প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দি দিবস আজ
আজ ৭ মার্চ বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দি দিবস। ২০০৭ সালের এই দিনে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে কোনো ওয়ারেন্ট, মামলা বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই গ্রেপ্তার করে।
শনিবার (৭ মার্চ) গ্রেপ্তারের দুই দশক পূর্ণ হওয়ায় বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করছে।
গ্রেপ্তারের পর তারেক রহমানকে বেশ কয়েকটি মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, রিমান্ডে থাকাকালীন তিনি অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন, যার ফলে তিনি গুরুতর শারীরিক আঘাত পান।
দলের মতে, তৎকালীন সরকার বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করেছিল।
গ্রেপ্তারের পর তারেক রহমান প্রায় ১৮ মাস কারাগারে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে করা সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি মুক্তি পান। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা থেকে লন্ডনে যান।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা করেছিল। তিনি বলেন, সব মামলাই ছিল মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যার লক্ষ্য ছিল বিএনপিকে দুর্বল করা এবং তারেক রহমানকে হেয় প্রতিপন্ন করা।
এ্যানি বলেন, রাজনৈতিক জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও তারেক রহমান দলকে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন এবং শেষ পর্যন্ত দলকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছেন।
দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং অন্যান্য স্মরণসভার আয়োজন করেছেন।
২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান লন্ডনের ১৭ বছরেরও বেশি সময়ের প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরে আসেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করে ২০৯টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান বাংলাদেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১২ ঘণ্টা আগে
পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতা পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী
পারস্পরিক ‘শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার’ ভিত্তিতে বাংলাদেশ সকল দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়’ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (৬ মার্চ) শুক্রবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্বের কথা। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি।’
সরকারের স্বাধীনতা রক্ষা, মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুদৃঢ় রাখা, নারীদের আরও বেশি ক্ষমতায়ন ও উৎসাহ প্রদান এবং নতুন উদ্যোক্তাদের সহায়তার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে একসঙ্গে এগিয়ে যাবে।
১ দিন আগে
দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে দেশজুড়ে ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং প্রবাসী কল্যাণে কমিটির এক বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী বেকার যুবকদের বিদেশের কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশি-বিদেশি উভয় ধরনের শিক্ষকদের সমন্বয়ে ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে বেকার যুবকরা বিভিন্ন ভাষা শিখে বিদেশে চাকরির সুযোগ পায়।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ দ্রুত সম্প্রসারণের উপায় এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, ‘বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে যাতে কাউকে নিজের সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে যেতে না হয়, সেজন্য স্বল্প সুদে ব্যাংকঋণের ব্যবস্থা এবং ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।’
তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই
রুমন বলেন, উন্নত দেশের বিমানবন্দরের মতো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেটের এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালগুলোতে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সুবিধা চালুর জন্য প্রধানমন্ত্রী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন।
ঢাকা-১৭ আসনের মন্দির সংস্কার
সহকারী প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৭ আসনে প্রচারণার সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে পদক্ষেপ নিয়েছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনি প্রচারণার সময় তিনি মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালের কাছে অবস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি মন্দির সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যেন আগামী শনিবার থেকে মন্দিরের সংস্কার কাজ শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, আগামী শনিবার বেলা ১১টায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই প্রশাসক আব্দুস সালাম ও শফিকুল ইসলাম মিল্টন এবং ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের নির্বাচনি সমন্বয়ক অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার উপস্থিতিতে এই কাজ শুরু হবে।
২ দিন আগে
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক বাতি ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে সবাইকে মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, সকালে কার্যালয়ে পৌঁছানোর পরপরই প্রধানমন্ত্রী এ উদ্যোগ নেন।
