খেলাধুলা
টাইগারদের অনুশীলন শিবিরে যোগ দিলেন মুশফিক-মিরাজ ও সাইফউদ্দিন
টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা না পাওয়া মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে টাইগারদের অনুশীলন শিবিরে যুক্ত করা হয়েছে।
আশ্চর্যজনকভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়েছিলেন মিরাজ ও সাইফউদ্দিন। আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে শুরু হবে এই টুর্নামেন্ট।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মিরপুরে ২৬ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া এই ক্যাম্পে ২১ জন খেলোয়াড়ের দক্ষতা ও কৌশলগত প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
মুশফিকুর রহিম, মিরাজ ও সাইফউদ্দিনের পাশাপাশি দলে আছেন তাইজুল ইসলাম, এনামুল হক বিজয়, নাঈম হাসান, মুমিনুল হক ও নুরুল হাসান সোহানের মতো ক্রিকেটাররা।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি: যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজ হারের স্বাদ পেল বাংলাদেশ
জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেলের নির্বাচিত স্কোয়াডটি অভিজ্ঞ এবং উদীয়মান খেলোয়াড়দের সমন্বয় করছে। আসন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় খেলোয়াড়দের কৌশল ও মানসিক প্রস্তুতিকে ঝালাই করাই এই ক্যাম্পের লক্ষ্য।
পর্যায়ক্রমে সিলেট ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ টাইগার্স হলো একটি বিশেষায়িত ইউনিট, যেটি এমন খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত যারা জাতীয় দলকে ঘিরেই প্রস্তুত থাকে। এই স্কোয়াড গঠনের লক্ষ্য তাদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া এবং আসন্ন যেকোনো চ্যালেঞ্জের জন্য তাদের প্রস্তুতি নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশ টাইগারস দল: সাদমান ইসলাম, জাকির হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়, পারভেজ হোসেন ইমন,এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মমিনুল হক, শাহাদাত হোসেন দিপু, নুরুল হাসান সোহান, মহিদুল ইসলাম অঙ্কন, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাইজুল ইসলাম, নাইম হাসান, হাসান মুরাদ, নাসুম আহমেদ, খালেদ আহমাদ, মুশফিক হাসান, নাহিদ রানা ও রহমান রেজাউর রাজা।
আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দূত হলেন শহীদ আফ্রিদি
৭৪০ দিন আগে
আবেগী শাভির বিদায়বার্তা
চলতি মৌসুম শেষ করে স্বেচ্ছায় ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন শাভি এর্নান্দেস। কিন্তু তাকে আরও এক মৌসুম থেকে যেতে রাজি করিয়েছিলেন বার্সা প্রেসিডেন্ট লাপোর্তা। অথচ সেই সিদ্ধান্তের এক মাস পর তিনিই শাভিকে ছাঁটাই করলেন।
এমন অদ্ভূত সিদ্ধান্ত মানতে পারছে না বার্সেলোনার ভক্ত-সমর্থকসহ ফুটবল বিশ্বের অনেকেই। সেভিয়া কোচ কিকে সানচেজ তো প্রকাশ্যেই ক্ষোভ ঝেড়েছেন বার্সেলোনার কর্তাব্যক্তিদের ওপর। তবে বিদায় বেলায় এসবের কিছুই করেননি ন্যু ক্যাম্পে বেড়ে উঠে সেখানে থেকেই কিংবদন্তির তকমা গায়ে জড়ানো শাভি এর্নান্দেস।
প্রিয় ক্লাবকে বিদায় জানাতে গিয়ে আবেগে ভেসেছেন, মিশে গেছেন ভক্তদের অনুভূতির সঙ্গে।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে বার্সেলোনা জানায়, আগামী মৌসুম থেকে বার্সেলোনার ডাগআউটে আর দেখা যাবে না ৪৪ বছর বয়সী এই ম্যানেজারকে। এরপর ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের উদ্দেশে বিদায়ী বার্তা প্রকাশ করেন শাভি।
আরও পড়ুন: শাভি বরখাস্ত, বার্সার নতুন কোচ হচ্ছেন ফ্লিক
ভক্ত-সমর্থকদের ‘বন্ধু’ সম্মোধন করে তিনি বলেন, ‘রবিবারের পর আমাকে বার্সার বেঞ্চে আর দেখা যাবে না। প্রাণের ক্লাব ছেড়ে যাওয়া কখনোই সহজ নয়, তবে আমি গর্ব অনুভব করি। আমি গর্বিত যে, যে ড্রেসিংরুমটি আমার কাছে দ্বিতীয় পরিবারের মতো, সেখানে আড়াই বছর ধরে আমি প্রধান কোচ ছিলাম।
‘আমাকে সবসময় সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য ভক্তদের ধন্যবাদ দিতে চাই, যারা সবসময় আমার পাশে থেকেছে এবং আমার খেলোয়াড়ি জীবনের মতো একইরকম ভালোবাসা দিয়েছে।’
বার্সেলোনার কোচ হিসেবে এমন তিক্ত বিদায়ের পরও ক্লাবের প্রতি নিজের ভালোবাসা অক্ষুণ্ন রাখার কথা জানান তিনি। বলেন, ‘রবিবার থেকে গ্যালারিতে একজন ভক্ত হিসেবেই থাকব আমি। কারণ বার্সেলোনার খেলোয়াড় কিংবা কোচ হওয়ার আগে থেকেই আমি বার্সেলোনার ভক্ত। আমি এই ক্লাবটি শুধু মঙ্গলই চাই।’
বিদায় বেলায় নিজের সহকর্মী ও শিষ্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।
‘এই সময়টায় অসাধারণ কিছু খেলোয়াড় ও দারুণ সমকর্মীদের সঙ্গে কাজ করেছি। প্রস্তাবিত উদ্দেশ্যগুলো অর্জন করতে পারায় সবাইকে ধন্যবাদ।
‘গত বছর আমরা লিগ ও সুপার কাপ জিতে মৌসুম শেষ করি। যদিও এই মৌসুমে আমরা প্রত্যাশিত ফলাফল পাইনি, তবে আমাদের এটি ভুলে যাওয়া উচিৎ। লা মাসিয়ার নতুন প্রজন্মের তরুণ কিছু ফুটবলারদের আমরা গড়ে তুলতে সহযোগিতা করেছি যা সকল বার্সা ভক্তকে অনুপ্রাণিত করেছে।’
আরও পড়ুন: যে ৬ কারণে স্বপ্নযাত্রা থামল লেভারকুজেনের
