রাজনীতি
আওয়ামী লীগকে দেশের মানুষ আর কোনোদিন রাজনীতি করতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বৈরাচার ও গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে দেশের মানুষ আর কোনোদিন রাজনীতি করতে দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী এ বিপ্লবে ১ হাজার ৪০০ মানুষ শহিদ হয়েছেন। তাছাড়া বিগত ১৬-১৭ বছরের দীর্ঘ শাসনামলে অসংখ্য মানুষ গুম, খুন ও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। এসব ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়েই দেশ আজ ফ্যাসিবাদমুক্ত।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো কোনো রাজনৈতিক দল নিজেদের ইসলামী দল হিসেবে পরিচয় দিলেও নির্বাচনি ইশতেহারে ইসলামী শাসনব্যবস্থা বা শরিয়াভিত্তিক আইন প্রতিষ্ঠার কথা নেই।
তিনি বলেন, মুখে এক কথা বললেও এসব দলের দলিল-প্রমাণ ভিন্ন কথা বলে। ধর্মের নাম ব্যবহার করে রাজনীতি করে তারা দেশে বিভক্তি সৃষ্টি করছে।
নিজেদের ইসলামী আদর্শের দল দাবি করা রাজনৈতিক দলগুলোর দলীয় মনোগ্রাম থেকে ‘আকিমুদ্দীন’ শব্দটি বাদ দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ তুলে ধরে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিএনপি ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাস করে। সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযোজন করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চায় তার দল।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলের সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ থেকে ১৭ বছরের শাসনামলে আলেম-ওলামাসহ দেশের মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শাপলা চত্বরের ঘটনায় বহু মানুষ শহিদ হয়েছেন। তাদের সবার নাম ও কবরের ঠিকানা এখনও জানা যায়নি।
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ওই গণঅভ্যুত্থানে ১ হাজার ৪০০ মানুষ শহিদ হয়েছেন। এর আগে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে প্রায় ৩ হাজার মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। বিভিন্নভাবে হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন প্রায় ৭ হাজার মানুষ। এ ছাড়া লাখ লাখ মানুষ হামলা, মামলা ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণহত্যায় জড়িত ব্যক্তিরা দুঃখ প্রকাশ ও অনুশোচনা না করা পর্যন্ত দেশের মানুষ তাদের রাজনীতিতে ফিরতে দেবে না। গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে দিল্লিতে অবস্থান করা শেখ হাসিনাও বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের অস্থিরতা তৈরির পেছনে ফ্যাসিবাদী শক্তির হাত রয়েছে। সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা যেতে পারে, তবে দেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা করা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে। সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনঃস্থাপন করা হবে।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, রপ্তানি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একইসঙ্গে আলেম-ওলামা ও কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগরী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন, সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, সরওয়ার আলমগীর ও হুম্মাম কাদের চৌধুরীসহ অন্যরা।
১ দিন আগে
চেতনা বিক্রির রাজনীতি দিয়ে আর বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৭ বছরের ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং শত-সহস্র শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিজয় কোনো একক গোষ্ঠীর চেতনা বিক্রির হাতিয়ার হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে উসকানিমূলক ফাঁদে পা না দিয়ে গণতান্ত্রিক চর্চা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রকাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল এবং ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক ও ইউট্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ১৭ বছরের ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং শত-সহস্র শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বিজয় কোনো একক গোষ্ঠীর চেতনা বিক্রির হাতিয়ার হতে পারে না। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে উসকানিমূলক ফাঁদে পা না দিয়ে গণতান্ত্রিক চর্চা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রকাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের অধীনে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছিল, তা ছিল দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের আরাধনার ফল।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের জুলুম-নির্যাতন, গুম-খুন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতন ঘটেছে। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার রাজনীতির মৃত্যু হয়েছে ঢাকায় আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে। ফলে চেতনা বিক্রির রাজনীতি দিয়ে আর বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।
