খেলাধুলা
রানপাহাড়ে চাপা পড়ার পর ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ
প্রথম ইনিংসেই দক্ষিণ আফ্রিকার ৫৭৫ রানের পাহাড়সম সংগ্রহের পর ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। আলোকস্বল্পতায় দিনের খেলা আগেভাগেই শেষ না হলে ক্ষত হয়তো আরও বড় হতো।
চট্টগ্রামের ব্যাটিং স্বর্গে সাবলীল ব্যাটিং করে ৬ উইকেট হারিয়ে পৌনে ছয়শ’ রান সংগ্রহ করেছে প্রোটিয়ারা। অন্যদিকে, মাত্র ৯ ওভার খেলতে গিয়েই চার ব্যাটারকে খুইয়েছে বাংলাদেশ, তুলেছে মাত্র ৩৮ রান। অর্থাৎ এখনও ৫৩৭ রান পিছিয়ে আছে শান্তর দল। ফলো-অন এড়াতেও প্রয়োজন আরও অন্তত ৩৩৮ রান। তৃতীয় দিন খেলতে নামবেন মুমিনুল হক (৬) ও নাজমুল হোসেন শান্ত (৪)।
সাগরিকায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনটি শতক ও দুটি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংসে ভর করে ৬ উইকেট হারিয়ে ৫৭৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ১৭৭ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার টনি ডি জর্জি। এছাড়া ট্রিস্টান স্টাবস ১০৬ এবং দিনের শেষভাগে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান ভিয়ান মুল্ডার। ১০৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি, আর তার সঙ্গে ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন সেনুরান মুথুসামি। তিনিও টেস্টে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন আজ। এছাড়া ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন ডেভিড বেডিংহ্যাম।
বাংলাদেশের পক্ষে ১৯৮ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নেন তাইজুল; অপর উইকেটটি গেছে নাহিদের ঝুলিতে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ক্রিকেটের অধিনায়ক পদে থাকতে চান না শান্ত
এরপর ব্যাটিংয়ে নেমেই শুরু হয়ে যায় বাংলাদেশি ব্যাটারদের যাওয়া-আসার খেলা। রাবাদার বলে প্রথম ওভারেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন সাদমান। এরপর পঞ্চম ওভারে ফের রাবাদার শিকার হন জাকির। কট বিহাইন্ড হন তিনিও, অথচ বুঝতেই পারেননি বল তার ব্যাটে লেগেছে। উল্টো একটি রিভিউ নষ্ট করে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
২১ রানে দুই উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে আর আট রান যোগ করতে না করতেই স্লিপে দাঁড়ানো প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মাহমুদুল হাসান জয়। ফেরার আগে তিনি অবশ্য এ পর্যন্ত ইনিংস-সর্বোচ্চ ১০ রান করতে সক্ষম হন।
২৯ রানে তিন উইকেট হারিয়ে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে হাসান মাহমুদকে ক্রিজে পাঠায় বাংলাদেশ। তবে প্রতিরোধ গড়তে গড়তে ব্যর্থ হয়েছেন তিনিও। কেশভ মহারাজের বলে বোল্ড হয়ে ফেরার আগে ৩ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
হাসানের বিদায়ের পর মাঠে নামেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬ বলে খেলে একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪ রানে অপরাজিত তিনি। তার সঙ্গে অপরাজিত রয়েছেন মুমিনুল হক। ১০ বলে তিনিও একটি বাউন্ডারি মেরে করেছেন ৬ রান। এ দুই ব্যাটারের দিকেই আগামীকাল তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস: ৫৭৫/৬ ডিক্লে. (ডি জর্জি ১৭৭, স্টাবস ১০৬, মুল্ডার ১০৫*; তাইজুল ৫২.২-৫-১৯৬-৫, নাহিদ ২৪-২-৮৩-১)।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৮/৪ (৯ ওভার) (অতিরিক্ত ১৩, জয় ১০, মুমিনুল ৬*; রাবাদা ৩-০-৮-২, প্যাটারসন ৩-০-১৫-১, মহারাজ ২-১-৪-১)।
৪৯২ দিন আগে
ব্যালন দ’র: কে কোন পুরস্কার জিতলেন
