প্রধানমন্ত্রী
শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভার নীতিগত অনুমোদন
রাজধানীর আবদুল গণি রোড থেকে বাংলাদেশ সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। পাশাপাশি ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন জায়গায় সচিবালয়ের কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
শেরেবাংলা নগরে আগে যে জায়গায় ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজিত হতো, সেখানে নতুন সচিবালয় স্থাপন করা হবে।
নাসিমুল গনি বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন জায়গায় দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগোচ্ছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
এদিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৭ দশমিক ৫৭ একর জমির ওপর অবস্থিত বর্তমানে সচিবালয়ে ১৩টি ভবন রয়েছে, যার আটটি নির্মিত হয়েছে স্বাধীনতার আগে। এর মধ্যে চারটি ভবন ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে এবং আরেকটি ১৯৪৭ সালে নির্মিত।
ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এসব ভবনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ।
এছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত দাপ্তরিক জায়গার (অফিস স্পেস) অভাব, অপর্যাপ্ত শৌচাগার এবং ভবনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে স্বাস্থ্যকর ও কাজের উপযোগী পরিবেশ বজায় রাখা কঠিন হচ্ছে।
বর্তমান সচিবালয়ে প্রায় ১৮ লাখ ৭৬ হাজার বর্গফুট দাপ্তরিক জায়গা রয়েছে। তবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত জায়গার চাহিদা পূরণ এবং সচিবালয় চত্বরের বাইরে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে একত্র করার জন্য আরও অন্তত ১০ লাখ বর্গফুট জায়গা প্রয়োজন।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সিদ্ধান্তের পর স্থাপত্য অধিদপ্তর শেরেবাংলা নগরে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পুরোনো মাঠে নতুন সচিবালয়ের একটি প্রাথমিক নকশা তৈরি করে। লুই আই কানের মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নকশাটি করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, প্রায় ৩১ দশমিক ৫৮ একর জমিতে তিনটি বেজমেন্টসহ ১২ তলাবিশিষ্ট ১৪টি ভবন নির্মাণ করা হবে। এতে প্রায় ৩৩ লাখ ১৬ হাজার বর্গফুট জায়গা পাওয়া যাবে।
নতুন কমপ্লেক্সে তিন হাজার ৮০০টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা থাকবে, যার মধ্যে ২০০টি গাড়ি থাকবে ভূ-উপরস্থ পার্কিংয়ে। এছাড়া একটি মসজিদ, ৩৫০ জন করে ধারণক্ষমতার দুটি বহুমুখী হল, একটি ক্যাফেটেরিয়া ও একটি ডাকঘর থাকবে।
এছাড়া প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ সবুজায়ন ও জলাধারের জন্য বরাদ্দ রাখা হবে।
২ ঘণ্টা আগে
পরিকল্পনা ও সদিচ্ছায় পরিচ্ছন্ন-সবুজ এলাকা গড়া সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
সঠিক পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় গত দুই মাসে আমিনবাজার এলাকার দৃশ্যমান পরিবর্তনকে এর উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাস থেকে ঢাকায় ফেরার পথে আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি একটি গাছের চারাও রোপণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সঠিক পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে মানুষের ভালো ও উপকারের জন্য একটি জায়গাকে সুন্দরভাবে পরিবর্তন করা যায়। এই জায়গাটিই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।’
তিনি আরও বলেন, গত দুই মাসে এলাকাটির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। এর ফলে প্রায় চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বসবাসকারী মানুষের জন্য পরিবেশ আরও উন্নত হয়েছে এবং তাদের নির্মল বাতাসে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়েছে।
এলাকাটির পরিবর্তনে ভূমিকা রাখায় ঢাকা জেলার প্রশাসক ফরিদা খানম এবং এ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।
উন্নত পরিবেশ ধরে রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, সরকার এলাকাটি সুন্দর করে গড়ে তুলেছে, তবে এর সৌন্দর্য ধরে রাখার দায়িত্ব এখন এ এলাকার বাসিন্দাদের।
সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতা থাকলে ধীরে ধীরে দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় তিনি আমিনবাজারের কাছাকাছি ঢাকা জেলার অন্য এলাকাগুলোতেও সবুজায়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন।
মহাসড়কের পাশে অবস্থিত কলকারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট অংশের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের দেওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।
পাশাপাশি যেসব এলাকায় এখনও বর্জ্য জমে থাকে, সেসব স্থানের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনা তৈরির জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন তিনি।
স্থানীয় সংসদ সদস্যদের জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত সমস্যাগুলোর সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, মানুষ যাতে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য অনুভব করতে পারে, সে জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আমিনবাজারে পরিবেশের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজের মাধ্যমে ঢাকা জেলার প্রশাসক অন্য জেলার প্রশাসকদের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
অন্য জেলার জেলা প্রশাসকরাও একইভাবে এলাকাকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও আকর্ষণীয় করে তুলতে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দিনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সাভার সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদানের অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন কর্মসূচি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। এ সময় তিনি একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাস থেকে ঢাকায় ফেরার পথে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