৯১ দিন আগে
রাজনীতি করতে গিয়ে যেন দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন না ঘটে, চিকিৎসকদের প্রধানমন্ত্রী
চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন না ঘটায় বা বিঘ্ন ঘটার কারণ না হয়। প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে নিজেদের গুনগত মান বজায় রাখতে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদের এলডি ভবনে বিএনপির সহযোগী সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেহেতু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রায় সকল কাজকেই প্রভাবিত করে, সেহেতু শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা পেশাজীবী—সবাই যার যার মতাদর্শ অনুসারে রাজনৈতিকভাবে সুসংগঠিত থাকবেন বা সচেতন থাকবেন, এটা কোনো অযৌক্তিক বিষয় নয়।’
তিনি বলেন, ‘তবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন না ঘটায় বা বিঘ্ন ঘটার কারণ না হয়, সেটি হচ্ছে মোস্ট ইম্পর্টেন্ট (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)। এই ব্যাপারে এখানে উপস্থিত ড্যাবের সকল চিকিৎসককে আমি সতর্ক থাকার জন্য আহ্বান জানাব।’
তারেক রহমান বলেন, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন এখন প্রতিটি সেক্টরে এবং সামগ্রিকভাবে সমগ্র বাংলাদেশে সময়ের একটি কঠিন দাবি বা ‘স্ট্রং ডিমান্ড’ হয়ে উঠেছে।
তার কথায়, ‘প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন খুব সম্ভবত প্রতিটি সেক্টরে সামগ্রিকভাবে সমগ্র বাংলাদেশে এখন সময়ের একটি কঠিন দাবি বা খুব স্ট্রং ডিমান্ড, এটা আমরা সকলেই সেটি অনুভব করতে পারি, বিশেষ করে ৫ই আগস্টের পর থেকে।’
রোগ প্রতিরোধে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর’, অর্থ্যাৎ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। তিনি বলেন, মানুষকে শুরুতেই রোগের উৎপত্তির কারণ এবং প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন করা গেলে অনেক রোগেরই নিরাময় করা সম্ভব।
‘বর্তমান সরকার মনে করে, মানুষকে যদি শুরুতেই রোগের উৎপত্তির কারণ এবং প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন করা যায়, তাহলে খুব সম্ভবত সহজেই রোগের, অনেক রোগেরই নিরাময় করা সম্ভব। এই প্র্যাকটিসটি ইউরোপে এখন ধীরে ধীরে শুরু হয়েছে।’
৯১ দিন আগে
এনসিপি নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে ‘নতুন ভণ্ডবস্তের’ রাজনীতি শুরু করেছে: রাশেদ খান
এনসিপি বাংলাদেশে নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতির কথা বলে আসলে ‘নতুন ভণ্ডবস্তের’ রাজনীতি শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, এনসিপি বাংলাদেশে নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতির কথা বলে আসলে ‘নতুন ভণ্ডবস্তের’ রাজনীতি শুরু করেছে।
তিনি বলেন, এনসিপির রাজনীতি এখন জামায়াতের পরামর্শে ও মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তিনি জামায়াতকে একটি ‘চালাক ও ধুরন্ধর দল’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং এনসিপিকে গঠনমূলক রাজনীতি করার পরামর্শ দেন।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি চিরতরে শেষ হয়ে গেছে এবং তা দিল্লিতে দাফন হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি না যে, আওয়ামী লীগ আর কখনও দেশের রাজনীতিতে ফিরতে পারবে।
এ সময় এনসিপির কিছু নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছেন বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্যান্য নেতারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এমপি ও মন্ত্রীদের গালিগালাজ করছেন। রাশেদ খান সতর্ক করে বলেন, এনসিপির নেতারা যদি রাজনীতির পরিবেশ নষ্ট করেন, তাহলে তার ‘উত্তম জবাব’ এবং জামায়াত-এনসিপির সব ষড়যন্ত্রের ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দেওয়ার জন্য তারা প্রস্তুত আছেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রতিহিংসার রাজনীতি করেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন এবং দেশটা সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে গড়ার কথা বলছেন।
