রাজনীতি
রাজশাহী-১ আসনে কাঁচি প্রতীককে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন ঈগল প্রতীকের প্রার্থী
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুজ্জামান আক্তার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
একইসঙ্গে এসময় তিনি আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রব্বানীকে (কাঁচি প্রতীক) সমর্থন দিয়ে তার পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। এ সময় গোলাম রাব্বানী তার পাশেই ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আক্তারুজ্জামান বলেন, আমার ও রাব্বানী ভাইয়ের আদর্শ ও উদ্দেশ্য এক হওয়ার জন্য আমি নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে তার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা অবশ্যই ৭ তারিখে ভোট দিয়ে গোলাম রাব্বানীকে জয়যুক্ত করব।
তিনি আরও বলেন, ওমর ফারুকমুক্ত গোদাগাড়ী চাইলে সব স্বতন্ত্র প্রার্থীর একসঙ্গে গোলাম রাব্বানী ভাইকে সমর্থন দিয়ে কাজ করা উচিত।
এসময় স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী বলেন, আমি আক্তার ভাইয়ের থেকে সুযোগ চেয়েছি, তিনি আমাকে সমর্থন ও সম্মান দিয়েছেন। আমরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করব, ৭ তারিখে আমাদের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আক্তার জাহান ডালিয়াকেও আমাকে সমর্থন দিয়ে আমার পক্ষে কাজ করার জন্য অনুরোধ করেছি। আশা করছি উনিও নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়িয়ে আমাকে সমর্থন দিয়ে একসঙ্গে কাজ করবেন এবং আগামী দিনে আমাদের জয় হবে।
উল্লেখ্য, তানোর -গোদাগাড়ী আসনের সংসদ নির্বাচনে এবার ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৭৯৭ দিন আগে
ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততাহীন আন্দোলনের জবাব দেবে জনগণ: পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ
পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতারা বলেন, দেশের যেকোনো জাতীয় সংকটে পেশাজীবীরা অগ্রগণ্য ভূমিকা রেখেছেন। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পেশাজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নির্বাচনকে অগ্রহণযোগ্য করার জন্য আন্তর্জাতিক চক্রও তৎপর রয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি বিএনপি-জামায়াত অযৌক্তিক ও জনসম্পৃক্ততাহীন আন্দোলনের নামে যে আগুন সন্ত্রাস করছে, নিরীহ মানুষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করার অশুভ খেলায় মেতে উঠেছে, জণগণ তা ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জবাব দেবে।
তারা বলেন, আগামীতে যেনো বিএনপি-জামায়াত কোনো নাশকতা চালাতে না পারে সেজন্যই, পেশাজীবীসহ দেশের আপামর জনগণকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচনের পর বিরোধীরা নানা অপতৎপরতা চালাতে পারে।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর রমনায় পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা বিরোধী সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলার মাধ্যমে দেশে অর্থবহ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় 'নির্বাচন-গণতন্ত্র-নাশকতা' শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এইসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী
বক্তারা আরও বলেন, বিএনপি-জামায়ত গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয় বলেই দেশে অগ্নি সন্ত্রাস ও অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে সংসদ নির্বাচন বাণ চালের অপপ্রচার করছে।জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের ধারক ও বাহক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় অতীতের ন্যায় দেশের জনগণের পাশে ছিল ভবিষ্যতে থাকবে।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর)আইইবির কাউন্সিল হলে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ূনের সভাপতিত্বে লিখিত বক্তব্য দেন পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন শীবলু।
সভায় আরও বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, গোলাম কুদ্দুস,অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. হাবিবুর রহমান, ম. হামিদ, ড.অধ্যাপক হান্নানা বেগম, ডা. রোকেয়া সুলতানা, ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হুদা, অ্যাডভোকেট মোখলেসুর রহমান বাদল, অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত,অ্যাডভোকেট আবদুল নূর দুলাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মো. নূরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার এস. এম. মনজুরুল হক মঞ্জু, অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান মিলন, সোহেল হায়দার চৌধুরী, কৃষিবিদ খাইরুল আলম প্রিন্সসহ দেশের বরেণ্য পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীরা।