বিদায়লগ্নে ভক্ত, খেলোয়াড় থেকে শুরু করে কর্মকর্তা, কর্মচারী, ক্লাবের প্রেসিডেন্ট, পরিচালনা পর্ষদ, এমনকি মিডিয়া কর্মীদেরও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি শাভি। আড়াই বছর ধরে যাদের সঙ্গে কাজ করেছেন তাদের সবাইকে স্মরণ করে বিদায় নিয়েছেন তিনি-
‘যে ক্লাবটিকে আমার হৃদয়ে ধারণ করি, তার জন্য শুভকামনা। বার্সা দীর্ঘজীবী হোক।’
প্রসঙ্গত, শাভির থেকে যাওয়া নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১৫ মে আলমেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনের পর ঘটনা মোড় নেয়।
সেদিন নতুন খেলোয়াড় দলে ভেড়ানো নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বার্সেলোনার বর্তমান নাজুক আর্থিক চিত্র তুলে ধরেন শাভি। এতেই নাখোশ হয় ক্লাবটির পরিচালকদের একাংশ। সপ্তাখানেক ধরেই এ নিয়ে গুঞ্জন ডালপালা মেলতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত তা সত্যি করে লজ্জাজনক বিদায় নিতে হচ্ছে এই কিংবদন্তিকে।
৭৪০ দিন আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দূত হলেন শহীদ আফ্রিদি
আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-২০২৪ এর সর্বশেষ দূত হলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি। এই মর্যাদাপূর্ণ পদে যুবরাজ সিং, ক্রিস গেইল ও উসাইন বোল্টের সঙ্গে যোগ দিলেন তিনিও।
বিধ্বংসী ব্যাটিং এবং মাঠে বিদ্যুৎ গতির উপস্থিতির জন্য পরিচিত সাবেক পাকিস্তানি অলরাউন্ডার প্রচারমূলক কার্যক্রমে অংশ নেবেন এবং টুর্নামেন্ট পরিচালনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে আভ্যন্তরীণ পরামর্শ দেবেন।
৬টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া আফ্রিদি ২০০৯ সালে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়ে শিরোপা জয় করে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হয়েছিলেন। আগের চেয়ে অনেক বেশি দলের অংশগ্রহণ ও ম্যাচ নিয়ে বর্ধিত ফরম্যাট তুলে ধরে আসন্ন টুর্নামেন্ট নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি জিতল যুক্তরাষ্ট্র
আফ্রিদি বলেন, 'আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এমন একটি ইভেন্ট যা আমার হৃদয়ের খুব কাছের। উদ্বোধনী ম্যাচে প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হওয়া থেকে শুরু করে ২০০৯ সালে ট্রফি উঁচিয়ে ধরা পর্যন্ত, আমার ক্যারিয়ারের কিছু প্রিয় অর্জন এই ধরনের প্রতিযোগিতা থেকে এসেছে।’
বিশেষ করে আগামী ৯ জুন নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য বহুল প্রত্যাশিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করছেন তিনি।
আগামী ১ থেকে ২৯ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত হবে আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। টেক্সাসে কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হয়, ফাইনাল ম্যাচটি হবে বার্বাডোসে।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি: যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজ হারের স্বাদ পেল বাংলাদেশ
৭৪১ দিন আগে
শাভি বরখাস্ত, বার্সার নতুন কোচ হচ্ছেন ফ্লিক
২০২৩-২৪ মৌসুম শেষে বার্সেলোনার দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ক্লাবটির সাবেক খেলোয়াড় ও বর্তমান কোচ শাভি এর্নান্দেস। তবে মৌসুম শেষে তাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে আরও এক মৌসুমের জন্য দায়িত্ব পালনে রাজি করান বার্সা সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা। তবে এবার সেই শাভিকেই বরখাস্ত করল বার্সার পারিচালনা পর্ষদ।
শুক্রবার শাভিকে বরখাস্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি অফিশিয়াল বিবৃতি দিয়েছে বার্সেলোনা। ফলে আগামী মৌসুমে তাকে আর বার্সলোনার সাইডলাইনে দেখা যাবে না।
বিবৃতিতে বার্সেলোনা জানায়, ‘আজ শুক্রবার বার্সা সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা কোচ শাভি এর্নান্দেসকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি আগামী মৌসুম (২০২৪-২৫) থেকে আর বার্সেলোনার কোচ থাকছেন না।
‘কোচ হিসেবে শাভিকে তার কাজের জন্য, সেইসঙ্গে সাবেক খেলোয়াড় ও দলের অধিনায়ক হিসেবে তার অনবদ্য ক্যারিয়ারের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তার ভবিষ্যতের সাফল্য কামনা করে বার্সেলোনা।’
আরও পড়ুন: কোপা আমেরিকায় চালু হচ্ছে ‘গোলাপি কার্ড’
আগামী রবিবার সেভিয়ার বিপক্ষে বার্সার ম্যাচটিই শাভির (বার্সা কোচ হিসেবে) শেষ ম্যাচ হবে জানিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন দল গঠনের বিষয়ে ঘোষণা দেবে বার্সেলোনা।
এদিকে ট্রান্সফার গুরু ফাব্রিৎসিও রোমানো এক্স পোস্টে জানিয়েছেন, শাভির সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ ও জার্মানির জাতীয় দলের সাবেক কোচ হান্স ডিটার (হান্সি) ফ্লিকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে চলেছে বার্সেলোনা।
ইতোমধ্যে ফ্লিকের সঙ্গে নাকি মৌখিক চুক্তিও সেরে ফেলেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, বিদায় বলে দেওয়ার পর গত ২৪ এপ্রিল আরও এক মৌসুম বার্সেলোনায় শাভির থেকে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তবে ঘটনা মোড় নেয় আলমেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে গত ১৫ মে সংবাদ সম্মেলনের পর।
