প্রধানমন্ত্রী
নতুন ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্র চলছে বলে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় অতীতের মতো এবারও জনগণ এর উপযুক্ত জবাব দেবে।
তিনি বলেন, ‘অতীতে তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল, এখনও রয়েছে। আবারও তারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করতে চায়…ডামি নির্বাচনের ব্যবস্থা চালু করতে চায়।’
শনিবার (৭ নভেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার উদ্বোধনের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
ষড়যন্ত্র করে গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখা যাবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একাত্তরের মতো, নব্বইয়ের মতো, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো আবারও দাঁতভাঙা জবাব দিতে চাই।’
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ জীবন উৎসর্গ করে যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে, সেই গণতন্ত্র রক্ষার দিবস পালনেরও আহ্বান জানান তিনি।
নয়াপল্টনে জড়ো হওয়া হাজারো নেতাকর্মীর সমর্থন চেয়ে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা কি আমাদের সঙ্গে আছেন?’ এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বারবার করতালি দিয়ে সাড়া দেন।
বাংলাদেশের ভেতরে কিংবা বাইরে, যেখানেই ষড়যন্ত্র হোক না কেন, এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য, বিশেষ করে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘৭ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের দিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দিন। এটি বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার দিন।’
বক্তব্যের শেষে তারেক রহমান উপস্থিত জনতাকে নিয়ে স্লোগান দেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, অন্য কোনো দেশ নয়। সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা শুধু দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারই করেনি, স্বৈরাচারী শক্তি ও ষড়যন্ত্রকারীদেরও বিতাড়িত করেছে।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত শক্তিগুলো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেও পরাজিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করা, ১৯৭৫ সালে সিপাহি-জনতার বিপ্লব ঘটানো এবং ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত করা এ দেশের মানুষকে ষড়যন্ত্র করে দাবিয়ে রাখা যাবে না।’
৪ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রায় হাজারো মানুষ
ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সার্বভৌমত্ব শোভাযাত্রা’ র উদ্বোধন করেন।
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল, কৃষক দল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো পল্টন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কাকরাইল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক জড়ো হন। এতে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড।
অনেকের মাথায় ছিল রঙিন টুপি এবং গায়ে দলীয় প্রতীক ও স্লোগানসংবলিত টি-শার্ট। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে শোভাযাত্রায় উৎসবমুখর পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি প্রধান বিচারপতির বাসভবন ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র আবদুস সালাম, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, খায়রুল কবির খোকন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিউর ইসলাম রুমন।
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শেখ ফরিদ হোসেন বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে ব্যানার ও ফেস্টুনসহ শোভাযাত্রায় যোগ দেন। তার সঙ্গে ছিল পাঁচটি ঘোড়ার গাড়ি ও একটি হাতি।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন, অবসরকালীন ও মুঠোফোন ভাতাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একই সঙ্গে তাদের সাইকেল সরবরাহের সময়সীমা কমানো এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে প্রতিটি ইউনিয়নে আরও দুজন করে নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগের কথাও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন সাড়ে সাত হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ১০ হাজার এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানের বেতন আট হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা করা হয়েছে।
অবসরকালীন আনুতোষিক ভাতাও বাড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। গ্রাম পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রে এ সুবিধা ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানের ক্ষেত্রে ৮০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে।
এছাড়া মুঠোফোনের খরচ বাবদ প্রত্যেক গ্রাম পুলিশ সদস্য মাসে ১৫০ টাকা করে পাবেন। স্থানীয় থানায় সাপ্তাহিক হাজিরার ভাতা সদস্যদের জন্য ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানের জন্য ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করা হয়েছে।
নারী গ্রাম পুলিশ সদস্যদের ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির ঘোষণাও দেন তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার গ্রাম পুলিশের পেশাগত পদবি পরিবর্তন করেছে। ‘দফাদার’ পদবি বদলে ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ এবং ‘মহল্লাদার’ পদবি বদলে ‘গ্রাম পুলিশ’ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে নিরাপত্তা বজায় রাখতে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের অবদান বিবেচনায় নিয়ে তাদের ও তাদের পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকার এসব পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এ সময় তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকার ১৯৯৫ সালে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের জন্য ঈদ বোনাস চালু করেছিল।