অবশেষে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফুটবলের বহুল প্রতীক্ষিত ব্যক্তিগত অর্জনের জমকালো অনুষ্ঠান ব্যালন দ’র। রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড ভিনিসিউসের হাতে এবারের ব্যালন দ’র উঠছে বলে জোর গুঞ্জন থাকলেও অবশেষে তা জিতেছেন রদ্রিগো এর্নান্দেসের (রদ্রি)।
সোমবার দিবাগত রাতে প্যারিসের থিয়েটার দু শাতলেতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পুরস্কারটি আয়োজনের ৬৮ বারের মাথায় ২০২৪ সালে এসে প্রথমবার পুরষ ও নারী- দুই বিভাগের ব্যালন দ’রই পেয়েছেন দুই মিডফিল্ডার; তারা দুজনই আবার স্পেনের।
পুরুষ বিভাগের পুরস্কারটি উঠেছে ম্যানচেস্টার সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রির হাতে। আর নারী বিভাগে টানা দ্বিতীয়বার ব্যালন দ’র জয় করেছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ মিডফিল্ডার আইতানা বনমাতি।
চলুন দেখে নেই এবারের ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানে কে কোন পুরস্কার জিতল-
ছেলেদের ব্যালন দ’র: রদ্রি (স্পেন, ম্যানচেস্টার সিটি)।
মেয়েদের ব্যালন দ’র: আইতানা বনমাতি (স্পেন, বার্সেলোনা)।
লেভ ইয়াশিন ট্রফি (বর্ষসেরা গোলরক্ষক): এমিলিয়ানো মার্তিনেস (আর্জেন্টিনা, অ্যাস্টন ভিলা)।
কোপা ট্রফি (বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড়): লামিন ইয়ামাল (স্পেন, বার্সেলোনা)।
গের্ড মুলার ট্রফি (সর্বোচ্চ গোলদাতা): হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড, বায়ার্ন মিউনিখ) ও কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স, পিএসজি, রিয়াল মাদ্রিদ) (উভয়েরই গোলসংখ্যা ৫২)।
ছেলেদের ইয়োহান ক্রুইফ ট্রফি (বর্ষসেরা কোচ): কার্লো আনচেলত্তি (রিয়াল মাদ্রিদ)।
মেয়েদের ইয়োহান ক্রুইফ ট্রফি (বর্ষসেরা কোচ): এমা হেইস (যুক্তরাষ্ট্র নারী ফুটবল দল, চেলসি)।
ছেলেদের বর্ষসেরা ক্লাব: রিয়াল মাদ্রিদ।
মেয়েদের বর্ষসেরা ক্লাব: বার্সেলোনা।
সক্রেটিস পুরস্কার (মাঠের বাইরে ইতিবাচক কর্মকাণ্ড): হেনি এরমোসো (স্পেন, তাইগ্রেস ইউএএনএল)।
আরও পড়ুন: রদ্রির হাতেই উঠল ব্যালন দ’র
ইয়াশিন ট্রফি জিতে এমি মার্তিনেসের রেকর্ড
ব্যালন দ’র: মেয়েদের ফুটবলে বার্সেলোনার জয়জয়কার
ইতিহাসের আরও এক পাতায় ‘কোপা বিজয়ী’ লামিন ইয়ামাল
৪৯৪ দিন আগে
ইয়াশিন ট্রফি জিতে এমি মার্তিনেসের রেকর্ড
ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে দাপুটে পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে এবারও তার স্বীকৃতি পেলেন অ্যাস্টন ভিলার আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো (দিবু) মার্তিনেস। প্রথম গোলরক্ষক হিসেবে টানা দুবার ইয়াশিন ট্রফি জয়ের রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
প্যারিসের থিয়েটার দু শাতলেতে সোমবার দিবাগত রাতে জমকালো ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানে মার্তিনেসের হাতে তুলে দেওয়া হয় সেরা গোলরক্ষকের স্বীকৃতি ‘লেভ ইয়াশিন ট্রফি’।
মার্তিনেসের হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন তারই জাতীয় দলের সতীর্থ ও ইন্টার মিলান স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেস।
আরও পড়ুন: ইতিহাসের আরও এক পাতায় ‘কোপা বিজয়ী’ লামিন ইয়ামাল
সোভিয়েত ইউনিয়নের কিংবদন্তি গোলরক্ষক লেভ ইয়াশিনের নামে ২০১৯ সাল থেকে বর্ষসেরা গোলরক্ষককে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে ফ্রেঞ্চ ফুটবল। প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুবার এই পুরস্কার জিতে যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না মার্তিনেসের।
‘এটা একবার জেতাই তো অনেক সম্মানের, সেখানে পরপর দুইবার জিততে পারা! আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না!’
