প্রধানমন্ত্রী
ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিশুদের নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
শিশু-কিশোরদের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে তাদের নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আজকের শিশুরাই হবে আগামী দিনের ডাক্তার, প্রকৌশলী, স্থপতি, খেলোয়াড় ও দেশ গড়ার কারিগর।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ অংশ নেওয়া শিশুদের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই ইভেন্ট হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। যারা প্যান্ডেলের নিচে বসে আছে, যারা গ্যালারিতে বসে আছে, তারা হচ্ছে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ।’
সরকারপ্রধান বলেন, দেশে অনেক সমস্যা রয়েছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে এসব সমস্যার পাশাপাশি বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব, সেটিও দেখতে হবে।
তিনি বলেন, শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। স্কুলগুলোতে ধীরে ধীরে উন্নত পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে শিশুদের নিজেদেরও প্রস্তুত হতে হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি ইতিবাচক কর্মকাণ্ডও তুলে ধরতে সম্পাদকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডও যথাযথভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এতে সাধারণ মানুষ সরকারের ভালো উদ্যোগগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে স্বাধীন গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য যে নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে, সে বিষয়ে সম্পাদকদের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপন বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সভায় জাতীয় সংসদের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বিশ্বের উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সাউন্ড সিস্টেমের ওপর বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এ সময় গণপূর্ত অধিদপ্তর সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত বিকল্প, কারিগরি সক্ষমতা এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে।
উপস্থাপনায় আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য, কার্যকারিতা এবং জাতীয় সংসদের কার্যক্রমের সঙ্গে সর্বোচ্চ সামঞ্জস্য নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে উপস্থিত অতিথিরা তাদের মতামত এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতেই জাতীয় কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে: সরকার
একটি সুস্থ, মেধাবী, সুশৃঙ্খল ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বিত বিকাশই বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির ভিত্তি।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দেশব্যাপী আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার প্রথম আসরের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সুস্থ, উদ্যমী ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম। তাই সরকার ক্রীড়াকে কেবল শরীরচর্চা, বিনোদন অথবা প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে নয়, বরং পেশা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে ক্রীড়াকে অন্তর্ভুক্ত করছে।
তিনি বলেন, সরকার ক্রীড়াকে মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় ঐক্য এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধির একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করছে। এরই অংশ হিসেবে তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, গত ২ মে ঐতিহ্যবাহী সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর উদ্বোধন করা হয়। এরপর সারাদেশে আটটি ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের এই বর্ণিল আয়োজন একটি কার্যকর ও টেকসই ভিত্তি রচনা করবে।’
আজকের শিশু-কিশোররাই আগামীর বাংলাদেশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ, শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ক্রীড়া মানুষকে শৃঙ্খলাবোধ, অধ্যবসায়, নেতৃত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দেয়।
প্রধানমন্ত্রী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’কে বর্তমান সরকারের একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, পরিচর্যা ও বিকাশের একটি কার্যকর জাতীয় কাঠামো গড়ে উঠছে।
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এই কর্মসূচি ভবিষ্যতের জাতীয় দল ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী ক্রীড়াবিদ তৈরির একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’
দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে প্রতিভা, পরিশ্রম ও যোগ্যতাই হবে সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’কে আরও সমৃদ্ধ করতে আগামী আসরে নতুন কয়েকটি ইভেন্ট যুক্ত করা হবে। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২০২৭’ আসরে টেবিল টেনিস ও ভলিবল যুক্ত হলে ইভেন্টের সংখ্যা ১০টিতে উন্নীত হবে। একই সঙ্গে অধিকসংখ্যক প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা ১২-১৪ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০-১৪ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর খুদে খেলোয়াড়রাই একদিন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে গৌরবের সঙ্গে বহন করবে এবং দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর প্রথম আসরে অংশগ্রহণকারী খুদে ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, বিচারক, আয়োজক, স্বেচ্ছাসেবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানটির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
১ দিন আগে
চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর, কমিটি গঠনের নির্দেশ
বাংলাদেশের চা শিল্পের বিকাশ, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এই খাতের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের চা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভায় দেশের বিভিন্ন চা বাগানের মালিক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা শিল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থায়নের সংকট, জ্বালানি ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জসহ বিভিন্ন বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তারা শিল্পের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কিছু দাবি ও প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী সবার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং চা শিল্পকে দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ শিল্পের বিকাশে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী চা বাগান মালিকদের বিদ্যমান ঋণের দায় সহজীকরণ এবং স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি চা বাগানে চাষের অনুপযোগী জমিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার কথা জানান এবং এ ধরনের নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রী চা শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং চা শিল্প-সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং চা বাগান মালিক ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতিতে রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সময়োপযোগী, প্রযুক্তিনির্ভর ও সক্ষমতাভিত্তিক সশস্ত্র বাহিনী গঠার লক্ষ্যে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখাও তুলে ধরেছেন তিনি।
রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে ‘সেনা সদর নির্বাচনি পর্ষদের’ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততার মূল্যায়নে যথানিয়মে যোগ্যতমদের বাছাই করে স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত এই সিলেকশন বোর্ডের মাধ্যমেই পদায়ন কিংবা পদোন্নতির ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীতে আগামী দিনের দূরদর্শী এবং পেশাদার নেতৃত্বের সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপিত হবে বলেও আমি বিশ্বাস করি।’
পদোন্নতিতে মেধা ও যোগ্যতাই হোক প্রধান মাপকাঠি
সেনাসদর সিলেকশন বোর্ডের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, পদোন্নতি কিংবা পদায়নের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করলে পেশাদারত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ‘সেনাসদর সিলেকশন বোর্ড’ যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে।
‘এক্ষেত্রে প্রথমেই আমার আহ্বান, রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে সততা, ন্যায়পরায়ণতা, পেশাগত যোগ্যতা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, দূরদর্শিতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি—সেনাবাহিনীর জন্য উপযুক্ত নেতৃত্ব নির্বাচনে এসব বিষয়কেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। এর পাশাপাশি মেধা এবং যোগ্যতাই হয়ে উঠুক একজন সেনা অফিসারের পদোন্নতি অর্জনের প্রধান মাপকাঠি।’
শারীরিক সক্ষমতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পদোন্নতির জন্য একজন অফিসারের শারীরিক যোগ্যতা অর্থাৎ ফিজিক্যাল ফিটনেস এবং ফিজিক্যাল অ্যাপিয়ারেন্স অন্যতম প্রধান বিবেচ্য বিষয় হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি প্রয়াত মার্কিন জেনারেল নরম্যান সোয়ার্জকফের উক্তি উদ্ধৃত করে বলেন, ‘দি মোর ইউ সোয়েট ইন পিস, দি লেস ইউ ব্লিড ইন ওয়ার’, অর্থ্যাৎ, ‘শান্তিকালীন সময়ে তুমি যত বেশি ঘাম ঝরাবে, যুদ্ধকালীন সময়ে তত কম রক্তপাত হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘সুতরাং, সেনাবাহিনীতে নিয়মানুবর্তিতা আর ফিটনেসের ব্যাপারে কোনো পর্যায়েই কোনো আপসের সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না।’
১ দিন আগে
‘সেনাসদর নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘সেনাসদর নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ নির্বাচনি পর্ষদের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনে স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
এছাড়া, পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে নিহত ও আহত সেনাসদস্যদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নবনিযুক্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।
শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌবাহিনীর পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নৌবাহিনীর ভূমিকা এবং বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।
একই সঙ্গে তিনি নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব পালনে সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
২ দিন আগে
জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিইএআর সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবোটিকস (বিইএআর) কনফারেন্স ২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি দেশের উচ্চপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নভোথিয়েটারে শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টায় দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং সিলিকন রিভার বাংলাদেশ কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়েছে।
‘বিল্ডিং বাংলাদেশ’স সেমিকন্ডাক্টর ফিউচার থ্রু গ্লোবাল পার্টনারশিপ’, অর্থাৎ ‘বৈশ্বিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনে নীতিনির্ধারক, বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা, গবেষক, উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ, বিনিয়োগকারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন। তারা দেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করছেন।
আয়োজকদের মতে, সম্মেলনের লক্ষ্য বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত করা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা।
সম্মেলনে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের উন্নয়ন, বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্ব, প্রযুক্তির সমন্বয়, উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পের ভবিষ্যৎ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, প্রবাসী বাংলাদেশি প্রযুক্তি পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা এবং উন্নত উৎপাদন ব্যবস্থা নিয়ে ১১টি কারিগরি অধিবেশন ও সাতটি কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
২ দিন আগে
ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমন্ত্রণপত্র এসেছে। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি।’
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এ সময় ভারতে চলমান আন্দোলন, দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে আমরা আমাদের এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা এবং শান্তি বজায় থাকুক, সেটাই চাই।
ভারতের চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আমরা আশা করব, একটি গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে তারা তাদের জনগণের অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধানের দিকে এগিয়ে যাবে।
এ সময় সাংবাদিকরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলন এবং পাকিস্তান, নেপাল ও মিয়ানমারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুরো অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় থাকুক—এই নীতিতেই বিশ্বাসী।
৪ দিন আগে