সিলেটের জৈন্তাপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট-তামাবিল সড়কের পৃথক স্থানে দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলার বিরাইমারা সেতুর পাশে সিলেট-তামাবিল সড়কে দুটি প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই গাড়ির চার যাত্রী আহত হয়।
জৈন্তাপুর থানা পুলিশ ও তামাবিল হাইওয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরে সেখান থেকে কয়েকজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক এক শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তিন মাস বয়সী আয়াত গোয়াইনঘাট উপজেরার পশ্চিম মাখেরপাড়া গ্রামের হাসানুজ্জামানের ছেলে।
এ দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে মারজানা আক্তার (৩৫) নামের একজন পথচারীও রয়েছেন। তিনি পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে জৈন্তাপুরের ফেরিঘাট কাটাগাং এলাকায় সিলেট-তামাবিল সড়কে জাফলংগামী পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে সিলেটগামী পাথরবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়।
এতে বাসের কয়েকজন যাত্রী আহত হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় তামাবিল হাইওয়ে পুলিশ ও জৈন্তাপুর থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, তামাবিল সড়কে পর্যটকবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাসচালক ও এক নারী যাত্রী রয়েছেন। হাসপাতালে আরও পাঁচজন ভর্তি রয়েছেন। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট কোতয়ালী থানাধীন পল্লবী রোড এলাকার আলী আহমদের ছেলে কাওসার (৪৮) এবং তার মেয়ে আতিশা (১০) ও ছেলে আলিফ (১৬)।
আহতদের স্বজনরা জানান, রাজবাড়ী জেলা থেকে ছয় দিনের সফরে সিলেট ভ্রমণে এসেছিলেন একদল পর্যটক। আজ দুপুরে বাসে করে তারা জাফলংয়ের উদ্দেশে রওনা হন। পথে ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের কাদায় পড়ে যায়।