খেলাধুলা
কুমারখালীর একমাত্র খেলার মাঠ এখন জলাভূমি, হারিয়ে যাচ্ছে খেলাধুলার পরিবেশ
একটা সময় সকাল-বিকেল মুখর থাকত কুমারখালী উপজেলা পরিষদের একমাত্র খেলার মাঠটি। শোনা যেত বুটের শব্দ। ফুটবল, ক্রিকেট আর ভলিবলের উত্তেজনায় সারা বছর সরগরম থাকত মাঠ। ব্যায়ামপ্রেমীদেরও নিয়মিত আনাগোনা ছিল। ঈদ এলে এখানেই অনুষ্ঠিত হতো উপজেলার সবচেয়ে বড় জামাত। সরকারি সভা-সেমিনার থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সবকিছুরই প্রাণকেন্দ্র ছিল মাঠটি।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। এখন মাঠে নেই খেলার বল, নেই খেলোয়াড়দের ছোটাছুটি। আছে পানি, কচুরিপানা আর হাঁটুসমান আগাছা। বছরের প্রায় আট মাসই থাকে জলাবদ্ধতা। পানিতে ডুবে আছে ঈদগাহের মিনার। মাঠজুড়ে ঘুরে বেড়ায় গরু-ছাগল। আর মাঠের পাশের সড়কে বসে তরুণরা মোবাইল ফোনে গেম খেলে সময় পার করেন। এভাবেই ধীরে ধীরে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী এই খেলার মাঠটি।
উপজেলা পরিষদ থেকে প্রায় ৩০০ মিটার উত্তরে দুর্গাপুর এলাকায় মাঠটির অবস্থান। এর এক পাশে দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, অন্য পাশে কুমারখালী আদর্শ মহিলা বিদ্যালয় ও আবুল হোসেন তরুণ অডিটোরিয়াম।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠটির পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেন নেই। আশপাশে অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ ও পুকুর খননের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ। ফলে প্রতি বর্ষায় মাঠটি তলিয়ে যায়। বর্ষা শেষ হলেও মাঠ থেকে পানি সরতে সময় লাগে আরও কয়েক মাস। এ কারণে বছরের বড় একটি সময় মাঠটি খেলাধুলার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠের বুকজুড়ে স্থির পানি। কোথাও কোথাও পানির ওপর কচুরিপানায় ফুটে আছে সাদা-বেগুনি রঙয়ের ফুল। মাঠের বিভিন্ন অংশে বড় বড় দুর্বা ঘাস ও আগাছার জঙ্গল। কেউ কেউ গবাদিপশুর জন্য সেখান থেকে ঘাস কাটছেন। মাঠের এক কোণে নানা বয়সী কয়েকজনকে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা যায়।
১২ দিন আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট ম্যাচ জয়ের ঐতিহাসিক সাফল্যে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (১৬ আগস্ট) ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে স্মরণীয় এই জয় তুলে নেয় টাইগাররা।
দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেই এই সাফল্য অর্জন করল বাংলাদেশ।
টাইগার দল যখন এই ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে, তখন কিশোরগঞ্জের পথে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন এবং ঐতিহাসিক জয়ের জন্য তাদের অভিনন্দন জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ থেকেও দলের খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তাদের মাটিতে বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক জয় দেশের ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। দলের খেলোয়াড়দের দৃঢ় মনোবল, আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা ও দলগত প্রচেষ্টার ফলেই এই অসাধারণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান।
একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, পরের টেস্টেও বাংলাদেশ ভালো খেলবে এবং সিরিজ জয়ের এই সম্ভাবনাকে সাফল্যে রূপ দেবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার টেস্ট র্যাংকিংয়ের এক নম্বর দল অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
১৮ দিন আগে
চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হবে খেলাধুলা, থাকবে লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, আগামী বছর থেকে জাতীয় শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হবে। এ বিষয়ে পৃথক পাঠ্যপুস্তক অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মাঠে ব্যবহারিক পরীক্ষারও ব্যবস্থা থাকবে। একই সঙ্গে বিতর্ক, কোরআন তেলাওয়াত, সংগীত, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে শিক্ষার অংশ করা হবে।
সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর রূপনগর আবাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু বইভিত্তিক পড়াশোনার ওপর নির্ভর না করে শিক্ষাকে আনন্দময় করে তুলতে সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ের মাধ্যমে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে যেখানে পড়াশোনা ভয়ের বিষয় না হয়ে আনন্দের বিষয় হয়ে উঠবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল একটি আনন্দময় শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা। সেই লক্ষ্যেই জাতীয় শিক্ষাক্রমে খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। খেলাধুলার ওপর লিখিত পরীক্ষা থাকবে, পাশাপাশি মাঠে ব্যবহারিক পরীক্ষাও নেওয়া হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশু-কিশোরদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। খেলাধুলার মাধ্যমে তারা মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইসের অতিরিক্ত আসক্তি থেকে দূরে থাকবে। একই সঙ্গে মাদকসহ নানা সামাজিক অপরাধ থেকেও তাদের দূরে রাখা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, রাজধানীসহ সারা দেশে খেলার মাঠের সংকট দূর করতে সরকার ইতোমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় যেখানে খালি সরকারি জমি থাকবে, সেখানে শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও কাজ করছে।