তিনি বলেন, ‘সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে আসেন। তিনি অফিসে এসে নিজের কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইটের সুইচ বন্ধ করে দেন এবং এসির মাত্রা ২৫ দশমিক ১-এ নামিয়ে আনেন। এই মাত্রা নিলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।’
রুমন আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী যখন মন্ত্রিসভার বৈঠক কক্ষে প্রবেশ করেন, তখনও তিনি কর্মকর্তাদের অর্ধেক বাতি নিভিয়ে দিতে এবং এসির মাত্রা কমিয়ে রাখতে নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের পর তার কার্যালয়ের অন্যান্য কক্ষগুলোতেও তাৎক্ষণিকভাবে বাতি কমিয়ে দেওয়া হয় এবং এসির সেটিংস পরিবর্তন করা হয়।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল মন্ত্রণালয়, সরকারি দপ্তর, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শপিং মল এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দক্ষতার সঙ্গে ও সাশ্রয়ীভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া দিনের বেলা কৃত্রিম আলোর ব্যবহার কমিয়ে পর্দা ও জানালা খুলে দিয়ে সূর্যের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীকে বিদ্যুতের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এবং এ বিষয়ে আরও কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের ফলে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের মাঝেই প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগ নিলেন। উল্লেখ্য, এই সংঘাত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশ প্রাথমিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য অনেকাংশেই উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল। দেশের প্রয়োজনীয় পেট্রোলিয়াম জ্বালানি, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং এলপিজি (এলপিজি)-এর সিংহভাগই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই অঞ্চল থেকে আমদানি করা হয়।
২ দিন আগে
১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একই সময়ে সেখান থেকে দেশের আরও ১৪টি স্থানে এ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী।
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ঐতিহাসিক এক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলায় প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত নারীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ডের আওতায় প্রত্যেক পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
২ দিন আগে
সবার জন্য ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ভবনগুলোকে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা ক্লিনিক হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালু করার কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
অব্যবহৃত ভবনে হবে স্বাস্থ্যকেন্দ্র
বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অব্যবহৃত ভবনসমূহ চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, শুধুমাত্র এলজিইডি-র ১৭০টি পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি ও তার অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার যেসব পরিত্যক্ত ভবন বা বিল্ডিং রয়েছে, সেগুলোকে ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন।
এ ছাড়া দুর্গম এলাকায় যেন চিকিৎসকরা উপস্থিত থেকে সেবা দেন, সেজন্য মন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ নিয়ে আলোচনা
দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর দেশে ৩৪ লাখ নবজাতক জন্মগ্রহণ করে। এ বিষয়ে বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে আতিকুর রহমান জানান, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়কে তৎপর হতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী (যার ৮০ শতাংশ নারী এবং ২০ শতাংশ পুরুষ) নিয়োগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয় নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
আনসার-ভিডিপির ভূমিকার প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর; উন্নয়নে সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের দেশপ্রেম এবং পেশাদারত্বের প্রশংসা করেছেন। এ বাহিনীর উন্নয়নের জন্য সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বাহিনীর চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আনসার ও ভিপিডির সদস্যদের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং জনগণের স্বার্থে অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি বাহিনীর প্রতি নির্দেশ দেন, জাতীয় শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে জনগণের সেবা যেন তারা অব্যাহত রাখেন।
এ সময় আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাহিনীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরেন।
রুমন জানান, আনসার ও ভিপিডির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা যেন সর্বদা প্রস্তুত থাকেন সে ব্যাপারে বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান তিনি।
৩ দিন আগে
ছবিযুক্ত ব্যানার-বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে তার ছবিসহ অভিনন্দন জানিয়ে বিজ্ঞাপন ও ব্যানার দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের পথে আসার সময় হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজার সামনে আসলে তার ছবি-সম্বলিত ব্যানার দেখেন। তিনি তা তৎক্ষণাৎ সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। সঙ্গে সঙ্গে তা সরানো হয়।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, রাজধানীজুড়ে তার ছবিসহ সব ধরনের ব্যানার ও বিলবোর্ড দ্রুত সরাতে।