আলোচনা সভা শেষে দেশের বরেণ্য পেশাজীবী- বুদ্ধিজীবী নাগরিকদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশের জাতীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতারা আইইবি সদর দপ্তরের সামনে থেকে শাহবাগ অভিমুখে র্যালি বের করেন।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ উন্নয়ন করে, বিএনপি মানুষ পোড়ায়: তথ্যমন্ত্রী
৭৯৭ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গণসংযোগে হামলায় আহত ১০, আটক ১
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ-সলঙ্গা) আসনে নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গণসংযোগে হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় অন্তত ১০ সমর্থক আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন।
শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকালে তাড়াশ উপজেলার কুন্দইল বাজারে হামলার এ ঘটনা ঘটেছে।
এসময় মুনজিল তালুকদার নামে নৌকার এক সমর্থককে আটক করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সমর্থকদের নিয়ে হাটের ভেতরে ভোটারদের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে লিফলেট বিতরণ ও ভোট চাচ্ছিলাম। হঠাৎ নৌকার অফিস থেকে এসে হামলা চালালে আমার সমর্থক আইয়ুব আলী ও হাসানসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।
এ ব্যাপারে নৌকার প্রার্থী ডা. আব্দুল আজিজের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।
তাড়াশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বদিউজ্জামান বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন দোকানে দোকানে লিফলেট দিয়ে ভোট প্রার্থনার সময় পেছন থেকে নৌকার সমর্থকরা এসে কিল-ঘুষি ও চড়-থাপ্পড় দিয়েছে। এসময় তাৎক্ষণিকভাবে সাখাওয়াত হোসেনকে নিরাপদ স্থানে সড়িয়ে নেওয়াসহ দু’পক্ষকেই শান্ত করা হয়েছে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
৭৯৭ দিন আগে
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শেরপুরে ৪ বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শেরপুরের চার নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবীর রিজভীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃতেরা হলেন- জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও শ্রীবরদীর তাতিহাটি ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রউফ মিয়া, জেলা বিএনপির সদস্য ও কুড়িকাহনীয়া ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ খান নুন, ভেলুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল করিম এবং শেরপুর পৌর শাখার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ছানুয়ার হোসেন সেলু।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। দলের নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন বিএনপির ওই নেতারা।
বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের কারণ হিসেবে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের কথা বলা হয়েছে।
তবে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ধারণা করেছেন, নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার কারণেই ওইসব নেতাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে তাতিহাটি ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুর রউফ মিয়া বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার কোনো মন্তব্য নেই। দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে আমার যোগাযোগের ঘাটতি রয়েছে।’
৭৯৭ দিন আগে
কোনো কেন্দ্রে জাল ভোট হলে প্রিজাইডিং অফিসারকে বরখাস্ত করা হবে: নির্বাচন কমিশনার
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যেসব কেন্দ্রে জাল ভোট হবে, সেসব কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে বরখাস্ত করা হবে।
তিনি বলেন, '৭ জানুয়ারির নির্বাচনে কারচুপির কোনো সুযোগ নেই। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। প্রার্থী যত শক্তিশালী বা দুর্বলই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
শনিবার(৩০ ডিসেম্বর) যশোরের শার্শা উপজেলা মিলনায়তনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ইসির অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, সবাই সমান এবং ইসি শতভাগ নিরপেক্ষতা নিয়ে কাজ করছে।