এর আগে, রাশেদ খান জেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক এমএ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা ও সুধীজনরা। সভায় রাশেদ খান জেলার সার্বিক উন্নয়ন এবং মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ ও প্রশাসনের সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর জোর দেন।
১০০ দিন আগে
এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে অর্থনীতি ও রাজনীতির সমন্বয়ের ওপর জোর তথ্যমন্ত্রীর
এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের সামনে যে বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক ও রপ্তানি চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, তা মোকাবিলায় অর্থনীতিকে কার্যকর রাজনৈতিক কাঠামো ও কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
সোমবার (৬ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড) এবং ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ও রপ্তানি প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ তখনই জনগণের কল্যাণে বাস্তব ফল বয়ে আনবে, যখন তা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হবে।
তিনি বলেন, অর্থনীতিকে যদি রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে আনা না যায়, তাহলে বিশেষজ্ঞদের সব আলোচনা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক আলোচনায় রূপ নেয়। কারণ জনগণের কল্যাণে যেকোনো অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকে বাস্তব কর্মসূচিতে রূপ দিতে হলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, নেতৃত্ব ও কার্যকর বাস্তবায়ন কাঠামো অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই রাজনীতির প্রধান দায়িত্ব এবং অর্থনৈতিক নীতির সফল বাস্তবায়নও সেই দায়িত্বেরই অংশ।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের চ্যালেঞ্জ কমবে না, বরং আরও বাড়বে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত সময় চাওয়ার উদ্দেশ্য কোনো সমস্যা থেকে পালানো নয়; বরং প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দেশের অর্থনীতিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অনুমোদনের পর বাংলাদেশ এই অতিরিক্ত সময় পাবে এবং সেই সময়কে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে হবে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন বছর কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার করলে দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়বে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এজন্য রপ্তানির পথে বিদ্যমান সব ধরনের প্রতিবন্ধকতার পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কারে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তিনি বলেন, অর্থনীতিবিদরা গবেষণার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই সুপারিশগুলোকে বাস্তবায়নের কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেবে।
বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে বাস্তব সাফল্যে রূপ দিতে হলে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেগুলোকে রাজনৈতিকভাবে মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নের সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তথ্যমন্ত্রী।
র্যাপিডের নির্বাহী পরিচালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা।
১২৪ দিন আগে
খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
পেশাদার খেলোয়াড়দের রাজনীতি থেকে দূরে থেকে নিজেদের ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে জাতীয় ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খেলোয়াড় বন্ধুরা, আপনাদের সবার প্রতি আমার একান্ত আহ্বান, একান্ত অনুরোধ, পেশাদার খেলোয়াড়ি জীবনে আপনারা কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি নন বা হবেন না দয়া করে। বরং ক্রীড়ানৈপুণ্য দিয়ে দেশের প্রতিনিধি হয়ে উঠবেন আপনারা।
‘দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসবেন, গৌরব বয়ে নিয়ে আসবেন আপনারা। দেশে-বিদেশে বিজয়মালা বরণ করে বিশ্বে ক্রীড়াজগতে বাংলাদেশকে উচ্চতর মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করবেন ইনশাল্লাহ।’
খেলোয়াড়দের নিজেদের সেরাটা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোর দিকে আমাদের লক্ষ্য থাকবে। আমাদের ছেলেমেয়েরা যে দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসতে পারে, সেটা এরই মধ্যে প্রমাণ হয়েছে। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনেও এটা অব্যাহত থাকবে। কথা বলার অনেক কিছুই আছে। আমার মনে কথা কম কাজ বেশি করতে হবে। কথা কম, খেলতে হবে বেশি। দেশপ্রেম, দৃঢ় ইচ্ছা আর টিম স্পিরিট থাকলে আপনাদের সাফল্যের পথে কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।’
