প্রধানমন্ত্রী
আজকে যারা বড় বড় কথা বলছে, বিগত ১৭ বছর তাদের রাজপথে দেখা যায়নি: তারেক রহমান
বিএনপি সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের রাজনীতি অব্যাহত রাখতে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী ও রটনাকারী রয়েছে; তাদের অতীত কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে ভবিষ্যৎ ভূমিকার ওপর নজর রাখতে হবে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে কিশোরগঞ্জের পুরাতন স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি এই রাজনীতির ধারা আমাদের অব্যাহত রাখতে হয়, যেই রাজনীতির ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে, তাহলে অবশ্যই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে; এদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে। সেই অতীত বিবেচনা করে তাদের আমাদের চোখে চোখে রাখতে হবে। সেই অতীত বিবেচনা করেই আমরা ভবিষ্যতে তারা কী করছে, সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে, ১৯৮৬ সালে, ১৯৯৬ সালে এবং বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা জনগণ দেখেছে। ‘বিগত ১৭ বছরের জনগণের যে আন্দোলন, সেই আন্দোলনে তাদের আমরা রাজপথে দেখিনি। আন্দোলনে বিএনপিসহ বিএনপির সঙ্গে যেসব রাজনৈতিক দল মাঠে ছিল, তাদেরই নেতাকর্মীরা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছে, গুম-খুনের শিকার হয়েছে।’
‘আজকে যারা বড় বড় কথা বলছে, যারা বলছে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে, তাদের আমরা রাজপথে বিগত ১৭ বছর দেখিনি,’ বলেন তিনি।
সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে এরা সংস্কার-সংস্কার কথা বলছে। বিএনপি ২০২২ সালের সংস্কারের কথা বলেছে। কোথায় ছিলেন তখন আপনারা সংস্কার নিয়ে? সংস্কার এই দেশে সবচেয়ে প্রথম বিএনপি তথা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই সংস্কারের প্রস্তাবনা মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, এখন দেশকে স্থিতিশীল রাখতে হবে। ‘কোনো বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মতো, তাদের সমোচিত জবাব দিতে হবে—যে তোমাদের অতীত আমরা দেখেছি, তোমাদের অতীত আমরা জানি, তোমরা অতীতে কী করেছ। কাজেই তোমাদের কথায় আমরা কান দেব না।’
কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয়
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চায় না বিএনপি সরকার; বরং এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায়, যেখানে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ রাষ্ট্রের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা এবং নিজের প্রাপ্য মর্যাদা পাবে।
তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না; আমরা বাংলাদেশকে এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে তৈরি করতে চাই, যেই রাষ্ট্রে কমবেশি প্রতিটি শ্রেণির মানুষকে রাষ্ট্র তার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করবে, সহযোগিতা দেবে; যেই রাষ্ট্রে প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি মানুষ তার মর্যাদা অনুযায়ী তার প্রাপ্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে পাবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির রাজনীতি দেশের মানুষকে ঘিরে এবং দেশের জন্য। কয়েকটি রাস্তা ও ভবন নির্মাণ করে উন্নয়নের দাবি না করে জনগণের জীবনমান ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহ্বান
সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সারা দেশে চার কোটি পরিবারের নারী প্রধানদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, শিক্ষার্থীদের পোশাক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া, নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং দেশে শান্তি বজায় রাখতে হবে।
চীনের সঙ্গে চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে বেশ কিছু মিল-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে দেশের তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
তারেক রহমান বলেন, এখন দেশ গঠনের সময়। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে জনগণ রাজপথে নেমে তা রক্ষা করেছে। এখন জনগণকে দেশ গঠনের কাজে মনোনিবেশ করতে হবে।
তিনি বলেন, এই দেশের মালিক হচ্ছে বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ। কাজেই এই ২০ কোটি মানুষকে আজকে সচেতন থাকতে হবে। ২০ কোটি মানুষকে আজকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে এই যে বিএনপির যে রাজনীতি আপনাদের সামনে বললাম, এই রাজনীতিতে যাতে কেউ ব্যাঘাত ঘটাতে না পারে।
তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিল্প-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন চান।
সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ, মেধাবী শিক্ষার্থী, অসুস্থ, দুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অনুদান এবং মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিতসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রতিনিধিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
১ দিন আগে
