খেলাধুলা
ঢাকা-আসামের পুরুষ ও নারী হ্যান্ডবল সিরিজ শুরু রবিবার
বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন ও আসাম স্টেট হ্যান্ডবল অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে ঢাকা-আসাম পুরুষ ও নারী হ্যান্ডবল সিরিজ'২০২৪ শুরু হচ্ছে।
আগামী রবিবার (৩০ জুন) শহীদ ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে শুরু হবে সিরিজটি।
বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ও ক্রীড়া সংগঠক গোলাম কুদ্দুস চৌধুরী বাবু সিরিজের উদ্বোধন করবেন। তিন দিনব্যাপী এ সিরিজটি চলবে।
সফরকারী আসাম পুরুষ হ্যান্ডবল দল চারটি ম্যাচ খেলবে। রবিবার বিকাল ৩টায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের বিপক্ষে, সোমবার বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ পুলিশ হ্যান্ডবল ক্লাবের বিপক্ষে এবং মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-২০) হ্যান্ডবল দলের বিপক্ষে। এছাড়া মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশ যুব (অনূর্ধ্ব-১৮) হ্যান্ডবল দলের বিপক্ষে খেলবে সফরকারীরা।
আরও পড়ুন: এএইচএফ কাপ হকিতে বাংলাদেশের পুরুষদের তৃতীয় জয়, নারী দলের প্রথম হার
একইভাবে আসাম নারী ক্রিকেট দল তিনটি ম্যাচ খেলবে। রবিবার বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা হ্যান্ডবল ক্লাবের বিপক্ষে, সোমবার বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশ পুলিশ হ্যান্ডবল ক্লাবের বিপক্ষে এবং মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় পুনরায় ঢাকা হ্যান্ডবল ক্লাবের বিপক্ষে খেলবে তারা।
এরই মধ্যে সিরিজ খেলতে ঢাকায় পৌঁছেছে আসামের পুরুষ ও নারী দল।আরও পড়ুন: জুনিয়র এএইচএফ কাপ হকিতে তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ পুরুষ দল
৬১৫ দিন আগে
ভারতীয় বোলিং তোপে কাঁপছে দক্ষিণ আফ্রিকা
১৭৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই ভারতীয় পেসারদের তোপের মুখে পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা। তিন ওভার শেষ হতে না হতেই দুই উইকেট হারিয়ে বসেছে তারা।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে প্রথম বলেই আউট হয়ে যাচ্ছিলেন কুইন্টন ডি কক। আর্শদীপের আউটসাইড অফ স্ট্যাম্পের ডেলিভারিতে ব্যাট ছুঁইয়েই বিপদে পড়েছিলেন তিনি। তবে উইকেটরক্ষক পর্যন্ত না পৌঁছানোয় বেঁচে যান ডি কক।
তবে পরের ওভারে বুমরাহর প্রতাপ থেকে বাঁচতে পারেননি অপর প্রান্তের রিজা হেন্ড্রিক্স। ওভারের তৃতীয় বলেই দুর্দান্ত এক ইয়র্কার স্ট্যাম্প গুঁড়িয়ে দিয়ে চলে যায়। ফলে দলীয় ৭ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
এর পরের ওভারে আর্শদীপের শিকার হন প্রোটিয়া অধিনায়ক আইডেন মার্করাম। উইকেটের পেছনে ঋষভকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ফলে প্রথম দুই ব্যাটারই পাঁচ বল মোকাবিলা করে একটি করে চার মেরে ফিরে যান। এতে মাত্র ১২ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে ভারতের মতোই শুরুতে চাপে পড়ে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
ওই ওভারের পঞ্চম বলে আরও একটি কট বিহাইন্ডের সম্ভাবনা জাগে। তবে রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ হয় ভারত।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪ ওভার শেষে দুই উইকেট হারিয়ে ২২ রানে সংগ্রহ করেছে প্রোটিয়ারা।
কুইন্টন ডি কক ১০ বলে ১০ এবং ট্রিস্টান স্টাবস ৪ বলে ২ রান করে অপরাজিত রয়েছেন।
আরও পড়ুন: ফাইনালে হাসল কোহলির ব্যাট, প্রোটিয়াদের সামনে বড় লক্ষ্য
৬১৫ দিন আগে
ফাইনালে হাসল কোহলির ব্যাট, প্রোটিয়াদের সামনে বড় লক্ষ্য
পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে রানখরা গেলেও ফাইনালে ঠিকই জ্বলে উঠল বিরাট কোহলির ব্যাট। তার ব্যাটের হাসিতে শুরুতে উইকেট হারিয়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালো ভারত, আর প্রোটিয়াদের দিল চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য।
