প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কাছে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় আটক ৩
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সীমানাপ্রাচীরের বিপরীতে আগারগাঁও বাইপাস সড়কের প্রবেশমুখে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় তিন সন্দেহভাজনকে আজ শনিবার আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়।
মোটরসাইকেলে করে জাহাঙ্গীর গেটের দিক থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকে আসা দুই যুবক আগারগাঁও বাইপাস সড়কের প্রবেশমুখে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করেন। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। খবর পেয়ে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবিস্ফোরিত ককটেলটি নিষ্ক্রিয় করে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান ইউএনবিকে বলেন, ঘটনার পর পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করেছে। জড়িতদের শনাক্ত করতে আরও ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলেও জানান উপ-কমিশনার।
এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেছে পুলিশ।
১৫ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন আবুল খায়ের
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ খান।
এজন্য তার চাকরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ন্যস্ত করে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
অপর প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বর্তমান মহাপরিচালক ড. আহমেদ উল্লাহকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আলাদা প্রজ্ঞাপনে যুগ্মসচিব মো. হুসাইন শওকতকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের পরিচালক পদ থেকে বদলি করে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের উপ রেজিস্ট্রার জেনারেল করা হয়েছে। তিনি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য পদে বদলির আদেশাধীন ছিলেন। এজন্য তার চাকরি স্থানীয় সরকার বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত যুগ্মসচিব মুহাম্মদ আশরাফ হোসেনকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য পদে বদলি করা হয়েছে। এজন্য তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
৩৯ দিন আগে
প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করছেন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তিনি তার কার্যালয়ে পৌঁছান।
এ সময় কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন তাকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী নিজের কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময় দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
তারেক রহমান কার্যালয়ের পুরনো অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নাম ধরে কাছে ডেকে কথা বলেন। এ সময় সংশ্লিষ্টরা কিছুক্ষণের জন্য ভুলে যান যে তারা দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এতো কাছাকাছি পেয়েছেন।
এদিকে কার্যালয় চত্বরে প্রধানমন্ত্রী একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা রোপণ করেন এবং আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
এরপর তিনি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ডাকটিকিট উন্মোচন করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ১৮ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দুই দিন তিনি সচিবালয়ে অফিস করেন।
২৪৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের হস্তক্ষেপ বদলে দিয়েছে একজন রিকশাচালকের জীবন
১৯৬৯ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে বাবাকে হারান হাবিবুর রহমান। তারপর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে কাজের সন্ধানে আসেন ঢাকায়।
বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সোনাহাটি ইউনিয়নের সোনাকান্দি গ্রামে।
বর্তমানে ৭৭ বছর বয়সী হাবিবুরের স্ত্রী ও চার মেয়েসহ ছয় সদস্যের পরিবার রয়েছে। সব মেয়েরই বিয়ে হয়ে গেছে। স্ত্রী থাকেন গ্রামের বাড়িতে।
পেশায় রিকশাচালক হাবিবুর রিকশা চালিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন। জীবনের এই পর্যায়ে এসেও এই ক্লান্তিকর কাজটি করা ছাড়া তার আর কোনো বিকল্প নেই।
আরও পড়ুন: রিকশাচালকদের স্যালাইন-পানি ও ছাতা বিতরণ করলেন ডিএনসিসি মেয়র
তার মেয়েদের পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থাও খুব খারাপ তাই তারা তাদের বাবাকে কোনো ভরণপোষণও দিতে পারে না।
বেশ কয়েকবার স্ট্রোক করায় শরীরের অবস্থাও ভালো নেই। কিন্তু চরম দারিদ্র্য বাধ্য করছে জীবনের ঘানি টানতে। ঠিকমতো কথাও বলতে পারেন না হাবিবুর।
এই বয়সে এসেও সরকারের কাছ থেকে কোনো ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির ভাতা পাচ্ছেন না হাবিব ও তার স্ত্রী।
এই ছিল হাবিবের মতো একজন সাধারণ মানুষের অতি সাদামাটা জীবন।
কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট তার জীবনকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে।