জলজ সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই মৎস্য চাষে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জলজ সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা এবং টেকসই মৎস্য চাষের মাধ্যমে দেশের মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে বিদ্যমান সব জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পড়ে থাকা পুকুর, বিল, হাওর ও অন্যান্য জলাশয় সংস্কার করে সেখানে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে। এসব জলাশয় সংশ্লিষ্ট এলাকার তরুণদের মধ্যে বণ্টন করে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইন্সটিটিউশন মাঠে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং জাতীয় মৎস্য পুরস্কার-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নদীমাতৃক বাংলাদেশে পুকুর, বিল, হাওর, বাওড় এবং অন্যান্য জলাশয় কাজে লাগিয়ে কিংবা অল্প জমি ব্যবহার করে মাছ চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ রয়েছে।’
তিনি বলেন, সারা দেশে বহু জলাশয় রয়েছে, যেগুলো কোনো কারণ ছাড়াই পড়ে আছে। সরকার এসব জলাশয় সংস্কার করে সেখানে মাছের পোনা ছাড়তে চায়। যে এলাকায় যেসব পুকুর, হাওর-বিল বা অন্যান্য জলাশয় রয়েছে, সেগুলো ওই এলাকার তরুণদের মধ্যে যথাযথভাবে বণ্টন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি এ খাতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মৎস্য রপ্তানি সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখায় জাতীয় মৎস্য পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ চায় ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা।
রবিবার (১৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি দ্বিপক্ষীয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনের কারণে এ প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়েছে বলে জানান তিনি।
মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। আমরা মনে করি, (প্রধানমন্ত্রীর) এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।’ এ লক্ষ্যে শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক অপরাধীকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের অনুরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শহিদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্ত আসামিদেরও বাংলাদেশে হস্তান্তরের অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান এ কে এম শহীদুল করিম। এ বিষয়ে তার ভাষ্য, ‘আমরা তাদের (দিল্লি) প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।’
তিনি আরও বলেন, আমরা আবারও বলছি, আমরা সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে আমাদের প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে যাব।
উল্লেখ্য, আগামী সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেক সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়া, গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
১ দিন আগে
রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
দেশের মানুষের স্বার্থে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচিতে বাধা এবং রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘যারা দেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কথা বলবে, যারা এই দেশের মানুষের জন্য নেওয়া বাস্তব পদক্ষেপগুলোতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে, তাদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।’
রবিবার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জে দিনব্যাপী সফরের অংশ হিসেবে জেলার পাকুন্দিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে পোনা মাছ বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ এখন শান্তি, শৃঙ্খলা, আইনের শাসন, কর্মসংস্থান, সন্তানদের জন্য শিক্ষা এবং পরিবারের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা চায়। এসব নিশ্চিত করতে সরকারকে ধৈর্যসহকারে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
‘একদিনে সকল সমস্যার সমাধান হবে না,’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারের সময় দেশের অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার এখন সেসব ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনের কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেকোনো সংকট মোকাবিলা করতে হলে আমাদের ঐক্য ধারণ করতে হবে; ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা গ্রহণ করে ধীরে ধীরে সংকটের মোকাবিলা করতে হবে। বিদ্যুৎ সংকটের সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষ। তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
১ দিন আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট ম্যাচ জয়ের ঐতিহাসিক সাফল্যে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (১৬ আগস্ট) ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে স্মরণীয় এই জয় তুলে নেয় টাইগাররা।
দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেই এই সাফল্য অর্জন করল বাংলাদেশ।
টাইগার দল যখন এই ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে, তখন কিশোরগঞ্জের পথে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন এবং ঐতিহাসিক জয়ের জন্য তাদের অভিনন্দন জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ থেকেও দলের খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তাদের মাটিতে বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক জয় দেশের ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। দলের খেলোয়াড়দের দৃঢ় মনোবল, আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা ও দলগত প্রচেষ্টার ফলেই এই অসাধারণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান।
একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, পরের টেস্টেও বাংলাদেশ ভালো খেলবে এবং সিরিজ জয়ের এই সম্ভাবনাকে সাফল্যে রূপ দেবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার টেস্ট র্যাংকিংয়ের এক নম্বর দল অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
১ দিন আগে
অবসর ভাতার জন্য শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অবসরকালীন সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে অবসরকালীন সুবিধার টাকা যথাসময়ে অনলাইনের মাধ্যমে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে সরকার। এ ক্ষেত্রে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর হয়রানিও যাতে তাদের পোহাতে না হয়, সে বিষয়েও সরকার সচেষ্ট থাকবে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সরকারপ্রধান বলেন, ‘যতদিন আপনাদের নির্বাচিত বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে, ইনশাআল্লাহ আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে অবসরকালীন সুবিধার টাকা পেতে আপনাদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না।’
তিনি বলেন, আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে এই সংক্রান্ত বিষয়ে আর কোনো ভোগান্তি আপনাদের পোহাতে হবে না, আর কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর যন্ত্রণা আপনাদের ভোগ করতে হবে না। আগামী দিনগুলোতে যথাসময়ে অনলাইনে আপনাদের প্রাপ্য টাকা কোনো ভোগান্তি ছাড়াই আপনাদের অ্যাকাউন্টে যাতে পৌঁছে যায়, এ বিষয়ে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের অনুষ্ঠানটি ব্যতিক্রমধর্মী। এর মাধ্যমে দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার ১ লাখ ২৩ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা ২০২২ সালের পর, অর্থাৎ দীর্ঘ চার বছর পর দুটি তহবিলে তাদের জমানো অর্থের একটি অংশ ফেরত পেয়েছেন বা পেতে যাচ্ছেন।
এই দুটি তহবিল হলো—বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট এবং অবসর সুবিধা বোর্ড।
দুটি তহবিল থেকে অর্থ পাওয়ার মাধ্যমে ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকার জীবনে কিছুটা হলেও অনিশ্চয়তার অবসান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
২ দিন আগে
মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবায় সমান অধিকারের ওপর প্রধানমন্ত্রীর জোর
আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির পাশাপাশি চিকিৎসাক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, চিকিৎসার মান উন্নয়নের জন্য রোগীদের প্রতি চিকিৎসকদের সহানুভূতি ও শ্রদ্ধাপূর্ণ আচরণ অত্যন্ত জরুরি।
তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, প্রযুক্তি হয়তো রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রোগীর ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট বুঝে তাদের আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নতুন ৫০০ শয্যার ভবনের ফলক উন্মোচন করে উদ্বোধনের পর উপস্থিত চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল, সুশাসন এবং সহানুভূতির সমন্বয়ে সবার জন্য সুগম, সাশ্রয়ী ও মানসম্পন্ন একটি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি বলেন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উচিত রোগীদের কথা মন দিয়ে শোনা, তাদের মানসিক অবস্থা বোঝা এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে চিকিৎসা দেওয়া।
ডাক্তার ও রোগীদের সম্পর্ক বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করে বলেন, চিকিৎসক, রোগী এবং রোগীর উদ্বেগাকুল স্বজনদের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাবোধ থাকা আবশ্যক।
প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘চিকিৎসকরা যদি নিরাপদ বোধ না করেন, কিংবা রোগী ও তাদের আত্মীয়দের মধ্যে ডাক্তারদের প্রতি আস্থা না থাকে—তবে হাসপাতালের পরিকাঠামো আমরা যত উন্নতই করি না কেন, জনগণকে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া থেকে ঠেকানো সম্ভব হবে না।’
২ দিন আগে
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশে নিউরো বা স্নায়ুরোগীদের চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়াতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় তিনি নতুন ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এ সময় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
দেশে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসাসেবা আরও বিস্তৃত করতে নতুন এই ৫০০ শয্যা যুক্ত হওয়ার ফলে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে মোট শয্যাসংখ্যা বেড়ে এখন ১ হাজার। এতে করে এটি দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত স্নায়ুরোগ চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত হলো।