বার্বাডোসের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করেছে ভারত।
এদিন দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন কোহলি। ৫৯ বলে এই রান করতে গিয়ে তিনি দুটি ছক্কা ও ছয়টি চার মারেন। এছাড়া অক্ষর প্যাটেল ৩১ বলে ৪৭ এবং শেষের দিকে শিবম দুবে ১৬ বলে ২৭ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন কেশব মহারাজ। এছাড়া কাগিসো রাবাদা ও মার্কো ইয়ানসেনের ঝুলিতে গেছে একটি করে উইকেট।
প্রথম ওভারে তিনটি চার মেরে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন বিরাট কোহলি। পরের ওভারে তা অব্যহত রাখেন রোহিতও। কিন্তু ওই ওভারেই জোড়া উইকেট শিকার করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে অসাধারণভাবে ম্যাচে ফেরান কেশব মহারাজ।
দ্বিতীয় ওভারের প্রথম দুই বলে দুটি চার মারেন রোহিত, কিন্তু চতুর্থ বলেই মহারাজের শর্ট লেঙ্থ ডেলিভারিটি সুইপ করতে গিয়ে ক্লাসেনের দারুণ এক ক্যাচের শিকার হয়ে ফিরতে হয় তাকে।
রোহিত সুইপ করলে বলটি প্রায় মাটি ছুঁয়েই যাচ্ছিল, কিন্তু মাটিতে পড়ার আগে বাঁ দিকে খানিকটা ঝাঁপিয়ে বলটি তালুবন্দি করেন শর্ট ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ অঞ্চলে ফিল্ডিং করা ক্লাসেন।
এরপর, ক্রিজে এসে পঞ্চম ডেলিভারিটি দেখেশুনে খেলে পরের বলেই মহারাজের ঘুর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে টপ এজ হয়ে যান ঋষভ পান্ত। উইকেটের পেছন থেকে ডি কক সহজ ক্যাচ নিলে খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয় ভারতীয় উইকেটরক্ষককে।
এর ফলে ২৩ রানে দুই উইকেট হারায় ভারত। আর শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে খানিকটা ব্যাকফুটে চলে যায় তারা। এসময় সূর্যকুমার যাদবকে নিয়ে উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা করেন কোহলি।
তৃতীয় ওভারে রাবাদার শেষ ডেলিভারিতে ফের একটি ক্যাচ উঠেছিল, তবে ফাঁকায় পড়ায় সে যাত্রায় বেঁচে যান কোহলি।
এদিন এক-দুই রান বাঁচাতে ফিল্ডিংয়ের মনোমুগ্ধকর পারফরম্যান্স দেখায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
আরও পড়ুন: ফাইনালে টস জিতে ব্যাটিংয়ে ভারত
এরপর দলীয় পঞ্চম ও নিজের দ্বিতীয় ওভারে সূর্যকুমারকে ফেরান কাগিসো রাবাদা। ওভারের তৃতীয় ডেলিভারিতে সেই ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ অঞ্চল দিয়ে বলটি উড়িয়ে সীমানাছাড়া করার চেষ্টা করেন সূর্যকুমার। কিন্তু মারে জোর না থাকায় ক্লাসেনের হাতে ধরা পড়ে ফিরতে হয় তাকে।
তিনি ৪ বলে ৩ রান করে ফিরে গেলে ৩৪ রানের মাথায় তিন উইকেট হারিয়ে আরও চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপর তুরুপের তাস হিসেবে বোলিং অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেলকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে দেন রোহিত।
অক্ষর-কোহলি জুটি অক্ষত রেখে পাওয়ার প্লেতে তিন উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান তোলে ভারত। এরপরই হাত খুলে খেলা শুরু করেন অক্ষর। নিয়মিত বিরতিতে চার-ছক্কা বের করতে থাকেন তিনি। এই দুই ব্যাটারের দৃঢ়তায় প্রথম দশ ওভারে ৭৫ রান সংগ্রহ করে ভারত। এরপর ১৩.১ ওভারে রাবাদাকে ছক্কা হাঁকিয়ে দলীয় শতরান পার করেন অক্ষর।
তবে এর দুই বল পরই দুঃখজনকভাবে রান আউট হয়ে ফিরতে হয় তাকে। ফেরার আগে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিয়ে ৩১ বলে ৪৭ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে যান তিনি। এই রান সংগ্রহ করতে তিনে মারেন চারটি ছক্কা ও একটি চারের মার।
আরও পড়ুন: ফাইনালের খুঁটিনাটি: আবহাওয়া, পিচ, দলের খবর
পরবর্তী ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে এসে কোহলিকে তাল দিতে থাকেন শিবম দুবে। এর মাঝে ৪৮ বলে চলতি টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বিরাট।
১৯তম ওভারের পঞ্চম বলে ৫৯ বলে ৭৬ রান করে ফেরেন কোহলি। এরপর ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতে ফিরে যান শিবমও (২৭), আর নর্টকিয়ার শেষ বলে দারুণ এক ক্যাচ নিয়ে জাদেজাকে থামান মহারাজ। ফলে আট উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রানে থামে ভারতের ইনিংস।
