রাজনীতি
বরিশালে নির্বাচনবিরোধী লিফলেট বিতরণের সময় বিএনপির ৮ নেতা-কর্মী আটক
বরিশালে নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে বিএনপির লিফলেট বিতরণী কর্মসূচি থেকে দলের আটজন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জে কেন্দ্রীয় নেতা আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ ১০-১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি দলীয় নেতাদের। এসময় বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খানসহ ৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে লাঠিচার্জের বিষয়টি অস্বীকার করেছে পুলিশ।
বুধবার(৩ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় নগরীর অশ্বীনি কুমার হল চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।
দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে সদর রোডের দলীয় কার্যালয় থেকে নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে লিফলেট বিতরণের জন্য দলীয় নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকেও খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসতে থাকে নেতা-কর্মীরা। এতে শুরু থেকেই নেতা-কর্মীদের বাধা দিচ্ছিল পুলিশ।
পরে নেতাদের সমন্বয়ে লিফলেট বিতরণের জন্য কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় বাধা দেওয়ার পাশাপাশি লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ।
বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহিন বলেন, নির্বিচার লাঠিচার্জের পাশাপাশি নেতা-কর্মীদের ধরে ধরে গাড়িতে তুলতে থাকে পুলিশ।
এ সময় কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ দলের ১৫ থেকে ২০ জন নেতা-কর্মী আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক এমপি আবুল হোসেন খানসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের বেপরোয়া লাঠিচার্জের মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় নেতা-কর্মীরা।
আরও পড়ুন: ইউনূসের বিরুদ্ধে গণভবনের 'নির্দেশিত রায়ে' গোটা জাতি লজ্জিত: বিএনপি
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিচুর রহমান বলেন, কোনরকম পূর্বানুমতি ছাড়াই জড়ো হওয়া নেতা-কর্মীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোনো সহিংস আচরণ করেনি পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছি আমরা। বিস্তারিত পরে জানাতে পারব।
৭৯৩ দিন আগে
৭ জানুয়ারি নির্বাচন: কারণ দর্শানোর নোটিশের সংখ্যা প্রায় ৫০০
বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র পাঁচ দিন আগে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রার্থী বা তাদের প্রচারকর্মীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারির সংখ্যা ৫০০-এর কাছাকাছি পৌঁছেছে।
প্রার্থীদের মধ্যে এসব অভিযোগের মধ্যে মঙ্গলবার সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবন। বারবার নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচনী অপরাধের দায়ে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।
ইসির এক কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার পর্যন্ত আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে বিভিন্ন প্রার্থীকে মোট ৪৮০টি কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
কেউ কেউ স্পষ্টতই একই অপরাধ বারবার করছিলন এবং তদনুসারে একাধিক, কিছু ক্ষেত্রে কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে একাধিক নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
৪৮০টি অভিযোগের সবগুলোই তারা নিজেরা তদন্ত করেছে বা শুরু করেছে। এর মধ্যে কমিশন ইতোমধ্যে ৩০৪টি ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ১০১ টিরও বেশি ঘটনার বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: সেনাবাহিনীর অধীনে নির্বাচন চেয়ে আপিল বিভাগে ইনসানিয়াতের মামলা
ইসির বিভাগভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১১৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৪ জন, কুমিল্লায় ৬৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৯ জন, খুলনা বিভাগে ৪০ জন, চট্টগ্রামে ৩৮ জন, রংপুরে ২৯ জন, বরিশালে ২৭ জন, ফরিদপুরে ২০ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৬ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী পবন যুবলীগের প্রেসিডিয়ামের প্রভাবশালী সদস্য বলে জানা গেছে। তবুও তিনি প্রকাশ্যে জেলার ডেপুটি কমিশনার এবং পুলিশ এসপিসহ অন্যান্যদের গালিগালাজ করেছেন বলে জানা গেছে।
গত ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ফোনকলটির উপর ভিত্তি করে তার পরিণতি নির্ধারণ করে ইসির জুরিবোর্ড। ফোনকলটি কেবলমাত্র অশ্রবণীয়, আপত্তিকর ও অশালীন বক্তব্য এবং হুমকি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জ-৪: আ. লীগ প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
৭৯৪ দিন আগে
