খেলাধুলা
৫ বলে ৪ উইকেট নিলেন জর্ডান, বিধ্বস্ত যুক্তরাষ্ট্র
সেমি-ফাইনালে ওঠার সমীকরণ একটু সহজ করতে বড় জয় চাই ইংল্যান্ডের। আদিল রশিদের নিয়ন্ত্রিত স্পেলের পর দারুণ এক হ্যাটট্রিকে অধিনায়ক জস বাটলারকে আশ্বস্ত করলেন ক্রিস জর্ডান। তার হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ বলে চার উইকেটে শেষের দিকে গুঁড়িয়ে গেছে স্বাগতিকদের ইনিংস।
টস জিতে এদিন যুক্তরাষ্ট্রকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠন বাটলার। শুরুতে ব্যাট করে ইনিংসের ৭ বল বাকি থাকতেই ১১৫ রানে অলআউট হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ব্যাট হাতে নীতীশ কুমার সর্বোচ্চ ৩০, কোরি অ্যান্ডারসন ২৯ ও হারমিত সিং ২১ রান করেছেন।
ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট নিয়েছেন ক্রিস জর্ডান। ২.৫ ওভারে ১০ রানের খরচায় চারটি উইকেট নিয়েছেন তিনি। এছাড়া আদিল রশিদ চার ওভারে ১৩ রানে এবং স্যাম কারান ২৩ রানে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
জর্ডানের কল্যাণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে নবম হ্যাটট্রিক দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। শুধু তা-ই নয়, এদিন সকালে প্যাট কামিন্সের হ্যাটট্রিকের পর রাতে আরও একটি হ্যাটট্রিক দেখা গেল।
টি-টোয়েন্টিতে প্রথম কোনো ইংলিশ বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখালেন জর্ডান।
আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টিতে কামিন্সের বিরল কীর্তি
এছাড়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে এক ওভারে চার উইকেট নিয়েছেন তিনি। এর আগে ২০২১ বিশ্বকাপে ডাচদের চার ব্যাটারকে ফেরান দক্ষিণ আফ্রিকার কার্টিস ক্যাম্ফার।
এদিন ১১৫ রানের মাথায় ছয় বলের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের ৫টি উইকেট পড়ে।
৭১১ দিন আগে
জটিল সমীকরণ সামনে রেখে বোলিংয়ে ইংল্যান্ড
সেমি-ফাইনালের জায়গা পোক্ত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। এদিন টস ভাগ্য ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলারের দিকে গিয়েছে।
রবিবার (২৩ জুন) ব্রিজটাউনে সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে স্বাগতিকদের আগে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন বাটলার।
প্রথম দুই রাউন্ডে মিশ্র পারফরম্যান্সে শেষ রাউন্ডে এসে জমে উঠেছে এই গ্রুপের ম্যাচদুটি। যেকোনো দিকে হার-জিতে সেমির ভাগ্য খুলে যেতে পারে যেকোনো দলের। এমন জটিল সমীকরণ মাথায় নিয়ে চ্যাম্পিয়নদের মোকাবিলা করতে মাঠে নেমেছে স্বাগতিকরা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ জিতলেও পরের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারে ইংল্যান্ড। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি তাই সেমি-ফাইনালে যেতে দলটির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে প্রথম দুই ম্যাচে হেরে খাদের কিনারায় যুক্তরাষ্ট্র। তবে কাগজে-কলমে এখনও সেমিতে ওঠার সম্ভাবনা টিকে আছে তাদের। সেক্ষেত্রে আজকের ম্যাচে বড় জয়ের বিকল্প নেই স্বাগতিকদের সামনে।
আরও পড়ুন: ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের দুর্দান্ত জয়
এই গ্রুপে দুই ম্যাচের দুটিতেই জিতে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এছাড়া ইংল্যান্ড ও উইন্ডিজরা একটি করে ম্যাচ জেতায় সেমি-ফাইনাল এখনও উন্মুক্ত রয়েছে প্রতিটি দলের জন্যই।
সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করতে আজকের ম্যাচটি শুধু জিতলেই হচ্ছে না ইংল্যান্ডের। সোমবার ক্যারিবীয়দের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওই ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে তাদের। প্রোটিয়ারা ম্যাচটি জিতে গেলে কোনো হিসাব ছাড়াই সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ড। তবে ইংল্যান্ড জিতলে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা হারলে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায় নিশ্চিত করে বাকি তিন দলেরই পয়েন্ট হবে ৪। সেক্ষেত্রে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকা দুই দল উঠবে সেমিতে।
আবার, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইংলিশদের হারায়, আর দক্ষিণ আফ্রিকা ক্যারিবীয়দের হারায়, তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সরাসরি সেমির টিকিট পেলেও বাকি তিন দলের পয়েন্ট হবে ২ করে। ফলে নেট রান রেটে এগিয়ে থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের যে কারও সেমি-ফাইনাল ভাগ্য খুলে যেতে পারে।
আরও পড়ুন: অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেও হারল যুক্তরাষ্ট্র
ইংল্যান্ড একাদশ: ফিলিপ সল্ট, জস বাটলার (অধিনায়ক), জনি বেয়ারস্টো, হ্যারি ব্রুক, মঈন আলী, লিয়াম লিভিংস্টোন, স্যাম কারান, ক্রিস জর্ডান, জোফরা আর্চার, আদিল রশিদ ও রিস টপলি।
যুক্তরাষ্ট্র একাদশ: স্টিভেন টেইলর, অ্যান্ড্রিস গাউস, নীতীশ কুমার, অ্যারন জোন্স (অধিনায়ক), কোরি অ্যান্ডারসন, মিলিন্দ কুমার, হারমিত সিং, শ্যাডলি ভ্যান শালকউইক, নস্টুশ কেনজিগে, আলী খান ও সৌরভ নেত্রাভালকার।
৭১১ দিন আগে
জুনিয়র এএইচএফ কাপ হকিতে তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ পুরুষ দল
জুনিয়র এএইচএফ কাপের (অনূর্ধ্ব-২১) পুরুষ হকির ফাইনালে চীনকে হারিয়ে রেকর্ড তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।
রবিবার (২৩ জুন) সিঙ্গাপুরের সেংকাং স্পোর্টস সেন্টারে সাবেক চ্যাম্পিয়নদের ৪-২ গোলে হারায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
২০১১ ও ২০১৯ সালের চ্যাম্পিয়ন চীনকে হতাশায় ফেলে ২০১৪ ও ২০২৩ সালের পর অল-উইনের রেকর্ড নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা অর্জন করলো ২০০৩ সালে যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ।
এই টুর্নামেন্টের সপ্তম আসরের বাকি দুটি শিরোপা জিতেছে চাইনিজ তাইপে ও ওমান।
ফাইনাল ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারে ১৫ মিনিট ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে তিন গোল করে প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: এএইচএফ কাপ হকিতে বাংলাদেশের পুরুষদের তৃতীয় জয়, নারী দলের প্রথম হার
২২ ও ২৭ মিনিটে মোহাম্মদ রকিবুল হাসান দুটি ফিল্ড গোল করেন এবং ২৫ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে আমিরুল ইসলাম একটি গোল করেন (৩-০)।
তৃতীয় কোয়ার্টারের ৩৩ ও ৪১ মিনিটে জোড়া গোল করে দারুণভাবে খেলায় ফেরে চীন (৩-২)।
অবশেষে ৬৩ মিনিটে চতুর্থ গোল করে বাংলাদেশকে চিন্তামুক্ত করে ৪-২ গোলের জয় নিয়ে শিরোপা জয় নিশ্চিত করেন ওবায়দুল হোসেন জয়।
১০ গোল করে স্কোরার র্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের আমিরুল ইসলাম। ১০ গোল করে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন কাজাখস্তানের ডুসেঙ্গাজি অগমটে।
এর আগে পুল 'এ' গ্রুপে নিজেদের ম্যাচে সিঙ্গাপুরকে ৭-০, শ্রীলঙ্কাকে ৫-০, থাইল্যান্ডকে ৪-২ এবং ইন্দোনেশিয়াকে ৭-০ গোলে হারিয়ে পুরো ১২ পয়েন্ট নিয়ে পুল 'এ' চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে ৫-১ গোলে হারায় আরেক সাবেক চ্যাম্পিয়ন চাইনিজ তাইপেকে।
