ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার সালিশে প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি সুলতানপুর ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
স্থানীয় লোকজন ও নিহতের পরিবার জানায়, জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। গতকাল (সোমবার) বিকেলে এই বিরোধ মীমাংসার জন্য এলাকায় এক সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আতাউল্লাহর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়ের বাড়ির লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীরসহ ৫-৬ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিব উর রেজা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।