সিরাজগঞ্জ-৪: আ. লীগ প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম শফিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার(২ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচন তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সুপ্রিয়া রহমান এ নোটিশ দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী প্রদ্যুত কুমার ধর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: রামগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল
নোটিশে বলা হয়, সোমবার হাটিকুমরুল এলাকার একটি বিশাল প্যান্ডেলে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী জনসভা করেন নৌকার প্রার্থী।
আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার দলীয় কর্মী আমিনুজ্জামান অলক ফোন রিসিভ করেন এবং নোটিশটির সত্যতা স্বীকার করেন।
আরও পড়ুন: সেনাবাহিনীর অধীনে নির্বাচন চেয়ে আপিল বিভাগে ইনসানিয়াতের মামলা
৭৯৪ দিন আগে
শেরপুরে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ আটক ৯
নির্বাচন বিরোধী লিফলেট ও নির্বাচন ঠেকানোর জন্য লিফলেট বিতরণের অভিযোগে শেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৯ নেতাকর্মীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার (২ জানুয়রি) বিকালে সদর উপজেলার চরপক্ষিমারী ইউনিয়নের হরিণধরা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ায় বিএনপির ৫ নেতা বহিষ্কার
তবে আটক অন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের নাম জানা যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায, সদর উপজেলার চরপক্ষিমারী ইউনিযনের বিভিন্ন গ্রামে চলমান নির্বাচনকে প্রতিহত করার জন্য লিফলেট বিতরণ করছিল বিএনপি নেতারা। পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হলে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে পরোয়ানাভুক্ত আসামি হযরত আলীকে আটক করা হলে উত্তেজিত নেতা-কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
আরও পড়ুন: ইউনূসের বিরুদ্ধে গণভবনের 'নির্দেশিত রায়ে' গোটা জাতি লজ্জিত: বিএনপি
পরে পুলিশ পাল্টা শর্টগানের গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলীসহ ৯ জনকে আটক করে পুলিশ।
ডিবি’র ওসি আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম জানান, বিকালে পরোয়ানাভুক্ত আসামি ধরতে গেলে পুলিশের উপর ককটেল হামলা চালান বিএনপি নেতা-কর্মীরা। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৭ রাউন্ড শর্ট গানের গুলি, ৩ রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। আটক করা হয় ৯ জনকে।
শেরপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম মামুনুর রশিদ পলাশ বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ যেন ভোট না দেয় সেই প্রচারণার জন্য লিফলেট বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। তার আগেই রাস্তায় দলের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী সহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সেখানে ককটেল বিস্ফোরণের কোন ঘটনাই ঘটেনি। নেতাকর্মীদের হাতে লিফলেট ছাড়া আর কোন কিছুই ছিল না বলেও দাবি করেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের আটকের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তাদের মুক্তি দাবি করেন।
আরও পড়ুন: ২০২৪ সালে শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে: বিএনপি
৭৯৪ দিন আগে
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সব দায়িত্ব আমি নেব: মাশরাফি
ভোটারদের বিশ্বাস রাখার অনুরোধ জানিয়ে নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছেন, ‘আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সব দায়িত্ব আমি নেব।’
সোমবার (২ জানুয়ারি) সকালে নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের রঘনাথপুর প্রাইমারি স্কুল মাঠ, ঘোষবাড়ি, দত্তপাড়া বাস স্ট্যান্ডে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এটা শুধু একটা নির্বাচন নয় আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে ৭ জানুয়ারির এই নির্বাচনের উপর। আপনারা কেউ ঘরে বসে থাকবেন না। একটু সময় নষ্ট করে পরিবারের সবাইকে দিয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নৌকায় ভোট দিয়ে আসবেন। আপনাদের দায়িত্ব ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। ৮ জানুয়ারির পর থেকে আপনাদের এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সব দায়িত্ব আমি নেব। আমার প্রতি আপনারা বিশ্বাস রাখেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক মেগা প্রকল্প এখনো চলমান। এগুলো যেন থমকে না যায়। বিগত ৫ বছর আমি সাধ্যমতো উন্নয়ন করার চেষ্টা করেছি। তাই আপনার ভোট না পেলেও আমি জিতে যাব এই মানসিকতা পোষণ করবেন না।’
এরপর তিনি চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের ফেদী বাজার, চালিতাতলা বাজার ও রতডাঙ্গা বাজারে পথসভা করেন।
এ সময় আউডিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম পলাশ, চন্ডিবরপুর ইউডিনয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানসহ জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৭৯৪ দিন আগে