৭ ঘণ্টা আগে
অধিকার হরণ ও পরাধীনতা ঠেকাতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
দেশের মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া কিংবা বাংলাদেশকে আবারও পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করার সুযোগ কাউকে না দিতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এটিই হোক আমাদের এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার।’
এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানীতে আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি সিপাহি-জনতার ৭ নভেম্বরের বিপ্লবকে জাতীয় ঐক্যের বাতিঘর হিসেবে উল্লেখ করেন।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে সিপাহি-জনতার ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের চেতনা ধারণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে তরুণসমাজ প্রমাণ করেছে, বাংলাদেশের স্বার্থের প্রশ্নে তারা কখনও আপস করেনি।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি সময়েই তরুণ প্রজন্ম দেশের স্বার্থে দাঁড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা অর্জন ঐতিহাসিক গৌরবের বিষয়। তবে এর মর্যাদা রক্ষা করা এবং স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলা প্রতিটি প্রজন্মের দায়িত্ব, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের।
তিনি আরও বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব হলো স্বাধীনতার মূল মন্ত্রকে ধারণ করে নিরাপদ, সমৃদ্ধ, মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে আত্মনিয়োগ করা।’
তরুণদের পূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা অভিভাবকদের দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর, খেলাধুলার সরঞ্জাম দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
একদল শিশুর সঙ্গে তাদের প্রিয় খেলাধুলা নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে তাদের জন্য খেলাধুলার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সদর দপ্তরের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের পর তিনি শিশুদের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং তারা কী কী খেলা খেলে ও পছন্দ করে তা জানতে চান।’
রুমন আরও জানান, কয়েকজন শিশু জানায় তারা ফুটবল ও ক্রিকেট খেলে, তখন প্রধানমন্ত্রী তারা বাস্কেটবল ও টেবিল টেনিস খেলে কি না তাও জানতে চান।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শিশুদের আশ্বাস দেন যে তিনি তাদের জন্য খেলাধুলার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করবেন।
এরপর তারেক রহমান শিশুদের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং ‘ঠিক আছে, সবাই ভালো থেকো’ বলে তাদের কাছ থেকে বিদায় নেন।
উল্লেখ্য, গতকাল (বৃহস্পতিবার) খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
১ দিন আগে
শিশু-কিশোররই বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর: প্রধানমন্ত্রী
পড়াশোনার পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিতেও দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শিশু-কিশোরদেরই একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দেশব্যাপী নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমাদেরই এই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে এবং পৃথিবীর বুকে শক্তিশালী হিসেবে দাঁড় করাতে হবে। তোমরা একেকজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর (দূত) এবং এ দেশের মালিক।’
তিনি আরও বলেন, বিশ্বে সফল হতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা যথেষ্ট নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, কেউ চিকিৎসক, প্রকৌশলী, স্থপতি বা আইনজীবী হবে। কিন্তু পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিও শিখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার এমন পরিবেশ তৈরি করতে চায়, যেখানে শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) শিক্ষার্থীদের পরিবেশনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা খেলাধুলার পাশাপাশি নাচ, গান ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়েও নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরেছে।
এ সময় শিশু-কিশোরদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিভা বিকাশে উৎসাহিত করেন তারেক রহমান।
তিনি জানান, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরে ১৬ লাখের বেশি শিশু-কিশোর নিবন্ধন করেছে। আগামী বছরের জুনে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপুলসংখ্যক শিশুর অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্যে প্রতিভার কোনো অভাব নেই। তাদের মেধা বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ ও পরিবেশ তৈরি করা সরকারের দায়িত্ব।
বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। শিশুদের ছয় বা সাতটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে পছন্দমতো একটি শেখার সুযোগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘তোমরা যদি পড়ালেখায় ভালো হও, খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিতে ভালো হও এবং তৃতীয় একটি বিদেশি ভাষা শেখো, তাহলে পৃথিবীর কোনো জাতিই তোমাদের আটকে রাখতে পারবে না।’