পরিবেশের উন্নয়ন ও মহাসড়কের সৌন্দর্য বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ মহাসড়কের পাশের এলাকাগুলোতে বর্জ্য ফেলা হতো।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দিনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সাভার সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
৭ ঘণ্টা আগে
সশস্ত্র বাহিনীতে শৃঙ্খলা, পেশাদারত্ব ও জনআস্থায় গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংবিধান, আইন, সামরিক বিধিবিধান ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শৃঙ্খলা, পেশাদারত্ব ও জনগণের আস্থা সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির মৌলিক ভিত্তি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, দেশীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন জোরদার ও পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি শুধু অস্ত্র, সরঞ্জাম বা জনবলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ ও জনগণের আস্থার মধ্যে।’
তিনি চেইন অব কমান্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার গুরুত্বও তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, আধুনিক যুদ্ধে সাইবার পরিসর, মহাকাশ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও তথ্যনির্ভর সক্ষমতার ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। ফলে বিশ্বব্যাপী পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
জাতীয় পতকাপ্রাপ্ত ইউনিটগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই সম্মান তাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ, পেশাদারত্ব ও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রতিবন্ধীদের সহায়তা, কর্মসংস্থান ও সুযোগ বাড়াতে নানা পদক্ষেপের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়ানো, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, সরকারি সেবা গ্রহণ সহজ করা এবং সংসদে সংরক্ষিত প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি বিবেচনাসহ তাদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘আমরা (কাজ) শুরু করেছি, কতটুকু করতে পারব কাজগুলো, বলতে পারি না, তবে এতটুকু আপনাদেরকে বলতে পারি, এই কাজগুলো করার ব্যাপারে আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা পাবেন।’
শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেএস) প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পাশে থাকবে এবং তারা যাতে মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন ও নিজেদের অধিকার ভোগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা কিছুটা বাড়িয়েছে, যদিও তাদের সব চাহিদা পূরণের জন্য এটা যথেষ্ট নাও হতে পারে।
তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে এ ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারেন।
বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের যোগাযোগ ও সরকারি সেবা গ্রহণে যেন সমস্যা না হয়, সে জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাংকেতিক ভাষার সেবা চালুর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেবেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রতিবন্ধিতা থাকা রোগীরা যাতে নিজেদের চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রয়োজনের কথা বোঝাতে পারেন, সে জন্য হাসপাতালে সাংকেতিক ভাষার সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা বিবেচনা করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কেও বলা হবে।
এ সময় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে দক্ষতা প্রশিক্ষণ, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উপায় খতিয়ে দেখতে সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন তারেক রহমান।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টি বিবেচনা করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বলবেন বলে জানান তিনি।
সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আবেদনের বয়সসীমা অন্তত এক থেকে দুই বছর বাড়ানো যায় কি না, তা পর্যালোচনা করতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেবেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
১ দিন আগে
ঢাকার ১৩ স্থানে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, পরিচ্ছন্নতায় বেঁধে দিলেন সময়
সরকারি সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে দেখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাড়ে চার ঘণ্টায় রাজধানীর হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি আবাসিক এলাকাসহ ১৩টি স্থানে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে পরিদর্শন শুরু করে দুপুর ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সেবার মান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
১ দিন আগে
নিজের কলেজ পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, দেশ গঠনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ পরিদর্শন করেছেন, যেখানে একসময় তিনি পড়াশোনা করেছেন। এ সময় তিনি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত কলেজটি পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাদের দেশ গড়ার কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু সরকারের একার পক্ষে দেশকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব নয়। এ জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে তরুণদের নিজেদের বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে হবে।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২৪-এর আন্দোলন সফল করেছিলে। এটা কি কোনো একক দল করেছিল? সবাই মিলে করেছিল, তাই না?’