সেনাবাহিনীর অধীনে নির্বাচন চেয়ে আপিল বিভাগে ইনসানিয়াতের মামলা
সংসদ ভেঙে দিয়ে বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনীর অধীনে নির্বাচন চেয়ে আপিল বিভাগে মামলা দায়ের করেছে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) দলটি এই মামলা দায়ের করে।
মামলায় বলা হয়, মানবতাভিত্তিক রাজনৈতিক দল ইনসানিয়াত বিপ্লব মনে করে, ক্ষমতাসীন দলের অবৈধ প্রভাব ও জালিয়াতিমুক্ত নির্বাচন ও স্বাধীন ভোটাধিকারের প্রধান বাধা হলো সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।
দলটির চেয়ারম্যান ইমাম হায়াত বলেন, বিগত নির্বাচনে আমরা দেখেছি ক্ষমতাসীন সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রশাসন, পুলিশ ও নিজেদের সশস্ত্র লোকদের ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র দখল ও অন্যদের ভোটদানে বাধার সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, ‘সংসদ বহাল রেখে জালিয়াতিমুক্ত নির্বাচন অসম্ভব। প্রহসনমুক্ত নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নির্বাচনের আদেশ চেয়ে আমরা ইনসানিয়াত বিপ্লব হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছি।’আরও পড়ুন: নিবন্ধন সার্টিফিকেট গ্রহণ করল ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ
ইমাম হায়াত বলেন, ক্ষমতাসীন দলীয় সংসদ সদস্যদের পর সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রধান বাধা নিরাপত্তা। বিগত নির্বাচনে অংশ নিয়ে আমরা দেখেছি প্রায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে জীবন হানিকর আতঙ্কজনক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের প্রশ্রয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় সশস্ত্র ব্যক্তিরা অস্ত্র ও গুলি-বোমা ইত্যাদি ব্যবহার করেছে।
তিনি বলেন, বুথ থেকে গণনা পর্যন্ত আস্থাশীল সেনাবাহিনীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্বাচন ব্যতীত নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন সম্পূর্ণ অসম্ভব।
ইমাম হায়াত বলেন, জালিয়াতিমুক্ত, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন ছাড়া যেকোনো প্রকার প্রহসনের নির্বাচন জনগণের নাগরিকত্ব ও রাষ্ট্রীয় মালিকানা অস্বীকার এবং রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তি ধ্বংসাত্মক এবং গণতন্ত্রের উৎখাতের শামিল।
আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে ইনসানিয়াত বিপ্লবের করা রিটের শুনানি বুধবার
ইমাম হায়াত বলেন, দেশ রক্ষা ও গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের অধিকার এবং মালিকানার স্বার্থে আমরা ইনসানিয়াত বিপ্লব সংসদ ভেঙে ও সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বিশ্বাসযোগ্য ও নিরাপদ নির্বাচনের আদেশ চেয়ে এবং সংসদ না ভাঙা পর্যন্ত ঘোষিত তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলাম।
গত বছরের ২০ ডিসেম্বর বিচারপতি ইকবাল কবীর ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের আদালতে রিটটি খারিজ করা হয়।
পরে ইসিসহ অন্যদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে পুণরায় মামলা দায়ের করে দলটি। পরে একই বছরের ২৭ ডিসেম্বর একই আদালত মামলাটির শুনানি করতে অপারগতা প্রকাশ করে। ফলে আজ উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করল দলটি।
আরও পড়ুন: সংসদ ভেঙে সেনাবাহিনীর অধীনে নির্বাচন চেয়ে পুনরায় রিট ইনসানিয়াতের
৭৯৪ দিন আগে
স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির চক্রান্ত বন্ধ করতে নৌকায় ভোট দিন: ফরিদপুরে শেখ হাসিনা
স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, 'চারপাশে অনেক ষড়যন্ত্র চলছে।’
মঙ্গলবার(২ জানুয়ারি) বিকালে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে দলের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, 'যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেনি, তারা এখনও তাদের ষড়যন্ত্র বন্ধ করেনি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের চক্রান্ত বাড়াচ্ছে, কারণ তারা জানে বাংলাদেশ কখনও কারো কাছে মাথা নত করে না।
তিনি বলেন, 'আমি জাতির পিতার কন্যা, আমি কখনও কারো কাছে মাথা নত করি না এবং করবও না।’
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ইতোমধ্যে সারাদেশে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করলেও আরও অনেক কিছু করার আছে।
তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য আপনাদের কার প্রয়োজন? শুধু আমাকে বলুন। কেবল নৌকাই এটি করতে পারে।’
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ নয়, ড. ইউনূসকে সাজা দিয়েছেন আদালত: কাদের
তিনি বলেন, ‘শুধু নৌকা ভোট পেলে আমি আবার ক্ষমতায় আসতে পারব এবং বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কখনও পিছিয়ে পড়বে না। শুধু নৌকাই আপনাকে সমাধান দেবে। আপনাদের সবাইকে এটা মনে রাখতে হবে।
তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি স্মার্ট জাতিতে পরিণত হবে।
তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত ও সমৃদ্ধ স্মার্ট সোনার বাংলা।’
তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ মানে স্মার্ট সরকার, স্মার্ট মানুষ, স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট সমাজ।
তিনি বলেন, সবকিছু হারিয়ে তিনি বাংলাদেশের মানুষকে তার পরিবার হিসেবে গ্রহণ করেছেন। সুতরাং আমার যা কিছু আছে তা আমি দেশের মানুষের জন্য ত্যাগ করেছি।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ফরিদপুরে আ. লীগের নেতা-কর্মীদের উপচেপড়া ভিড়
নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য আগত জনতার কাছে প্রতিশ্রুতিও চান তিনি।
উৎফুল্ল জনতা হাত তুলে নৌকার পক্ষে স্লোগান দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও মাগুরার প্রার্থীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ভোট চান তিনি।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ফরিদপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহমান, মাগুরা-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং ফরিদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শামীম হক বক্তব্য দেন।
মঞ্চ থেকে শেখ হাসিনা জাতীয় পতাকা উড়িয়ে জনতাকে শুভেচ্ছা জানান। জবাবে শ্রোতারা তাদের বহন করা ক্ষুদ্র পতাকাও উড়ান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ফরিদপুর শহরের পাশাপাশি সমগ্র জেলার সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে।
পদ্মা সেতু পার হয়ে সড়কপথে ফরিদপুরে পৌঁছান শেখ হাসিনা। বেলা সোয়া ৩টার দিকে তিনি সমাবেশস্থলে পৌঁছান।
আরও পড়ুন: বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পাঠ্যসূচিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
৭৯৪ দিন আগে
বরিশাল-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের উপর হামলা-গুলির অভিযোগ
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাইয়াজুল হক রাজুর কর্মীদের উপর গুলি বর্ষণ, মারধর, মটরসাইকেল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে বরিশাল জেলার বানারীপাড়ার উদয়কাঠীতে এই ঘটে।
এ ঘটনায় ৪০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজু। এসময় ১৬টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় বলের দাবি করেন তিনি।
আহতদের মধ্যে উজ্জল, ফিরোজ, তুফান, ফাহাদ, দুলাল, আলামিনসহ ৭ জনকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাইয়াজুল হক রাজু বলেন, ‘আমার জনসমর্থন দেখে তারা আমার নেতা-কর্মীদের ওপর গুলিবর্ষণ, হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। আমি এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি করছি।’
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন, বানারীপাড়ার বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকে নৌকা ও ঈগল সমর্থকদের মধ্যে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। পরে ঈগল সমর্থকদের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতনসহ পুলিশি, বিজিবি, আনসার সদস্যরা রয়েছে। পরিবেশ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অন্তরা হালদার মোটরসাইকেলে আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ঘটনাস্থলে গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
৭৯৪ দিন আগে
রামগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল
জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে বদলির হুমকি দেওয়ায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) ইসির আইন শাখার উপসচিব আব্দুস সালামের সই করা চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে জানানো হয়, লক্ষ্মীপুর-১ সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবন গত ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারকে হোয়াটসঅ্যাপে অকথ্য, আপত্তিকর ও অশোভন ভাষায় হুমকি দেন।
আরও পড়ুন: গাজীপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও যশোর-৪ আসনের নৌকার প্রার্থী নির্বাচন চালিয়ে যেতে পারবেন: হাইকোর্ট
এসময় রিটানিং অফিসার ও পুলিশ সুপারকে তিন দিনের মধ্যে বদলিসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে ভয়-ভীতি ও হুমকি দেন। এ বিষয়ে ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন সচিবালয়ে অভিযোগ করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছিলেন জেলা প্রশাসক।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থীকে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে ১ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
ইতোমধ্যে ওই প্রার্থী গতকাল(১ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নির্বাচন কমিশনে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