কয়েক দিন আগে বিজয় সরণি অতিক্রমের সময় প্রধানমন্ত্রী একটি এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শিত অভিনন্দন বার্তা দেখেছিলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে তা সরানোর নির্দেশ দেন।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান। পরে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকায় জলদস্যুতা, চুরি, অবৈধ বাণিজ্য রোধ এবং মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
যানবাহনের গতি বৃদ্ধি
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলায় রাজধানীর সড়কে যান চলাচলের গতি বেড়েছে; প্রধানমন্ত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রাজধানীর যানজট নিরসন এবং সড়কে যানবাহন চলাচলের গতি প্রকৃতি কেমন এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আজকে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণেই যানবাহনের গতি বেড়েছে।’
গতি কতটা বেড়েছে তা তুলে ধরে রুমন বলেন, রাজধানীতে আগে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ছিল ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার, যা কী না পায়ে হাঁটা গতির সমান।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনাব তারেক রহমান দায়িত্বভার গ্রহণের পরে তিনি ভিভিআইপি প্রটোকল কমিয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলাচল করছেন। প্রতিবেদনে গত ১৪ দিনের একটি পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে যে, ভিভিআইপি প্রটোকলে যানচলাচল বাধাগ্রস্ত না হওয়ায় যানবাহনের গতি ৫ দশমিক ৩ কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে। কারণ প্রধানমন্ত্রীর পর রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ট্রাফিক সিগন্যাল অনুসরণ করছেন।’
চালের দাম পর্যবেক্ষণ
চালের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে অবগত হয়ে প্রধানমন্ত্রী সোমবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী যখন খোঁজখবর নেন, তাৎক্ষণিকভাবে এর ইতিবাচক প্রভাব বাজারে দেখা গেছে।
৪ দিন আগে
জনসেবা, নিরাপত্তা ও দুর্যোগ মোকাবিলা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের সেবা করা, শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দুর্যোগের সময় সবসময় মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হককে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছাবিনিময় করেন এবং দেশের সামুদ্রিক ও উপকূলীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের দেশপ্রেম, পেশাদারত্ব ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চল ও নদীপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, জলদস্যুতা দমন এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার তৎপরতায় বাহিনীর অবদানের কথা তুলে ধরেন তিনি।
বৈঠকে মহাপরিচালক কোস্ট গার্ডের চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী এ উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ধরে রাখার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী।
৪ দিন আগে
৬ মাসের মধ্যে নারীদের জন্য ঢাকায় নামছে ইলেকট্রিক বাস
রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় দ্রুত দৃশ্যমান ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ অগ্রাধিকার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় ঢাকায় পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস এবং নারীদের জন্য নিরাপদ বিশেষায়িত বাস সার্ভিস চালু করা হবে।
সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক।
নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল করতে চান বলে জানান এই অধ্যাপক।
তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারি যে, পরিবহন একটা বড় সমস্যা। এটাকে আমাদের সমাধান করতেই হবে। জনগণের জন্য জনগণবান্ধব একটা পরিবহনব্যবস্থা দিতে হবে। উনি (প্রধানমন্ত্রী) যেহেতু ১৬ বছর লন্ডনে ছিলেন, গণপরিবহনটা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। আমরা দুই ঘণ্টা এটা নিয়েই কথা বলেছি।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী খুব আহত হন, যখন জনগণের গণপরিবহনের এক্সেসটা দেখেন খুব সীমিত। পার্টিকুলারলি (বিশেষত) ফিমেল (নারী) যারা আছেন, তাদের প্রাইভেসি (সুরক্ষা) ইস্যু হচ্ছে, তারা ভালো কোনো গণপরিবহন পাচ্ছেন না, সেফটি-সিকিউরিটি (নিরাপত্তা) নেই। কী করা যায়, এই কী করার ভাবনা থেকেই উনি আমার সঙ্গে কথা বলেন। বিশেষ করে গণপরিবহনের সর্বোৎকৃষ্ট যে মাধ্যম মেট্রো, এর বাইরেও আরও কিছু করা যায় কিনা, যেটা উনি অলরেডি বলেছেন, মনোরেল যেহেতু সাশ্রয়ী মূল্যে খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়।
বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এআরআই) সাবেক পরিচালক শামসুল হক বলেন, ‘রাজধানীর পূর্ব দিকের বাসাবো, গোরান, মাদারটেক, পুরানো টাউনে বিপুল জনগোষ্ঠী বাস করে। তারা কিন্তু ইভেন বাসও পায় না। মেট্রোগুলো সাধারণত প্রধান সড়কগুলোর উপর দিয়ে গেছে। তাই এটাকে যদি মেট্রোর বাইরে অন্য কোনো সংস্করণে আনা যায়; মেট্রো তো একটা না, আমরা একটা চিনেছি মেট্রো, কিন্তু ভারী মেট্রো। এটার যেমন দরকার আছে, ব্রডব্যান্ড কানেকশনের পাশাপাশি, কিন্তু লাইট রেলও দরকার আছে, মনোরেল দরকার আছে, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি দরকার আছে, বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) দরকার আছে, এবং অর্ডিনারি ( সাধারণ যাত্রীবাহী) বাস— সবকিছুই দরকার।
‘কিন্তু, রেগুলেটেড হতে হবে। ঘিঞ্জি এলাকা যেখানে মেট্রো যাবে না, মেট্রোকে সাপ্লিমেন্ট করার জন্য আর কী করতে পারি, সেটার একটা স্টাডি করে প্রধানমন্ত্রীকে একটা প্রস্তাব দেওয়া, যাতে ওনারা এই বছর কাজ আরম্ভ করতে পারেন।’
৫ দিন আগে