সেদিন নতুন খেলোয়াড় দলে ভেড়ানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বার্সেলোনার বর্তমান আর্থিক চিত্র তুলে ধরেন শাভি। এতেই নাখোশ হয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে বরখাস্ত করা হচ্ছে বলে ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমগুলো খবর বেরোয়।
আরও পড়ুন: লেভারকুজেনের স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে প্রথম ইউরোপা লিগ জিতল আতালান্তা
সেদিন শাভি বলেন, ‘(ক্লাবের নিবন্ধিত) সদস্যদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে, আমরা এমন একটি আর্থিক পরিস্থিতিতে রয়েছি যা ২৫ বছর আগের চেয়ে একেবারেই আলাদা। অন্যান্য ক্লাবের মতো (আর্থিক) অবস্থায় আমরা বর্তমানে নেই। এটা আমি ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছি আর এর সঙ্গে আমাদের মানিয়ে নিতে হবে।
‘আমরা অবশ্যই শিরোপার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই, কিন্তু বার্সায় স্থিতিশীলতা আনতে সময় প্রয়োজন।’
ক্লাবের আর্থিক দুরাবস্থার কথা প্রকাশ্যে খোলাখুলি বলায় বার্সেলোনার পরিচালনা পর্ষদের একাংশ শাভির ওপর চটে যায়। খবর অনুযায়ী, নতুন করে চুক্তি আলোচনার সময় শাভি বর্তমান পরিস্থিতি ও খেলোয়াড়দের নিয়েই আগামী মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় শিরোপা অর্জনের মিশনে নামবেন- এমন সিদ্ধান্তে এসেছিলেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের বিপরীতে কথা বলায় পরিচালকরা ক্ষেপে যান।
এরপর গত কয়েকদিন ধরে পরবর্তী বার্সেলোনা কোচ হিসেবে হান্সি ফ্লিককে গুঞ্জন শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত সেটিরই বাস্তবায়ন হতে চলেছে।
গতকাল ফ্লিকের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে আলোচনা করতে লন্ডনে যান ক্লাব কর্তারা। সেখানে আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে বলে জানান বার্সেলোনা বিষয়ক স্প্যানিশ সাংবাদিক জেরার্দ রোমেরো।
আজ ফাব্রিৎসিও রোমানো জানিয়েছেন, বার্সেলোনার কোচ হওয়ার ফ্লিকের দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ হতে চলেছে। বেশ কয়েক মাস থেকে তিনি ক্লাবটির কোচ হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।
এদিকে মুন্দো দেপর্তিভোর বার্সেলোনা বিষয়ক সাংবাদিক ফের্নান্দো পলো জানিয়েছেন, আগামীকাল সোমবার ফ্লিককে বার্সেলোনার নতুন কোচ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হবে।
তিনি জানিয়েছেন, ফ্লিকের সঙ্গে ১ বছরের চুক্তি করতে চলেছে বার্সেলোনা। তবে তিনি চাইলে আরও এক বছর কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন তিনি।
আরও পড়ুন: যে ৬ কারণে স্বপ্নযাত্রা থামল লেভারকুজেনের
উল্লেখ্য, ফ্লিকের তত্ত্বাবধায়নে ২০১৯-২০ মৌসুমে ট্রেবল জেতে বায়ার্ন মিউনিখ। সেবার জার্মানির বর্ষসেরা কোচও হন তিনি। এরপর সেভিয়ার বিপক্ষে উয়েফা সুপার কাপ ও পরবর্তীতে ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে বায়ার্নকে প্রথমবারের মতো সেক্সট্রাপল জেতান তিনি।
দুই মৌসুম বায়ার্নের দায়িত্বে থাকাকালে ক্লাবটিকে ৭টি শিরোপা (দুটি বুন্দেসলিগা, একটি করে ডিএফবি পোকাল, সুপার কাপ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, উয়েফা সুপার কাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপ) জেতান তিনি। ফ্লিকের আমলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মাত্র ৭ ম্যাচে হার দেখে বায়ার্ন মিউনিখ।
২০১৯-২০ মৌসুমে প্রথম কোনো দল হিসেবে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে বায়ার্ন মিউনিখ। এমন কীর্তির কারণে ২০২০ সালে ইউরোপের সেরা কোচ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন ফ্লিক।
এরপর ২০২১ সালর এপ্রিল মাসে বায়ার্ন ছাড়ার ঘোষণা দেন ফ্লিক। ইয়োখিম লোভ জার্মানির জাতীয় দলের দায়িত্ব ছেড়ে অবসরে গেলে লোভের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। তবে ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্ব থেকেই জার্মানি বিদায় নিলে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জার্মানির জাতীয় দল থেকে বরখাস্ত হন তিনি। তারপর থেকে বেকার বসে আছেন ৫৯ বছর বয়সী এই জার্মান।
৭৪১ দিন আগে
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি: যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজ হারের স্বাদ পেল বাংলাদেশ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অপ্রত্যাশিত সিরিজ হারের স্বাদ পেল বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার হিউস্টনে ৩ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশকে ৬ রানে হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম ম্যাচের পরাজয়কে আপসেট হিসেবে বিবেচনা করা হলেও দ্বিতীয় পরাজয় যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বমুখী সম্ভাবনাকেই প্রমাণ করেছে। এতে, টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের মূল কাঠামো নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র। কে জানে, তৃতীয় ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ করতে পারবে কি না!
