খুলনার দৌলতপুর থানা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আরমান ওরফে আরমিন ওরফে দিপুকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দৌলতপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৬ খুলনার এক সংবাদ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ । এর আগে গতকাল (রবিবার) রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আরমান দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশার বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, একাধিক হত্যা মামলার আসামি আরমান গত কয়েকদিনের পুলিশের তৎপরতার কারণে খুলনা ছেড়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে অবস্থান করছিলেন। রবিবার রাতে উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে খুলনার দৌলতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভৈরব নদ থেকে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ঘাউরা রাজিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই মামলার এজাহারনামায় আরমান দুই নম্বর আসামি।
এদিকে এলাকাবাসী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আরমান একসময় দৌলতপুর থানা এলাকার আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী বাহিনী হুমার সক্রিয় সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে নিজেই বাহিনী গঠন করে প্রধান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। দৌলতপুর থানায় একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।