২২২ দিন আগে
রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো পর্যালোচনা ও প্রত্যাহারের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করেছে সরকার।
রবিবার (৮ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আইন, বিচার ও সংসদ মন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ৬ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন— স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব বা যুগ্মসচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন–১ অধিশাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব পর্যায়ের নিচে নয়)।
কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন–১ শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, জেলা কমিটি থেকে পাওয়া সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রত্যাহারযোগ্য মামলা চিহ্নিত করবে কেন্দ্রীয় কমিটি। এরপর এসব মামলার তালিকা প্রস্তুত করে সেগুলো প্রত্যাহারের কার্যক্রম গ্রহণ করবে।
এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রয়োজনে কমিটি অতিরিক্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
২৪৩ দিন আগে
নির্বাচনে ভয় পেলে রাজনীতি নয়, এনজিওতে যোগ দিন: আমীর খসরু
নির্বাচনে যারা ভয় পান, তাদের রাজনীতিতে না থেকে এনজিও বা প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘যারা নির্বাচনে ভয় পান, তাদের রাজনীতি করার দরকার নেই। তারা চাইলে প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করতে পারেন, এনজিওতে যেতে পারেন। আপনি রাজনীতি করবেন, নির্বাচন এড়াবেন, আবার একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত করবেন—এটা চলতে পারে না।’
রবিবার (২৭ জুলাই) ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’–এর প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, যেসব দেশে গণ-অভ্যুত্থানের পর নির্বাচন বিলম্বিত হয়েছে, সেখানে বিভাজন, গৃহযুদ্ধ ও রাষ্ট্র হিসেবে ব্যর্থতার উদাহরণ রয়েছে। কিন্তু যারা দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্রে ফিরে গেছে, তারা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে উন্নতি করেছে।
জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে তিনি বলেন, এই আন্দোলন নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও, একে কেউ ‘হাইজ্যাক’ করার সুযোগ পাবে না। এই আন্দোলন নতুন কিছু নয়, কারণ অধিকার আদায়ের আন্দোলন বাংলাদেশের জনগণের রক্তে রয়েছে।
পড়ুন: স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনে একমত রাজনৈতিক দলগুলো: অধ্যাপক আলী রীয়াজ
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘৫ আগস্ট শেখ হাসিনা না গেলে আমরা বাড়ি ফিরতাম না। আমাদের আন্দোলন চলতেই থাকত।’
তিনি আরও বলেন, এই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল দেশের ওপর জনগণের মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং তাদের সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।
যদিও বিএনপি নেতাকর্মীরা এই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তবে বিএনপি কখনও এর কৃতিত্ব দাবি করেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এই গণ-অভ্যুত্থান সফল হবে।
আমীর খসরু বলেন, সব বিষয়ে পূর্ণ ঐকমত্য প্রয়োজন নেই।
‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভিন্নমত ও বিশ্বাস থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু জাতীয় স্বার্থে ঐক্য জরুরি। মতপার্থক্য ছাড়া গণতন্ত্র টিকে না। আমরা একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে আসিনি।’
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার ‘পলায়নের’ পর দেশের জনগণের মনোভাবে পরিবর্তন এসেছে।
‘যারা এই পরিবর্তন বুঝতে পারছে না, তাদের কোনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, একটি নির্বাচিত সরকার না থাকায় অনেক পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাই সঠিকভাবে কাজ করছেন না এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও সিদ্ধান্ত নিতে অপেক্ষায় আছেন।
৪৬৮ দিন আগে
সংস্কারের কথা বলে নির্বাচন পেছানোর কোনো বয়ান কাজে লাগবে না: রিজভী
সংস্কারের কথা বলে নির্বাচন পেছানোর নানা বয়ান আমরা শুনতে পাচ্ছি, সেগুলো কোনো কাজে লাগবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে দেশে উন্নয়নের যে ফিরিস্তি স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার দিয়েছে তা— এই পাহাড়ে না আসলে দেখতে পেতাম না।
বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরে কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের দুর্গম এলাকায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ফুটবলার ঋতুপর্ণার অসুস্থ মাকে দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিষ্টার হেলাল, আমরা বিএনপির পরিবারের আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন, সদস্য সচিব মো. মিথুন, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: আমি নিজেই এখনো নির্বাচনের তারিখ জানি না: সিইসি
এ সময়, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী ঋতুপর্ণা চাকমার মা ভুজিপুতি চাকমাকে আশ্বস্ত করেন। বলেন, বিএনপি সব সময় ঋতুর মায়ের পাশে থাকবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর পেয়ে ঋতুর মায়ের পাশে দাঁড়ানের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তাই, এই প্রবল বৃষ্টি মাথায় নিয়ে দুর্গম এই পথ পাড়ি দিয়ে আমরা তার বাড়িতে এসেছি। আমরা ঋতুর মায়ের সকল চিকিৎসার খরচ বহন করব।
এসময় রিজভী ঋতুপর্ণার মায়ের হাতে ২ লাখ টাকা হাতে তুলে দেন। এছাড়া প্রতি মাসে কেমোথেরাপির ৩০ হাজার টাকা করে বিএনপির পক্ষ থেকে দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
পাহাড়ের গোল্ডেন গার্ল খ্যাত ঋতুপর্ণা চাকমার জোড়া গোলে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।
ঋতুপর্ণা চাকমার মা ভুজোপতি চাকমা ব্রেস্টক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। এরমধ্যে, তিনি তিনটি কেমোথেরাপি দিয়েছেন। প্রতি ২১ দিন পরপর তাকে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে গিয়ে কেমোথেরাপি দিতে হয়।
৪৮৬ দিন আগে
রাজনীতির চেয়ারে ঘুণপোকা ধরেছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
দেশের রাজনীতির চেয়ারে ঘুণপোকা ধরেছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেছেন, ‘এই চেয়ার শুধু মেরামত করলে হবে না, চেয়ারটাই পরিবর্তন করতে হবে।’
শনিবার (২৬ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গায় এবি পার্টির উদ্যোগে একটি মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘রাজনীতি যদি জনগণের কল্যাণে না আসে, তবে সে রাজনীতির কোনো মূল্য নেই। আমরা চাই, আমার দেশের কৃষক, জেলে, দিনমজুরসহ নিরলস পরিশ্রম করা প্রতিটি মানুষ যেন রাষ্ট্রের সঠিক সেবা পায়। শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিসহ প্রতিটি খাতে যেন সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।’
তিনি বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন সমস্যা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। চুয়াডাঙ্গায় স্বাস্থ্যখাতে অনিয়ম, শিক্ষার অবনতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে দুর্নীতি উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। সাধারণ মানুষ এখনও ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত।’
‘বিশেষ করে পানি সংকট নিয়ে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। মাথাভাঙ্গা নদীসহ অনেক নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, নদী দখল ও দূষণের কারণে এই সংকটের সৃষ্টি। নদী বাঁচাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নদী না বাঁচলে কৃষি ও জনজীবন হুমকিতে পড়বে। আমরা নদী ও পানির ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সোচ্চার থাকব।’
এই রাজনীতিক বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছু সম্ভাবনাময় অগ্রগতি দেখিয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সম্পূর্ণরূপে রেমিট্যান্স আসতে শুরু করেছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক। এই পরিবর্তন দীর্ঘদিন পরে দেখতে পাচ্ছি, যা আমাদের আশাবাদী করে তুলেছে।’
আরও পড়ুন: ঐকমত্য কমিশনের সাথে এবি পার্টির আলোচনা সোমবার
তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কার, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন—সবই প্রয়োজন। এই সরকার যেহেতু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যেই এই বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে, আমরা আশাবাদী তারা কথা রাখবেন। দেশের জন্য টেকসই গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হবে—এটাই প্রত্যাশা।’
সভার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা। সভাপতিত্ব করেন জেলা এবি পার্টির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার নেতা-কর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রাণবন্ত আলোচনার মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন দলটির উপস্থিত নেতারা।
৫৬০ দিন আগে