প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা ছুঁতে হলে এই লক্ষ্য পাড়ি দিতে হবে প্রোটিয়া ব্যাটারদের।
৬১৫ দিন আগে
ফাইনালে টস জিতে ব্যাটিংয়ে ভারত
প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে মাঠে নেমেছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রোহিত শর্মা।
১৮ বছর আগে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বসেরার প্রতিযোগিতা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত শিরোপা অধরাই রয়ে গেছে ভারতের। এর আগে দুবার ফাইনালে উঠেও শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে তাদের।
অন্যদিকে, ক্রিকেটের সব সংস্করণ মিলিয়ে বিশ্ব আসরে বারবার সেমিফাইনাল খেললেও এই প্রথমবার কোনো ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাই ‘চোকার’ থেকে ‘উইনার’ হতে সব রকম চেষ্টাই করবে আইডেন মার্করামের দল।
আরও পড়ুন: ফাইনালের খুঁটিনাটি: আবহাওয়া, পিচ, দলের খবর
টস জিতে রোহিত বলেন, ‘আগে ব্যাট করতে চাই। এখানে আগে একটি ম্যাচ খেলেছি। পিচ ভালোই। সেদিন রানও পেয়েছিলাম।
‘ফাইনালের চাপ বুঝতে পারছি। তবে আমরা মাথা ঠান্ডা রাখতে চাই। একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো করেই আজকের ম্যাচটিকে দেখতে চাই।’
‘দক্ষিণ আফ্রিকা (টুর্নামেন্টজুড়ে) অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে। আমাদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন খেলোয়াড় (দলের) হাল ধরেছে। আজকেও সেরকম কিছু প্রত্যাশা করছি।’
সেমিফাইনালের অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই ভারত মাঠে নামছে বলে জানান তিনি।
অপরদিকে, মার্করাম বলেন, ‘(টস জিতলে) আমরাও আগে ব্যাট করতাম। তবে যাইহোক, শুরুতে বোলিং করছি, নতুন উইকেটের সুবিধা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।
‘কিছু কিছু সময় আমরা ভালো খেলিনি, তারপরও ম্যাচ বের করেছি। সেই আত্মবিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব। পারফেক্ট হওয়া তো সম্ভব নয়, তবে আমাদের তার যতটা কাছাকাছি পারা যায়, যাওয়ার চেষ্টা থাকবে।’
‘ফাইনালের উত্তেজনা অনুভব করলেও চাপ একেবারেই নিচ্ছি না। এটাই (বিশ্বকাপে) আমাদের প্রথম ফাইনাল। তাই খেলা উপভোগ করব।’
দক্ষিণ আফ্রিকাও অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে বলে জানান তিনি।
ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পান্ত (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, রবীন্দ্র জাদেজা, আর্শদীপ সিং, জসপ্রিত বুমরাহ ও কুলদীপ যাদব।
দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), রিজা হেন্ড্রিক্স, আইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), ডেভিড মিলার, হাইনরিখ ক্লাসেন, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা, আনরিখ নর্টকিয়া ও তাবরাইজ শামসি।
৬১৫ দিন আগে
ফাইনালের খুঁটিনাটি: আবহাওয়া, পিচ, দলের খবর
প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে আজ রাতে মাঠে নামছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই দলের জন্যই এই শিরোপাটি আরাধ্য বস্তু।
১৮ বছর আগে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বসেরার প্রতিযোগিতা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত শিরোপা অধরাই রয়ে গেছে ভারতের। এর আগে দুবার ফাইনালে উঠেও শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে তাদের।
২০০৭ সালে বিশ্বকাপের প্রথম আসরেই ফাইনালে ওঠে ভারত। তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে প্রথমবার আশাহত হয় তারা। এরপর ২০১৪ সালে তাদের ৬ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জেতে শ্রীলঙ্কা।
দশ বছর পার ফের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে ভারত। শক্তিমত্তার বিচারে একেবারে তুঙ্গে রয়েছে রোহিত শর্মার দল। তাই বিশ্বকাপ জয়ে এবার বড় আশা দেখছে ভারতের ক্রিকেটভক্তরা।