এদিকে রবিবার একই ভেন্যুতে লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক সিঙ্গাপুরকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ নারী হকি দল।
প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের হয়ে নাদিরা এমা ২টি, সানজিদা মনি, কনা আক্তার, আইরিন রিয়া, সোনিয়া খাতুন ও অধিনায়ক অর্পিতা পাল ১টি করে গোল করেন। অন্যদিকে স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের হয়ে অধিনায়ক সাইফুল লানা ৪৫ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেন।
থাইল্যান্ডকে ৫-৪, হংকং (চীন) ২-১, শ্রীলঙ্কাকে ৭-২, ইন্দোনেশিয়াকে ১০-১ গোলে হারিয়ে এবং চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে ০-৩ গোলে পরাজিত হওয়ার পর বাংলাদেশ নারী হকি দলের এটি পঞ্চম জয়।
ছয় ম্যাচের সাত দলের লিগ শেষে বাংলাদেশ ১৫ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ এবং চাইনিজ তাইপে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
এর আগে চলমান সাত জাতির জুনিয়র এএইচএফ কাপ (অনূর্ধ্ব-২১) হকি টুর্নামেন্টের সেরা পাঁচ দলের একটি হিসেবে প্রথমবারের মতো জুনিয়র এশিয়া কাপ (অনূর্ধ্ব-২১) হকির চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ নারী দল।
বাংলাদেশ মহিলা দল ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো জুনিয়র এএইচএফ কাপ (অনূর্ধ্ব-২১) হকিতে অংশ নিয়ে ছয় জাতির প্রতিযোগিতায় শ্রীলঙ্কাকে ২-০ গোলে পরাজিত করে ১ ম্যাচে জয় পেয়ে ৫ম স্থান অর্জন করে।
আরও পড়ুন: জুনিয়র এএইচএফ কাপ হকিতে অংশ নিতে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে বাংলাদেশ দল
৭১১ দিন আগে
টি-টোয়েন্টিতে কামিন্সের বিরল কীর্তি
২০১১ সালের অক্টোবরে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হওয়ার পর থেকেই অসংখ্য সম্মান কুড়িয়েছেন প্যাট কামিন্স। তবে এক যুগের বেশি সময় ধরে খেললেও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হ্যাট্রিকের দেখা পাননি তিনি। অথচ সেই কামিন্সই পরপর দুই ম্যাচে দুটি হ্যাটট্রিক করে রেকর্ড বইয়ে বিরল কীর্তির কথা লিখে ফেললেন!
বিশ্বকাপেট তো বটেই, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও এমন কীর্তি এর আগে কেউ করে দেখাতে পারেনি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৮তম ওভারের শেষ দুই বল এবং ২০তম ওভারের প্রথম বলে উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক করেন কামিন্স। এরপর রবিবার আফগানিস্তানের বিপক্ষেও তিনি পেলেন একই রকম হ্যাট্রিকের দেখা। এবার ১৮তম ওভারের শেষ বল এবং ১৯তম ওভারের প্রথম দুই বলে উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: লড়াই করে হারল বাংলাদেশ, সেমির দুয়ারে ভারত
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পরপর দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা দ্বিতীয় বোলার কামিন্স। প্রথম ঘটনাটি ঘটে টেস্ট ক্রিকেট ১৯৯৯ সালে। সেবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পরপর দুই টেস্টে হ্যাটট্রিক করেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম। এছাড়া ২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একই টেস্ট ম্যাচের দুই ইনিংসে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন অস্ট্রেলিয়া জিমি ম্যাথিউস।