শিক্ষকদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, ‘প্রতিদিনের পাঠদানের শুরুতে অন্তত পাঁচ মিনিট নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করুন। একজন শিক্ষার্থী বড় ডিগ্রি অর্জন করলেও যদি তার মধ্যে সততা, মানবিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ না থাকে, তবে সেই শিক্ষার প্রকৃত মূল্য থাকে না।’
তিনি বলেন, বর্তমান সমাজে পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। তাই শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সন্তানদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো উসকানিতে বিভ্রান্ত হবে না। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই বাবা-মা ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করবে। তোমরাই আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই ভুল পথে পরিচালিত না হয়ে জ্ঞান, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার বাজেট বরাদ্দ করেছে। এই বরাদ্দ যেন প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর কল্যাণে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, সে লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উম্মে সালমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা-১৪ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক, ক্রীড়াবিদ ও শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ মইনুল হক এবং বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি ইসহাক হোসেন।
৪৫ দিন আগে
ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ম্যাচে দারুণ লড়াই হবে: ব্রিটিশ হাইকমিশনার
ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ম্যাচে ‘দারুণ এক লড়াই হবে’ মন্তব্য করে বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, মানুষের মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলার এক ‘অসাধারণ ক্ষমতা’ রয়েছে ফুটবলের, যা বাংলাদেশে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ইউএনবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ‘দুই দলই খুবই শক্তিশালী এবং তাদের দলে কিংবদন্তি খেলোয়াড় রয়েছেন। ইংল্যান্ডে হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহামের মতো তারকা আছেন, আর আর্জেন্টিনায় আছেন লিওনেল মেসি। মাঠে এত প্রতিভাবান খেলোয়াড় থাকায় আমি নিশ্চিত, এটি দারুণ এক ফুটবল ম্যাচ হবে।’
আন্তর্জাতিক ফুটবলের অন্যতম ঐতিহাসিক এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন অধ্যায় শুরু হবে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা স্টেডিয়ামে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য ইংল্যান্ডের।
এ সময় ফুটবল নিয়ে বাংলাদেশে মানুষের উন্মাদনার প্রশংসা করে সারাহ কুক বলেন, ‘এখানে ফুটবলের প্রতি মানুষের আবেগ অবিশ্বাস্য।’
তিনি বলেন, ‘বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে বসে খেলা দেখা, প্রিয় দলকে সমর্থন করা কিংবা একসঙ্গে খেলাটি উদযাপন করা—ফুটবল এমন এক বন্ধন তৈরি করে, যা সীমান্তের গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়।’
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ‘এ কারণেই ফুটবল যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বছর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের খেলা সত্যিই দারুণ ব্যাপার।
তিনি বলেন, ‘আমি জানি, বাংলাদেশের অনেক মানুষ আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করবেন। তবে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় যত ইংল্যান্ডের পতাকা দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে, এখানে ইংল্যান্ডের সমর্থকও কম নন। একটি অসাধারণ ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’
ইংল্যান্ডকে সমর্থন করা বাংলাদেশিদের ধন্যবাদ জানিয়ে সারাহ কুক বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে সমর্থন করার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের সমর্থন আমরা সত্যিই মূল্যায়ন করি।’
তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া উৎসাহ দলটির জন্য অনেক বড় প্রেরণা। বাংলাদেশেও এত মানুষ ইংল্যান্ডের সমর্থন করেন, তা দেখে তিনি আনন্দিত।
খেলার ফল নিয়ে অনুমান করতে এক প্রশ্নের জবাবে সারাহ কুক বলেন, ‘আমি আগেভাগে কিছু বলতে চাই না। তবে ইংল্যান্ড যদি ফাইনালে ওঠে, তাহলে নিশ্চয়ই অনেক উদযাপন হবে। আমরা সবাই আশা করছি, এ বছর ফুটবল ঘরে ফিরবে।’
৫১ দিন আগে
সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী
অন্যান্য পেশার মতো খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকেও একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে লালমনিরহাটের সদর উপজেলার বড়বাড়ী শহিদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বৈশাখী মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরিতে ‘নতুন কুঁড়ি’ খেলোয়াড় সংগ্রহের একটি কর্মসূচি সারা দেশে চালু করেছে সরকার। এর মাধ্যমে প্রতিভাবান তরুণদের খুঁজে বের করে তাদের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নের সুযোগ দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে তরুণরা খেলাকেই জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, বিদেশি আগ্রাসনে সংস্কৃতির মতো গ্রামীণ খেলাধুলাও হারিয়ে যেতে বসেছে। প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে মাঠে ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সে লক্ষ্যেই শুধু খেলাধুলা নয়, গ্রামবাংলার সংস্কৃতিও পুনরুজ্জীবিত করতে প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সরকার।
তিনি আরও বলেন, হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
দুই দিনব্যাপী এ বৈশাখী উৎসবের প্রথম দিনে বিলুপ্তির পথে হারাতে বসা বিভিন্ন ধরনের গ্রামীণ খেলাধুলার প্রতিযোগিতা, ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক প্রমুখ।
১৩১ দিন আগে
চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
সংসদে রবিবার চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই উদ্যোগটি ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ। প্রাথমিকভাবে সাতটি খেলাধুলা দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন খেলা এতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চায় সরকার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো এবং মাঠে শারীরিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।’
এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী
তিনি আরও জানান, তরুণদের খেলাধুলায় ব্যস্ত রাখার মাধ্যমে একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব হবে।
পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় খেলার মাঠ উন্নয়ন করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
১৫৮ দিন আগে
সুস্থ সমাজ গঠনে খেলাধুলা করতে হবে: ডিএনসিসি মেয়র
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গঠনে ও সুস্থতার জন্য খেলাধুলা করতে হবে, ব্যায়াম করতে হবে। এছাড়া সাইক্লিং অতি উত্তম শরীর চর্চা।
আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, মাসে দুই দিন সাইকেল চালানোর জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় রাস্তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে।
শনিবার (৮ জুন) সকাল ৮টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে থেকে গুলশান-২ গোলচতত্ত্বর পর্যন্ত সাইকেল র্যালি পেডাল ফর প্ল্যানেট এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ডিএনসিসি মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ
তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নানাভাবে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিভিন্ন যানবাহনের কারণে কার্বন নিঃসরণ বাড়ছে। কিন্তু সাইকেল এমন একটি পরিবেশবান্ধব যান যেটি কোনো কার্বন নিঃসরণ করে না। তাই সাইকেল চালানোকে উৎসাহিত করছি।
মেয়র বলেন, আমরা সাইকেল লেন করে দেব। যদিও সাইকেল লেন করে দিলেও দেখা যায় দখলদাররা সেখানে দখল করে ফেলে। স্বেচ্ছাসেবক ও যুবসমাজকে নিয়ে এ ধরনের দখলদারদের প্রতিহত করব।
এসময় মেয়র আরও বলেন, পার্ক ও মাঠগুলো আমাদের রক্ষা করতে হবে। ফার্মগেটের আনোয়ারা পার্কে শপিং মল করতে দেওয়া হবে না। সেখানে পার্কই থাকবে। মানুষ এ পার্কে হাঁটবে, শরীর চর্চা করবে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগো ফাউন্ডেশন এবং ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ যৌথভাবে এ র্যালি আয়োজন করে। র্যালিটির লক্ষ্য ছিল কার্বন নির্গমন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো।
সকাল ৮টায় জাতীয় সংসদ ভবন থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে বিজয় সরণি, মহাখালী ও বনানী হয়ে গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বর গিয়ে শেষ হয়। ৩৫০ জন সাইক্লিস্ট এতে অংশ নেন।