এখন এক টুকরো জমি ও একটি নতুন বাড়ির মালিক হবেন তিনি।
আরও পড়ুন: আশ্রয়ণ প্রকল্প: ‘এহন আমাগের দিন ঘুরতে শুরু করছে’
হাবিবুর রহমানের দুর্দশা নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) নজরে আসে।
গৃহহীন এই বৃদ্ধ রিকশাচালকের জন্য এক মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
হাবিবুর রহমানের জন্য তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে একটি ঘর নির্মাণ করে দিতে আশ্রয়ণ প্রকল্প কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
এছাড়াও গ্রামের বাড়িতে চালানোর জন্য তাকে একটি অটোরিকশা (ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার) দেওয়া হবে।
হাবিবুর রহমান বলেন, ঢাকায় থাকার জায়গা না থাকায় রাস্তায় ঘুমাতে হতো।
তিনি আরও জানান, এখন তিনি গ্রামের বাড়িতে রয়েছেন এবং তাকে একটি বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
তিনি বলেন, ‘আমি তাদের অনুরোধ করেছিলাম আমার উপার্জনের জন্য আমাকে একটি অটো দেওয়ার জন্য। তারা (পিএমও) আমাকে অটো দেওয়ার ব্যাপারেও আশ্বস্ত করেছে। আমার জীবন বদলে যাবে।’
আরও পড়ুন: ৩৩৩-তে সাহায্য চেয়ে রিকশাভ্যান পেলেন হাটহাজারীর প্রদীপ
৯০৯ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেওয়া তালিকা ধরে নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষণা করবে ইসি: বিএনপি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া তালিকা অনুযায়ী বিজয়ী ঘোষণা করতে শত কোটি টাকা নষ্ট করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জালিয়াতির নির্বাচন করতে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অভিযোগ করেন।
রবিবার থেকে শুরু হওয়া দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ সফল করতে দৃঢ় সংকল্প ও সাহসের সঙ্গে রাজপথে নামার জন্য বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।
রিজভী বলেন, '২০১৪ সালে অটোপাস নির্বাচন এবং ২০১৮ সালে রাতের ডাকাতির পর এবার আরেকটি জালিয়াতি হবে। নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন বা অফিস থেকে দেওয়া একটি তালিকানুযায়ী বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করবে।’
আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের নামে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে শত শত কোটি টাকা অপচয় করা হবে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, 'দেশের জনগণকে ফাঁকি দিয়ে সবচেয়ে নিখুঁত প্রতারণায় এটা করা হবে। গণভবন থেকে যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তা নির্বাচনের রাতেই পড়ে শোনানো হবে।’
তিনি বলেন, নির্বাচন এখন একটি কৌতুক, প্রহসন এবং ব্যবসার মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কারণ জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করার ক্ষমতা হারিয়েছে।
বিএনপি নেতা বলেন, আসন বণ্টনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সহানুভূতি, উপহার ও করুণায় জনপ্রতিনিধি তৈরি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন নিয়ে চিন্তা নেই: ইসি রাশেদা
রিজভী অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক নেতাদের কিংস পার্টিতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে এবং কম পরিচিত দলগুলো তাদের নগদ অর্থের প্রলোভন দিচ্ছে এবং রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তাদের এমপি করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কিন্তু, যাদের নীতি আছে এবং যারা আদর্শবাদী ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ, তাদের বোঝাতে পারেনি তারা।
তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও উৎসবমুখর পরিবেশের পরিবর্তে সারাদেশে ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লোকজন ছাড়া মানুষ এখন গ্রেপ্তারের ভয়ে পলাতক এবং অনেক গ্রাম মানুষহীন হয়ে পড়েছে।’ ‘তারা (আওয়ামী লীগ) ইতোমধ্যে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে হত্যাযজ্ঞ শুরু করেছে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতি রাতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ‘এভাবে মাফিয়া সরকার নির্বাচন করতে যাচ্ছে। কিন্তু নির্বাচনের নামে এই খেলা কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে বানচাল করা হবে।’
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে লুটপাট করে নতুন দল তৈরি করছে সরকার: রিজভী
বিএনপি ও এর সক্রিয় নেতাদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিচার বিভাগের মাধ্যমে বেছে বেছে 'মিথ্যা' মামলায় সাজা দেয়ার জন্য সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।
রিজভী বলেন, শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে বিএনপির ৩২৫ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে এবং সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় প্রশাসনের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো রবিবার সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে ৪৮ ঘণ্টার সড়ক-রেল-নৌপথ অবরোধ পালন করবে।