পঞ্চম বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দুটি হ্যাটট্রিক করলেন কামিন্স। তার আগে লাসিথ মালিঙ্গা, টিম সাউদি, মার্ক পাবলোবিচ ও ওয়াসিম আব্বাসেরও দুটি করে হ্যাটট্রিক রয়েছে। তবে তাদের কেউই টানা দুই ম্যাচে এই কীর্তি গড়তে পারেননি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অষ্টম হ্যাটট্রিক এটি। এই ৮ হ্যাটট্রিকের ৪টিই অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের।
৭১১ দিন আগে
লড়াই করে হারল বাংলাদেশ, সেমির দুয়ারে ভারত
সেমিফাইলের লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের। তবে প্রথম ইনিংসেই টাইগারদের সেই স্বপ্ন দুরূহ করে দেন ভারতের ব্যাটাররা। পরে বোলাররা তাদের কাজ সারলে ৫০ রানের জয় পায় ভারত। আর পরপর দুই ম্যাচ হেরে সুপার এইটের ‘গ্রুপ ১’-এর প্রথম দল হিসেবে বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেল বাংলাদেশের।
এই ম্যাচে ভারতের দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দলটির দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে আত্মসমর্পণ করেনি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। নিয়মিত উইকেট পড়লেও তারা রীতিমতো ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে গেছেন শেষ পর্যন্ত। তবে ১৪৬ রানের বেশি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
টাইগারদের হয়ে অধিনায়ক শান্ত সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন। এছাড়া তানজিদ তামিম ২৯ ও রিশাদ হোসেন ২৪ রান করেন।
ভারতের বোলারদের মধ্যে কুলদীপ যাদব ১৯ রানে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। এছাড়া জসপ্রীত বুমরাহ ১৩ রানে দুটি উইকেট নেন। দুই উইকেট পেয়েছেন আর্শদীপ সিংও, তবে তিনি ৩০ রান দিয়েছেন।
বল-ব্যাটে অসাধারণ পারফর্ম করা হার্দিক পান্ডিয়ার হাতে উঠেছে ম্যাচসেরার পুরস্কার।
৭১২ দিন আগে
দলীয় পারফরম্যান্সে ভারতের বড় সংগ্রহ
টসের সময় ভারতীয় ব্যাটারদের ১৫০-১৬০ রানের মধ্যে আটকে দেওয়ার প্রত্যয় ঝরে টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কণ্ঠে। তবে সেই লক্ষ্য পার করে অনেক দূরে গিয়ে থেমেছে রোহিত-কোহলিদের ইনিংস।
শনিবার বাংলাদেশের বিপক্ষে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান সংগ্রহ করেছে ভারত।
ভারতের হয়ে শুধু হার্দিক পান্ডিয়া চল্লিশোর্ধ রান করতে পেরেছেন। তবে ভালো স্ট্রাইক রেট ধরে রেখে ব্যাটারদের প্রায় সবাই ৩০ পার করেছেন।
দলের হয়ে হার্দিক পান্ডিয়া সর্বোচ্চ অপরাজিত ৫০ রান করেন। এই রান করতে ২৭ বল মোকাবিলা করে ৩টি ছক্কা ও চারটি চার মারেন তিনি।
এছাড়া বিরাট কোহলি ২৮ বলে ৩৪, ঋষভ পান্ত ২৪ বলে ৩৬, শিবম দুবে ২৪ বল ৩৪ এবং রোহিত শর্মা ১১ বলে ২৩ রান করেন।
বাংলাদেশের হয়ে তানজিম সাকিব চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন। রিশাদও দুই উইকেট পেয়েছেন, তবে তিন ওভারে তিনি রান খরচ করেছেন ৪৩টি। মুস্তাফিজুর এদিন চার ওভারে উইকেট না পেলেও ৪৮ রান দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: তাসকিনকে বাদ দিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
ব্যাটিংয়ে নেমে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। প্রথম তিন ওভারে তারা ২৯ রান তোলার পর চতুর্থ ওভারের প্রথম তিন বলে একটি ছক্কা ও চার মারেন রোহিত। তবে পরের বলে সাকিবের বলে টপ এজ হয়ে এক্সট্রা-কভার অঞ্চলে দাঁড়িয়ে থাকা জাকের আলীর হাতে ধরা পড়েন তিনি।
এরপর ক্রিজে এসে শেখ মেহেদীকে একটু সমীহ করে দুই ওভারে দেখেশুনে খেলে হাত খুলতে শুরু করেন ঋষভ। এর মধ্যে অবশ্য অষ্টম ওভারের প্রথম বলে কোহলিকে বোল্ড করে ওই ওভারে জোড়া উইকেট শিকার করেন তানজিম সাকিব। প্রথম বলেই তানজিমকে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে ব্যাট-বলের সংযোগ ঘটাতে ব্যর্থ হন কোহলি। এরপর উইকেট এলোমেলো করে দিয়ে চলে যায় বল।