অংশগ্রহণকারী সাইক্লিস্টদের উৎসাহ দিতে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম নিজে র্যালিতে অংশ নেন। তিনিও সাইকেল চালিয়ে জাতীয় সংসদ ভবন থেকে গুলশান-২ গোলচত্বর পর্যন্ত যান।
র্যালিতে অন্যান্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক করভি রাখসান্দ।
আরও পড়ুন: ডিএনসিসি মেয়র ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলামের শপথ গ্রহণ
৮১৬ দিন আগে
শিশুদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে সুযোগ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির
শিশুরা যাতে খেলাধুলায় নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পারে, সেই সুযোগ তৈরি করতে জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে শিল্পকলা একাডেমিতে স্মার্ট চিলড্রেন কার্নিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
খেলা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও দলগতভাবে গল্প বলা এবং অন্যান্য রাইড উপভোগের মাধ্যমে সারাদেশের শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে আইসিটি বিভাগ এই ইভেন্টের আয়োজন করে।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি বলেন, এই আয়োজন শিশুদের একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি খেলাধুলা, নতুন প্রযুক্তিসহ আরও অনেক কিছুর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ দেবে।
তিনি বলেন, ‘যদিও এখন খেলাধুলার সুযোগ সীমিত তবুও আমাদের যতটা সম্ভব সেই সুযোগ তৈরি করা উচিত।’
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০৪১ সালের মধ্যে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
শিশুদের স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলারও আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকুন: রাষ্ট্রপতি
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, আইসিটি বিভাগের সচিব মো. শামসুল আরেফিন এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক রণজিৎ কুমার।
এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্মার্ট চিলড্রেন কার্নিভালের বিভিন্ন প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
উদ্ভাবনী, সৃজনশীল, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, মানবিক গুণাবলী ও দেশপ্রেমে সজ্জিত ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো ‘স্মার্ট চিলড্রেন কার্নিভাল’ নামে চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক মানের শিশু উৎসব শুরু হয়েছে।
শিশুরা যাতে গেম খেলার মাধ্যমে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, নীতি, নৈতিকতা ও সংস্কৃতি শিখতে পারে সেজন্য www.sheikhhasina.gov.bd নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে।
আরও পড়ুুন: তথ্য কমিশনকে আরটিআই আইন বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির
১০৭২ দিন আগে
খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে পৃষ্ঠপোষকতা দিতে বেসরকারি খাতের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খেলাধুলা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি সংস্কৃতি চর্চা ও খেলাধুলার উন্নয়নে সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।’
শনিবার (৫ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শহীদ শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, দেশের ছেলে-মেয়েরা যাতে খেলাধুলায় আরও আগ্রহী হতে পারে তাই প্রতি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে শেখ কামালের অবদান জাতি চিরকাল মনে রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কামাল ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন ও হকির মতো বিভিন্ন খেলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ১০ ব্যক্তি ও ২ সংগঠনকে শেখ কামাল ক্রীড়া পুরস্কার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, দেশের ফুটবল খেলার উৎকর্ষ সাধনে শেখ কামাল বিশেষভাবে অবদান রেখেছেন।
শেখ হাসিনা জানান, তার ভাই কামাল বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন।
কামাল স্পন্দন ব্যান্ড দল গঠন করেছিলেন উল্লেখ করে তিনি জানান, তার ভাই ইলেকট্রিক অর্গানের মতো আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন লোকগানকে জনপ্রিয় করেছেন।
কামালের অভিনয় দক্ষতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি নাটকেও ভালো অভিনয় করতেন।
কামালের সাংগঠনিক দক্ষতা অত্যন্ত শক্তিশালী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘তবে তার নেতা হওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিল না।’
ছোটবেলা থেকেই শেখ কামাল দায়িত্ববোধসম্পন্ন মানুষ ছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তার ভাই বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, আজ শেখ কামাল বেঁচে থাকলে হয়তো আমাকে এত বড় দায়িত্ব নিতে হতো না!