‘এটি আমার জন্য অনেক বড় ব্যাপার। জাতীয় দলের হয়ে সবসময়ই আমি খেলার স্বপ্ন দেখে এসেছি। এরপর এতে কম বয়সে ইংল্যান্ডে আসা এবং অ্যাস্টন ভিলা ও আর্জেন্টিনার জার্সিতে খেলা!’
গত বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষক ছিলেন দিবু। সর্বশেষ দুটি কোপা আমেরিকায়ও হন সেরা গোলরক্ষক। এসবের ফলস্বরূপ টানা দুবার তিনি জিতলেন ইয়াশিন ট্রফি।
আরও পড়ুন: ব্যালন দ’র: মেয়েদের ফুটবলে বার্সেলোনার জয়জয়কার
তবে বর্ষসেরা গোলরক্ষকের স্বীকৃতি পাওয়ার পরও নিজেকে সেরা মানতে নারাজ ৩২ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
‘নিজেকে আমি সেরা হিসেবে দেখি না। অনেক ভালো গোলরক্ষক আছে যাদের প্রতি সপ্তাহেই আমি দেখছি। আমি কেবল দলীয় প্রচেষ্টাকেই গুরুত্ব দেই আর নিজের উন্নতি করতে চাই। অ্যাস্টন ভিলার হয়ে উন্নতির ধারাটি ধরে রাখতে চাই।’
৪৯৪ দিন আগে
ইতিহাসের আরও এক পাতায় ‘কোপা বিজয়ী’ লামিন ইয়ামাল
ক্যারিয়ারের শুরুতেই আলো ছড়িয়ে ইতিহাসের পাতায় একের পর এক কাটাকুটি করে চলেছেন বার্সেলোনার বিস্ময়কর তরুণ প্রতিভা লামিন ইয়ামাল। যে প্রতিযোগিতায় খেলতে নামছেন সেখানেই গড়ে চলেছেন নতুন নতুন রেকর্ড। এবার ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েও গড়লেন নতুন ইতিহাস; সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন ১৭ বছরে পা দেওয়া লামিন।
সোমবার দিবাগত রাতে প্যারিসের থিয়েটার দু শাতলেতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠান থেকে বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলার হিসেবে লামিনের হাতে কোপা ট্রফিটি তুলে দেন ডাচ কিংবদন্তি রুদ খুলিত।
২০১৮ সাল থেকে অনূর্ধ্ব-২১ বছর বয়সী ফুটবলারদের এই সম্মাননা দিয়ে আসছে ফ্রেঞ্চ ফুটবল। ১৮ বছরের কম বয়সী প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এ পুরস্কার জিতলেন ইয়ামাল।
আরও পড়ুন: রদ্রির হাতেই উঠল ব্যালন দ’র
এর ফলে, মাত্র ১৭ বছর ১০৭ দিন বয়সে ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে কোপা ট্রফি জিতলেন ইয়ামাল। সেরা হওয়ার দৌড়ে তিনি পেছনে ফেলেন তারই স্বদেশি ও ক্লাব সতীর্থ পাউ কুবারসি, রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ তুর্কি আর্দা গুলের এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আর্জেন্টাইন উইঙ্গার আলেহান্দ্রো গারনাচোর মতো উঠতি তারকাদের।
এ নিয়ে গত চার বছরে শুধু বার্সেলোনারই তিন তরুণ খেলোয়াড়ের হাতে উঠল কোপা ট্রফি। লামিনের আগে ২০২২ সালে এই পুরস্কার জেতেন পাবলো গাভি; তার আগের বছর (২০২১ সালে) প্রথম বার্সা ফুটবলার হিসেবে এটি জিতেছিলেন পেদ্রি।
৪৯৪ দিন আগে
ব্যালন দ’র: মেয়েদের ফুটবলে বার্সেলোনার জয়জয়কার
আর্থিক সংকটের কারণে পুরুষ দলটি নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে ভুগলেও বার্সেলোনার নারী দলটি যেন হাওয়ায় ভেসে চলেছে। ক্লাবটিকে দুহাত ভরে সাফল্য এনে দিচ্ছে বার্সার মেয়েরা। ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানেও তাই একের পর এক স্বীকৃতি পেল তারা।
টানা দ্বিতীয় ব্যালন দ’র বনমাতির
মেয়েদের ফুটবলে টানা দ্বিতীয়বার ব্যালন দ’র জিতেছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ মিডফিল্ডার আইতানা বনমাতি। গত মৌসুমেও তার হাতেই উঠেছিল ফুটবলের ‘অস্কার’ খ্যাত এই পুরস্কারটি।
আরও পড়ুন: রদ্রির হাতেই উঠল ব্যালন দ’র