অন্যদিকে, ক্রিকেটের সব সংস্করণ মিলিয়ে বিশ্ব আসরে বারবার সেমিফাইনাল খেললেও এই প্রথমবার ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাই ‘চোকার’ থেকে ‘উইনার’ হতে সব রকম চেষ্টাই করবে আইডেন মার্করামের দল।
চলুন জেনে নেই, ধ্রুব এই ফাইনাল ম্যাচের খুঁটিনাটি।
কখন শুরু হবে
বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি। এর আধঘণ্টা আগে হবে টস।
কোথায় হচ্ছে ফাইনাল
বার্বাডোজের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভাল স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। একসঙ্গে ২৮ হাজার দর্শক এই স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখতে পারেন।
পিচের অবস্থা
ব্যাটারদের স্বর্গ না হলেও কেনসিংটন ওভালে চলমান টুর্নামেন্টের কয়েকটি ম্যাচেই ভালো স্কোর গড়তে দেখা গেছে।
এ মাঠে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীদের তালিকায় পেসাররাই এগিয়ে রয়েছেন। ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা- দুই দলেই অসাধরণ কয়েকজন পেসার থাকায় দুপাশেই আজ জমাট লড়াই দেখার আশা করছেন বিশ্লেষকরা।
আবহাওয়া কী বলছে
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবহাওয়ার মেজাজ একেবারেই ভালো দেখা যায়নি। বেশ কয়েকটি ম্যাচ ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে কয়েকটি ম্যাচ দেরিতেও শুরু হয়েছে।
বার্বাডোজের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার ব্রিজটাউনের আবহাওয়ার খবর খুব বেশি স্বস্তিদায়ক নয়। রবিবার একটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় দ্বীপটির দিকে অগ্রসর হবে। ফলে ওই অঞ্চলে গুরুতর আবহাওয়া সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস।
তবে দর্শক আশা করছে, পূর্ণ ২০ ওভারের দুটি ইনিংসই দেখতে পাবে তারা।
বৃষ্টি হলে কী হবে
ম্যাচের আগে বৃষ্টি হলে বা বৃষ্টিতে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটিতে বিঘ্ন ঘটলে সর্বোচ্চ ১৯০ মিনিট বা তিন ঘণ্টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। এর মধ্যে খেলা শুরু করা গেলে পূর্ণ ২০ ওভারের ইনিংসই খেলানো হবে। তা সম্ভব না হলে কমপক্ষে ১০ ওভার করে খেলানো হবে।
তবে শনিবার ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেলে পরের দিন (রবিবার) রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে।
এরপরও ম্যাচটি খেলা সম্ভব না হলে দুই দলকেই যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে।
ফাইনাল ম্যাচ টাই হলে কী হবে
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি টাই হলে সুপার ওভারে ম্যাচের নিষ্পত্তি করা হবে। প্রথম সুপার ওভারও যদি টাই হয় তবে ফের আরও একটি করে সুপার ওভার খেলানো হবে। এভাবে ম্যাচের ফলাফল না আসা পর্যন্ত সুপার ওভার চলতে থাকবে।
টসভাগ্য কী বলছে
এই মাঠে এখন পর্যন্ত খেলা ৮ ম্যাচের পাঁচটিতে টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অধিনায়করা। তবে কিছুটা মিশ্র ফলাফল দেখা গেছে এখানে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে এই মাঠে টস জিতে রোহিত শর্মা আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ম্যাচটিতে ৪৭ রানের জয় পায় ভারত।
তবে ভারতের এই মাঠে আগে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য চলমান টুর্নামেন্টে এটিই প্রথম ম্যাচ হতে চলেছে।
হেড টু হেড
দুই দলের দেখায় এখন পর্যন্ত ভারতই কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৪ ম্যাচ জিতেছে ভারত। অন্যদিকে, ভারতের বিপক্ষে প্রোটিয়াদের জয় ১১টি ম্যাচে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসরে এর আগে পাঁচবারের দেখায় চার ম্যাচই জিতেছে ভারত।
সবশেষ গত ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায় তিন ম্যাচের একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে ভারত। ১-১ সমতায় সিরিজ শেষ করে দুই দল। বাকি ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়।