‘দেশি-বিদেশিসহ সবাই আগামী নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে’ উল্লেখ করে আহসান হাবিব বলেন, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে দৃষ্টান্ত স্থাপনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব ইউনিট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে হবে: সিইসি
নির্বাচন কর্মকর্তারা অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর নির্বাচন নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার হাবিব।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবরাউল হাসান মজুমদার, পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে নৌকা পোড়ানোর অভিযোগ
৭৯৭ দিন আগে
সারাদেশে জাপা প্রার্থীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে: জিএম কাদের
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী জিএম কাদের বলছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে জাপা প্রার্থীদের হুমকি দিচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। লালমনিরহাটে জাপা প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে, এখনও হুমকির মাঝে আছেন তিনি।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রংপুর শহরের সেনপাড়ায় স্কাইভিউ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
জিএম কাদের বলেন, শুক্রবার সিলেটে জাপার নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করে কর্মীদের ধমক দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে আওয়ামী লীগ ছাড়া কেউ থাকতে পারবে না, নির্বাচন করতে পারবে না। এ ধরনের ঘটনার খবর সারাদেশ থেকে আসছে।
রংপুরে এ ধরনের কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আমি জয়ী হলে রংপুরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ হবে।
রংপুরবাসী বঞ্চনার শিকার থেকে রক্ষা পেতে তারা জাপাকে বিজয়ী করবেন বলেও আশা করেন জিএম কাদের।
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন তিনি।
এতে মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ডা. দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম, জাপার কো-চেয়ারম্যান ও রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আব্দুর রজ্জাকসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৭৯৭ দিন আগে
লালমনিরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে নৌকা পোড়ানোর অভিযোগ
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আগুন দিয়ে নৌকা প্রতীক পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান প্রধানের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের মধ্য গড্ডিমারী গ্রামের হাটখোলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের মধ্য গড্ডিমারী গ্রামের হাটখোলা বাজারে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নৌকা প্রতীকের লোকজন বাঁশের খুঁটি দিয়ে কাঠের তৈরি নৌকা টাঙিয়ে রাখেন। শনিবার ভোরে ওই নৌকা প্রতীক আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি, স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান প্রধানের সমর্থকেরা আগুন দিয়ে নৌকা পুড়িয়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে গড্ডিমারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল জানান, আমরা যখন বাজারে নৌকা প্রতীক টাঙিয়েছি তখনই ঈগল প্রতীকের লোকজন বাধা দিয়েছিল। যেখানে নৌকা প্রতীক লাগিয়েছি তার বিপরীতে ঈগল প্রতীকের প্রার্থী (স্বতন্ত্র) আতাউর রহমানের নানার বাড়ি এবং তার নির্বাচনী অফিস। তারা এসিল্যান্ড এনে নৌকা প্রতীক সড়ানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে শনিবার ভোরে আগুন দিয়ে নৌকা পুড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে ঈগল প্রতীকের সমর্থক ও কর্মী মোস্তাফিজুর রহমান মিলু বলেন, ‘আমরা কোনো নৌকা প্রতীকে আগুন দেইনি, উল্টো তারাই আমাদের কাজে বাধা দিচ্ছেন।’
এ বিষয়ে জানতে ঈগল প্রতীকের প্রার্থী (স্বতন্ত্র) আতাউর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে তার নির্বাচন সমন্বয়ক সরওয়ার হায়াত খান বলেন, ‘আমরা নৌকায় আগুন দেইনি। তারা নিজেরাই আগুন দিয়ে আমাদের দোষারোপ করছেন।’
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৭৯৭ দিন আগে
আওয়ামী লীগ উন্নয়ন করে, বিএনপি মানুষ পোড়ায়: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, 'একদিকে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়নের জন্য রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, রেললাইন নির্মাণ করে, নদীভাঙন রোধ করে, শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে বই দেয়। আর বিএনপি নির্বাচন বর্জনের নামে দেশের সম্পদ নষ্ট করে দিচ্ছে। বাসে-ট্রেনে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করছে, তারা মানুষ পোড়ায়।'