পরের বলে উইকেটে এসেই ছক্কা মারেন সূর্যকুমার যাদব। এর পরের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে ফিরতে হয় তাকে।
তারপর শিবম দুবেকে নিয়ে বড় জুটি গড়েন ঋষভ। একাদশ ওভারে মুস্তাফিজকে মেরে ১১ রান নেন এই দুই ব্যাটার। পরের ওভারে রিশাদকে একটি ছক্কা ও চার মারার পরের বলে শর্ট থার্ড ম্যানে ধরা পড়েন তিনি। ২৪ বলে ২টি ছক্কা ও চারটি চারের সাহায্যে ৩৬ রান করে পান্ত ফিরে গেলে ১২ ওভার শেষে চার উইকেটে ১১০ রান সংগ্রহ করে ভারত।
আরও পড়ুন: টি-২০ বিশ্বকাপ: বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাল অস্ট্রেলিয়া
এরপর হার্দিক ক্রিজে এলে পরের দুই ওভার রানের গতি কমে যায় ভারতের। তবে ১৫তম ওভার থেকে ফের শুরু হয় বাংলাদেশি বোলারদের শাসন। ওই ওভারে ১৪ রান নিয়ে পরের ওভারে ১২ রান নেন তারা। এরপর ১৭তম ওভারের প্রথম বলে রিশাদকে ছক্কা হাঁকিয়ে পরের বলে বোল্ড হয়ে যান শিবম। তিনি ফিরে গেলে বাকি কাজটুকু একাই সারেন হার্দিক। আর তাকে যথাযথ সঙ্গ দেন অক্ষর প্যাটেল।
ফিফটি করতে শেষ বলে চার রানের প্রয়োজন ছিল হার্দিকের। মুস্তাফিজ ভালো ডেলিভারি দিলেও দক্ষতার জোরে চার আদায় করে ব্যাট উঁচিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।
৭১২ দিন আগে
তাসকিনকে বাদ দিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ হেরে সেমি ফাইনালের দৌড়ে খানিকটা পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। টিকে থাকার লড়াইয়ে শনিবার ভারতের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে টাইগাররা।
অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ড স্টেডিয়ামে টস ভাগ্য বাংলাদেশের পক্ষে গিয়েছে। এরপর শুরুতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
টস শেষে শান্ত বলেন, ‘(ভারতকে) অল্প রানে গুটিয়ে দিয়ে লক্ষ্য তাড়া করে জিততে চাই- এটাই পরিকল্পনা। এখানকার কন্ডিশন আমাদের পরিচিত। বাতাসের বিষয়টিও জানি। উইকেট যথেষ্ট ভালো বলে মনে হচ্ছে। ১৫০-১৬০ রান ভালো সংগ্রহ হবে।’
আরও পড়ুন: ভারতের বোলিং আগুনে পুড়ল আফগানিস্তান
এদিন তাসকিনকে বিশ্রাম দিয়ে জাকের আলীকে একাদশে ফেরানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে, রোহিত শর্মা বলেন, ‘টস জিতলেও আগে ব্যাটিং করতাম। উইকেটের পরিস্থিতি (আমাদের) দ্রুত বুঝে ফেলতে হবে। গত ম্যাচের একাদশ নিয়েই মাঠে নামছি আমরা।’
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান তামিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তৌহিদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ, জাকের আলী, রিশাদ হোসেন, মাহেদী হাসান, তানজিম হাসান সাকিব ও মুস্তাফিজুর রহমান।
ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পান্ত (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, আর্শদীপ সিং, কুলদীপ যাদব ও জাসপ্রীত বুমরাহ।
আরও পড়ুন: টি-২০ বিশ্বকাপ: বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাল অস্ট্রেলিয়া
৭১২ দিন আগে
ফ্রান্স-নেদারল্যান্ডসের ধারহীন লড়াইয়ে জিতল অস্ট্রিয়া
পুরো ৯০ মিনিটে দুই দল মিলিয়ে মোট ৭টি শট গোলে রাখতে পারল। তবে এগুলোর কোনোটিই ম্যাচের ফল পরিবর্তন করতে যথেষ্ট হলো না। ফলে ইউরোর চলতি আসরে প্রথম কোনো ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হলো।
লাইপসিগের রেড বুল আরেনায় শুক্রবার ‘ডি’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছে ফ্রান্স-নেদারল্যান্ডস দুই দলই। ফলে দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে দুই দলেরই পয়েন্ট ৪ করে।