তবে চলমান বিশ্বকাপ আসরে দুই দলই রয়েছে দারুণ ছন্দে। এখন পর্যন্ত সব ধরনের প্রতিকূলতা কাটিয়ে টুর্নামেন্টে অপরাজিত দুই দলই। ফলে এক দুর্দান্ত ফাইনালের অপেক্ষায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।
দলের খবর
ভারত
তিন পেসার ও দুই স্পিনার নিয়ে সাজানো বোলিং আক্রমণ নিয়ে এখন পর্যন্ত দারুণ সফল ভারত। দলটির বোলারদের সবাই রয়েছে দারুণ ফর্মে। বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে সব প্রতিপক্ষকেই নাকানি-চুবানি খাইয়েছে তারা।
আবার ফর্মের চূড়ায় রয়েছেন ব্যাটাররাও। ফলে আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, যুক্তরাষ্ট্র ও সবশেষ ইংল্যান্ডকে হারানো একাদশই অপরিবর্তিত রাখতে পারেন ভারতের নির্বাচকরা।
সম্ভাব্য একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পান্ত (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, রবীন্দ্র জাদেজা, আর্শদীপ সিং, জসপ্রিত বুমরাহ ও কুলদীপ যাদব।
দক্ষিণ আফ্রিকা
ভারতের মতোই দক্ষিণ আফ্রিকার দুই স্পিনার ও তিন পেসার টুর্নামেন্টজুড়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন বারবার। এছাড়া মাঝেমধ্যে হাত ঘুরিয়ে থাকেন দলটির অধিনায়ক মার্করামও। ফলে বোলিং নিয়ে কিছুটা নির্ভারই থাকবেন মার্করাম।
তবে ব্যাটাররা একেবারেই ধারাবাহিক নেই বিশ্বকাপের এই আসরে। অবশ্য, বিভিন্ন ম্যাচে কোনো এক বা দুজন ব্যর্থ হলেও অন্যরা ব্যাট হাতে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। সর্বোপরি, টিম পারফরম্যান্সের কারণেই সবগুলো ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠেছে প্রোটিয়ারা। তাই শেষ ম্যাচেও দলের টিম ওয়ার্কই দেখতে চাইবে সমর্থকরা।
সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে ধসিয়ে দেওয়া একাদশ অপরিবর্তিত রাখতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা।
সম্ভাব্য একাদশ: কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), রিজা হেন্ড্রিক্স, আইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), ডেভিড মিলার, হাইনরিখ ক্লাসেন, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা, আনরিখ নর্টকিয়া ও তাবরাইজ শামসি।
৬১৫ দিন আগে
তৃতীয় ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা কোচের শাস্তি
দল নিয়ে বারবার দেরি করে মাঠে আসায় শাস্তি পেয়েছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন তিনি। এর ফলে রবিবার সকালে পেরুর বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে ডাগআউটে দেখা যাবে না তাকে।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে কনবেমবল জানিয়েছে, কোপা আমেরিকার প্রথম দুই ম্যাচেই বিরতির পর দেরি করে দল নিয়ে (মাঠে) ফেরার কারণে লিওনেল স্কালোনিকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এমনকি, ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনেও তিনি উপস্থিত হতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে।
চিলির কোচ রিকার্দো গারেসাও একই কারণে শাস্তি পেয়েছেন। একই দিন ও সময়ে কানাডার বিপক্ষে কোয়ার্টারে ওঠার লড়াইয়ে মাঠে নামবে চিলি।
আরও পড়ুন: ইনজুরিতে মেসি, পেরুর বিপক্ষে বিশ্রাম
এ বিষয়ে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ ওয়াল্টার স্যামুয়েল বলেন, ‘এ বিষয়ে কোচ স্কালোনি কিছুটা হতাশ। গত ছয় বছরে এ ধরনের শাস্তির মুখে আমরা কখনোই পড়িনি। তিনি (স্কালোনি) দলের সঙ্গে থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, বিষয়টি খানিকটা অস্বাভাবিক।’
কোপা আমেরিকার নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের বিরতির পর সঠিক সময়ে অবশ্যই মাঠে থাকতে হবে। একবার এ ভুল ক্ষমা করা হলেও দ্বিতীয়বার এর জন্য শাস্তির বিধান রেখেছে ল্যাটিন আমেরিকার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল।
