গ্রেপ্তার
দিনাজপুরে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির মামলা: সাংবাদিকসহ গ্রেপ্তার ৩
দিনাজপুরের হাকিমপুরে একজন যুবককে অপহরণ এবং ১৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির মামলায় নাগরিক টেলিভিশনের হিলি প্রতিনিধি তাহাকিক হাসানসহ আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলা এলাকা থেকে ওই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে, গত ২ জুলাই ইউসুফ ও মোজাম্মেল হোসেন মুকুল নামে আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
গ্রেপ্তার তাহাকিক হাসান হাকিমপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)অভা জাকির জানান, জীবনানন্দ সরকার নামের একজন ‘টি বয়’-কে গত ৩০ মে অপহরণ করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শাটারে তালা মেরে ভেতরে আটকে রেখে তার পরিবারের কাছে ১৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিলেন অপহরণকারীরা। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন জীবনানন্দের বাবা মনিন্দ্রনাথ সরকার। এরপর প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর অভিযান চালিয়ে ওই দোকানের ভেতরে আটকাবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় জিম্মিকে পাহারা দেওয়া ইউসুফ এবং মোজাম্মেল হোসেন মুকুল নামে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেন পুলিশ। এরপর মামলায় অভিযুক্ত অন্যান্যরা আত্মগোপন হয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার সাংবাদিক তাহাকিক হাসানের ভাই মেহেদি হাসান ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে স্বর্ণ চোরাচালানেরর মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, অপহরণের শিকার জীবনানন্দ সরকার ‘টি বয়’ হিসেবে কাজ করতেন। তার পরিবারের পক্ষে ১৮ লাখ দূরের কথা ১৮ হাজার টাকা দেওয়ার সক্ষমতা নেই। তাছাড়া জীবনানন্দ সরকারের কাছে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নিয়েছেন অপহরণকারীরা। সব বিষয় মাথায় রেখে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবির পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ওসি জানান, গ্রেপ্তার ৩ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।
৫ দিন আগে
ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২৪ জন গ্রেপ্তার
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ৪২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৬৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৪১ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ২৬ জন, ওয়ায়ী বিভাগ থেকে ৫২ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৪৮ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৫৫ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ৯৭ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৯ জন, উত্তরা বিভাগে ৬৩ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪৮ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা, ৫ হাজার ২১৮ পিস ইয়াবা, ১৫ পুরিয়া হেরোইন, ৪ বোতল ফেন্সিডিল, ১টি চাপাতি, ১টি চাকু, ১টি রশি, ২টি ইনজেকশন প্যাথেডিন, ২৪টি মোবাইল, ২ জন ভিকটিম, মাদকদ্রব্য সেবনের সরঞ্জামাদি, বিভিন্ন প্রজাতির ১১০৪টি প্রাণী, ৭৫ কেজি লেবু ও ১টি মেমো উদ্ধার করা হয়।
নিয়াজ মেহেদী আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৬ দিন আগে
রাজবাড়ীতে ৭ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
রাজবাড়ীতে ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে লুৎফর বিশ্বাস (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী শিশুটি রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে আসামিকে আদালতে পাঠানোর হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম।
গতকাল (মঙ্গলবার) পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার লুৎফর বিশ্বাস উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের জোনা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা। শিশুটির বাড়িও একই গ্রামে। সে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটি ঝালমুড়ি কিনতে অভিযুক্ত লুৎফরের বাড়িতে যায়। এ সময় লুৎফর শিশুটিকে তার ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে গেলে তার শারীরিক অবস্থা দেখে তার সঙ্গে কী হয়েছে, সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করে তার মা। প্রথমে ভয়ে সে কিছু না বললেও পরে সব কিছু খুলে বলে। পরে পরিবারের লোকজন শিশুটিকে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে পরে তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শিশুটির ফুফু জানান, মঙ্গলবার দুপুরে শিশুটি মা তার বুকের ওপর ক্ষত দেখতে পায়। এরপর ক্ষতের কারণ জানতে চাইলে সে সব কিছু খুলে বলে। শিশুটির শরীরে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছিল। তখন তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত লুতফুর বিশ্বাসকে স্থানীয়রা মারধর করে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। তারপর আমরা তাকে আজ (বুধবার) সকালে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলা করেছেন। আসামিকে আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
৮ দিন আগে
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে প্রাণ গেল ১৪ স্কুলশিক্ষার্থীর, গ্রেপ্তার ২
পাকিস্তানের লাহোরে নির্মাণাধীন ভবনে পরিচালিত একটি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে অন্তত ১৪ জন স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৮ শিশু আহত হয়েছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জুন) লাহোরের উপকণ্ঠে অবস্থিত একটি নির্মাণাধীন ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফয়সাল কামরান জানান, আহত শিশুদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় কোচিং সেন্টারের মালিক ও আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও শিশু আটকে থাকতে পারে—এমন আশঙ্কায় উদ্ধারকর্মীরা তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, কোচিং সেন্টারটি একটি পুরোনো ভবনে পরিচালিত হচ্ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করার কারণে নির্মাণাধীন দ্বিতীয় তলার ছাদ ধসে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানে ভবন ধসের ঘটনা নতুন নয়। দেশটিতে নির্মাণ মানদণ্ড যথাযথভাবে মানা হয় না। এ কারণে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া অনেক ভবন নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয় এবং খরচ কমাতে নিরাপত্তাবিধিও উপেক্ষা করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদ ধসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাম্বুলেন্স ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে অংশ নেন। তারা কোদাল ও খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া শিশুদের বের করে আনার চেষ্টা করেন।
৮ দিন আগে
দেশব্যাপী নৌ পুলিশের অভিযানে সাত দিনে ১৮৮ জন গ্রেপ্তার
গত সাত দিনব্যাপী চলমান বিভিন্ন অভিযানে ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। সেই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া ও জেলিযুক্ত চিংড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌ পথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নৌ পুলিশ দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে। গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ি রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া, ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয় এবং নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।
