্ত হত্যার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমাধানে ব্যর্থ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরের অর্জন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের অস্তিত্ব এখন ঝুঁকিপূর্ণ। ভারতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সই করা এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের কোনোটিই বাংলাদেশের অনুকূলে নয়।’
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী দিল্লি থেকে এবার কী নিয়ে আসেন তা দেখার অপেক্ষায় মানুষ: ফারুক
বিএনপি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মধ্যে পার্থক্য বোঝে না- পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের এমন বক্তব্যেরও সমালোচনা করে ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘আমি তার কথার জবাব দিতে চাই না। আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই, দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না। জনগণকে বোকা বানিয়ে এবং বিভ্রান্ত করে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক সই করবেন না।’
গত ২২ জুন থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপিপন্থী সংগঠন নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম।
ফখরুল প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, ভারত থেকে এবার কী নিয়ে এসেছেন। ‘কোথাও পানির উল্লেখ নেই। যা উল্লেখ করা হয়েছে তা উদ্বেগজনক। ভারত তিস্তা প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে এবং চীনও এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দুটোর মধ্যে কোনটা ভালো সেটা তিনি দেখবেন।’
আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে 'রাষ্ট্রবিরোধী' চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করবে বিএনপি: ফখরুল
তিনি বলেন, ভারতকে এই প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হলে পানি সমস্যার সমাধান হবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। ‘আমরা যারা এই দেশে বাস করছি সবাই কি বোকা? বরং আপনি (প্রধানমন্ত্রী) তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি এবং অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের বিষয়টি উপেক্ষা করেছেন। এভাবে আপনারা বাংলাদেশকে পুরোপুরি ভারতের কাছে জিম্মি করে দিচ্ছেন।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, সীমান্তে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশিদের হত্যা করা হচ্ছে। ‘গতকালও (বুধবার) একটি হত্যাকাণ্ড হয়েছে। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) এবারের সফরে এ বিষয়ে একটি কথাও বলেননি।’
তিনি প্রশ্ন করে বলেন, পৃথিবীর এমন কোনো জায়গা আছে কি না, যেখানে কোনো দেশ সীমান্তে তার বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশের নাগরিকদের গুলি করে হত্যা করে।
হুঁশিয়ারি দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘এসব প্রশ্নের জবাব আপনাকেই দিতে হবে। আত্মরক্ষার্থে যা বলছেন তা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে পারবেন না।’
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিএনপির ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
৭০৭ দিন আগে