আরও পড়ুন: সীমিত প্রত্যাশা নিয়ে দেশ ছেড়েছে টাইগাররা
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ১৪৪ রান গড়ে যুক্তরাষ্ট্র।অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল সর্বোচ্চ ৪২ ও স্টিভেন টেইলর ৩১ রান করেন।
বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেন ২টি করে উইকেট নেন।
প্রথম ওভারেই শূন্য রানে হারানো সৌম্য সরকারকে প্রথম ম্যাচে তার হতাশাজনক পারফরম্যান্সের প্রতিফলন হিসেবে শুরু থেকেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ।
বাজে ফর্মের সঙ্গে লড়াই করা নাজমুল হোসেন শান্তর ৩৬ রান এবং তৌহিদ হৃদয় (২৫) ও সাকিব আল হাসানের (৩০) অবদান সত্ত্বেও বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় রান রেট ধরে রাখতে পারেনি।
মাত্র ১৪ রান শেষ ৫ উইকেট হারায় দলটি।
আলী খান ডেথ ওভারে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ১৯.৩ ওভারে ১৩৮ রানে অলআউট করে দেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি জিতল যুক্তরাষ্ট্র
৭৪২ দিন আগে
যে ৬ কারণে স্বপ্নযাত্রা থামল লেভারকুজেনের
মাত্র দুটি ম্যাচ জিততে পারলেই ইতিহাস সৃষ্টি করত বায়ের লেভারকুজেন। ইউরোপীয় ফুটবলে আগে যা কোনো ক্লাব করে দেখাতে পারেনি, সেই সব ‘প্রতিযোগিতায় অপরাজিত মৌসুম’ শেষ করত জার্মানির ক্লাবটি। তবে ইউরোপা লিগের ফাইনালে ৩-০ গোলে হারিয়ে তাদের সে আশার গুড়ে বালি দিয়েছে আতালান্তা।
টানা ৫১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর ইউরোপা লিগের মতো বড় ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার মধ্য দিয়ে লেভারকুজেনের স্বপ্নযাত্রা থেমেছে। মৌসুমজুড়ে দাপটের সঙ্গে খেললেও বুধবার রাতে আতালান্তাকে চ্যালেঞ্জই জানাতে পারেনি শাবি আলোনসোর শিষ্যরা।
তাদের এই হারের পেছনে ভূমিকা ছিল দক্ষতা ও কৌশলগত বেশ কয়েকটি ভুলের। চলুন সেগুলো নিয়ে আলোচনা করি।
১. গোড়ায় গলদ
মাঠে নামার আগেই একাদশ নির্বাচনের কাজটি করতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলেন শাবি। ফাইনাল ম্যাচ জিততে দলে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা আর তারুণ্যের যে মেলবন্ধন প্রয়োজন, তার সবই ছিল স্কোয়াডে। কিন্তু শুরুর একাদশে তার প্রয়োগ দেখা যায়নি।
প্যাট্রিক শিকের মতো প্রমাণিত অস্ত্র থাকতেও আক্রমণের চূড়ায় এদিন অভিজ্ঞতায় ও শারীরিক সামর্থ্যে তুলনামূলক দুর্বল আমিন আদলিকে খেলতে নামান শাবি, যা দলটিকে ভুগিয়েছে পুরো ম্যাচজুড়ে। আতালান্তার অভিজ্ঞ ও সামর্থ্যবান ডিফেন্ডারদের সামনে গিয়ে বারবার হোঁচট খেয়েছে লেভারকুজেন। ফ্রিমপং-গ্রিমালদোরা বারবার বক্সে ক্রস দিলেও কোনোভাবেই তা আদলির কাছে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে গোল করার সম্ভাবনাগুলো মাঠে মারা গেছে।
আরও পড়ুন: লেভারকুজেনের স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে প্রথম ইউরোপা লিগ জিতল আতালান্তা
২. হতশ্রী রক্ষণ
মৌসুমের অন্যান্য বড় দলগুলোর বিপক্ষে সাধারণত ৩-৪-৩ বা ৩-৪-২-১ ফর্মেশনে খেলাতে দেখা গেছে শাবিকে। এর ফলে লেভারকুজেনের প্রতিভাবান দুই উইং ব্যাক জেরেমি ফ্রিমপং ও আলেক্স গ্রিমালদো বেশ স্বাধীনতা পেয়েছে। একদিকে দুই লাইন ধরে বল নিয়ে উপরে গিয়ে ক্রস দিয়েছে। শুধু ফরোয়ার্ডদেরই নয়, একে-অপরকে দিয়েও গোল করিয়েছে বেশ কয়েকটি। আবার মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সময় দুজন অতিরিক্ত মিডফিল্ডারের ভূমিকা পালন করেছেন তারা; ডিফেন্সে তাদের ভূমিকা ছিল তাই। অর্থাৎ মাঠে তারাঅতিরিক্ত ২ খেলোয়াড়ের ভূমিকা পালন করেছেন সবসময়।
তবে এদিন ৩-৪-২-১ ফর্মেশনে খেলালেও গ্রিমালদো মাঝমাঠে আর ফিমপং খেলেছেন রাইট উইঙ্গার হিসেবে। ফলে আতালান্তার ক্ষিপ্র গতির কাউন্টার অ্যাটাকের সময় উপর থেকে ডিফেন্সে নেমে আসতে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন ফ্রিমপং। ফলে তিন ডিফেন্ডারের রক্ষণ দেওয়াল ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে লুকমান-স্কামাক্কারা।
দুর্বল রক্ষণের কারণেই রক্ষণভাগ সামলাতে গিয়ে মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ হারায় লেভারকুজেন। আর এ কারণেই গোলের তেমন কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি পজেশনাল ফুটবল খেলা দলটি।
আরও পড়ুন: কোপা আমেরিকায় চালু হচ্ছে ‘গোলাপি কার্ড’
৩. ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা
প্রথম গোল দিয়ে ম্যাচের গতি বাড়িয়ে দেয় আতালান্তা। তাদের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়েই ম্যাচে খেই হারায় লেভারকুজেন।
আতালান্তা যখন দুর্দান্ত গতিতে খেলছে, ঠিক সেই সময় ম্যাচ স্লো করে দিয়ে বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ধীরে ধীরে গেম ডেভেলপ করার দরকার ছিল শাবির শিষ্যদের। এতে শুরুতেই গোল খেয়ে হকচকিয়ে যাওয়া তরুণ দলটি আস্তে আস্তে আবার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেত। সেইসঙ্গে গতির ফুটবল খেলা আতালান্তার কাছ থেকে গতি কেড়ে নিয়ে তাদের কার্যত নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারত। এমনকি প্রথম গোল পেলেও হতাশায় ভুগে ভুলও করে বসার সম্ভাবনা ছিল আতালান্তার, আর সেই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারত লেভারকুজেন। তবে তার কিছুই হয়নি।
আতালান্তার সঙ্গে সঙ্গে তারাও গতিময় ফুটবল খেলতে শুরু করে, আর নিজেদের কমফোর্ট জোনে পেয়ে বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নদের ইচ্ছামতো নাকানি-চুবানি দেয় গাস্পেরিনির শিষ্যরা। বারবার লং পাসে বল নিয়ে সেটিকেই কাউন্টার অ্যাটাক বানিয়ে ১ ভি ১-এ লেভারকুজেন ডিফেন্ডারদের কলা দেখিয়েছেন লুকমান; পুরস্কারও পেয়েছে হাতেনাতে। প্রথম গোলের ১৪ মিনিট পরই প্রতিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে দারুণ দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। হ্যাট্ট্রিকের গোলটিও ছিল এরই ফসল।
৪. ফাইনাল টাচ
রক্ষণে হতচ্ছাড়া পারফর্ম্যান্স হলেও গোলের সুযোগ তৈরিতে মোটেও পিছিয়ে ছিল না শাবি আলোনসোর দল। তবে ফাইনাল থার্ডে গিয়ে ভুল পাসে বারবার সুযোগ নষ্ট হয়েছে তাদের।
গোলমুখে লেভারকুজেনের ফিনিশিংও ছিল যাচ্ছেতাই। গ্রিমালদো ফাঁকা বল পেয়েও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এমন ঘটনা ঘটেছে আরও দুটি।
ফাইনাল ম্যাচে জিততে হলে যতটা নির্ভুল খেলতে হয়, হঠাৎ আসা দুয়েকটি সযোগকে যেভাবে কাজে লাগাতে হয়, সেখানে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে লেভারকুজেন। অন্যদিকে, সেই কাজটিই করেছে আতালান্তা; তিনবার সুযোগ পেয়ে তিনবারই গোল করেছে দলটি। ফলে ৩ গোল খেলেও সান্ত্বনা হিসেবে একটি গোলও পরিশোধ করতে পারেনি লেভারকুজেন।
আরও পড়ুন: পর্তুগালের ইউরো স্কোয়াডে ৪১ বছর বয়সী পেপে
৫. আতালান্তার গেগেন প্রেসিং
জার্মানির ফুটবল থেকে উঠে আসা এই কৌশল রপ্ত করে অনেক ম্যানেজারই মাঠে সফল হয়েছে। ইয়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুল, টমাস টুখেলের চেলসি, এমনকি পেপ গার্দিওলার বার্সেলোনাও গেগেন প্রেসিংয়ের চমৎকার উদাহরণ। সেই কৌশল দিয়েই বাজিমাৎ করেছেন গাস্পেরিনি।
বলের দখল হারানোর সঙ্গে সঙ্গে আতালান্তার খেলোয়াড়রা গেগেন প্রেসিং বা কাউন্টার প্রেসিং করে দিশেহারা করে দিয়েছে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের। ফলে কয়েক মুহুর্তের মধ্যেই প্রতিপক্ষের পা থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বল। এর ফলে উপরে এসে খেলতে থাকা লেভারকুজেনের রক্ষণ আলগা হয়ে পড়েছে বারবার।
আসলে কোন কৌশলে খেলাবেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের শিষ্যদের শক্তি, শারীরিক সামর্থ্য আর অভিজ্ঞতাকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করেছেন গাস্পেরিনি। সেইসঙ্গে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সামর্থ্য, উচ্চতা আর অভিজ্ঞতার বিচারও করেছেন তিনি। এসবের প্রতিফলন দেখা গেছে মাঠের খেলায়।
অপরদিকে, ইতালির দলটির শক্তি-সামর্থ্য বিচার করতে ব্যর্থ হয়েছেন শাবি। খেলোয়াড়ি জীবনে রিয়াল মাদ্রিদ, বায়ার্ন মিউনিখে শারীরিকভাবে সামর্থ্যবান সতীর্থদের সঙ্গে খেললেও এসবের প্রভাব কীভাবে মোকাবিলা করবেন তা ঠিকমতো পরিকল্পনায় আনেননি তিনি। তাই তুলনামূলক তরুণ, অনভিজ্ঞ আর দুর্বল দলটিকে একদণ্ড শ্বাস নেওয়ার সুযোগ দেননি লুকমান-স্কামাক্কা-জাপাকস্তারা।
আরও পড়ুন: র্যাশফোর্ড-হেন্ডারসনকে বাদ দিয়ে ইংল্যান্ডের ইউরো স্কোয়াড ঘোষণা
ফলে সময়ের্ সঙ্গে লেভারকুজেনের পা থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে, সেইসঙ্গে চুপসে গেছে আত্মবিশ্বাসের বেলুন। তাই এদিন আর শেষ বেলায় চমক দেখানোর কথাটা মাথায়ই হয়তো আসেনি তাদের। হয়তো সেই আত্মবিশ্বাসটাই চলে গিয়েছিল ফ্রিমপং-ভিয়ার্টেসদের!