গত ১৮ মাসে বিশ্বকাপ ও দুবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর বার্সেলোনার কোনো ফুটবলারই যে এবারও ব্যালন দ’র জিততে চলেছেন, তা অনেকটা নিশ্চিতই ছিল। তবে শেষ হাসিটা ফুটেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টুর্নামেন্ট সেরা বনমাতির মুখেই।
সোমবার দিবাগত রাতে প্রখ্যাত হলিউড অভিনেত্রী নাটালি পোর্টম্যানের কাছ থেকে ব্যালন দ’র ট্রফিটি গ্রহণ করেন বনমাতি।
৪৯৪ দিন আগে
রদ্রির হাতেই উঠল ব্যালন দ’র
সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ম্যানচেস্টার সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিগো এর্নান্দেসের (রদ্রি) হাতেই উঠল এবারের ব্যালন দ’র। শুরু থেকে ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত এই পুরস্কারটি রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড ভিনিসিউসের হাতে উঠছে বলে জোর গুঞ্জন থাকলেও অবশেষে রদ্রিই জিতেছেন এটি।
সোমবার দিবাগত রাতে প্যারিসের থিয়েটার দু শাতলেতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিজয়ী ঘোষণার পর ক্রাচে ভর দিয়ে পুরস্কার নিতে মঞ্চে ওঠেন এসিএলের চোট পাওয়া রদ্রি। এরপর ব্যালন দ’রের ইতিহাসের ৫০তম খেলোয়াড় হিসেবে তার হাতে ‘ফুটবলের অস্কার’ খ্যাত এই পুরস্কার তুলে দেন লাইবেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট, এসি মিলান কিংবদন্তি ও ১৯৯৫ ব্যালন দ’রজয়ী জর্জ উইয়াহ।
এর ফলে ৬৪ বছর পর ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত এ পুরস্কারটি জিতলেন স্পেনের কোনো পুরুষ ফুটবলার। সবশেষ ১৯৬০ সালে এটি জিতেছিলেন বার্সেলোনা ও ইন্টার মিলানের সাবেক মিডফিল্ডার লুইস সুয়ারেস। এতদিন স্পেনে জন্ম নেওয়া একমাত্র ব্যালন দ’র জয়ী ছিলেন তিনিই। এবার তার পাশে বসলেন আরেক মিডফিল্ডার।
আরও পড়ুন: ব্যালন দ’র: কে কোন পুরস্কার জিতলেন
পুরস্কার নেওয়ার পর অনভূতি জানাতে গিয়ে রদ্রি বলেন, ‘এটি শুধু আমার একার জয় নয়, গোটা স্প্যানিশ ফুটবলের বিজয়। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এতদিন (স্পেনের) যেসব খেলোয়াড় এই পুরস্কারটি থেকে বঞ্চিত ছিলেন- (আন্দ্রেস) ইনিয়েস্তা, শাভি (এর্নান্দেস), ইকের (ক্যাসিয়াস) ও বুসি (সের্হিও বুসকেটস), এই পুরস্কার আমাদের সবার।’
এ সময় বার্সেলোনার উদীয়মান ফুটবলার লামিন ইয়ামালের প্রতিভার প্রশংসা ঝরে রদ্রির কণ্ঠে।
তিনি বলেন, ‘লামিন খুব তাড়াতাড়িই এটি জিততে চলেছে। এতে আমার কোনো সংশয় নেই। কঠোর পরিশ্রম করতে থাক, (ব্যালন দ’র নিতে) একদিন তুমিও এখানে (মঞ্চে) দাঁড়াবে।’
৪৯৪ দিন আগে
এবার রিয়ালের মাঠেই বর্ণবিদ্বেষের শিকার বার্সার তিন খেলোয়াড়
প্রতিপক্ষের সমর্থকদের কাছ থেকে বর্ণবাদী স্লোগান শুনতে শুনতে জেরবার রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড ভিনিসিউস জুনিয়র। এ নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই তার; এমনকি রিয়ালের সমর্থকরাও ভিনিসিউসের পক্ষ নিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘৃণ্য এ আচরণের সমালোচনায় মুখর থাকেন। এবার সান্তিয়াগো বের্নাবেউতে সেই রিয়াল সমর্থকদের কাছেই বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছেন বার্সেলোনার তিন খেলোয়াড়।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাতে এল ক্লাসিকো চলাকালে। ৪-০ গোলে বার্সার কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার ওই রাতে ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে রাফিনিয়ার অ্যাসিস্টে তৃতীয় গোলটি করেন বার্সেলোনার ১৭ বছর বয়সী প্রতিভাবান উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল।