তিনি বলেন, 'রাজনীতির নামে এভাবে মানুষ পোড়ানোর অপরাজনীতি দুনিয়ার কোথাও নেই। এগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। এদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে কঠোর হাতে তাদের দমন করতে হবে।'
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর থেকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা ইউনিয়নের গোয়ালপুরা বাজার, কোদালা বাজার, চা বাগান এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় চট্টগ্রাম-৭ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি কোদালা চা বাগানের শ্রমিক, গ্রামের নারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটা ও বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরন্দ্বীপ ইউনিয়নে গণসংযোগ করেন।
নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী হাছান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করার চেষ্টা করেছি। আপনাদের সন্তান হিসেবে আমি চেষ্টা করেছি আপনাদের মুখ উজ্জ্বল করার। জাতীয় পর্যায়ে আমার অনেক দায়িত্ব, এরপরও একজন চেয়ারম্যান যেভাবে এলাকায় সময় দেয়, আমি সেইভাবে সময় দিই।'
তিনি বলেন, 'কর্ণফুলী নদীসহ রাঙ্গুনিয়ার অন্যান্য নদীর ভাঙন রোধে ইতোমধ্যে ৫০০ কোটি টাকার কাজ হয়েছে, আরও ১০০ কোটি টাকার কাজ হবে। অনেক জেলায়ও এত উন্নয়ন কাজ হয়নি। রাঙ্গুনিয়ার ৮ হাজার ছেলে মেয়ের চাকরি হয়েছে আমার হাত দিয়ে। চাকরির সুপারিশ করার সময় আমি কখনো ভাবিনি, কে কোন দল করে। আমি সব মানুষের এমপি হওয়ার চেষ্টা করেছি।'
আগামী ৭ জানুয়ারি আত্মীয়-স্বজন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাছান বলেন, 'বিএনপি ঘরানার মানুষও অনেকে আমাকে ভোট দেয়।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমার পারিবারিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়ায় ২৪টি নতুন মসজিদ বিল্ডিং করে দিয়েছি। রাঙ্গুনিয়ার প্রতিটি মসজিদ, মন্দির ও প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ পেয়েছে। গত ১৫ বছর সবার জন্য আমার দরজা খোলা রেখেছি, পাঁচ বছর পর আমি আপনাদের দুয়ারে এসেছি, আপনারা দয়া করে আপনাদের দুয়ারটি আমার জন্য খুলে দেবেন। ৭ জানুয়ারি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন সেই প্রত্যাশা রইল।'
আওয়ামী লীগের জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এ নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রমে যোগ দেন।
৭৯৭ দিন আগে
বাংলাদেশের নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী ৭ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ বাংলাদেশ মেনে নেবে না।
নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
তিনি বলেন, 'যারা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে, তাদের একদিন উপযুক্ত শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আর আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে কেউ আমাদের বিষয়ে নাক গলাতে এলে আমরা তা গ্রহণ করব না। অতীতে বাংলাদেশ এটা গ্রহণ করেনি।’
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা টুঙ্গিপাড়ায় নির্বাচনী জনসভা ও কোটালীপাড়ায় সমাবেশে শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেই শক্তিগুলো ব্যর্থ হয়েছিল।
তিনি বলেন, 'আমরা তাদের দেখাব যে আমরা অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বিজয় অর্জন করতে পারি।’ ইনশাল্লাহ, দারিদ্র্যের হার আরও কমিয়ে ধনী দেশগুলোর চেয়ে কম শতাংশে নামিয়ে এনে বাংলাদেশকে গৌরবোজ্জ্বল অবস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে।
বাংলাদেশের অগ্রগতির স্বার্থে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া না করার জন্য নতুন ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, যারা তরুণ প্রজন্ম ও যুব সমাজ থেকে এসেছেন এবং যারা প্রথমবার ভোটার হয়েছেন, তাদের প্রথম ভোট নষ্ট করা উচিত নয়।
আরও পড়ুন: জানুয়ারির নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
তিনি আরও বলেন, 'যারা নতুন ভোটার হবেন, তাদের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আরও এগিয়ে যেতে, নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে অগ্রগতির বর্তমান গতি বজায় রাখতে এবং আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করতে হবে।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তার দল বিশ্বাস করে যুবশক্তি মানেই বাংলাদেশের অগ্রগতি।
