রাজধানীর সূত্রাপুরের শ্যামবাজার এলাকার চামারটুলিতে পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে তানিয়া আক্তারও (১৭) মারা গেছেন।
এর আগে একই ঘটনায় তার মামাতো ভাই ইমন ও মামা সিদ্দিক বেপারীর মৃত্যু হয়। তানিয়ার মৃত্যুর পর এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিনজনে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তানিয়ার মৃত্যু হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সূত্রাপুরের শ্যামবাজারে আগুনে তানিয়া আক্তারের শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে একই ঘটনায় চিকিৎসাধীন তানিয়ার মামা সিদ্দিক বেপারী (৫৫) মারা যান। তার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। গত ২০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে মারা যান সিদ্দিকের ছেলে ইমন (২৫), যার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সূত্রাপুরের শ্যামবাজার এলাকার চামারটুলিতে পারিবারিক বিরোধের জেরে ইমন নিজের ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় ঘরে থাকা তার বাবা সিদ্দিকসহ পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বাসার সামনে জমে থাকা ময়লা পানি পরিষ্কার করা নিয়ে ইমনের বোন সুলতানার সঙ্গে তানিয়ার বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে সুলতানা বিষয়টি মোবাইল ফোনে ইমনকে জানালে তিনি দেশে ফিরে আসেন।