এল ক্লাসিকোতে সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে গোলের রেকর্ড করে মাঠেই উদযাপন শুরু করেন তিনি। এ সময় গ্যালারি থেকে তার উদ্দেশে বর্ণবাদী স্লোগান দিতে শুরু করে রিয়ালের কিছু সমর্থক। এমনকি ম্যাচের শেষ দিকে যখন রাফিনিয়ার সঙ্গে কর্নার কিক নিতে যান লামিন, তখন উচ্ছৃঙ্খল সমর্থকরা আরও বেপরোয়া হয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন।
ম্যাচের পর স্পেনের ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম রেলেভো জানায়, শুধু লামিন নন; আনসু ফাতি ও আলেহান্দ্রো বালদেও গ্যালারি থেকে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছেন।
এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে গোটা স্প্যানিশ প্রশাসন। সমর্থকদের এমন আচরণে লজ্জা প্রকাশ করে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
এছাড়া এ ঘটনার পেছনের কারিগরদের চিহ্নিত করতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে ক্লাবটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বর্ণবাদ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে স্পেনে বিশ্বকাপ চান না ভিনিসিউস
এ ঘটনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লা লিগা কর্তৃপক্ষও তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। স্পেনের বর্ণবাদবিরোধী সংস্থার কাছে অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
লা লিগা তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের উদ্দেশে ওঠা বর্ণবাদী স্লোগান নিয়ে স্পেনের জাতীয় পুলিশের হেট ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লা লিগা। পাশাপাশি স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসের হেট ক্রাইমস অ্যান্ড ডিসক্রিমিনেশন ইউনিটের সমন্বয়কারী প্রসিকিউটরকেও এ বিষয়ে অবহিত করা হবে।’
‘লা লিগা সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং স্টেডিয়ামের ভেতরে ও বাইরে যেকোনো ধরনের বর্ণবাদী আচরণ ও ঘৃণা দূর করতে নিজেদের অঙ্গীকারে অটল রয়েছে।’
৪৯৫ দিন আগে
ভুটানকে ৭-১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ
নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে রবিবার প্রথম সেমিফাইনালে ভুটানকে ৭-১ গোলে হারিয়ে ২০২৪ সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ।
ফরোয়ার্ড তহুরা খাতুন দর্শনীয় হ্যাটট্রিক করে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান এবং এবারের আসরে তাদের অপরাজিত রেকর্ড অক্ষুণ্ণ রাখেন।
এর আগে ২০২২ সালে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবারের মৌসুমে আরও একবার বাংলার মেয়েরা তাদের আধিপত্য প্রমাণ করল।
আজ একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত ও স্বাগতিক নেপাল। এই দুই দলের মধ্যে জয়ী হবে যে দল, তাদের সঙ্গে আগামী ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: সাফের সেমিফাইনালে এবারও বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভুটান
আজকের ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তার করতে দেখা যায় বাংলাদেশকে। তহুরা খাতুন শুরুতেই গোলের খাতা খোলেন এবং তিনবার জালে বল আটকান। প্রথমার্ধে অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের দুটি এবং রিতুপর্ণা চাকমা ও মাসুরা পারভীনের একটি করে গোল বাংলাদেশকে ৫-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়।
