যুক্তরাজ্যে
গণমাধ্যম কমিশন গঠনে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা
গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্য অফিস অব কমিউনিকেশনসের (অফকম) অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে তার কার্যালয়ে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের সময় তিনি এ আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সরকার গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজ শুরু করেছে। এক্ষেত্রে মন্ত্রী যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্য অফিস অব কমিউনিকেশনসের (অফকম) অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
হাইকমিশনার এক্ষেত্রে তথ্যমন্ত্রীকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি অফকমের কার্যক্রম সম্পর্কেও মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
এ ছাড়াও, আজ (বৃহস্পতিবার) পৃথক সময়ে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেঙ্গলির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তথ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।
সাক্ষাৎকালে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার একইসঙ্গে জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দিতে চায়। এজন্য তিনি সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিলেও একইসঙ্গে এটি একটা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তিনি এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য সুইস রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান।
১৬ দিন আগে
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আজ সোমবার দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০২ সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর এ্যালিসন জে ক্রস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চিকিৎসকদের পরামর্শে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতি গত ৯ মে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
গত ১২ মে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম করা হয়। এ সময় হৃদযন্ত্রে গুরুতর ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করে সফলভাবে একটি স্টেন্ট স্থাপন করা হয়।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক রয়েছে বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এক বার্তায় জানানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে তার কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়।
যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালেও রাষ্ট্রপতি নিয়মিত দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো গুরুত্বপূর্ণ সামারি ও নথি তিনি ডিজিটালি অনুমোদন ও স্বাক্ষর করেন।
এছাড়া সফরকালে লন্ডনের হোটেল হিলটনে সুদানের প্রধানমন্ত্রী ড. কামিল ইদ্রিসের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির একটি অনানুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
১৯ দিন আগে
ধুমপান নিষিদ্ধে যুক্তরাজ্যে বিল পাস
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সিগারেট বা ধুমপানের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে একটি বিল পাস হয়েছে। এ ঘটনায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে দেশটির সচেতন নাগরিকরা।
মঙ্গলবার (২১ এপিল) হাউস অব লর্ডসে আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।
দীর্ঘদিন ধরে এই আইনের পক্ষে প্রচারণা চালানো সংস্থা অ্যাকশন অন স্মোকিং অ্যান্ড হেলথের প্রধান নির্বাহী হ্যাজেল চিজম্যান বলেন, ধূমপান নিশ্চিতভাবে মানুষের ভয়াবহ ক্ষতি করে। আইনটি হলে টোব্যাকো অ্যান্ড ভ্যাপস বিলের আওতায় ২০০৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য সারা জীবনের জন্য সিগারেট কেনা নিষিদ্ধ করা হবে।
আইনটি কার্যকর হওয়ার আগে রাজা তৃতীয় চার্লসের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে, যা একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এই আইনটি সরকারকে তামাক, ভ্যাপিং ও নিকোটিনজাত পণ্য নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা দেবে, যার মধ্যে ফ্লেভার ও প্যাকেজিংও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
যুক্তরাজ্যে বর্তমানে ১৮ বছরের কম বয়সীদের কাছে সিগারেট, তামাকজাত পণ্য বা ভ্যাপ বিক্রি করা অবৈধ। তবে নতুন নিয়মে প্রতি বছর সিগারেট কেনার ন্যূনতম বয়স বাড়তে থাকবে, ফলে আজকের অধিকাংশ তরুণ-তরুণী সারা জীবনই এই নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হবে।
বিল পাসের মধ্যে দিয়ে যুক্তরাজ্য বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর ধূমপানবিরোধী ব্যবস্থাগুলোর একটি গ্রহণ করল। এই আইনটি অনেকটা ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডের আইনপ্রণেতাদের পাস করা আইনের মতো, যদিও পরে নতুন সরকার সেটি বাতিল করে দিয়েছিল।