তিনি বলেন, 'আমি আশা করি গণতন্ত্রকামী জনগণ এবং বিরোধী দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা অবিচল ও সাহসিকতার সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে রাজপথে নেমে অবরোধ পালন করবেন।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে রাশিয়ার ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা বিএনপির: রিজভী
১০৬৫ দিন আগে
চার বছরের মধ্যে চামড়া রপ্তানি ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বিদ্যমান ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার থেকে আগামী ৩-৪ বছরে ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিবেশ তৈরি করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে।
শনিবার (৫ আগস্ট) সাভার চামড়া শিল্প নগরীর ট্যানারিসমূহ, সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট প্লান্ট (সিইটিপি) এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিবেশ কমপ্লায়েন্স ও লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) মানদণ্ড উন্নীতকরণ সংক্রান্ত একটি সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন।
শিল্প সচিব ও বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুটির ও শিল্প (বিসিক) চেয়ারম্যানসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতিসহ ট্যানারি মালিক ও চামড়াজাত পণ্য প্রস্তুতকারকদের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে মুখ্য সচিব বলেন, সাভার ট্যানারি এস্টেটে সিইটিপি সংশোধন ও মানোন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।
আরও পড়ুন: দাম নিয়ন্ত্রণে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
তিনি বলেন, ‘এখন চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে দেশের রপ্তানি আয় প্রায় ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আমরা যদি একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারি, তাহলে আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে এই খাত থেকে রপ্তানি আয় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করা কঠিন হবে না।’
সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে ২০২৭ সালের মধ্যে চামড়া খাত থেকে রপ্তানি আয় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তোফাজ্জেল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘এখানে এই পরিবেশ তৈরিতে সরকারি ও বেসরকারি খাত উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
কমপ্লায়েন্স একটি বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের চামড়া খাতকে সংশোধন ও আপগ্রেড করতে হবে।
আরও পড়ুন: অক্সিজেন ও করোনা রোগীদের শয্যা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশ
জনসমাগমে বিধিনিষেধসহ কোভিডের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৮-দফা নির্দেশনা
১১৭৭ দিন আগে
সৌদি প্রধানমন্ত্রী ২০২৩ সালে বাংলাদেশ সফর করবেন: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ ২০২৩ সালে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ গ্রহন করেছেন।
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিহাসে এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা হবে। বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সম্পর্ক সুসংহত হবে।
শনিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত এসা ইউসেফ এসা আল দুহাইলান এ কথা জানান।
আরও পড়ুন: দাম নিয়ন্ত্রণে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান জাহিদ তুষার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বৈঠকে সৌদি দূত প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্রাউন প্রিন্সের একটি আমন্ত্রণ গ্রহনপত্র হস্তান্তর করেন। ৩০ আগস্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে প্রস্তাবিত সফরে সম্মতি দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৯৮৫ সালের পর সৌদি ক্রাউন প্রিন্স আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজের ঢাকা সফরের পর এটিই হবে কোন সৌদি যুবরাজের প্রথম বাংলাদেশ সফর।
রাষ্ট্রদূত এসা ইউসেফকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘এই সফরটি উভয় দেশের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ হবে এবং কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সফরের তারিখ ও সময়সূচি ঠিক করা হবে।’
এখন দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সফরের বিস্তারিত ঠিক করবে।
দূত আশা করেন, সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের সফরের সময় বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে সমঝোতা স্মারক এবং চুক্তি সই হবে, যা দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে গভীরভাবে শক্তিশালী করবে।
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে বিশেষ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সৌদি যুবরাজের সফরের মাধ্যমে এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হবে।
জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশিদের হৃদয়ে সৌদি আরবের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। ‘আমাদের সম্পর্ক সময়ের সাথে উচ্চ থেকে উচ্চতর হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
শেখ হাসিনা সৌদি রাষ্ট্রদূতকে সৌদি আরবের বাদশাহ এবং দুই পবিত্র মসজিদের কাস্টডিয়ান সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাতে বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর-এট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ-ব্রুনাই দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সম্পন্ন
অক্সিজেন ও করোনা রোগীদের শয্যা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশ
১৪৩৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ-ব্রুনাই দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সম্পন্ন
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) বাংলাদেশ ও ব্রুনাইয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শেষে তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও একটি চুক্তি সই হয়েছে। রবিবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে শুরু হয়ে ৫টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এ আলোচনা চলে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের এবং অপরদিকে ব্রুনাইয়ের পক্ষে সুলতান হাজী হাসানাল বলকিয়াহ নেতৃত্ব দেন।
দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে আলোচনার পর তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও একটি চুক্তি সই হয়।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সুলতান পৌঁছালে টাইগার গেটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে স্বাগত জানান।
আলোচনার পর বাংলাদেশ ও ব্রুনাই দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর চুক্তিসহ তিনটি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন ব্রুনাই সুলতান
অন্য দুটি সহযোগিতার নথি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ ও দুই দেশের নাবিকদের সনদপত্রের স্বীকৃতি সংক্রান্ত।
প্রায় ১৫ হাজার বাংলাদেশি এখন তেল সমৃদ্ধ দেশ ব্রুনাইয়ে কাজ করছে।
শনিবার বিকালে বাংলাদেশে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে একটি বিশেষ ফ্লাইটে ব্রুনাইয়ের সুলতান ঢাকায় আসেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ২১ বন্দুকের স্যালুটের মধ্যে সুলতানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
আরও পড়ুন: ব্রুনাইয়ের জন্য বাংলাদেশ হতে পারে বিনিয়োগের উপযুক্ত জায়গা: বাণিজ্যমন্ত্রী
ব্রুনাই দারুসসালামের হাই কমিশনার হারিস বিন উসমান বলেন, ২০১৯ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রুনাইয়ের দারুসসালামে ঐতিহাসিক সফর করেন। যা এক নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়। সেসময় গ্যাস সরবরাহ, মৎস্য, কৃষি, পশুসম্পদ, যুব, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মতো খাতসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতার জন্য বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই করা হয়।
আরও পড়ুন: ব্রুনাইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়া ঢাকায় পৌঁছেছেন
১৪৭০ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা পেল প্রতিবন্ধী লিতুন জিরা
হাত পা ছাড়া জন্ম নেয়া যশোরের প্রতিবন্ধী লিতুন জিরার পড়াশোনা ও চিকিৎসার জন্য পাঁচ লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে থেকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মকবুল হোসেন লিতুন পরিবারের কাছে চেক হস্তান্তর করেন।
চিকিৎসা আর পড়াশুনার জন্য অর্থ পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায় লিতুন জিরার পরিবার।
এর আগে গত ৩ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা পোষণ করে চিঠি লিখেন লিতুন জিরা। সেই চিঠি পেয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লিতুনের খোঁজ খবর নেয়। সোমবার (২১ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে প্রবেশের অনুমিত ও পাঁচ লাখ টাকার অর্থসহায়তা পাওয়ার বিষয়ে একটি চিঠি পায় লিতুন।
আরও পড়ুন: শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষা ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে
চেক গ্রহণকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম।