এই ড্রয়ের ফলে দিনের অপর ম্যাচ জিতে ঘোলা জলে মাছ শিকার করেছে অস্ট্রিয়া। ফ্রান্সের সঙ্গে প্রথম ম্যাচটি হেরে তাদের নকআউট রাউন্ডে ওঠার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে গিয়েছিল। তবে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে পোল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-১ গোলের ব্যবধানে জিতে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট অর্জন করেছে তারা।
দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে এখন গ্রুপের দুই ফেবারিট দল ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে তাদের পয়েন্ট ব্যবধান মাত্র ১। শেষ ম্যাচে ডাচদের মুখোমুখি হবে তারা। ওই ম্যাচ জিততে পারলে সরাসরি শেষ ষোলোর টিকিট পাবে অস্ট্রিয়া। ড্র করলে ফ্রান্সের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে তাদের।
আরও পড়ুন: স্পেনের অনবরত আক্রমণে বিভ্রান্ত হয়ে হারল ‘বিধ্বস্ত’ ইতালি
পোল্যান্ডের সঙ্গে ফ্রান্স ম্যাচটি হারলে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের রাউন্ডে উঠবে অস্ট্রিয়া। আর ফ্রান্স জিতলে বা ড্র করলেও গোল ও ম্যাচ জয়ে (গোল) ব্যবধানের হিসাবের সামনে পড়তে হবে তাদের। এছাড়া নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে হেরে গেলেও কোটায় ‘ই’ ও ‘এফ’ গ্রুপের তৃতীয় দলগুলোর সঙ্গে হিসাব-নিকাশে জিতে পরের রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা টিকে থাকবে অস্ট্রিয়ার।
৭১৩ দিন আগে
টি-২০ বিশ্বকাপ: বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাল অস্ট্রেলিয়া
অ্যান্টিগায় চলমান টি-২০ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম সুপার এইটে ডিএল পদ্ধতিতে বাংলাদেশকে ২৮ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
রিশাদ হোসেন কিছুটা ধীরগতির পিচে বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে জ্বলে উঠলেও বাংলাদেশ শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার ব্যর্থতায় জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের ইনিংসে কিছু ভালো মুহূর্তও ছিল। বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত মিডল অর্ডারের শক্ত ভিত তৈরি করে সুসংগঠিত ইনিংস খেলেন। আক্রমণাত্মক হিটিংয়ের জন্য পরিচিত তৌহিদ হৃদয় ইনিংসের শেষ দিকে দুটি শক্তিশালী ছক্কা মেরে প্রয়োজনীয় গতি সঞ্চার করেছিলেন।
তবে অ্যাডাম জাম্পার নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা বাংলাদেশি ব্যাটারদের আটকে রাখেন। জাম্পার শৃঙ্খলাবদ্ধ স্পেল, ২৪ রানে ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের এমন একটি ইনিংস থামিয়ে দিয়েছিল। যার ফলে সত্যিকার অর্থে আর কখনই গতি সঞ্চার করতে পারেনি।
প্যাট কামিন্সের হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের শেষ দিকের আগ্রাসন রুখে দেন তিনি। হ্যাটট্রিকের প্রথম দুই উইকেট আসে ১৮তম ওভারে, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদী হাসানকে আউট করে। শেষ ওভারে ধীর বলে বিপজ্জনক তৌহিদ হৃদয়কে আউট করে হ্যাটট্রিক নিশ্চিত করেন কামিন্স।
আরও পড়ুন: সূর্যকুমারের ব্যাটে আফগানদের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য
এটি টি-২০ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। এর আগেরটি ছিল ব্রেট লির।
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪০ রানে শেষ করে বাংলাদেশের ইনিংস।