৬. আতালান্তার প্লেয়ার ট্র্যাকিং
আতালান্তার প্রথম ইউরোপা লিগ জয়ের পেছনে যে কৌশলের সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল, তা হচ্ছে দলটির খেলোয়াড়দের প্লেয়ার ট্র্যাকিংয়ের দক্ষতা। যতবারই লেভারকুজেন গেম ডেভেলপ করতে চেয়েছে, ততবারই প্রতিপক্ষের সম্ভাব্য পরবর্তী পাস ট্র্যাক করেছে আতালান্তা, সফলও হয়েছে বেশিরভাগ সময়। তাই বিপদ তৈরি হওয়ার আগেই তা অঙ্কুরে বিনষ্ট করেছে গাস্পেরিনির শিষ্যরা।
আবার ঠিক সময়ে ফাউল করেও লেভারকুজেনের বেশ কয়েকটি সুযোগ পরিণত হতে দেননি তারা।
পেশাদারত্ব, দক্ষতা আর অভিজ্ঞতার মিশেলে দর্শকদের দাপুটে এক ম্যাচ উপহার দিয়েছে আতালান্তা। যার ফলে ৬১ বছরের শিরোপা খরা কেটে জয়ের আনন্দে গা ভাসিয়েছে দলটির ভক্ত-সমর্থকরা। অন্যদিকে, তীরে এসে তরী ডোবার আক্ষেপে পুড়েছে লেভারকুজেনসহ কোটি ফুটবল ভক্ত।
পরিশেষে, পাঠকদের উদ্দেশে একটি প্রশ্নই শুধু রেখে যেতে চাই- অসংখ্য জয়ের গৌরবেই কি বেখেয়াল হলেন শাবি, যার খেসারত দিতে হলো লেভারকুজেনের খেলোয়াড় ও লাখো ভক্ত-সমর্থকদের?
আরও পড়ুন: কোপা আমেরিকায় প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা আর্জেন্টিনার
৭৪২ দিন আগে
লেভারকুজেনের স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে প্রথম ইউরোপা লিগ জিতল আতালান্তা
ম্যাচ শুরুর আগেই লেভারকুজেনকে ভয় পান না- জানিয়ে দিয়েছিলেন আতালান্তা কোচ জিয়ান পিয়েরে গাস্পারেনি। ভয়ডরহীন ফুটবল দিয়ে ‘নেভারলুজেন’দের বধ করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন। মাঠে নেমে সেই কাজটিই করে দেখাল তার শিষ্যরা।
ভয়ডরহীন ফুটবল খেলে শূন্যে উড়তে থাকা লেভারকুজেনকে মাটিতে নামিয়ে আনল আতালান্তা। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫১ ম্যাচ পর তাদের প্রথম হারের স্বাদ দিল গাস্পারেনির শিষ্যরা।
বুধবার রাতে ডাবলিনের আভিভা স্টেডিয়ামে ফাইনালে ৩-০ গোলে জিতে ৬১ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়েছে ইতালির ক্লাব আতালান্তা। এ জয়ে স্বপ্নীল জয়যাত্রা থেমেছে লেভারকুজেনের। সেইসঙ্গে ইউরোপীয় ফুটবলে কেউ কখনও যা করে দেখাতে পারেনি, সেই ‘মৌসুমজুড়ে সব প্রতিযোগিতায় অপরাজিত থাকা’র স্বপ্নভঙ্গও হয়েছে তাদের।
তবে ফাইনালের সবটুকু আলো কেড়ে নিয়েছেন আতালান্তার স্ট্রাইকার আদেমোলা লুকমান। ৩-০ গোলে জয়ের তিনটি গোলই ছিল তার। গোলগুলো করতে গিয়ে মাঠে তিনি যে ফুটবল শৈলী রচনা করেছেন, তাতে স্বমহিমায় উজ্জ্বল হয়েছেন বারবার।
এই হ্যাট্রিকে রেকর্ড বইয়ে নাম লিখিয়েছেন তিনি। ইউরোপা লিগের ফাইনালে প্রথম ফুটবলার হিসেবে হ্যাট্ট্রিক করেছেন লুকমান। ১৯৮৮ সালে ইউরোপা লিগে এক ম্যাচের ফাইনাল শুরুর পর এই কীর্তি এত বছরে কেউ করে দেখাতে পারেননি।
আরও পড়ুন: কোপা আমেরিকায় চালু হচ্ছে ‘গোলাপি কার্ড’
৭৪৩ দিন আগে
কোপা আমেরিকায় চালু হচ্ছে ‘গোলাপি কার্ড’
ল্যাটিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ‘কোপা আমেরিকা-২০২৪’ শুরু হতে আর এক মাসও নেই। এরই মধ্যে নতুন নিয়ম চালুর ঘোষণা দিল ল্যাটিন ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল। আসন্ন কোপার আসরে রেফারিকে তুলতে দেখা যাবে ‘গোলাপি কার্ড’।
হলুদ ও লাল কার্ড ফুটবলে আগে থেকেই প্রচলিত। মাঠের শৃঙ্খলা রক্ষায় খেলোয়াড়দের সতর্ক করা ও শাস্তি দিতে এই দুই কার্ড ব্যবহার করা হয়। তবে গোলাপি বা পিংক কার্ড ব্যবহার করা হবে খেলোয়াড়দের বাঁচাতে।
মঙ্গলবার অফিশিয়াল বিবৃতিতে কনমেবল জানায়, নিয়মমাফিক পাঁচ ফুটবলার বদল করতে পারলেও কোপা আমেরিকায় আরও একজন খেলোয়াড় বেশি বদল করা যাবে। তবে শুধুমাত্র কোনো খেলোয়াড় মাথায় আঘাত পেলেই ষষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে বিশেষ এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এক্ষেত্রে এই কনকাশন বদলির সময় পিংক কার্ড দেখাবেন রেফারি।
তবে শুধু ষষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে নয়, খেলা চলাকালে যেকোনো সময় এই নিয়মে বদলি হতে পারবেন অসুস্থ হয়ে পড়া খেলোয়াড়।
আরও পড়ুন: কোপা আমেরিকায় প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা আর্জেন্টিনার
এই নিয়ম কোপা আমেরিকার পরও কনমেবলের অন্যান্য টুর্নামেন্টে চালু থাকবে বলে বিবৃতিতে জানায় সংস্থাটি।