গত ২১ জুন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে হারের পর বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে অভিযোগ তোলে কানাডা। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে চিলির বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচেও একই ভুল করে বসে আর্জেন্টিনা।
কোপা আমেরিকায় প্রথম দুই ম্যাচ জিতে শেষ আট নিশ্চিত করলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে তৃতীয় ম্যাচে জয় প্রয়োজন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। দুই ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল।
রবিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে থাকা পেরুর বিপক্ষে মাঠে নামবে স্কালোনির শিষ্যরা। একই সময় কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মাঠে নামবে চিলি ও কানাডা।
আরও পড়ুন: প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে শঙ্কা কাটাল ব্রাজিল
দুই ম্যাচে এক জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় অবস্থানে কানাডা। অন্যদিকে, এক ড্রয়ে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে তিনে চিলি। ফলে ড্র করতে পারলেও কোয়ার্টারের টিকিট পাওয়া তুলনামূলক সহজ হবে কানাডার জন্য। আর শেষ আট নিশ্চিত করতে জয়ের বিকল্প নেই চিলির।
শেষ আটে খেলার স্বপ্ন অবশ্য শেষ হয়ে যায়নি পেরুরও। আর্জেন্টিনাকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে কোপা আমেরিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে নকআউট পর্বে উঠে যেতে পারে তারাও।
৬১৫ দিন আগে
ইনজুরিতে মেসি, পেরুর বিপক্ষে বিশ্রাম
পায়ের উরুতে চোট পাওয়ায় কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে লিওনেল মেসিকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচে চিলির বিপক্ষে মাঠে নেমে চোট পান আর্জেন্টাইন মায়েস্ত্রো।
কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করার ওই ম্যাচটি ১-০ গোলে জেতে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ২৪তম মিনিটে চিলির ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল সুয়াসোর সঙ্গে বল দখলের চ্যালেঞ্জে গিয়ে ডান পায়ের উরুতে টান লাগে মেসির। এরপর ম্যাচ চলাকালেই তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে দেখা যায়। অবশ্য ম্যাচটি শেষ করেই মাঠ ছাড়েন তিনি।
তবে শুক্রবার আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ ওয়াল্টার স্যামুয়েল জানিয়েছেন, মেসির ইনজুরির বিষয়টি প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
‘তার অনুপস্থিতি শুধু আমাদের জন্যই নয়, সর্বোপরি ফুটবলের জন্যই বিরাট বড় ধাক্কা।’
আরও পড়ুন: লাউতারোর গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা
গত মৌসুমে মেজর সকার লিগে (এমএলএস) যোগদানের পর থেকেই ইনজুরি ভোগাচ্ছে লিওনেল মেসিকে। তবে ঠাসা সূচির মধ্যেও তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে যথেষ্ট খেয়াল রাখেন মায়ামি কোচ তাতা মার্তিনো।
পায়ের চোটে প্রথম মৌসুমের ইন্টার মায়ামির ছয়টি ম্যাচ খেলতে পারেননি মেসি। এছাড়া পরের মৌসুমের শুরুতে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ার কারণেও বেশ কয়েকটি ম্যাচে ডাগআউটে বসে থাকতে হয় তাকে।
কোপা আমেরিকায় প্রথম দুই ম্যাচ জিতে শেষ আট নিশ্চিত করলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে তৃতীয় ম্যাচে জয় প্রয়োজন আর্জেন্টিনার। দুই ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল।
রবিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে থাকা পেরুর বিপক্ষে মাঠে নামবে স্কালোনির শিষ্যরা। একই সময় কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মাঠে নামবে চিলি ও কানাডা।
আরও পড়ুন: প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে শঙ্কা কাটাল ব্রাজিল
দুই ম্যাচে এক জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় অবস্থানে কানাডা। অন্যদিকে, এক ড্রয়ে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে তিনে চিলি। ফলে ড্র করতে পারলেও কোয়ার্টারের টিকিট পাওয়া তুলনামূলক সহজ হবে কানাডার জন্য। আর শেষ আট নিশ্চিত করতে জয়ের বিকল্প নেই চিলির।