তিনি বলেন, ‘কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তিগত শিক্ষা এবং আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা একটি দক্ষ ও স্মার্ট যুব সমাজ গড়ে তুলব।’
বিএনপি-জামায়াত জোটের অগ্নিসংযোগ ও মানুষ হত্যা শুরু করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক উল্লেখ করে শেখ হাসিনা এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: বিএনপি চোরাগুপ্তা হামলা করে দেশে সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টির পায়তারা করছে: ড. মোমেন
তিনি বলেন, 'যারা জনগণকে পুড়িয়ে মারে, ক্ষতি করে বা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করে তাদের যথাযথ শাস্তি দিন, আমি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান ও জায়গা থেকে তা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
ভোট দেওয়া জনগণের অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগই আজ ভোট ও খাদ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, 'আমি আপনাদের সবাইকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি, যাতে কেউ এ দেশ ও এ দেশের ভাগ্য নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলতে না পারে।’
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, শেখ তন্ময় এমপি, শেখ জুয়েলের স্ত্রী শেখ শাহানা ইয়াসমিন চম্পা, আওয়ামী লীগের যুগ্ম মহাসচিব আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
আরও পড়ুন: বিএনপি-জামায়াত বিশ্বে টাকা বিলিয়ে দেশের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে: আইনমন্ত্রী
৭৯৭ দিন আগে
গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সোমবার পর্যন্ত বাড়িয়েছে বিএনপি
৩১ ডিসেম্বর রাত ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কঠোর কোনো কর্মসূচি না দিয়ে চলমান গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি আরও দুই দিন বাড়িয়ে সোমবার পর্যন্ত করেছে বিএনপি।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
এসময় তিনি বলেন, ‘সারাদেশে আমাদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম চলছে। আগামীকাল (রবিবার) বছরের শেষ দিন এবং পরের দিন আগামী বছরের প্রথম দিন...সাধারণত অনেকেই এই দুই দিনকে ভিন্নভাবে উদযাপন করেন।’
বাংলাদেশে জনগণের আনন্দের মেজাজে এই দিনগুলো উদযাপন করার মতো পরিস্থিতি না থাকলেও বিএনপি জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে তাদের জন্য গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি দুই দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান রিজভী।
তিনি বলেন, তাদের দলের সমমনা বিরোধী দলগুলোও একই ধরনের কর্মসূচি পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভিন্ন... জনগণের মনে আনন্দ নেই কারণ তারা দেশে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।’
আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায় না সরকার: মঈন খান
রিজভী বলেন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ নজিরবিহীন কারচুপি এবং রাতের বেলা ব্যালট স্টাফিংয়ের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছিল। ‘আমরা এর নিন্দা জানাই এবং তাদের প্রতি আমাদের ঘৃণা প্রকাশ করি।’
এর আগে বৃহস্পতিবার চলমান গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি শনিবার পর্যন্ত বাড়িয়েছে দলটি।
২৪ ডিসেম্বর দলটি ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি ঘোষণা করে।
বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করতে এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ প্রশাসনের অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে বাধ্য করতে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর থেকে প্রায় তিন ডজন বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিএনপি যুগপৎ আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
গত ২৮ অক্টোবর দলের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের পর বিএনপির আন্দোলন গতি হারিয়ে ফেলে। কারণ এরপর দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেক সিনিয়র নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং অনেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারের ভয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।
তবে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো ২৯ অক্টোবর থেকে ১২ দফায় ২৩ দিন দেশব্যাপী অবরোধ এবং চার দফায় পাঁচ দিন হরতাল পালন করেছে।
অবশেষে ২০ ডিসেম্বর বিরোধী দল অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে প্রতিবেশী দেশ হস্তক্ষেপ করছে: রিজভী
শনিবার পর্যন্ত চলবে বিএনপির গণসংযোগ কর্মসূচি
৭৯৭ দিন আগে