এক্ষেত্রে মাথায় আঘাত লেগে অসুস্থ হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে রেফারি বা চতুর্থ অফিশিয়ালকে জানাতে হবে। এরপর পিংক কার্ডের মাধ্যমে বিশেষ বদলির ইঙ্গিত দেবেন রেফারি।
তবে মাঠ থেকে উঠে যাওয়ার পর অন্যান্য বদলি খেলোয়াড়দের মতোই ওই খেলোয়াড় আর মাঠে নামতে কিংবা পেনাল্টি শুটআউটে অংশ নিতে পারবেন না।
২০২৪ সালের কোপা আমেরিকার আসর বসতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটির ১৪টি শহরের ১৪ ভেন্যুতে এবারের টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ২০ জুন আটালান্টার মার্সিডিস-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ম্যাচ দিয়ে আসর শুরু হবে। আর ১৪ জুলাই মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে এ আসর শেষ হবে।
আরও পড়ুন: কোপা আমেরিকায় ব্রাজিলের স্কোয়াড ঘোষণা
৭৪৩ দিন আগে
পর্তুগালের ইউরো স্কোয়াডে ৪১ বছর বয়সী পেপে
রিয়াল মাদ্রিদ ও জাতীয় দলে শুরু থেকেই দেখা গেছে তাদের বন্ধুত্ব। বয়সে বড় হওয়ায় ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে সবসময় আগলে রেখেছেন পেপে। তবে ফুটবল ক্যারিয়ারে বয়স ভুলে গেছেন তারা। ৩৯ বছর বয়সে রোনালদো যে ফরম ধরে রেখেছেন, ৪১-এ এসে পেপেও কম যান না। ক্লাব ফুটবলে নিজেদের পারফর্ম্যান্সের কারণেই আসন্ন ইউরোতে দলে ডাক পেয়েছেন এই দুই তারকা।
মঙ্গলবার ২৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেন পর্তুগাল কোচ রবের্তো মার্তিনেস। ঘোষিত দলে ইউরোর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে চলেছেন পেপে। ৪১ বছর ৩ মাস ২৩ দিন বয়সে আগামী ১৮ জুন ইউরোর মঞ্চে মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে তার।
অন্যদিকে ওইদিন খেলতে নামলে ৩৯ বছর ৩ মাস ১৭ দিন বয়সে টুর্নামেন্টের ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে নাম লেখাবেন রোনালদো।
আরও পড়ুন: র্যাশফোর্ড-হেন্ডারসনকে বাদ দিয়ে ইংল্যান্ডের ইউরো স্কোয়াড ঘোষণা
রোনালদোকে স্কোয়াডে রাখা প্রসঙ্গে কোচ মার্তিনেস বলেন, ‘রোনালদোর বিষয়ে বলতে গেলে শুরুতেই তার পরিসংখ্যানটা দেখতে হবে। ক্লা্বের হয়ে ৪১ ম্যাচে ৪২ গোল করা মানেই সে এখনও ধারাবাহিক, গোলমুখে সবসময় ফিট। এমনকি খেলার মান ধরে রাখতে সে নিজেকে সবসময় শারীরিকভাবে সক্ষম রাখে, যা আমরা সত্যিই পছেন্দ করি। দলে তাকে প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘একজন খেলোয়াড় কোথায় খেলে- তা দেখে আমরা কাউকে বিবেচনা করি না। আমরা সর্বোত্তম দল গঠন করতে চাই। ২৬ জনের যে স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সবচেয়ে ভালো ২৬ জনকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।
পেপের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একজন ফুটবলারের ব্যক্তিগত পারফর্ম্যান্স ও লকার রুমে তাদের ভূমিকা কী থাকে, তা আমরা বিবেচনায় রেখেছি। এখানে কয়েকজন খেলোয়াড় আছে, লকার রুমে যাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।’
আরও পড়ুন: কোপা আমেরিকায় প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা আর্জেন্টিনার
আগামী ১৮ জুন চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে এবারের আসরের প্রথম ম্যাচ খেলবে ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল। ‘এফ’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ তুরস্ক ও জর্জিয়া।
পর্তুগালের ২৬ সদস্যের স্কোয়াড
গোলরক্ষক: দিয়োগো কস্তা (পোর্তো), জোসে সা (উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্স), রুই পাত্রিসিও (রোমা)।
ডিফেন্ডার: আন্তোনিও সিলভা (বেনফিকা), দানিলো পেরেইরা (পিএসজি), দিয়োগো দালোত (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), গন্সালো ইনাসিও (স্পোর্তিং), জোইয়াও ক্যান্সেলো (বার্সেলোনা), নেলসন সেমেদো (উলভারহ্যাম্পটন ওয়ানডারার্স), নুনো মেন্দেস (পিএসজি), পেপে (পোর্তো), রুবেন দিয়াস (ম্যানচেস্টার সিটি)।
মিডফিল্ডার: ব্রুনো ফের্নান্দেস (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), জোইয়াও নেভেস (বেনফিকা), জোইয়াও পালিনিয়া (ফুলহ্যাম), ওতাভিও মন্তেইরো (আল নাস্র), রুবেন নেভেস (আল হিলাল), ভিতিনিয়া (পিএসজি)।