তিনি আরও বলেন, তরুণদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব, সেটি ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।
১ দিন আগে
পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের এখনই উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর বাংলাদেশ গড়ার কাজ এখনই শুরু করতে হবে উল্লেখ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দেশকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখতে তরুণদের নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে এই দেশ তোমরাই পরিচালনা করবে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ এখন থেকেই শুরু করতে হবে।’
শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুরে সরকারি বাংলা কলেজ পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আয়তনের তুলনায় অত্যন্ত জনবহুল একটি দেশ, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষের বসবাস। এত মানুষের শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা কঠিন হলেও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ‘তোমরা যখন কোনো কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাঠে নেমে পরিচ্ছন্নতার কাজ করো, তখন খুব দ্রুত একটি জায়গা পরিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু শুধু নির্দিষ্ট কর্মসূচির মধ্যে এই কাজ সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। নিজেদের উদ্যোগেও কাজ করতে হবে। পাশাপাশি বন্ধু, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।’
পরিচ্ছন্ন পরিবেশের সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের নিবিড় সম্পর্ক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি পরিবার ও তার আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার থাকলে সেই পরিবারের সদস্যদের সুস্থ থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অন্যদিকে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ নানা রোগব্যাধির ঝুঁকি বাড়ায়।
তিনি আরও বলেন, ‘এত বিপুলসংখ্যক মানুষ যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে, তাহলে সবাইকে চিকিৎসা দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও ওষুধের ব্যবস্থা করা কঠিন। তাই আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে মানুষকে সুস্থ রাখা। আর মানুষকে সুস্থ রাখতে হলে পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।’
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর ডেঙ্গুতে বহু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন এবং অনেকে প্রাণ হারাচ্ছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর একটি হচ্ছে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগে আগামী নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘নিজের বাসাবাড়ি, স্কুল-কলেজ, কর্মস্থল কিংবা যেকোনো প্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। বিশেষ করে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’
রাস্তা, খাল, নদী ও জলাশয়ে ময়লা-আবর্জনা ফেলার প্রবণতা বন্ধ করার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এসব ময়লা জমে পরিবেশ দূষিত হয় এবং রোগজীবাণু ও মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
এ ক্ষেত্রে বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘কেউ রাস্তায় ময়লা ফেললে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করবে। প্রয়োজনে তাকে সহযোগিতা করবে, যাতে ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা হয়। মনে রাখতে হবে, তোমরা শুধু নিজের জন্য নয়, সবার স্বার্থে কাজ করছ।’
ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান প্রায়ই ওপরের দিকে থাকে, যা অত্যন্ত বিব্রতকর। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে।
বৃক্ষরোপণে নিজের অতীত উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তার বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত একটি সংগঠনের মাধ্যমে ২০০৪-০৫ সালের দিকে শুধু ঢাকা শহরেই প্রায় ৮০ হাজার নিমগাছের চারা রোপণ করা হয়েছিল।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এখন তোমাদের আমাকে ছাড়িয়ে যেতে হবে। তোমরা আরও বেশি গাছ লাগাবে। ইনশাআল্লাহ, তোমরা পারবে।’
এ সময় সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে নিমগাছ রোপণের ইতিহাসও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, একসময় আরাফাতের ময়দান ছিল প্রায় বৃক্ষশূন্য। পরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেখানে নিমগাছের চারা পাঠান। বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের পরামর্শে সৌদি আরবের আবহাওয়ার উপযোগী হিসেবে নিমগাছ নির্বাচন করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেখানে নিমগাছের বিস্তার ঘটে। সেটি এখন ‘জিয়া ট্রি’ নামে পরিচিত।
পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে জাপানের উদাহরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানের রাস্তাঘাটে খুব কম ময়লা-আবর্জনা দেখা যায়। এর পেছনে শুধু পরিষ্কার করার ব্যবস্থা নয়, বরং মানুষের ময়লা না ফেলার অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ।
নদী-নালা, খাল-বিল ও জলাশয় পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ ও পানির দূষণ রোধে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
তিনি যেখানে-সেখানে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, খাবারের প্যাকেট ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলা বন্ধ করার ওপর জোর দেন।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব। ভবিষ্যৎ তোমাদের। এই দেশ তোমরাই পরিচালনা করবে।’
ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দেখতে রাজধানীর হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আকস্মিক পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তারেক রহমান সরকারি বাংলা কলেজ পরিদর্শন করেন।
১ দিন আগে
শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট পরিদর্শনকালে এক চিকিৎসককে তার কক্ষে ধূমপান করতে দেখে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ নির্দেশের পর চিকিৎসক রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে শিশু হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী।
১ দিন আগে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থী-তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থী ও তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, নিজেদের বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দেখতে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, এদিন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি, চিকিৎসাসেবা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবন আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন।
দিনের শুরুতে তিনি রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
হাসপাতালে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসাসেবার খোঁজখবর নেন তিনি। হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ), অস্ত্রোপচারকক্ষসহ (অপারেশন থিয়েটার) বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় দেন তিনি।
এরপর প্রধানমন্ত্রী রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে যান। সেখানে তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বছরের এ সময়ে, বিশেষ করে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। প্রতিবছর ডেঙ্গুতে বহু মানুষ আক্রান্ত হন, অনেকের মৃত্যুও হয়। ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। আর এ জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
১ দিন আগে