সপ্তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিপুণ শটে বাংলাদেশের হয়ে গোলের খাতা খোলেন রিতুপর্ণা চাকমা। এর ঠিক আট মিনিট পর দূরপাল্লার জোরালো শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তহুরা (২-০)। ২৬ মিনিটে মনিকা চাকমার পাসে আলতো টোকা দিয়ে ব্যবধান ৩-০ করেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।
৩৫ মিনিটে ভুটানের এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের প্রান্ত থেকে শট নেন তহুরা (৪-০)। দুই মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সাবিনা, ভুটানের গোলরক্ষককে কাটিয়ে অনায়াসে বল জালে জড়ান (৫-০)। দ্বিতীয়ার্ধে ৪২ মিনিটে ফরোয়ার্ড ডাকি লাজোম ভুটানের হয়ে প্রথম গোলটি করেন।
৫৮ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তহুরা, দক্ষতার সঙ্গে বক্সের ভেতর থেকে শট নিয়ে স্কোরলাইন ৬-১ করেন। এই পারফরম্যান্সের সঙ্গে, তহুরা পাঁচটি গোল করে টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন। ট্রফি উৎসর্গ করে সাবেক কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনকে। তোহুরা বলেন, 'এই জয় ও হ্যাটট্রিক দুটোই তার।’
৭২ মিনিটে ডিফেন্ডার মাসুরা পারভিন কর্নার কিক থেকে দারুণ প্লেসিং হেডে গোল করে দলকে ৭-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
গ্রুপ পর্বে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয় লাভ করে বাংলাদেশ। এছাড়া শামসুন্নাহার জুনিয়রের শেষ মুহূর্তের সমতাসূচক গোলে পাকিস্তানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে দল।
গ্রুপ পর্বে নেপালের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর মালদ্বীপের বিপক্ষে ১৩-০ গোলের জয় ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয় নিয়ে সেমিফাইনালে ভুটানের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: ভারতকে উড়িয়ে সাফের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ
৪৯৫ দিন আগে
হেরে বার্সেলোনার রেকর্ড ভাঙার স্বপ্ন ধূলিসাৎ রিয়ালের
সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে খেলা শুরুর পর থেকে প্রায় ৭৮ হাজার রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকের যে বিশাল গর্জনে বুক কেঁপে কেঁপে উঠছিল বার্সেলোনার তরুণ খেলোয়াড়দের, দ্বিতীয়ার্ধের কিছুক্ষণ পর থেকে সেই উল্লাস কোথায় যেন মিলিয়ে গেল, আর এক কোনায় থাকা মাত্র ৪০০ ব্লাউগ্রানা সমর্থকের চিৎকার ছাপিয়ে গেল গোটা গ্যালারির স্তব্ধতা। বার্সেলোনাকে আরও একবার হারিয়ে, কিংবা অন্তত হার এড়িয়ে বার্সারই টানা জয়ের রেকর্ড ভাঙার যে স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন ভিনিসিউস-এমবাপ্পে-বেলিংহ্যামরা, ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই সেই স্বপ্ন ভেঙে খান খান হয়ে গেল।
সান্তিয়াগো বের্নাবেউতে লা লিগায় মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোতে রিয়ালের মাঠেই বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে হান্সি ফ্লিকের ছোঁয়ায় বদলে যাওয়া বার্সেলোনা।
২০২২ সালের ২০ মার্চের পর ঘরের মাঠে এটিই রিয়ালের সবচেয়ে বড় হার। ওই ম্যাচটিও তারা হেরেছিল বার্সেলোনার কাছেই, একই ব্যবধানে।
এছাড়া সব মিলিয়ে টানা চার ম্যাচ জেতার পর এদিন বার্সার কাছে হারল রিয়াল মাদ্রিদ। ২০২৩ সালের ২৯ জুলাই সর্বশেষ রিয়ালকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল শাভি এরনান্দেসের শিষ্যরা।
আরও পড়ুন: সেভিয়াকে বিধ্বস্ত করে এল ক্লাসিকোর প্রস্তুতি সারল বার্সেলোনা