শুনানির সময় প্রার্থীর বক্তব্য, লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিসারের তদন্ত প্রতিবেদন, নির্বাচনী অনুসন্ধান প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি পর্যালোচনায় প্রার্থীর নির্বাচনী অপরাধসহ 'নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম' সংঘটনের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আরপিও ১৯৭২ এর আর্টিকেল ৯১ই এর ধারা (২) অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন যশোর-৪ আসনের প্রার্থী রণজিত
৭৯৪ দিন আগে
শ্রমিক-কর্মচারীদের মামলায় ড. ইউনুসের শাস্তি হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের মামলায় গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে সাজা দিয়েছেন আদালত। এতে সরকারের কোনো দায় নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে আদালত দণ্ডিত করেছেন। এরপর আপিল করার শর্তে তাকে আবার জামিনে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে দেশে-বিদেশে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা আছে এবং সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে। এখানে সরকার কোনো পক্ষ নয়, মামলাও করেনি, মামলা করেছে গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীরা। সেই মামলায় শাস্তি হয়েছে।’
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজী পুকুর লেনের ওয়াইএনটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গ্রামীণ টেলিকমের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে যে লাভের ৫ শতাংশ তার কর্মচারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। অথচ এ পর্যন্ত কখনও তা দেওয়া হয়নি। এটি না দেওয়ায় শ্রম আইনের ৪,৭, ৮, ১১৭ এবং ২৩৪ এর অধীনে মামলা দায়ের করেছে শ্রমিক-কর্মচারীরা।
মন্ত্রী বলেন, 'গ্রামীণ টেলিকমের পক্ষ থেকে দুইজন শ্রমিক নেতাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং দুইজন শ্রমিক নেতাকে ৬ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাধারণ শ্রমিকরা টাকা না পাওয়ায় মামলা করেছে। সুতরাং এখানে স্পষ্টত একটি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং এই অপরাধ সংঘটিত হওয়ার কারণেই মামলা হয়েছে, শাস্তিও হয়েছে।'
ড. হাছান বলেন, 'গ্রামীণ টেলিকমের এক দশকের বেশি সময় ধরে নিয়ম ভঙ্গ, কর ফাঁকি, তার কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিল আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনুমোদিত সংস্থা থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা অপব্যবহার করার অভিযোগ আছে।’
১৯৯৯ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত পরিচালক বোর্ডের ৫২তম সভায় আইন ভঙ্গ করে রেজুলেশনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত এমডি হিসেবে নিশ্চিত করে।
এ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটি গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশের অনুচ্ছেদ ১৪ এর ৪ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অধিকন্তু, তার এই নিয়োগের অসৎ উদ্দেশ্যে পরে তা প্রমাণ হয়েছে।
সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান বলেন, 'বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২১ এবং ১২ এর ২ ধারা অনুসারে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডিকে একজন পাবলিক সার্ভেন্ট হিসাবে বিবেচনা করা হয়। যেখানে ড. মুহাম্মদ ইউনূস পাবলিক সার্ভেন্ট হিসাবে তার চাকরির শর্তাবলী লঙ্ঘন করেছেন। একজন পূর্ণ-সময়ের সরকারি কর্মকর্তা হিসাবে কাজের জায়গায় তার ঘন ঘন অনুপস্থিতি ছিল এবং সেই অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদন কখনো নেওয়া হয়নি।'
পৃথিবীতে বহু নোবেল লরিয়েটের বিরুদ্ধে দেশে দেশে মামলা হয়েছে, অনেকে শাস্তি ভোগ করেছেন, কারাগারেও ছিলেন উল্লেখ করে সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান বলেন, 'এ ধরনের অনেক ঘটনা আছে, যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, পুরস্কারের অর্থ কে কত টাকা পাবেন, এ নিয়েও নোবেল লরিয়েটরা একে অপরের বিরুদ্ধেও মামলা করেছেন। এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশে আদালত স্বাধীন, স্বধীনভাবেই কাজ করেছে।'
তিনি বলেন, 'ডেভিড বার্গম্যান বাংলাদেশের রাজনীতি-নির্বাচন নিয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছেন। তিনি ড. কামাল হোসেনের মেয়ের জামাই এবং তিনি একজন ইহুদী, যে ইহুদীরা ফিলিস্তিনে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত করছে। ডেভিড বার্গম্যানকে একটু জিজ্ঞেস করেন, এ নিয়ে তার কী বক্তব্য। এ নিয়ে একটি নিবন্ধ যদি সে লিখত, তাহলে আমরা তার অবস্থানটা জানতে পারতাম।'
'ড. ইউনুসকে কখনো শহীদ মিনার কিংবা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে দেখা যায় না, তিনি কার প্রতিনিধিত্ব করেন' সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমি এককভাবে কারো নাম বলছি না, আমাদের দেশে কিছু লোক আছে, তারা দেশের প্রতিনিধিত্ব করে না, তারা বিদেশিদের প্রতিনিধিত্ব করে। দুর্ভাগ্য হচ্ছে, আমরা তাদের বক্তব্যগুলো ভালো করে প্রচার করি। এটা না দিলে কিন্তু তাদের বাজার মূল্যটা কমে যেত। আমরাই বাজার মূল্যটা বাড়িয়ে দিই।'
৭৯৪ দিন আগে