একদিন বাংলাদেশ শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে, যার উদাহরণ অন্যরা অনুসরণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে এ প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভার্চুয়ালি দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন তিনি।
২ দিন আগে
দেশব্যাপী নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
তরুণ ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। একই সময়ে ভার্চুয়ালি দেশের ৫০৩টি উপজেলাতেও এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন তারেক রহমান। এ সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ও ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহফুজুল আলম খান তাকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে প্রবেশের সময় গ্যালারিতে থাকা শিক্ষার্থী ও তরুণ ক্রীড়াবিদরা হাত নেড়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও গ্যালারির দিকে হেঁটে গিয়ে হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
এরপর বেলুন উড়িয়ে ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া কয়েকজন তরুণ ক্রীড়াবিদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনের একদল শিক্ষার্থী ঐতিহ্যবাহী চীনা ড্রাগন ও সিংহ নৃত্য পরিবেশন করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরে অনলাইনে মোট ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন অংশগ্রহণকারী নিবন্ধন করেছে।
২ দিন আগে
খান জাহান আলীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাগেরহাটে হজরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন। সেখানে তিনি ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে মোংলা থেকে সড়কপথে মাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।
জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন ও মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম তাকে স্বাগত জানান।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং স্থানীয় বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর খান জাহান আলীর মাজারে এটিই তারেক রহমানের প্রথম সফর।
এর আগে সকালে মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।
বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
২ দিন আগে
মোংলা বন্দর সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর
মোংলা বন্দর আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের নতুন সুযোগ তৈরি হবে এবং বন্দরটি এ অঞ্চলের সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাগেরহাটের মোংলায় চার হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মোংলা বন্দর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক হাব বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’
বন্দরকে কেন্দ্র করে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরজুড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ করা সম্ভব বলেও জানান তিনি।
মোংলা বন্দর আধুনিকায়নকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে একটি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন তারেক রহমান।
এ লক্ষ্য অর্জনে বন্দরের নাব্যতা, নির্ভরযোগ্য নৌপথ, জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ও প্রতিযোগিতামূলক বন্দরসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার পঞ্চগড় থেকে মোংলা পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি বন্দরের সরবরাহব্যবস্থা ও পণ্য পরিবহনের সুবিধা বাড়াতে চায়।
তিনি আরও বলেন, খান জাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও পরিচালনাও সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার খুলনা-বাগেরহাটে দিনব্যাপী কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৯টায় হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বাগেরহাটের মোংলায় যাবেন। পরে সেখান থেকে সড়কপথে খুলনায় যাবেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর দুটি ও খুলনায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। এছাড়া তিনি বাগেরহাট জেলা শহরে হজরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।
মোংলায় কর্মসূচি শেষ করে তারেক রহমান সড়কপথে খুলনায় যাবেন এবং খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন।
দেশজুড়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
তার সফরকে সামনে রেখে খুলনা নগরী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সাজানো হয়েছে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার প্রচারে জেলা স্টেডিয়াম ও আশপাশের সড়কে লাগানো হয়েছে রঙিন ব্যানার ও ফেস্টুন।
শিববাড়ী মোড় থেকে রেলওয়ে স্টেশনের প্রধান ফটক পর্যন্ত দেয়ালে খুলনার ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে গ্রাফিতিও আঁকা হয়েছে। এসব গ্রাফিতিতে জায়গা পেয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, সুন্দরবন ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রতিকৃতি।
সরকারপ্রধানদের আগের সফরগুলোর মতো এবার নগরী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের লাগানো স্বাগত তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে যায়নি।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে স্থাপন করা তোরণ ও বিলবোর্ডের পাশাপাশি দলীয় ব্যানার ও ফেস্টুনও সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে নগরজুড়ে নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে নগরী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষা করছি।’
৩ দিন আগে