চলতি মৌসুমে ভালো শুরু না পেলেও নানাভাবে হার এড়িয়ে লা লিগায় টানা ৪২ ম্যাচ অপরাজিত ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। সর্বশেষ ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘরে দাঁড়িয়ে ৫-২ গোলে জিতে দারুণভাবে এল ক্লাসিকোর প্রস্তুতিও সারে কার্লো আনচেলত্তির দল। তবে ক্লাসিকোতে বড় হারে সব প্রস্তুতি ধূলায় মিশে গেছে দলটির। অন্যদিকে, রিয়ালকে হারিয়ে নিজেদের রেকর্ড অক্ষত রেখেছে বার্সেলোনা।
এই ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে ভিনিসিউস-এমবাপ্পের মতো ক্ষিপ্র গতির খেলোয়াড়দের আটকানোর কৌশল বাতলে দিয়েছিলেন বার্সা বস ফ্লিক। সেই কৌশল অবলম্বন করেই রিয়ালের বিষদাঁত বের করতে দেননি এই জার্মান।
ম্যাচে শুধু এমবাপ্পেই ৮ বার বার্সার অফসাইডের ফাঁদে পড়েছেন। ফরাসি এই স্ট্রাইকারের নৈপুণ্যে ম্যাচের ৩০তম মিনিটে এগিয়েও গিয়েছিল রিয়াল, তবে অফসাইডে কাটা পড়ে তার গোলটি।
আরও পড়ুন: রিয়ালের অগ্নিঝরা ফুটবলে পুড়ে ছাই ডর্টমুন্ড
প্রথমার্ধে মাঠে তেমনভাবে প্রভাব বিস্তার করতে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই নিজেদের জাত চেনাতে শুরু করে রিয়ালের খেলোয়াড়রা। তবে বলের দখল, গতি নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণ, কাউন্টার প্রেসিং ও ফিনিশিংয়ে তাদের চেয়ে পরিষ্কারভাবে এগিয়ে ছিল বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা; আর এর ফলও পেয়েছে তারা।
৪৯৬ দিন আগে
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নতুন সভাপতি তাবিথ
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ২০২৪ সালের নির্বাচনে নতুন সভাপতি হয়েছেন ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ তাবিথ আউয়াল।
দিনাজপুরের তৃণমূল পর্যায়ের সংগঠক ও কোচ আ ফ ম মিজানুর রহমান চৌধুরীকে ২৩-৫ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন তিনি।
শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সাবেক ফুটবলার তাবিথ আওয়াল ২০১২ ও ২০১৬ সালে বাফুফের সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচন থেকে দূরে ছিলেন চার মেয়াদে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা কাজী এম সালাহউদ্দিন।
এর আগে, ব্যবসায়ী ও ক্রীড়া সংগঠক তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন শেষ মুহূর্তে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। এ কারণে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান।
তিনি বাফুফের সিনিয়র সহসভাপতি, জাতীয় ফুটবলার ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুর্শেদীর স্থলাভিষিক্ত হবেন।
এর আগে শনিবার সকালে একই ভেন্যুতে বিদায়ী সভাপতি কাজী এম সালাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় বাফুফের বার্ষিক সাধারণ সভা।
দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোট ১২৮ জন কাউন্সিলর তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বাফুফের ২১ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করেন। ৪৬ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন সভাপতি, একজন সিনিয়র সহসভাপতি, চারজন সহসভাপতি এবং ১৫ জন নির্বাহী কমিটির সদস্য রয়েছেন।
সহসভাপতির চারটি পদে ছয়জন এবং কার্যনির্বাহী কমিটির ১৫ আসনের বিপরীতে ৩৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এই প্রতিবেদন দাখিল করা পর্যন্ত চারজন সহসভাপতি এবং ১৫ জন ইসি সদস্যের পদের জন্য গণনা চলছিল।
৪৯৬ দিন আগে