তবে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের গল্পটা ছিল ভিন্ন। ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্রাভিস হেড শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের আক্রমণ করে প্রথম চার ওভারে ৩৬ রান সংগ্রহ করেন। বাংলাদেশের দুই স্পিনার রিশাদ হোসেন ও মেহেদী হাসান অল্পের জন্য নিয়ন্ত্রণ পেলেও জয়ের শক্ত মঞ্চ আগেই তৈরি করে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া।
ওয়ার্নার হাফ সেঞ্চুরি করলেও হেডকে সমান ভয়ংকর দেখাচ্ছিল। বৃষ্টি তাদের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করে, যখন তারা ডিএলএস পার স্কোরের চেয়ে ২৮ রানে এগিয়ে ছিল। আর এভাবেই অস্ট্রেলিয়ার জয় নিশ্চিত হয়।
ম্যাচ শেষে বেশি রানের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত। শান্ত বলেন, 'আমার মনে হয়েছে, আমাদের ১৭০ রান করা উচিত ছিল। তিনি টুর্নামেন্ট জুড়ে বোলারদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে তারা তাদের পারফরম্যান্স বজায় রাখবে।
সুপার এইটে নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। দলটি ইতোমধ্যে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারিয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারতের বোলিং আগুনে পুড়ল আফগানিস্তান
৭১৩ দিন আগে
স্পেনের অনবরত আক্রমণে বিভ্রান্ত হয়ে হারল ‘বিধ্বস্ত’ ইতালি
দ্য স্কোরলাইন ডাজ নট টেল দ্য হোল ম্যাচ টুনাইট- ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই বলে দিলেন ধারাভাষ্যকার। আর এই বাক্যটিই ইতালি-স্পেন ম্যাচের শিরোনাম হয়ে গেল। স্কোর দেখে সত্যি সত্যিই বোঝার উপায় নেই যে, ম্যাচজুড়ে ইতালির খেলোয়াড়দের ওপর কী ভয়ঙ্কর ঝড় বয়ে গেল।
ইউরোর ‘বি’ গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে বৃহস্পতিবার রাত ১টায় মাঠে নামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইতালি ও গত সেমি ফাইনালে ইতালির কাছেই পরাজিত হওয়া স্পেন।
প্রথম দেখাতেই যেন সেই পুরনো ক্ষোভ উগরে দিল লুইস দে লা ফুয়েন্তর শিষ্যরা। আর পুরো ম্যাচজুড়ে সেই বিষবাষ্প গ্রহণ করে করে ক্লান্ত-বিধ্বস্ত হয়ে, এক পর্যায়ে আর না পেরে নিজেরাই নিজেদের গোলে বল ঢুকিয়ে নিস্তার চাইল ইতালি।
ম্যাচটি ১-০ ব্যবধানে নিষ্পত্তি হয়েছে বটে। তবে এই দুলাইনই পুরো ম্যাচের সারমর্ম।
প্রথমার্ধে স্পেনের নেওয়া ৯টি শটের বিপরীতে একটি শটও নিতে পারেনি ইতালি। মূলত আক্রমণে ওঠার বা শট নেওয়ার ফুরসৎ পায়নি তারা। দ্বিতীয়ার্ধেও দেখা গেল সেই একই চিত্র। স্পেনের ১১ শটের বিপরীতে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে চারটি শট নিতে পেরেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা, যার মাত্র একটি ছিল লক্ষ্যে।
মোট ২০টি শটের ৯টিই লক্ষ্যে ছিল স্পেনের। এছাড়া গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসা, জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার অসাধারণ কয়েকটি সেইভে অন্তত চার-পাঁচটি নিশ্চিত গোলবঞ্চিত হয়েছে লা রোহা।
এই জয়ে গ্রুপের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে স্বাগতিক জার্মানির পর দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ ষোল নিশ্চিত করল স্পেন।
গত ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও আলো ছড়িয়েছেন ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়া, মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইস ও উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামস। তবে ইতালির শক্ত-সমর্থ ও পেশাদার ডিফেন্ডারদের বিপরীতে একটু নিষ্প্রভ ছিল লামিন ইয়ামাল।
অন্যদিকে, এক দোন্নারুম্মা ছাড়া তার সতীর্থদের সবাই ম্যাচজুড়ে নিজেদের ছায়া হয়ে ছিলেন।
৭১৪ দিন আগে