ফরোয়ার্ড: বের্নার্দো সিলভা (ম্যানচেস্টার সিটি), ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (আল নাস্র), দিয়োগো জতা (লিভারপুল), ফ্রান্সিসকো কন্সেইসিয়াও (পোর্তো), গন্সালো রামোস (পিএসজি), জোইয়াও ফেলিক্স (বার্সেলোনা), পেদ্রো নেতো (উলভারহ্যাম্পটন ওয়ানডারার্স), রাফায়েল লেয়াও (এসি মিলান)।
৭৪৩ দিন আগে
র্যাশফোর্ড-হেন্ডারসনকে বাদ দিয়ে ইংল্যান্ডের ইউরো স্কোয়াড ঘোষণা
নতুন পাঁচ মুখ নিয়ে ইউরো-২০২৪ এর দল ঘোষণা করেছে ইংল্যান্ড। তবে ইউরোর জন্য ঘোষিত দল থেকে বাদ পড়েছেন জর্ডান হেন্ডারসন ও স্ট্রাইকার মার্কাস র্যাশফোর্ড।
আসন্ন ইউরোরর জন্য মঙ্গলবার ৩৩ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেন ইংলিশ কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। ঘোষিত দলে জায়গা হয়নি রাহিম স্টার্লিং ও রিস জেমসের মতো ফুটবলারদেরও।
তবে ডাক পেয়েছেন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ৫ ফুটবলার- এভারটনের ডিফেন্ডার জ্যারাড ব্র্যান্থওয়েট, লিভারপুলের মিডফিল্ডার কার্টিস জোন্স ও ডিফেন্ডার জ্যারেল কুয়ানশা, ক্রিস্টাল প্যালেসের মিডফিল্ডার অ্যাডাম হোয়ার্টন এবং বার্নলির গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ড।
আরও পড়ুন: কোপা আমেরিকায় প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা আর্জেন্টিনার
সাউথগেটের ইংল্যান্ড দলে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন র্যাশফোর্ড। ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপ এবং ২০২১ সালের ইউরোতে তিন সিংহধারী জার্সি পরে খেলেন তিনি। তবে সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ফর্মহীনতায় ভুগছিলেন ২৬ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার।
গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ৫৬ ম্যাচে ৩০ গোল করেন র্যাশফোর্ড, সেখানে এই মৌসুমে তার গোল মাত্র ৮টি; খেলেছেন ৪২ ম্যাচ।
রাশফোর্ডের ছাঁটাই প্রসঙ্গে সাউথগেট বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, ওই পজিশনে অন্যান্য খেলোয়াড়রা আরও ভালো মৌসুম কাটিয়েছে।’
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক ইনজুরিই কাল হয়েছে হেন্ডারসনের জন্য। পেশাদার ফুটবলে অভিষেকের পর ইংল্যান্ডের হয়ে প্রতিটি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে দেখা গেছে হ্যারি কেইনের অনুপস্থিতিতে মাঠে অধিনায়কের দায়িত্ব সামলানো হেন্ডারসনকে। তবে ৩৩ বছর বয়সে এসে তার সে যাত্রা থামিয়েছেন সাউথগেট।
গত বছরের জুলাইয়ে লিভারপুল ছেড়ে সৌদি আরবের ক্লাব আল ইত্তিফাকে যোগ দেন হেন্ডারসন। তবে ৬ মাস পরই এ বছরের জানুয়ারি মাসে সৌদি ছেড়ে ডাচ ক্লাব আয়াক্সের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ইউরোপে ফেরেন। এতকিছুর পরও সাউথগেটের স্কোয়াডে জায়গা করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।
সাউথগেট বলেন, ‘হেন্ডারসনকে স্কোয়াডের বাইরে রাখা আমার জন্য খুবই কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। সবশেষ (ট্রেনিং) ক্যাম্পে ইনজুরিতে পড়ে সে। তারপর ৫ সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে চলে যায়। এর পর থেকে মাঠে তার সেই তীব্রতা আর দেখা যায়নি।’
আরও পড়ুন: প্রিমিয়ার লিগে ‘ভিএআর’ বাদ দেওয়ার প্রস্তাব
আগামী ১৪ জুন জার্মানি-স্কটল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে ইউরোরর এবারের আসরের পর্দা উঠবে। তবে টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের মিশন শুরু হবে ১৬ জুন। সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের অভিযান শুরু করবে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
ইংল্যান্ডের প্রাথমিক স্কোয়াড
গোলরক্ষক: ডিন হেন্ডারসন, জর্ডান পিকফোর্ড, অ্যারন র্যামসডেল, জেমস ট্র্যাফোর্ড।
ডিফেন্ডার: জ্যারাড ব্র্যান্থওয়েট, লুইস ডাঙ্ক, জো গোমেজ, মার্ক গেহি, এজরি কনসা, হ্যারি ম্যাগুইরে, জ্যারেল কুয়ানশা, লুক শ, জন স্টোন্স, কিরান ট্রিপিয়ার, কাইল ওয়াকার।
মিডফিল্ডার: ট্রেন্ট অ্যালেক্সান্ডার-আর্নল্ড, করন গ্যালাগার, কার্টিস জোন্স, কোবি মাইনু, ডেকলান রাইস, অ্যাডাম হোয়ার্টন।
ফরোয়ার্ড: জুড বেলিংহ্যাম, জ্যারড বাউয়েন, এবেরেচি এজে, ফিল ফোডেন, জ্যাক গ্রিলিশ, অ্যান্থনি গর্ডন, জেমস ম্যাডিসন, কোল পালমার, বুকায়ো সাকা, ইভান টনি, অলি ওয়াটকিন্স, হ্যারি কেইন।
৭৪৩ দিন আগে