নৌ পুলিশের এই অভিযানে বৈধ কাগজপত্র না পাওয়ায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে প্রসিকিউশন দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।
সাত দিনব্যাপী এই অভিযানে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি আইন, ৩টি বালুমহাল, ৩টি মাদক, ৩টি চাঁদাবাজি, ২টি ডাকাতি, ১টি চুরি ও ৪টি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩ টি মামলা দায়ের করা হয়।
জব্দকৃত অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয় এবং মাছের রেণু পোনা পানিতে অবমুক্ত করাসহ অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।
১৪ দিন আগে
গ্রেপ্তারের এক দিন পর চট্টগ্রাম কারাগারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু
গ্রেপ্তারের এক দিন পর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নুরুল আলম নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি জানায় কারাগার কর্তৃপক্ষ।
অসুস্থ হওয়ার পর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুরুল আলমের মৃত্যুসনদে মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, মৃত নূরুল আলমের বড় বোন বকুলি বেগম ও ভগ্নিপতি অভিযোগ করেন, ‘রাজনৈতিক কারণে নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ব্যবসায়িক কারণে এলাকার একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করিয়েছে। তাকে আটকের পর ডিবি পুলিশ নির্যাতন করে হত্যা করেছে। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। এর আগেও তাকে একাধিকবার হত্যার চেষ্টা হয়েছিল। আমারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আমার ভাই হত্যার বিচার চাই।’
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেলে একটি মামলায় নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। আজ (বুধবার) সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
১৫ দিন আগে
আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) পরিচালিত পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এর মধ্যে মিরপুর থানা পুলিশ ৩ জন, রমনা, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, ও তেজগাঁও থানা পুলিশ ২ জন করে এবং শাহবাগ, বংশাল, সূত্রাপুর, পল্টন, শিল্পাঞ্চল, পল্লবী ও কাফরুল থানা পুলিশ একজন করে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি জানিয়েছে, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১৬ দিন আগে
সিলেটে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার
সিলেটের গোলাপগঞ্জে পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দীপনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২১ জুন) ভোররাতে উপজেলার রণকেলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম বলে, গ্রেপ্তার দেলোয়ার হোসেন দীপন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হওয়া একাধিক মামলার আসামি। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তিনি আরও জানান, মামলাগুলোর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৭ দিন আগে
জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য হত্যা: আসামি আইয়ুব আলী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে আলোচিত সন্ত্রাসী গ্রুপ কর্তৃক র্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি আইয়ুব আলী প্রকাশ বাবুল সওদাগরকে (৫৩) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
রবিবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লয়েল রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে সোমবার (২২ জুন) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাব-৭।
গ্রেপ্তার আইয়ুব আলী প্রকাশ বাবুল সওদাগর উপজেলার ছিন্নমূল ৮ নম্বর সমাজের বাসিন্দা।
র্যাব-৭-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য নিহতের মামলার আসামি আইয়ুব আলী চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লয়েল রোড এলাকায় অবস্থান করার খবর পাওয়া যায়। পরে সেখানে নবী মার্কেটের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে, ১৮ জুন বিকেল পৌনে ৫টার দিকে সলিমপুর ইউনিয়নের ছিন্নমূল ১ নম্বর সমাজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি আলী আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০ জুন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে অপর আসামি মো. ইমরানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৭।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান পরিচালনার সময় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন র্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। হামলায় একই সময়ে তিন র্যাব সদস্য আহত হন।
এই র্যাব কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় ২২ জানুয়ারি সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা হয়। এতে মোহাম্মদ ইয়াসিনকে প্রধান আসামি করে ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া, অজ্ঞাত আসামি করা হয় ১৫০ থেকে ২০০ জনকে।
১৭ দিন আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলীতে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে হত্যার ঘটনায় অন্যতম হোতা মো. আইয়ুবকে (৪৫) রাঙামাটি থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
শনিবার (২০ জুন) ভোরে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের হাজীপাড়া এলাকার শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আইয়ুব রাউজানের কদলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কদলপুর সমশের পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব জানান, একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রামে নিয়ে গেছে র্যারের টিম ।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৭-এর মিডিয়া সেল জানায়, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
স্থানীয়রা জানান, গত ১৩ জুন দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে রাঙ্গুনিয়ার যুবদল নেতা মাসুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পর রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার জনসাধারণ বিক্ষোভে নামেন। এ ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সরাসরি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরপর থেকে সন্ত্রাসীরা গাঁ ঢাকা দেয়।
তথ্য প্রযুক্তি ও সোর্সের মাধ্যমে র্যাব জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের অন্যতম হোতা আইয়ুব রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে তার নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন। অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর রবিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন র্যাব সদস্যরা।
মাসুদুল হক চৌধুরীকে হত্যার ঘটনায় ঘটনায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাউজান থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। গত ১৫ জুন রাত ১২টার দিকে নিহতের বড় ভাই মুহাম্মদ পিয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বাদী হয়ে রাউজান থানায় এ মামলা করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহত মাসুদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান পিয়ারুল ইসলাম চৌধুরী স্বপনের ছোট ভাই এবং বেতাগী এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান মৃত খালেদ চৌধুরীর ছেলে।
১৮ দিন আগে