শেষ আটে খেলার স্বপ্ন অবশ্য শেষ হয়ে যায়নি পেরুরও। আর্জেন্টিনাকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে কোপা আমেরিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে নকআউট পর্বে উঠে যেতে পারে তারাও।
আরও পড়ুন: ইউরোর শেষ ষোলো চূড়ান্ত, কে কবে কার মুখোমুখি
৬১৫ দিন আগে
প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে শঙ্কা কাটাল ব্রাজিল
কোপা আমেরিকার চলতি আসরের শুরুটা আশানুরূপ হয়নি ব্রাজিলের। কোস্টারিকার সঙ্গে ড্র করে নকআউট পর্বে ওঠা নিয়ে ভক্তদের মনে জাগিয়েছিল শঙ্কা। মূলত, ড্রয়ের কারণে নয়, ম্যাচে দলটির খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সই ছিল হতাশা জাগানিয়া। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে সে আশঙ্কা কাটিয়েছে দরিভাল জুনিয়রের শিষ্যরা।
লাস ভেগাসের অ্যালেজায়ান্ট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয় পেয়েছে ব্রাজিল। ভিনিসিউসের জোড়া গোলের ম্যাচে স্যাভিনিয়ো এবং লুকাস পাকেতা বাকি গোল দুটি করেন।
স্কোরলাইন দেখে ম্যাচটি একপেশে মনে হলেও মাঠের খেলায় তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্যারাগুয়ে। ব্রাজিলের পায়ে ৫৪ শতাংশ সময় বল থাকলেও ৪৬ শতাংশ সময় নিজেদের পায়ে বল রাখতে সক্ষম ছিল দলটি। এছাড়া পুরো ম্যাচে ব্রাজিল গোলের জন্য শট নেয় ১৭টি, যার ৬টি ছিল লক্ষ্যে। অপরদিকে, প্যারাগুয়ের ১৫টি শট থেকেও ৬টি লক্ষ্যে ছিল।
দুই অর্ধে দুটি পেনাল্টিতে ব্রাজিলের কাজ অনেকটা সহজ হয়ে গেলেও তার একটি থেকে গোল আদায় করতে পারে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের ৩১তম মিনিটে পাওয়া প্রথম স্পট কিক থেকে গোল আদায় করতে না পেরে দলকে এগিয়ে নিতে ব্যর্থ হন লুকাস পাকেতা। গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে গিয়ে তার শটটি গোলপোস্টেরই বাইরে দিয়ে চলে যায়।
তবে এর চার মিনিট পরই দর্শকদের আনন্দে ভাসান ভিনিসিউস। ডি বক্সের ভেতর পাকেতার বাড়ানো বল থেকে লক্ষ্যভেদ করেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
আরও পড়ুন: লাউতারোর গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা
এরপর প্রথমার্ধের খেলা দুই মিনিট বাকি থাকতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন স্যাভিনিয়ো। ব্রুনো গিমেরায়েসের শট গোলরক্ষকক ফিরিয়ে দিলে বল প্যারাগুয়ের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে চলে যায় স্যাভিনিয়োর কাছে। এরপর বল জালে জড়াতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি আসন্ন মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নেওয়া জিরোনার এই ফরোয়ার্ডের।
এরপর মাঠের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিবাদে জড়ান ভিনিসিউস। তাকে ধাক্কা মেরে ফেলেও দেওয়া হয়। তবে বিরতির ঠিক আগেই অতিরিক্ত সময়ে গোল করে এর জবাব দেন তিনি। ফলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে ব্রাজিল।
৬১৫ দিন আগে
বোলিংয়ের দিকটি ছিল ইতিবাচক, বললেন তাসকিন
যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্স শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আসার পর দলের বোলিং পারফরম্যান্সকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেন পেসার তাসকিন আহমেদ।
প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর বিপক্ষে দুটিসহ সাত ম্যাচে তিন জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। তাসকিনের সঙ্গে রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব ও মুস্তাফিজুর রহমান প্রশংসনীয় বোলিং পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।
পারফরম্যান্সে নজিরবিহীন খারাপ করার কথা উল্লেখ করে ব্যাটিং চেষ্টাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে স্বীকার করেছেন তাসকিন।
