সাভারের মজিদপুর দিঘীরপাড় এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডে স্বামী-স্ত্রী গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। ঘরে জমে থাকা গ্যাসে মশার কয়েল জ্বালাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে মজিদপুর দিঘীরপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে পৌনে রাত তিনটার দিকে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধরা হলেন— কায়সার (২৮) ও তার স্ত্রী রুবি বেগম (২৪)।
দগ্ধ কায়সারের বাবা মো. সীমান শেখ জানান, সাভারের মজিদপুর দিঘীরপাড় এলাকায় নূর মোহাম্মদের দুইতলা ভবনের নিচতলায় তার ছেলে কায়সার ও পুত্রবধূ রুবি বেগম ভাড়া থাকতেন। গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত ১২টার দিকে তারা ঘরে মশার কয়েল জ্বালাতে দিয়াশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে ঘরে জমে থাকা গ্যাসে আগুন ধরে যায়। আগুন দ্রুত পুরো কক্ষে ছড়িয়ে পড়লে তারা দুজনই গুরুতর দগ্ধ হন। পরে খবর পেয়ে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।
তিনি আরও জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার রিয়াজউদ্দিন মাতোপাড়া গ্রামে। বর্তমানে তারা সাভারের মজিদপুর দিঘীরপাড়ে মসজিদবাড়ি এলাকার নূর মোহাম্মদের ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। কায়সার ও তার স্ত্রী দুজনেই গার্মেন্টসকর্মী।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, গত রাতে সাভার এলাকা থেকে দগ্ধ এক দম্পতিকে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে কায়সারের শরীরের ১০০ শতাংশ ও তার স্ত্রী রুবির শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তারা দুজনই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।