১৯৭০-এর দশক থেকে এখন পর্যন্ত ব্রিটেনে ধূমপায়ীর সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে। তবে সরকারি হিসাব অনুযায়ী, সেখানে এখনও প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ ধুমপান করে। এটি যুক্তরাজ্যের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৩ শতাংশ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ধূমপানের কারণে দেশটিতে প্রতি বছর প্রায় ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় । এটি মৃত্যু, অক্ষমতা ও স্বাস্থ্যহানির এক নম্বর কারণ যেটা প্রতিরোধযোগ্য।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং বলেছেন, ‘যুক্তরাজ্যের শিশুরা হবে প্রথম ধূমপানমুক্ত প্রজন্মের অংশ, যারা আজীবনের এই আসক্তি ও ক্ষতি থেকে সুরক্ষিত থাকবে।’
৪৪ দিন আগে
যুক্তরাজ্যের সাবেক সামরিক ঘাঁটিতে আগুনে নিহত ৩
যুক্তরাজ্যের একটি সাবেক সামরিক ঘাঁটিতে আগুনে তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২ জন অগ্নিনির্বাপক কর্মী ও একজন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) অক্সফোর্ডের কাছে বাইসেস্টারে প্রাক্তন রয়েল এয়ার ফোর্স ঘাঁটির একটি বড় গুদামে এই অগ্নিকাণ্ড হয় বলে জানিয়েছে দেশটির কর্মকর্তারা।
শুক্রবার (১৬ মে) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমান ও মোটর স্পোর্টসের ইতিহাস স্মরণে ব্যবহৃত একটি প্রাক্তন ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ডে দুইজন দমকল কর্মী ও একজন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জে আগুনে শতাধিক দোকান ভস্মীভূত
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী কয়েক মাইল দূর থেকে দেখা গেছে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার এক্সে এক পোস্টে বলেন, ‘আমাদের অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের সাহসিকতা আশ্চর্যজনক। আশা করি যারা হাসপাতালে আছেন তারা সম্পূর্ণ ওদ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।’
অক্সফোর্ডশায়ার কাউন্টি কাউন্সিল জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর আহত আরও দুইজন অগ্নিনির্বাপক কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অক্সফোর্ডশায়ার কাউন্টি কাউন্সিল জানিয়েছে, আরও দুইজন অগ্নিনির্বাপক কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
শুক্রবার সকালে কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
৩৮৬ দিন আগে
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য স্থিতিশীল, চলছে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
যুক্তরাজ্যের ‘লন্ডন দ্য ক্লিনিকে’ চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। রবিবার (১৩ জানুয়ারি) তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমন তথ্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘তার স্বাস্থ্যের রুটিন পরীক্ষা প্রতিদিনই চলছে। তবে সোমবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে বিশেষ কিছু পরীক্ষা করা হতে পারে। হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখেছেন বিখ্যাত হেপাটোলজিস্ট অধ্যাপক জন প্যাট্রিক কেনেডি। এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনেই তার চিকিৎসা চলছে ‘
‘হাসপাতালে ভর্তির পরেই খালেদা জিয়ার ফিজিওথেরাপি করানো হয়েছে। এতে তার শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে,’ বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।
আরও পড়ুন: লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন খালেদা জিয়া
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক পরিচর্যা করছেন বলেও জানান জাহিদ হোসেন।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গেল ৮ জানুয়ারি খালেদা জিয়া লন্ডনে যান। ওই দিনই হিথরো বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বিশেষায়িত হাসপাতাল দ্য লন্ডন ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করা হয়। এরই মধ্যে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে তার চিকিৎসা চলছে।
লিভার সিরোসিস, কিডনি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া।
আরও পড়ুন: বিমানবন্দরের পথে খালেদা জিয়া
৫০৯ দিন আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আনুগত্য জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার
নিকটবর্তী সময়ে গঠিত হতে যাওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আগাম আনুগত্য প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম।
তিনি বলেন, কূটনৈতিক বিষয়ে একটি প্রোটোকল অনুসরণ করতে হয় বলে তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
গত ১৬ জুলাই থেকে ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সাইদা মুনা নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এসময় তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে নতুন প্রজন্মের আন্দোলনে অনুপ্রাণিত হয়ে ন্যায়ভিত্তিক দেশ গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জনপ্রিয় সাপ্তাহিক সুরমার সম্পাদক ও বিশিষ্ট আইনজীবী শামসুল আলম লিটন লন্ডনে হাইকমিশনে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব কথা বলেন সাইদা মুনা।
আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্যের চ্যানেল এসের বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার পেলেন সাঈদা মুনা তাসনীম
গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন লিটন।
লিটনের এই কাজের ভিডিও শেয়ার করে ইকবাল ফেরদৌস বলেন, অসম্ভব মেধাবী, মানবিক ও নিবেদিতপ্রাণ মানুষ লিটনের সঙ্গে প্রায় ৭-৮ বছর ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে তার।
৬৬৮ দিন আগে
যুক্তরাজ্যে রপ্তানি বাড়াতে একসঙ্গে কাজ করবে এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ হাইকমিশন
যুক্তরাজ্যের ক্রমবর্ধমান বাজার ধরতে একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই ও যুক্তরাজ্যে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
সোমবার (২৭ নভেম্বর) এফবিসিসিআইয়ের হেড অব পিআর অ্যান্ড কমিউনিকেশনস তানজিদ বসুনিয়ার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চায়না প্লাস ওয়ানের সুযোগ কাজে লাগিয়ে যুক্তরাজ্যের ভোক্তা মার্কেট ধরতে রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণের উপর জোর দিয়েছে উভয় পক্ষ।
রবিবার রাতে যুক্তরাজ্যে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন ও দেশটিতে সফররত এফবিসিসিআই প্রতিনিধি দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক ডায়ালগে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম। এসময় যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাই কমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: অবরোধ অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভয় পায়: এফবিসিসিআই সভাপতি
রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণের উপর জোর দিয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘আমরা শুধু তৈরি পোশাক খাতে নির্ভরশীল হয়ে আছি। কিন্তু বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের বিকল্প নেই। পোশাক শিল্পের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে আরও কী ধরনের পণ্য রপ্তানি করা যায় সেগুলো নিয়ে কাজ করছি আমরা।’
এসময় তৈরি পোশাকের বাইরে কৃষিজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, ফুল ও ফল রপ্তানিতে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিয়ে আসার বিষয়েও বাংলাদেশি হাইকমিশনের সহযোগিতা চান এফবিসিসিআই সভাপতি।
পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত কমার্শিয়াল কাউন্সিলরদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন ও ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: এনবিআরকে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান এফবিসিসিআই’র
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি হাইকমিশনার সাইদা তাসনিম মুনা বলেন, বাংলাদেশ হাইকমিশন ও বেসরকারি খাতের উদ্যোগে গত বছর যুক্তরাজ্যে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। যা যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির দিক থেকে সর্বোচ্চ। এই রপ্তানির ৯১ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে।
এ ছাড়াও টেক্সটাইল, মৎস্য, বাইসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য যুক্তরাজ্যে রপ্তানি করা হলেও সেই সংখ্যা খুব কম। চায়না প্লাস ওয়ান নীতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে যুক্তরাজ্যে পণ্য রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশ হাইকমিশন কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এসময় কৃষিজাত পণ্য ও আনারসসহ বিভিন্ন ফল রপ্তানির উপর জোর দেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার।
বাংলাদেশের তৈরি পণ্য মূলধারার বাজারে আনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি মূলধারার বাজারে কী ধরনের পণ্য আসছে এবং সেসব পণ্যের উৎস কোথায়, কী ধরনের চাহিদা রয়েছে সেগুলো বিশ্লেষণ করতে পারি, তাহলে সেটি দেশের রপ্তানি বাড়াতে সাহায্য করবে।’
বৈঠকে প্রশিক্ষিত নার্সসহ দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি নিয়েও আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্যবাসায়ী নেতারা ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: পাটের সোনালি অতীত ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে এফবিসিসিআই: মাহবুবুল আলম
৯২২ দিন আগে
সাম্প্রতিক সহিংসতার বিরূদ্ধে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চায় স্টাডি সার্কেল বাংলাদেশ
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি থিঙ্কট্যাঙ্ক স্টাডি সার্কেলের একটি প্রতিনিধি দল গত সোমবার (২০ নভেম্বর) ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের কাছে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করেছে।
স্টাডি সার্কেলের সমন্বয়ক জামাল আহমেদ খানের নেতৃত্বে মানবাধিকারকর্মী আনসার আহমেদ উল্লাহ ও সাংবাদিক রুমানা আফরোজ রাখীসহ প্রতিনিধি দল স্টাডি সার্কেলের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোজাম্মেল আলীর সই করা স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হস্তান্তর করেন।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে বাংলাদেশের ‘প্রাকৃতিক তন্তু’ সম্পর্কিত রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত
স্মারকলিপিটি গত ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশে সহিংসতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও একজন পুলিশ অফিসারের হত্যার ঘটনা বর্ণনা করে নির্বাচন ঘিরে স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী অপশক্তি সহিংসতার একটি প্রবণতার সর্বশেষতম।
এই উদ্বেগজনক ঘটনার আলোকে স্টাডি সার্কেল স্মারকলিপি এই চরমপন্থী সহিংসতা মোকাবিলা এবং ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বহুপাক্ষিক ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে।
ব্রিটেন ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে স্টাডি সার্কেল প্রতিনিধিদল আশা করে, প্রধানমন্ত্রী সুনাক উগ্রবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্রিটিশ ও বাংলাদেশি সরকার এবং সুশীল সমাজের মধ্যে যৌথ প্রচেষ্টার অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দেবেন।
আরও পড়ুন: নিবারণযোগ্য অন্ধত্ব প্রতিরোধে একসঙ্গে কাজ করবে চক্ষু চিকিৎসক সমিতি ও অরবিস ইন্টারন্যাশনাল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ন্যাশনাল ডিফেন্স ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের সাক্ষাৎ
৯২৭ দিন আগে
যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সরকারি সফরে লন্ডন পৌঁছেছেন।
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি লন্ডনের স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪৯ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৪টা ৪৯ মিনিট) হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
যুক্তরাষ্ট্রে ছয় দিনের সফর শেষে পাঁচ দিনের সফরে লন্ডনে যান প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সুনাকের সঙ্গে শুক্রবার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
লন্ডনে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা ৬ মে বাকিংহাম প্যালেসে আয়োজিত যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
৬ মে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে এটি অনুষ্ঠিত হবে এবং রাজা, যিনি রানি কনসোর্টের সঙ্গে মুকুট পরবেন। তিনি ১০৬৬ সাল থেকে সেখানে মুকুট পরা ৪০তম রাজা হবেন।
৫ মে বাকিংহাম প্যালেসে রাজা ও রানি কনসোর্টের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সম্পৃক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর উন্মুক্ততার প্রশংসা যুক্তরাষ্ট্রের
১১২৮ দিন আগে
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের ব্যাপক সহযোগিতা আরও গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমি: সারা কুক
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন যে তিনি দীর্ঘ ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘দৃঢ় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ‘ব্যাপক সহযোগিতা’ আরও গভীর করতে আগ্রহী।
রবিবার ঢাকায় এসে তিনি বলেন, ‘ব্রিটিশ হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে আসতে পেরে আমি আনন্দিত এবং গভীরভাবে সম্মানিত। তিনি রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসনের স্থলাভিষিক্ত হন।
বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে কুক বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের দৃঢ় সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন ও নিরাপত্তাসহ অনেক পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।
কুক এর আগে ২০১২-২০১৬ পর্যন্ত ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ডিএফআইডি)-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অতি সম্প্রতি, তিনি ফরেন, কমনওয়েলথ এবং ডেভেলপমেন্ট অফিসে (২০২০-২০২৩) দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া বিভাগের প্রধান এবং তানজানিয়ায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার (২০১৬-২০২০) ছিলেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচনের বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবেন: ডিকসন
কুক ২০০৫ সালে ডিএফআইডি -এ যোগদান করেন যেখানে তার ভূমিকায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ, দুর্নীতি বিরোধী এবং সহায়তার কার্যকারিতা সম্পর্কিত যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নীতি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তিনি আফ্রিকা সচিবালয়ের কমিশনের উপ-প্রধান এবং মন্ত্রিপরিষদ অফিসে প্রধানমন্ত্রীর কৌশল ইউনিটের উপ-পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন।
ইউকে সিভিল সার্ভিসে যোগদানের আগে কুক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে গায়ানায় কাজ করেছিলেন; বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসাবে সলোমন দ্বীপপুঞ্জে; এবং প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারস-এর একজন অর্থনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবেও কাজ করেছেন।
আরও পড়ুন: স্কলার ও তাদের দেশের জন্য স্কলারশিপ রূপান্তরমূলক অভিজ্ঞতা হতে পারে: রবার্ট ডিকসন
১১৩৩ দিন আগে