ঢাকায় ফিরে তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রে পরিস্থিতি ব্যাটসম্যানদের অনুকূলে ছিল না।’ তিনি বলেন, ‘পরিসংখ্যান বলছে, শীর্ষ দলগুলোও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বোলারদের একটি স্বতন্ত্র সুবিধা ছিল।’
তিনি বোলিং ইউনিটের সাফল্যের জন্য সময়ের সঙ্গে ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকে তুলে ধরেছেন।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বৃষ্টির হানা, পণ্ড হলেই ফাইনালে ভারত
বাংলাদেশের জন্য সর্বনিম্ন পয়েন্টটি সুপার এইটে এসেছিল। যেখানে তারা আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রয়োজনীয় মোট রান তুলতে ব্যর্থ হন। এর ফলে ঐতিহাসিক সেমিফাইনালে যাওয়া নিশ্চিত করার সুযোগ হাতছাড়া করে ফেলেন। ৭৩ বলে মাত্র ১১৬ রান সংগ্রহা করার প্রয়োজন থাকলেও হোঁচট খায় বাংলাদেশ।
লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো ব্যাটসম্যানরা পুরো ইভেন্টে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ হন। এটি বিরল ছিল- সব ব্যাটসম্যান একইভাবে তাদের ফর্ম হারায়। ফলে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স ভুলে যেতে পারে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত শুরুতেই উইকেট হারানোর পর দলের কৌশলগত পরিবর্তনের ব্যাখ্যা দিয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
তারা সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার আশা ছেড়ে দেওয়ায় ম্যাচ জেতার লক্ষ্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।
আরও পড়ুন: সেমির দৌড়ে ১১৬ রানের লক্ষ্যে সমীকরণ মেলাতে হচ্ছে টাইগারদের
৬১৬ দিন আগে
টস হেরে ব্যাটিংয়ে ভারত
বৃষ্টির কারণে ভেজা মাঠ শুকাতে বেশ কিছুটা সময় লাগলেও দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মাঠে নামছে ইংল্যান্ড ও ভারত। এদিন টসভাগ্য গেছে ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলারের দিকে।
গায়নার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে শুরুতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাটলার।
বৃষ্টির আগে পিচ রিপোর্টে হার্শা ভোগলে ও মাইকেল আথারটন বলেছিলেন, এই পিচে বল বেশি ওপর উঠবে না। ফলে স্পিনাররা সুবিধা পাবেন।
শুরুতে ব্যাট করে এই মাঠে সংগ্রহের গড় ১৬৭ রান।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বৃষ্টির হানা, পণ্ড হলেই ফাইনালে ভারত
শুরুতে বোলিং করার ইচ্ছাই ছিল জানিয়ে বাটলার বলেন, ‘ভালো সারফেস মনে হচ্ছে। বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর বল একটু কমই উঠবে। তাই আগে বোলিং করলে সুবিধা পাওয়া যাবে বলেই মনে হচ্ছে। গত ম্যাচের একাদশ অপরিবর্তিতই থাকছে।’
রোহিত বলেন, ‘টস জিতলেও আগে ব্যাটিং করতাম। আমরা শুরুতেই (স্কোর) বোর্ডে রান রাখতে চাই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পিচ স্লো হয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে। ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব বেশি ভাবছি না। এই মুহূর্তে কী করা দরকার, সেটিই আমাদের কাছে মুখ্য। আমরাও অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে নামছি।’
পরিসংখ্যান বলছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি ম্যাচে আগে ব্যাট করে হারে ইংল্যান্ড। তবে তিন ম্যাচে লক্ষ্য তাড়ায় নেমে তিনটিতেই সফল তারা।
অন্যদিকে, ২০২১ সালের পর থেকে সব ধরনের ক্রিকেট মিলিয়ে আইসিসি বিশ্বকাপে মোট পাঁচবার হেরেছে ভারত। ওই পাঁচটি ম্যাচের সবগুলোতেই শুরুতে ব্যাটিং করেছিল তারা।
ইংল্যান্ড একাদশ: ফিলিপ সল্ট, জস বাটলার (অধিনায়ক), জনি বেয়ারস্টো, হ্যারি ব্রুক, মইন আলী, লিয়াম লিভিংস্টোন, স্যাম কারান, ক্রিস জর্ডান, জোফরা আর্চার, আদিল রশিদ ও রিস টপলি।
ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পান্ত, সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, আর্শদীপ সিং ও জাসপ্রিত বুমরাহ।
আরও পড়ুন:আফগানদের বিধ্বস্ত করে ‘চোকার’ তকমা ঘোচাল দক্ষিণ আফ্রিকা
রেকর্ড বইয়ে ১৩ পরিবর্তন আনল প্রোটিয়া-আফগান ম্যাচটি
৬১৭ দিন আগে