তিনি বলেন, স্থানীয় খেলোয়াড়রা সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও এগিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশের জন্য গৌরব ও সুনাম বয়ে আনছে।
আরও পড়ুন: শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ ডাকটিকিট প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বেসরকারি খাত পাশে থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, তার সরকার অন্যান্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করে স্থানীয় ক্রীড়াকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বেসরকারি খাতকে স্থানীয় প্রতিভার সন্ধান করতে এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করতে বলেন।
তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখবেন এরাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং দেশের গৌরব ও সুনাম বৃদ্ধি করবে।’
এসময় ‘শেখ কামাল: ক্ষণজন্মা এক নক্ষত্র’ শিরোনামের একটি বইয়ের মোড়কও উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে তিনি ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া বৃত্তি’ বিতরণ করেন।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন এই বৃত্তি দিচ্ছে।
মোট ৫০০ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পেয়েছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বার্ষিক ১২ হাজার টাকা, অর্থাৎ প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা এবং একাদশ শ্রেণি থেকে অনার্স স্তরের শিক্ষার্থীরা বার্ষিক ২৪ হাজার টাকা, অর্থাৎ প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা পাচ্ছে।
আরও পড়ুন: দক্ষ প্রযুক্তি-সচেতন জনশক্তি গড়ে তুলুন: স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্সকে প্রধানমন্ত্রী
একই অনুষ্ঠানে তিনি ক্রীড়াঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ জন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এবং দুটি প্রতিষ্ঠানকে মর্যাদাপূর্ণ শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) পুরস্কার-২০২৩ তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া সচিব মহিউদ্দিন আহমেদ।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড় ও বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের প্রথম অধিনায়ক আবদুস সাদেক এবং নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।
মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব।
অনুষ্ঠানে শহীদ শেখ কামালের জীবনের উপর নির্মিত একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।
১১২৫ দিন আগে
যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে: স্কুলশিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে মনোযোগ দিয়ে দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা হল শরীরচর্চার মাধ্যম। খেলাধুলা মানসিক শক্তি বাড়ায় এবং মনকে আরও উদার করে তোলে… এছাড়া খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনায়ও মনোযোগ দিতে হবে। একটি স্বাধীন দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে তোমাদের নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।
আরও পড়ুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে উদ্ভূত রপ্তানি সুযোগ কাজে লাগান: প্রধানমন্ত্রী
মঙ্গলবার রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাইমারি স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২২ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাইমারি স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২২-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশের শিশুরা পড়াশোনা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভালো পারফরম্যান্স করবে।
তিনি আরও আশা করেন যে তারা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়ে দেশের জন্য মর্যাদা বয়ে আনবে।
তিনি বলেন, আজকে আমরা দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলেছি। তবে আমরা আগামীতে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব। তোমরা হবে স্মার্ট বাংলাদেশের মূল শক্তি।
শেখ হাসিনা বলেন, ছোট শিশুদের সবসময় সুশৃঙ্খল জীবন বজায় রাখতে হবে, শিক্ষক ও অভিভাবকদের কথা শুনে চলতে হবে, তাদের সমবয়সীদের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করতে হবে এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও প্রতিবন্ধী মানুষের সঙ্গে ভাল আচরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, তোমাদের সবাইকে মানবিক গুণ নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী দেশে আন্তঃবিদ্যালয়, আন্তঃ-উপজেলা ও আন্তঃজেলা, আন্তঃকলেজ ও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার মত বৃহত্তর ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তিনি একই সঙ্গে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চা, গল্পের বই পড়া, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বইয়ের ওপর জোর দেন।
আরও পড়ুন: চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত সকলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে বাংলাদেশ: সিএনএনকে প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, তোমাদেরকে সবদিক থেকে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। এখন থেকে মনে রাখবে যে তোমরা সবচেয়ে যোগ্য হবে এবং নিজেদেরকে সবচেয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিভাগের নলমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ঘাটাইল, টাঙ্গাইল) এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বাঞ্ছারামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) মধ্যে অনুষ্ঠিত খেলার গ্র্যান্ড ফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধ উপভোগ করেন।
বাঞ্ছারামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলায় নলমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ-২০২২ এর শিরোপা জিতেছে।
রংপুর বিভাগের পূর্ব পঞ্চপুকুর প্রাথমিক সরকারি বিদ্যালয় (নীলফামারী সদর) জমকালো ফাইনাল খেলায় ঢাকা বিভাগের বিনোদপুর কলেজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে (রাজবাড়ী সদর) হারিয়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ-২০২২ এর শিরোপা জিতেছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত দেশব্যাপী টুর্নামেন্ট-২০২২-এ ৬৫ হাজার ৫২৯টি বিদ্যালয়ের মোট ১১ লাখ ১৩ হাজার ৯৯৩ জন ছেলে এবং ৬৫ হাজার ৫২৮টি বিদ্যালয়ের ১১ লাখ ১৩ হাজার ৯৭৬টি মেয়ে অংশগ্রহণ করে।
প্রধানমন্ত্রী দুইটি টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের সদস্যদের মধ্যে পুরস্কার ও পদক বিতরণ করেন।
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ স্কোরার (৪ গোল) জাহিম এবং সেরা খেলোয়াড় মনিরুল ইসলাম, উভয়েই পূর্ব পঞ্চপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের, তারা দুজনেই প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে প্রাইজমানির পাশাপাশি গোল্ডেন বুট ও গোল্ডেন বল পান।
বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ স্কোরার বাঞ্ছারামপুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নুর নাহার আক্তার এবং নলমা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুমি শেখ হাসিনার কাছ থেকে প্রাইজমানিসহ যথাক্রমে গোল্ডেন বুট ও গোল্ডেন বল পান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহমেদ।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি স্থাপন গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা: প্রধানমন্ত্রী
১২৬১ দিন আগে