এব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা সবসময় উপজেলা প্রশাসন লিতুন জিরার খোঁজ খবর রেখেছি। আমাদের প্রতিবন্ধী বান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় প্রতিবন্ধীদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছেন। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিতুনের পরিবারের হাতে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে লিতুনের মতো অদম্য মেধাবীরা হাজারও মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার শেখপাড়া খানপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান ও জাহানারা বেগম দম্পতির মেয়ে লিতুন জিরা। দুই ভাইবোনের মধ্যে ছোট লিতুন। বাবা হাবিবুর রহমান ওই উপজেলার এ আর মহিলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হিসেবে ১৮ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। মা জাহানারা বেগম গৃহিণী। জন্ম থেকেই লিতুনের দুটি পা ও দুই হাত নেই। তবু লেখাপড়ার চালিয়ে নিচ্ছে সে। এবার উপজেলার গোপালপর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জেএসসি পরীক্ষার্থী। এর আগে ২০২০ সালের খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ায় বৃত্তি পায় লিতুন জিরা। পড়াশুনার পাশাপাশি লিতুন টানা দ্বিতীয়বারের মতো রচনা প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায় পুরস্কার লাভ করে। এছাড়াও আবৃত্তি, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় নিজের পারদর্শিতা দেখানোর পাশাপাশি খুলনা বেতারেও নিয়মিত গান ও কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নিচ্ছে।
আরও পড়ুন: পাঁচ প্রতিবন্ধী সদস্য নিয়ে এক হতদরিদ্র পরিবারের করুণ কাহিনী
আর্থিক সহায়তা পেয়ে খুশি লিতুন জিরা বলে, আমার স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়ার। সেই স্বপ্ন পূরণে আমি ও আমার পরিবার সংগ্রাম করে যাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লিতুন জিরার বাবা হাবিবুর রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী বান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু লিতুন জিরার পাশে রয়েছে তা কিন্তু না। দেশের সকল প্রতিবন্ধীদের প্রতি তিনি সবসময় সদয়।
১৬৬৬ দিন আগে
করোনায় একদিনে আরও ১৯৯ প্রাণহানি, শনাক্ত ১১৬৫১
সারাদেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৯৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যা একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে বুধবার আগের ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২০১ জন। এনিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ হাজার ৭৯২ জনে।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, একদিনে আরও ১১ হাজার ৬৫১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এনিয়ে মোট শনাক্ত ৯ লাখ ৮৯ হাজার ২১৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৮৫০টি। শনাক্তের হার ৩১.৬২ শতাংশ। মৃতদের মধ্যে ১৩৩ জন পুরুষ এবং ৬৬ জন নারী।
আরও পড়ুন: অক্সিজেন ও করোনা রোগীদের শয্যা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশ
নতুন করে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৮৪৪ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩৪৬ জন। সুস্থতার হার ৮৬.৫৭ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১.৬০ শতাংশ।
অক্সিজেন ও করোনা রোগীদের শয্যা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশ
এদিকে, সারাদেশের হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ এবং করোনা রোগীদের শয্যা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও)।
বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবরোধে জণগনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জরুরি করণীয় ও চলমান কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সকল বিভাগ ও জেলার সাথে ভিডিও কনফরেন্সিংয়ের মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।
আরও পড়ুন: কোভিড-১৯: খুলনা বিভাগে একদিনে মৃত্যু ৫১
প্রধানমন্ত্রী মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস কোভিড-১৯ এর উপসর্গযুক্ত ব্যক্তিদের অবশ্যই ঘরে থাকার এবং প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক আইসোলেশন নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
বিশ্ব পরিস্থিতি
বিশ্বব্যাপী প্রতিদিনই মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনস্ হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৪০ লাখ ৬৪১ জন।
এছাড়া একই সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ কোটি ৫০ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট ৩৩২ কোটি ২০ লাখ ২৮ হাজার ৮২৬ ডোজ করোনার টিকা প্রদান করা হয়েছে।
করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ আমেরিকায় এখন পর্যন্ত মোট শনাক্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৬৯ হাজার ৮২৯ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছে ৬ লাখ ৬ হাজার ২১৫ জন।
আরও পড়ুন: বিশ্বে করোনায় মোট মৃত্যু ৪০ লাখ ছাড়াল
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ২৮ হাজার ৫৪০ জনে। দেশটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ কোটি ৮৯ লাখ ৯ হাজার ৩৭ জন। মৃত্যুর দিক দিয়ে দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়।
এদিকে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬৫ জন। একই সময়ে মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৪ হাজার ২১১ জনে।
১৯৩৫ দিন আগে