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর ভারত, জাপান সফর সময় ও আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে: শামা ওবায়েদ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত ও জাপান সফরের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, এটা নির্ভর করবে প্রধানমন্ত্রীর সময় এবং দুই দেশের আলোচনা কতটুক এগোচ্ছে তার ওপর।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি জাপানের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ের একটি আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে জানিয়েছে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী বাংলাদেশে এসেছিলেন। তার সঙ্গে আমাদের পররাষ্ট্র সচিবের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ সময় জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। বলেন, ‘আমরাও জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। কোনো একটা সুইটেবল (উপযুক্ত) সময়ে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই জাপান সফর করবেন এবং জাপান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর হবে।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের দিনক্ষণ এবং ভারত সফর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী কবে জাপান সফর করবেন, তার দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। এটা আমাদের দুই দেশেরই একটা উপযুক্ত সময় নির্ধারণের বিষয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনারা জানেন বাংলাদেশের বিভিন্ন কাজে এখন ব্যস্ত আছেন। ভারতসহ অন্যান্য সফরের কোনোকিছুই এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এগুলো অবশ্যই দুই দেশের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে।
ব্রিকস সম্মেলনে যোগদান ও ভারত সফর নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই ইতিবাচক। সম্ভাবনা তো সবসময়ই আছে।’
তবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ব্যস্ততার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সামনে সংসদ অধিবেশনসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক বিষয়ে কাজ চলছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত রয়েছেন। এসবের মধ্যেই সময় মিললে ভারত, জাপানসহ প্রধানমন্ত্রীর সব সফরই হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা সকল দেশ সফরের ক্ষেত্রেই ইতিবাচক আছি। কিন্তু এটা নির্ভর করবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সময়ের ওপর এবং দুই দেশের আলোচনার কতটুকু অগ্রগতি হচ্ছে, সেটার ওপর।’
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন কমানোর সুযোগ আছে
এ সময় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন কমাতে প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘যেকোনো সময় যখন দুই দেশের প্রধান কথা বলেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়, তখন অনেক সমস্যা সমাধানেরই সুযোগ থাকে। সেই সুযোগটা তো আছেই, রয়ে গেছে। ভারতের দিক থেকেও উচিত হবে সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা।’
ভারতে অবস্থান করে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামির বক্তব্য দেওয়া বাংলাদেশের জনগণ ভালোভাবে নেয় না উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘জুলাইয়ের কথা এখনও মানুষের মনে জাগ্রত আছে, রক্তের দাগ এখনও শুকায়নি। সুতরাং সেই জায়গাটা থেকে অবশ্যই আমাদের সেনসিটিভ (সংবেদনশীল) হতে হবে।’
তিনি বলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসলে অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। ‘সেটাই আমরা আশা করি। ভারতও যেন এটা মনে রাখে, সেটাই আমরা আশা করি।’
সিঙ্গাপুরে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বাড়ানোর আলোচনা
সম্প্রতি সিঙ্গাপুর সরকারের আমন্ত্রণে দুই দিনের সফর করেছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশটিতে কর্মরত প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ বাংলাদেশির বিষয়ে এবং আরও বেশি দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে সিঙ্গাপুরের শ্রম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
শামা ওবায়েদ বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত জোরদার। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনাল নিয়ে সিঙ্গাপুর সরকারের প্রস্তাবের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এছাড়া সিঙ্গাপুরের বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শনের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীভাবে জ্বালানি উৎপাদন করা হচ্ছে, তা তারা দেখেছেন।
৪ দিন আগে
বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির প্রায় ৫০ জন জ্যেষ্ঠ নির্বাহী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ আরও বাড়ানো, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিসর সম্প্রসারণ, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত নীতিমালা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাত কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহ্দী আমিন এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপ যৌথ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে অতুল কেশাপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সরকারের সদস্যদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো শীর্ষে রয়েছে। এসব কোম্পানি বাংলাদেশে উচ্চমানের ব্যবস্থাপনা, নৈতিক মানদণ্ড ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নিয়ে যে পরিকল্পনা, বিশেষ করে ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য, তার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী মহলের আস্থা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
৪ দিন আগে